সাতক্ষীরা
জলদস্যুদের দাবিকৃত মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে লোকালয়ে ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকালে বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে দাবিকৃত আড়াই লাখ টাকা পরিশোধের পর শুক্রবার(২৯) রাতে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
এর আগে সোমবার ও মঙ্গলবার পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের দাড়গাং এলাকার খাল থেকে ছয় সদস্যের জলদস্যু দলটি মুক্তিপণ আদায়ের জন্য ২টি নৌকাসহ এসব জেলেদের অপহরণ করে নিয়ে যায়।
ফিরে আসা জেলেরা হলেন, মীরগাং গ্রামের সাকাত সরদারের ছেলে মো. ইব্রাহিম, পারশেখালী গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে আব্দুল হামিদ, টেংরাখালী গ্রামের সুজন মুন্ডার ছেলে সুজিত, কালিঞ্চি গ্রামের কেনা গাজীর ছেলে রকিবুল ইসলাম, কেউবাচলির আব্দুস সাত্তারসহ কালিঞ্চি কলোনি পাড়ার আরও দুজন।
ফিরে আসা জেলেরা বলেন, ছয় সদস্যের জলদস্যু দলটি নিজেদেরকে কাজল বাহিনী বলে পরিচয় দিয়েছে। তারা একটি ডিঙি নৌকা ও চারটে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ছোট বৈকেরী খালের মধ্যে অবস্থান করছিল। এই মুক্তিপণের পর আগামী দুই মাস তাদের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশে নুতন কোন টাকা দিতে হবে না বলেও ফিরে আসা জেলেদের জানিয়ে দিয়েছে জলদস্যুরা।
সুজিত জানায় জলদস্যুরা তাদের মারধর করেনি। শুরুতে ৫০ হাজার টাকা মাথাপিছু মুক্তিপণ দাবি করলেও পরবর্তীতে মাথাপিছু ৩৫ হাজার টাকার বিনিময়ে মুক্তি দেয় ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল হামিদ লালটু জানান, অপহরণের শিকার জেলেরা বাড়ি ফিরে এসেছে। ফিরে আসা জেলেদের মধ্যে পাঁচজনের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা গেলেও অপর দুই জনের বাসা কালিঞ্চি কলোনিপাড়ায়।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষণ মোঃ ফজলুল হক জানান, অপহরণের বিষয়টি লোকমুখ তারা শুনেছিলেন। পহেলা সেপ্টেম্বর সুন্দরবনে যাওয়ার উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করে এসব জেলে দাড়গাং এলাকার খালে জাল নৌকা ঠিক করার মুহূর্তে জলদস্যুটা তাদের উঠিয়ে নিয়ে যায়। জলদস্যুদের অপতৎপরতা বন্ধে মৌসুম শুরুর আগে থেকেই স্মার্ট পেট্রোল টিমসহ বন কর্মীদের একাধিক গ্রুপ মাঠে কাজ করছে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, জেলেদের ফিরে আসার বিষয়টি এখনো কেউ পুলিশকে জানায়নি।
জলদস্যুদের দাবিকৃত মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে লোকালয়ে ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকালে বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে দাবিকৃত আড়াই লাখ টাকা পরিশোধের পর শুক্রবার(২৯) রাতে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
এর আগে সোমবার ও মঙ্গলবার পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের দাড়গাং এলাকার খাল থেকে ছয় সদস্যের জলদস্যু দলটি মুক্তিপণ আদায়ের জন্য ২টি নৌকাসহ এসব জেলেদের অপহরণ করে নিয়ে যায়।
ফিরে আসা জেলেরা হলেন, মীরগাং গ্রামের সাকাত সরদারের ছেলে মো. ইব্রাহিম, পারশেখালী গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে আব্দুল হামিদ, টেংরাখালী গ্রামের সুজন মুন্ডার ছেলে সুজিত, কালিঞ্চি গ্রামের কেনা গাজীর ছেলে রকিবুল ইসলাম, কেউবাচলির আব্দুস সাত্তারসহ কালিঞ্চি কলোনি পাড়ার আরও দুজন।
ফিরে আসা জেলেরা বলেন, ছয় সদস্যের জলদস্যু দলটি নিজেদেরকে কাজল বাহিনী বলে পরিচয় দিয়েছে। তারা একটি ডিঙি নৌকা ও চারটে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ছোট বৈকেরী খালের মধ্যে অবস্থান করছিল। এই মুক্তিপণের পর আগামী দুই মাস তাদের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশে নুতন কোন টাকা দিতে হবে না বলেও ফিরে আসা জেলেদের জানিয়ে দিয়েছে জলদস্যুরা।
সুজিত জানায় জলদস্যুরা তাদের মারধর করেনি। শুরুতে ৫০ হাজার টাকা মাথাপিছু মুক্তিপণ দাবি করলেও পরবর্তীতে মাথাপিছু ৩৫ হাজার টাকার বিনিময়ে মুক্তি দেয় ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল হামিদ লালটু জানান, অপহরণের শিকার জেলেরা বাড়ি ফিরে এসেছে। ফিরে আসা জেলেদের মধ্যে পাঁচজনের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা গেলেও অপর দুই জনের বাসা কালিঞ্চি কলোনিপাড়ায়।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষণ মোঃ ফজলুল হক জানান, অপহরণের বিষয়টি লোকমুখ তারা শুনেছিলেন। পহেলা সেপ্টেম্বর সুন্দরবনে যাওয়ার উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করে এসব জেলে দাড়গাং এলাকার খালে জাল নৌকা ঠিক করার মুহূর্তে জলদস্যুটা তাদের উঠিয়ে নিয়ে যায়। জলদস্যুদের অপতৎপরতা বন্ধে মৌসুম শুরুর আগে থেকেই স্মার্ট পেট্রোল টিমসহ বন কর্মীদের একাধিক গ্রুপ মাঠে কাজ করছে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, জেলেদের ফিরে আসার বিষয়টি এখনো কেউ পুলিশকে জানায়নি।
সুন্দরবনের বানিয়াশান্তায় অবস্থিত অরণ্য ছায়া রিসোর্টে অসুস্থ হয়ে পড়া এক পর্যটককে দ্রুত চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
৮ মিনিট আগেকিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চার মাস ১৮ দিন পর এবার রেকর্ড ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া পাওয়া গেছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার।
১ ঘণ্টা আগেছোটবেলা থেকেই দারিদ্রতার সাথে সংগ্রাম করে ছোট বড় সকলের প্রিয়ভাজন হয়ে উঠেছিল সে। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ১৯৭২ সালে বোদা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং দিনাজপুর থেকে এইচএসসি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃতিত্বের সহিত জগন্নাথ হলের ছাত্র ছিল বিভূরঞ্জন সরকার বলেও সহপাঠীরা জানান
২ ঘণ্টা আগেশনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে বোদা উপজেলার ঝলইশালশিরি ইউনিয়নের মোকরারি পাড়া জামে মসজিদের সামনে কামারহাট-ডাবরভাঙ্গা সড়কের উপর দাড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন হয়
৩ ঘণ্টা আগেসুন্দরবনের বানিয়াশান্তায় অবস্থিত অরণ্য ছায়া রিসোর্টে অসুস্থ হয়ে পড়া এক পর্যটককে দ্রুত চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চার মাস ১৮ দিন পর এবার রেকর্ড ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া পাওয়া গেছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার।
ছোটবেলা থেকেই দারিদ্রতার সাথে সংগ্রাম করে ছোট বড় সকলের প্রিয়ভাজন হয়ে উঠেছিল সে। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ১৯৭২ সালে বোদা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং দিনাজপুর থেকে এইচএসসি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃতিত্বের সহিত জগন্নাথ হলের ছাত্র ছিল বিভূরঞ্জন সরকার বলেও সহপাঠীরা জানান
শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে বোদা উপজেলার ঝলইশালশিরি ইউনিয়নের মোকরারি পাড়া জামে মসজিদের সামনে কামারহাট-ডাবরভাঙ্গা সড়কের উপর দাড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন হয়