এএসপি দম্পতির সম্পদের পাহাড়, দুদকে মামলা
নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন সিইসি নাসির উদ্দিন
মালচিং প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে জামালপুরের কৃষি, কম খরচে বেশি লাভে হাসছে কৃষকের মুখ
রমজানে স্কুল বন্ধের আদেশ স্থগিত করল হাইকোর্টের আপিল বিভাগ
উদ্বোধনের ৪ ঘণ্টা পরই ভাঙচুর দশমিনার আ. লীগ কার্যালয়
রাজনীতি

সন্ধ্যায় চরমোনাই পীরের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
শিক্ষা

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি হলেন ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ

গুরুত্বপূর্ণ দুজন উপদেষ্টা আজ দেশ ছাড়তে পারেন বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক সায়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

ফের ঊর্ধ্বগতি সোনার দামে

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৪০ টাকা

দেশীয় স্বর্ণবাজারে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুসের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন দরে ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকায়। এর মাত্র এক দিন আগেই, ৬ ফেব্রুয়ারি বাজুস একই অঙ্কে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা। ফলে এক দিনের ব্যবধানে আগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে আবারও মূল্য বৃদ্ধি করা হলো। চলতি বছরে এ পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ২৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৭ দফা দাম বেড়েছে এবং ৯ দফা কমেছে। আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে, মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল—যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়। এদিকে স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। ২১ ক্যারেটের দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৯০৭ টাকায়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বর্ণের দামের এই ঘন ঘন ওঠানামা ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি করছে, যা সামগ্রিক বাজার ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে।

আবারো ১৯৬.৫ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে সরবরাহ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে দেশের ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৯ কোটি ৬৫ লাখ মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এই ডলার ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয় বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডলার কেনাবেচার ক্ষেত্রে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ও কাট-অফ রেট নির্ধারণ করা হয় ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। একই দরে আগের দিন বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার সংগ্রহ করে। এর আগে চলতি মাসের ২ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত ২১ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার কেনা হয়। ফলে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম পাঁচ দিনেই বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট ডলার ক্রয় দাঁড়িয়েছে ৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত মোট ৪৫১ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে জানুয়ারি মাসজুড়েও একাধিক দফায় বিভিন্ন সংখ্যক বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে একই দরে ডলার সংগ্রহ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বাজারভিত্তিক ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে নির্ধারিত কাট-অফ রেটে ডলার কেনা হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া রিজার্ভ ব্যবস্থাপনার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।  

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের নতুন ইতিহাস, আউন্সপ্রতি দাম ছাড়াল ৫,২০০ ডলার

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স ৫ হাজার ২০০ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের মূল্য শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২১৯ দশমিক ৯৭ ডলারে, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত স্বর্ণের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন ফিউচার বাজারে স্বর্ণের দর ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ২১৬ দশমিক ৮০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলারের চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থান এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন। বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং জানান, ডলার দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমতে পারে—এমন প্রত্যাশা স্বর্ণের বাজারকে আরও চাঙ্গা করেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, স্বর্ণের দাম স্বল্পমেয়াদে আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ২৪০ ডলার ছুঁতে পারে। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুতেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। স্পট সিলভারের দাম বছরে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১১৩ দশমিক ৬৩ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও বেড়েছে যথাক্রমে ২ হাজার ৬৭৯ দশমিক ১৫ এবং ১ হাজার ৯৫১ দশমিক ৯৩ ডলারে। ডয়চে ব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডলারের বিকল্প হিসেবে বাস্তব সম্পদে বিনিয়োগ বাড়ায় ২০২৬ সালের মধ্যে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৬ হাজার ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রভাব বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতায় স্বর্ণ বিনিয়োগকারীদের কাছে অলঙ্কারের গণ্ডি ছাড়িয়ে আর্থিক নিরাপত্তার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দুর্নীতি ও পরিবারতন্ত্রে বিপন্ন বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত: গভর্নর মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান হাবিব মনসুর দেশীয় ব্যাংকিং খাতের বর্তমান দুরবস্থা ও পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি ও সুশাসনের অভাবের কারণে ২০–২৫ বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে পাচার হয়েছে। বর্তমানে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যধিক, তাই বাস্তবতার ভিত্তিতে মাত্র ১০–১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট হবে। তিনি আরও জানান, খেলাপি ঋণের হার নিয়ন্ত্রণে আনা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে রেশনালাইজেশন করা সরকারের লক্ষ্য। বাংলাদেশ ব্যাংক রেজ্যুলিউশন ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে ৩০–৪০ হাজার কোটি টাকা জমা রাখা হবে। নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এই কাঠামোর আওতায় আনা হবে। গভর্নর আশ্বাস দেন, মার্চের মধ্যে খেলাপি ঋণ ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব। তবে সংশোধিত বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ জারি না হলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আবার ফিরে আসার ঝুঁকি রয়েছে। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শরিফ মোশারফ হোসেন এবং বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ। তারা সবাই ব্যাংকিং খাতের সংকট ও প্রয়োজনীয় পুনর্গঠনের উপর গুরুত্বারোপ করেন।  

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

ছবি: সংগৃহীত
ফের ঊর্ধ্বগতি সোনার দামে
নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৪০ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
আবারো ১৯৬.৫ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক
নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
জনতা ব্যাংকের ৭০ শতাংশেরও বেশি ঋণ খেলাপি
বিশেষ প্রতিনিধি> জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

বাগেরহাটে হাদী হত্যার বিচার দাবিতে ছাত্রজনতার আল্টিমেটাম

বাগেরহাট ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

ছবি: প্রতিনিধি
রাজনীতি

নীলফামারী-৪ আসনের জাপা প্রার্থীর বিরুদ্ধে কালো টাকা বিতরণের অভিযোগে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন

নীলফামারী প্রতিনিধি> ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
নীলফামারীতে নিজের নামে উদ্ভাবিত মাল্টার জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চান রাজু

নীলফামারী জেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের ঝাড়পাড়ায় মনিরুজ্জামান (রাজু) গড়ে তুলেছেন রাজু অর্গানিক গার্ডেন অ্যান্ড নার্সারী, যেখানে বিভিন্ন জাতের মাল্টা, কমলা এবং দেশি-বিদেশি ফলের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। রাজু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ পাস করার পর চাকরি না পেয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০১৮ সালে নিজের পৈতৃক দেড় একর জমিতে তিনি মাল্টার বাগান গড়ে তোলেন। বাগানে বর্তমানে রাজু-১ ও রাজু-২ নামে তার উদ্ভাবিত মাল্টার দুটি জাত ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। রাজুর বাগান থেকে নীলফামারীর বিভিন্ন অফিস-আদালত ও দেশের বাইরের জেলায় মাল্টা পাঠানো হচ্ছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। বাগানে কমলা, সিকি মোসাম্বি, বারী-১, বারী-২, মরক্কো, থাই পেয়ারা, বারো মাসী আমড়া, কাঁঠাল, ড্রাগন, আনার, আপেল, কাজু ও পেস্তা বাদামসহ প্রায় ৪০০ প্রজাতির ফলগাছ রয়েছে। রাজু বলেন, “২০১৯ সালে প্রথম ফল পাওয়া শুরু হয়। ২০২০ সালে ফলন ও মিষ্টিতা বেশি হওয়ায় বাজারে চাহিদা বেড়ে যায়। গত বছর বাগান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার আয় হয়েছে, এবারে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে আশা করি।” পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনারুল হক বলেন, “রাজু মনেপ্রাণে কাজ করেছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে মাল্টা ও কমলার উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে সফলতা পেয়েছে।” নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি এই বাগান থেকে বিষমুক্ত, স্বাস্থ্যকর মাল্টা পাওয়া যাচ্ছে। এটি স্থানীয়দের কর্মসংস্থানও দিয়েছে।” নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর রহমান বলেন, “রাজুর বাগান থেকে উৎপাদিত মাল্টা ও কমলা দেশজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে। ভার্মি কম্পোস্ট, জৈব সার ও হাঁড়ের গুড়া ব্যবহার করে আশাতীত ফলন মিলছে। কৃষি বিভাগও রাজুর উদ্ভাবিত মাল্টা জাত দেশের বাজারে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে।”  

সৈয়দপুর, নীলফামারী ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

দেবীগঞ্জে গম ও ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

ছবি: প্রতিনিধি

মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ব্যাপকভাবে আলুখেতে লেটব্রাইট (কোল্ড ইনজুরি) রোগ দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতিদিন কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক স্প্রে করেও সুফল না পাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আলুচাষিরা। জেলায় হিমশীতল বাতাস ও দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশার প্রভাবে শত শত বিঘা আলুখেত আক্রান্ত হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, নামি-দামি বালাইনাশক ব্যবহার করেও রোগ দমন করা যাচ্ছে না। ফলে ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় লোকসানের হিসাব কষে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তারা। কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর দুরাকুঠি এলাকার আলুচাষি আবদুল জব্বার বলেন, গত বছর অনুকূল আবহাওয়ায় ভালো ফলন পাওয়ায় এবার দ্বিগুণ জমিতে আলু আবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু চলতি মৌসুমে শীত ও কুয়াশার কারণে লেটব্রাইট রোগে ফসল নষ্ট হচ্ছে।     কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি রবি মৌসুমে নীলফামারী জেলায় ১৮ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৬২০ টন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান বলেন, আক্রান্ত এলাকার তথ্য পেলে দ্রুত মাঠ পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম জানান, প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশায় আলুখেতে এ ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে।     সৈয়দপুর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে লেটব্রাইট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। কৃষকরা দোকানিদের পরামর্শে ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করছেন। একই সঙ্গে শীত ও কুয়াশা থেকে রক্ষায় বোরো বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সৈয়দপুর, নীলফামারী জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

Irregular rainfall disrupts farming

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

সবজি রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলো বাংলাদেশের কৃষি খাত

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের কৃষি খাত

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

ইমরান খান
কারাবন্দি ইমরান খানের স্বাস্থ্যে গুরুতর অবনতি, হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত

পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান–এর শারীরিক অবস্থা। সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা এক মেডিকেল প্রতিবেদনে তার গুরুতর দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের তথ্য উঠে আসার পর, শেষ পর্যন্ত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ–এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান বর্তমানে কারাবন্দি অবস্থায় দৃষ্টিশক্তির প্রায় ৮৫ শতাংশ হারিয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে শনিবার রাতে সরকার তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, দেশজুড়ে বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক চাপের মুখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংসদবিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইমরান খানের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে। পাশাপাশি তাকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগও দেওয়া হয়েছে। এর আগে ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিতের দাবিতে বিরোধী রাজনৈতিক জোট ও বিভিন্ন দলের নেতারা সংসদের বাইরে এবং বিভিন্ন স্থানে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসংক্রান্ত এই ইস্যু পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন করে আইনি ও সাংবিধানিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার সেনা পাঠানো হচ্ছে যুদ্ধের প্রস্তুতিতে

ছবি: প্রতিনিধি

দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স‌ম্মেলন

ছবি: প্রতিনিধি

কানাডায় হাইস্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত ১০

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি।
পারমাণবিক আলোচনার জন্য ওমানে পৌঁছালেন ইরানের লারিজানি

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি ওমানে পৌঁছে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ জানায়, লারিজানি মাস্কাটে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি ও সুলতান হাইথামের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। আলোচ্যসূচিতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং ইরান-ওমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ওমানের এই মধ্যস্থতায় দ্বিতীয় দফার আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে, যদিও নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। আইআরএনএ জানায়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তুরস্ক, মিশর ও সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে ফোনালাপে চলমান পরিস্থিতি এবং আলোচনার অগ্রগতি তুলে ধরেছেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0

‘আলোচনার পথ নয়, সামরিক পদক্ষেপ নিন’, আত্মহত্যার আগে ট্রাম্পকে ইরানি যুবকের আবেদন

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভেঙে কৌশলে সতর্কের ইঙ্গিত খামেনির

চাঁদে শহর স্থাপনের উদ্যোগে নিচ্ছেন ইলন মাস্ক

হাজার হাজার ইরাকি একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেছেন। ছবি সংগৃহীত
ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কা, এবার পাশে দাঁড়াতে অঙ্গীকার হাজারো ইরাকির

ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় এবার সরাসরি অবস্থান নিল ইরাকের নাগরিকদের একটি অংশ। সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের আশঙ্কায় ইরান ও তেহরান-সমর্থিত শক্তিগুলোর পক্ষে সহায়তায় নামার ঘোষণা দিয়েছেন হাজার হাজার ইরাকি। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানায়, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ইরাকের দিয়ালা প্রদেশে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন। সেখানে তারা জানান, ইরাক, প্রতিবেশী ইরান এবং ইরানঘেঁষা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সুরক্ষায় তারা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতে প্রস্তুত। ঘোষণায় বলা হয়, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে তারা ইরানকে সহায়তা করবেন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রে যেকোনো ধরনের মার্কিন হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করবেন। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ চলমান থাকা সত্ত্বেও এমন ঘোষণা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এর আগে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন। একই সঙ্গে ইসরায়েলও ইরান ইস্যুতে যুদ্ধ প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরানের উপকূলীয় জলসীমার কাছাকাছি মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর অবস্থান এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর কৌশলগত তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

লটারিতে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা জিতলেন দুবাই প্রবাসী সাঈদ

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের উপর চাপ বাড়াতে ট্রাম্পের নতুন শুল্ক কৌশল

ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত ২৫% শুল্ক প্রত্যাহার, মোদি–ট্রাম্প সম্পর্কে নতুন মোড়

আইভ্যাকের নতুন নিয়মে হবে ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা হালনাগাদ

ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভ্যাক) দেশের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হওয়া এই ব্যবস্থায়, পরের দিনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুক করা যাবে। আবেদনকারীদের বিকেল ৫টা ৩০ এর আগে সাইনআপ ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। আইভ্যাক জানিয়েছে, নতুন সিস্টেমে প্রতিটি ব্যবহারকারীকে ইমেইল ও মোবাইলে ওটিপি ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। সাইনআপ ও ডকুমেন্ট আপলোডের পরই অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট খোলা হবে। স্লট বুক করার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত ভিসা ফি প্রদানের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নতুন এই ব্যবস্থা জাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ রোধে এবং আবেদনকারীদের জন্য সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে গৃহীত হয়েছে। আইভ্যাক সকলকে নির্দেশিকাগুলো সতর্কভাবে অনুসরণের জন্য অনুরোধ করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
জিয়ান্নি ইনফান্তিনো

ফিফা সভাপতিকে ‘শত্রু তালিকায়’ অন্তর্ভুক্ত করেছে ইউক্রেন

ছবি: এআই

ফ্লাইটে নারী সহযাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ভারতীয় যুবক গ্রেফতার

সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি

মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলামকে গুলিকরে হত্যা

প্রবাস

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিশ্বের গবেষণা অঙ্গনে আবারও দৃশ্যমান হলো বাংলাদেশি মেধার শক্ত অবস্থান। মালয়েশিয়া প্রবাসী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান আন্তর্জাতিক গবেষণা মূল্যায়নে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন। এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‍্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় তিনি মালয়েশিয়ায় শীর্ষস্থান, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন। বিশ্বের ৩৩ হাজারের বেশি বিজ্ঞানীর মধ্যে এই অবস্থান তার গবেষণাগত প্রভাব ও একাডেমিক উৎকর্ষের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগের বছরেও তিনি একই বৈশ্বিক অবস্থান ধরে রেখেছিলেন। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায়ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি রয়েছে তার। স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী তিনি এই ক্ষেত্রে বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম হন। একই সঙ্গে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের যৌথ বিশ্লেষণে প্রকাশিত শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় মালয়েশিয়ার এনার্জি গবেষকদের মধ্যে তিনি শীর্ষে অবস্থান করেন। গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষা ও উদ্ভাবনে অবদানের জন্য সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন ড. সাইদুর রহমান। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ বিভাগে নির্বাচিত হন তিনি, যেখানে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানীকে সম্মান জানানো হয়। গুগল স্কলার অনুযায়ী তার এইচ-ইনডেক্স ১৪৫ এবং গবেষণাকর্মে সাইটেশন সংখ্যা ৮৬ হাজারের বেশি। ময়মনসিংহের সন্তান ও বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ড. সাইদুর রহমান বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অর্জন একজন বিজ্ঞানীর ব্যক্তিগত সাফল্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধার সক্ষমতাকেই তুলে ধরেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: ‍সংগৃহীত
মানিকগঞ্জে ওমর সানীর রেস্তোরাঁয় গ্রাহককে কুপিয়ে আহত

মানিকগঞ্জে একটি রেস্তোরাঁয় সংঘটিত সহিংস হামলায় একজন গ্রাহক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে মানিকগঞ্জ শহরে চিত্রনায়ক ওমর সানী-র মালিকানাধীন চাপওয়ালার শ্বশুর বাড়ি বাংলা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট-এ এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তির নাম মো. আতিকুর রহমান খান। তার চাচা মো. খলিলুল রহমান খান বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, আতিকুর ও তার কয়েকজন বন্ধু রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে গেলে নারী ক্রেতাদের সঙ্গে এক কর্মীর অশোভন আচরণের প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে অভিযুক্তরা লোহার রড, হাতুড়ি, চাপাতি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় আতিকুরকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মামলায় নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন—ইমরান, লিখন, হাসান, জীবন, মুন্না ও মঞ্জুরসহ মোট ১৩ জন; বাকিরা অজ্ঞাত। ঘটনার বিষয়ে ওমর সানী জানান, অভিযুক্ত কর্মী লিখনকে স্বল্প সময় আগে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং তার আচরণ নিয়ে আগেই সন্দেহ ছিল। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি বিচার দাবি করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার কথাও জানান। মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকরাম হোসেন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।    

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
তানিয়া বৃষ্টি

মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ায় অস্ত্রোপচারে অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি

ধানুশ

২০ কোটির ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ ধানুশকে

রুমিন ফারহানার সঙ্গে ছবিকে ঘিরে আলোচনায় অপু বিশ্বাস

শবনম ফারিয়া
নির্বাচনি আলোচনার শীর্ষে শবনম ফারিয়ার ফেসবুক পোস্ট

দেশে ইতিহাসে প্রথমবার একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি। ভোটকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে উদ্বেগ ও আগ্রহ। এই প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর কাড়লেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল শবনম ফারিয়া। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি ভোট দেওয়ার পাশাপাশি পহেলা ফাল্গুনে শাড়ি না আবায়া পরার প্রশ্ন তুলেছেন, যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে লাইক, শেয়ার ও মন্তব্যের ঝড়ে পরিণত হয়। এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের ভোট প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে এবং দেশের ৪২ হাজার ৬৫৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে ভোটাররা ইতোমধ্যে নিজ নিজ কেন্দ্রে পৌঁছাতে শুরু করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ওমর সানী

ধানের শীষে ভোটের ঘোষণায় বিতর্কে অভিনেতা ওমর সানী

রিনা খান

সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন রিনা খান

শাকিবের ‘রকস্টার’এর নায়িকা নিয়ে রহস্য, পাকিস্তানি নায়িকা থাকার গুঞ্জন

আজ প্রিয়জনকে মিষ্টতায় ভরিয়ে দেওয়ার দিন

সপ্তাহের বিশেষ দিনে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পালিত হলো ‘চকোলেট ডে’, যখন প্রিয়জনকে চকোলেট উপহার দিয়ে সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করার সুযোগ তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, চকোলেট কেবল মিষ্টি খাবার নয়, এটি অনুভূতি প্রকাশের একটি সহজ ও প্রিয় মাধ্যম। যারা সরাসরি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারছেন না, তাদের জন্যও এক টুকরো চকোলেটের মাধ্যমে মন খুলে অনুভূতি জানানো সম্ভব। উপহার হিসেবে ডার্ক চকলেট স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে জনপ্রিয়, কারণ এতে কম চিনি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। মিল্ক চকলেট শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক সকলের কাছে সমান প্রিয়, এবং ক্যারামেল বা বাদাম যুক্ত মিল্ক চকলেট বিশেষ দিনের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। স্বাদের ভিন্নতা পছন্দকারীদের জন্য হোয়াইট চকলেট বা থিমভিত্তিক কাস্টমাইজড চকলেট বক্সও বিকল্প হিসেবে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ দিনটি শুধুমাত্র প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বন্ধু, পরিবার ও কাছের মানুষের সঙ্গে ভালোবাসা ভাগাভাগি করার সুযোগও এটি এনে দেয়। এমনভাবে চকোলেট ডে মনে করিয়ে দেয়, আন্তরিকতা থাকলে একটি ছোট্ট মিষ্টি উপহারও বড় অনুভূতির প্রতীক হয়ে উঠতে পারে। আগামীকাল ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহের ‘টেডি ডে’ পালিত হবে।    

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
পরীমনি

পরীমনিকে বিদেশি নম্বর থেকে প্রাণনাশের হুমকি

ছবি: সংগৃহীত

প্রেমের গুঞ্জনে আলোচনায় সিয়াম–সুস্মিতা

শাকিব খান

বক্স অফিস কাপালেও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকায় নেই শাকিবের নাম

আজহারির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়িকা বর্ষা

চিত্রনায়িকা আফিয়া নুসরাত বর্ষা ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁর লেখা ‘এক নজরে কুরআন’ গ্রন্থকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বর্ষা বইটির প্রশংসা করেন এবং কোরআন অধ্যয়ন সহজতর করার জন্য লেখককে ধন্যবাদ জানান। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে বইটির ছবি প্রকাশ করে বর্ষা লেখেন, বইটি তাঁর পরিবারে কোরআন বোঝার আগ্রহ ও সুযোগ আরও বাড়িয়েছে। তিনি জানান, তিনটি কপি সংগ্রহ করেছেন—এর মধ্যে দুটি তাঁর বোনদের জন্য। পোস্টে বর্ষা উল্লেখ করেন, সংক্ষিপ্ত ও সহজ উপস্থাপনার মাধ্যমে কোরআনের মূল বিষয়গুলো অনুধাবনে বইটি সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী। একই সঙ্গে তিনি ড. আজহারির জন্য দোয়া কামনা করেন। উল্লেখ্য, ‘এক নজরে কুরআন’ সাম্প্রতিক সময়ে পাঠকমহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

শেরপুর ঝিনাইগাতীতে বিএনপি-জামায়েত সংঘর্ষ, ৩০ আহত

সাড়ে ১২ কোটির গাড়ি কিনে আম্বানি-শাহরুখের লিস্টে স্থান পেলেও আফসোস বাদশার

তামান্না ভাটিয়া

রুপালি পর্দা পেরিয়ে ব্যবসার জগতে তামান্না ভাটিয়া

শিক্ষা

আরও দেখুন
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি হলেন ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব

নবগঠিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-এর প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব। আগামী চার বছরের জন্য তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়-এর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর ১১(১) ধারায় এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর স্নাতকোত্তর অধ্যয়ন অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, উপাচার্য হিসেবে যোগদানের আগে তিনি তার মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে উপাচার্যকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন। উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে সমন্বিত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনতে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হয়, যা মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে অনুমোদন করেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

ছবি: প্রতিনিধি

কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলা-২০২৫ শুরু হলো ১২ ডিসেম্বর । নগরীর টাউন হল প্রাঙ্গণে শুক্রবার বিকালে উদ্বোধনী ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে এ মেলার পর্দা উঠলো। মেলাটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) এম এ আকমল হোসেন আজাদ। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বিভাগীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আয়োজিত ১২ ডিসেম্বর হতে শুরু হওয়া ০৯ দিনব্যাপী ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলাটি চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মেলায় ১০ সরকারি ও ৬২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৭২ টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। বইমেলায় প্রতিদিন বিকাল ৩ টা হতে ৫ টা পর্যন্ত আলোচনা সভা, সেমিনার, উপস্থিত বক্তৃতা, কচিকাঁচার উৎসব, কুইজ প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আবৃত্তিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন রয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন সকাল ১০ টা হতে মেলা অনুষ্ঠিত হবে।উদ্বোধনী আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি'র বক্তৃতায় কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) বলেন, এ বইমেলা নতুনদের অনুপ্রাণিত করবে। মেলার মাধ্যমে যে বই হাতে পাবে তা বাংলাভাষাকে জীবন্ত রাখবে। যখন সবচেয়ে বেশি দরকার হবে বই এগিয়ে আসবে। জড় বস্তু বইয়ের মধ্যে প্রাণের স্পন্দন খুঁজে পাবেন। মেলা শুধু বইয়ের স্তুপ নয়,এটা কথোপকথনের জায়গাও বটে।তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতির রাজধানী এই ময়মনসিংহ অঞ্চল। এ জায়গাতে কালচারাল হাব গড়ে তুলতে চাই। তাতে করে সাংস্কৃতিক চর্চায় আরো সমৃদ্ধ হবে এ অঞ্চল।বিভাগীয় কমিশনার মিজ্ ফারাহ শাম্মী এনডিসি এর সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক অধ্যাপক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাঃ খালিদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতাম্মেল ইসলাম ও শহীদ সাগরের গর্বিত পিতা মোঃ আসাদুজ্জামান প্রমুখ। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার তাহমিনা আক্তার স্বাগত বক্তৃতা করেন।বক্তৃতায় অতিথিবৃন্দ বলেন, পাঠক সমাজ সৃষ্টি করতেই বইমেলার মূল উদ্দেশ্য। এতে নতুন পাঠক সৃষ্টি হয়। মেলায় সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অনেক নতুন বই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছে যায়।একটি বই অন্য আরেকটি বইয়ের কাছে নিয়ে যায়। বইমেলায় আসতে আপনারা সকলকে উদ্বুদ্ধ করবেন। আমরা যতটুকু শিখেছি বই থেকেই শিখেছি। ডিজিটাল যুগে বই কম টানে কিন্তু মুদ্রিত বইয়ের চাইতে আনন্দ উপভোগ করা খুব কমই হয়।পাঠক ও লেখকের মাঝে মিথষ্ক্রিয়া ঘটায় বইমেলা। সমাজে আলোকিত মানুষ গড়ে তোলাতে বই খুবই প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। বই হতে পারে আমাদের উপহারের মাধ্যম।সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বৈষম্যহীন আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।সৃজনশীলতা ও চিন্তার বিকাশ ঘটায় বই। তরুণদের যুক্তিবাদী করে তুলে বই। শিশুদের জন্য যেন খেলনার চাইতেও প্রিয় এবং প্রবীণদের জন্য যেন সঙ্গী হয় এই বই, এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যাপকগণ, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, সরকারি দপ্তরগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সিনিয়র শিক্ষকমন্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, কবি, লেখক ও প্রকাশকবৃন্দ, সাহিত্যপ্রেমী নাগরিকবৃন্দ, সুশীল সমাজ, সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।অতিথিবৃন্দ কর্তৃক বইয়ের স্টল পরিদর্শনের মাধ্যমে মেলাটির বর্ণিল আয়োজন আরো সমৃদ্ধ লাভ করে। শুরুর দিনই মেলাতে বইপ্রিয় মানুষের উপচে পড়া ভীড় দেখা যায়।

রতন লাল ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ 0

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে

সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি প্রদান দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এসেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক স্কুলেই শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে অনুপস্থিতির হার দিন দিন বাড়ছে, যা উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। বিশেষ করে প্রান্তিক ও দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পাওয়া এক ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।   মাঠপর্যায়ের তথ্য বলছে, অনেক স্কুলেই বছরের শুরু থেকেই ইউনিফর্ম সরবরাহ হয়নি। আবার উপবৃত্তির টাকা এখনো পৌঁছায়নি শিক্ষার্থীদের হাতে। এতে করে দরিদ্র পরিবারগুলো শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে। অনেক অভিভাবকই বলছেন, পরিবারের আর্থিক দুরবস্থার কারণে সন্তানদের ইউনিফর্ম কেনা বা অন্যান্য শিক্ষা সামগ্রী সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। সেই সাথে উপবৃত্তির অর্থ সময়মতো না পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া কমে গেছে। এতে করে ঝরে পড়ার আশঙ্কা আরও বাড়ছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ প্রশংসনীয় হলেও মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি ও ইউনিফর্ম একটি সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। কিন্তু এই সুবিধা নিয়মিতভাবে না পৌঁছালে তাদের স্কুলে উপস্থিতি ব্যাহত হয়। অনেক সময় দেখা যায়, একই পোশাক বারবার পরার ফলে তা নষ্ট হয়ে যায় এবং নতুনটি কেনার সামর্থ্য না থাকায় শিক্ষার্থীরা স্কুলে অনুপস্থিত থাকে। অন্যদিকে, উপবৃত্তির টাকায় তারা যাতায়াত খরচ, খাতা-কলম কিংবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করে থাকে। এই অর্থ না পেলে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।   শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনেকে জানিয়েছেন, বাজেট বরাদ্দে বিলম্ব এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি সরবরাহে দেরি হচ্ছে। তবে তারা আশ্বস্ত করেছেন, চলতি বছরের মধ্যেই সমস্যার সমাধান হবে এবং শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য সুবিধা যথাসময়ে পৌঁছে যাবে।   তবে অভিভাবক ও শিক্ষকদের দাবি, শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। শিশুদের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত রাখার জন্য তাদের মৌলিক চাহিদাগুলোর দিকে নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণির, তাদের জন্য শিক্ষা যেন বিলাসিতা না হয়ে যায়। সরকারের উচিত বরাদ্দ, বণ্টন ও বাস্তবায়নে আরও জোর দেওয়া, যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী তার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতভাবে পায়।   এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার আরও কমে যেতে পারে এবং জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হতে পারে। তাই এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া দরকার, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষাজীবন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

সরকারি স্কুলে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল হাজিরা চালু, নজরদারিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, চালু হচ্ছে কেন্দ্রীয় আবেদন ও মেধাতালিকা

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?
নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে? শিক্ষা হলো একটি জাতির ভবিষ্যতের মূল ভিত্তি। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে শিক্ষা ব্যবস্থায়ও আসে নানা ধরনের পরিবর্তন। ২০২৫ সালে ঘোষিত নতুন শিক্ষানীতি অনেকের নজর কেড়েছে, আবার অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মনে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন—এই নীতিতে কী ধরনের বড় পরিবর্তন এসেছে, আর এতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কীভাবে প্রভাবিত হতে পারে? এই নতুন শিক্ষানীতির সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন। পূর্বে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বার্ষিক পরীক্ষার ওপর নির্ভর করেই মূল্যায়ন করা হতো। তবে নতুন নীতিতে পরীক্ষার চাপ কমিয়ে বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এখন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণ ক্ষমতা ও ব্যবহারিক জ্ঞানকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর ফলে যারা মুখস্থভিত্তিক পড়ালেখায় দুর্বল, তারা কিছুটা স্বস্তি পাবে, এবং মেধা বিকাশের সুযোগও বাড়বে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে পাঠ্যসূচিতে। আগের তুলনায় পাঠ্যবইগুলোকে আরও প্রাসঙ্গিক ও বাস্তবমুখী করা হয়েছে। এখন থেকে পাঠ্যবইয়ে থাকবে জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, স্বাস্থ্য সচেতনতা ইত্যাদি বিষয়ে বাস্তবধর্মী পাঠ। শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করবে না, বরং জীবন দক্ষতা অর্জনের জন্যও পড়বে। এতে তারা বাস্তব জীবনে আরও প্রস্তুত হয়ে উঠবে। এছাড়া, প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অনলাইন ক্লাস, ভার্চুয়াল ল্যাব এবং ডিজিটাল কনটেন্টের মাধ্যমে শিক্ষা আরও সহজলভ্য ও আকর্ষণীয় করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পেয়ে উপকৃত হবে। তবে এর জন্য দেশের সব স্কুলে ইন্টারনেট ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো নিশ্চিত করাটা চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। নতুন শিক্ষানীতিতে শিক্ষক প্রশিক্ষণকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, একজন শিক্ষক যত বেশি দক্ষ হবেন, তত বেশি শিক্ষার্থী উপকৃত হবে। তাই শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তি ও শিক্ষাদান পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটি দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। তবে এই নীতির বাস্তবায়ন নিয়ে অনেকের মধ্যেই রয়েছে সংশয়। অনেক স্কুলে এখনও পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, প্রযুক্তির সুবিধা নেই, এমনকি মৌলিক অবকাঠামোর অভাব রয়েছে। তাছাড়া, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মানসিক প্রস্তুতিও অনেক জায়গায় এখনও অনুপস্থিত। কাজেই নীতির কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে শুধু নীতি নির্ধারণে সীমাবদ্ধ না থেকে এর জন্য পর্যাপ্ত বাজেট, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিতে হবে। সব মিলিয়ে নতুন শিক্ষানীতি শিক্ষার্থীদের জন্য সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। তবে এর সুফল পেতে হলে প্রয়োজন বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা, সঠিক বাস্তবায়ন এবং সব পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। এই পরিবর্তন যদি সফলভাবে কার্যকর হয়, তাহলে আগামী দিনের শিক্ষার্থীরা হবে আরও দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী এবং আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব

ছাত্র জীবনে টাইম ম্যানেজমেন্ট: সফলতার চাবিকাঠি

আইইএলটিএসের প্রস্তুতি মেনে চলুন এই ১০ ধাপ

আমিনুল ইসলাম বুলবুল
দেশ ত্যাগ করে অস্ট্রেলিয়ায় বিসিবি সভাপতি আমিনুল

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জরুরি প্রয়োজনে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন সফরে গেছেন। দেশ ছাড়ার আগে তিনি বিসিবির পরিচালকবৃন্দের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বার্তায় তার সফরের তথ্য নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, তার অনুপস্থিতিতেও স্ব-স্ব কমিটির কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তিনি অনলাইনে সক্রিয় থাকবেন। সফরের সময় তিনি বিসিবি সদস্যদের রমজান মাসের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান এবং আশ্বস্ত করেন, শিগগিরই দেশে ফিরবেন। বুলবুল দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁকে দায়িত্ব দেয় এবং পরবর্তীতে নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি বিসিবির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
লিওনেল মেসি

ভোট দিচ্ছেন না মেসি, নিরপেক্ষ থাকছেন এই কিংবদন্তি

বিশ্বকাপে না খেললেও শাস্তি নয়, বরং বাড়তি আইসিসি ইভেন্ট পাচ্ছে বিসিবি

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডের  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত

ছবি: সংগৃহীত
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্তে পাকিস্তানকে ধন্যবাদ আসিফ জানান নজরুল

বাংলাদেশকে ২০২৬ আইসিসি টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এ সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানান। এ অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে পাকিস্তান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বক্তব্যে আসিফ নজরুল বলেন, খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে রাখার প্রশ্নে পাকিস্তানের অবস্থান প্রশংসনীয়। তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন—বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ হিসেবেই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে তারা বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। উল্লেখ্য, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে শুরু হচ্ছে ২০২৬ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। সূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। তবে নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলে আইসিসি দলটিকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় এবং পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত যৌক্তিক আশঙ্কা উপেক্ষা করেই আইসিসি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের অবস্থান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বর্জন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল নেপালকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে পাকিস্তান-ভারত উত্তেজনা, আইসিসি’র জরুরি বৈঠক

সৈয়দ আব্দুস সামাদ বা মহাজাদুকর সামাদ
ফুটবলের কিংবদন্তি সামাদের ৬২তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

ফুটবলের কিংবদন্তি সৈয়দ আব্দুস সামাদ বা মহাজাদুকর সামাদ এর ৬২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি)। সামাদ ১৯৬৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পার্বতীপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯১৫ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত ২৩ বছর খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি তার অপূর্ব দক্ষতা এবং জাদুকরী ফুটবল খেলায় দেশ-বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ক্রীড়াজগতের চমকপ্রদ ঘটনা ও তার অভিনব খেলার কৌশল আজও খেলাপ্রেমীদের মুখে মুখে জীবন্ত। সামাদ ১২ বছর বয়সে কোলকাতা মেইন টাউন ক্লাবে ফুটবল খেলা শুরু করেন। পরবর্তীতে ত্ররিয়িন্স ক্লাব, তাজ হাট ক্লাব, অল ইন্ডিয়া দল ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে খেলেছেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর পার্বতীপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি রেলওয়েতে কর্মরত থাকলেও তার খ্যাতির কারণে নতুন পদ সৃষ্টি হয়। সামাদের স্মৃতি বিজড়িত ফুটবল মিলনায়তন ও বাড়ি বর্তমানে দখল হয়ে নষ্ট হতে বসেছে। সরকারি পর্যায়ের কোনো উদ্যোগ না থাকায় নতুন প্রজন্ম তার অবদান ভুলে যেতে বসেছে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, সামাদের জীবন ও কৃতিত্ব প্রাথমিক শিক্ষাপাঠ্য ও পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও তার ইতিহাস থেকে শিক্ষালাভ করতে পারে।

সৈয়দপুর, নীলফামারী ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আইসিসি–ক্রিকেটার সংগঠনের দ্বন্দ্ব তীব্র

আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে সর্বনিম্ন স্থানে বিপিএল

ছবি: প্রতিনিধি

ইয়ং টাইগার্স অনুর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

আমিনুল ইসলাম বুলবুল
বিসিবি সভাপতির প্রশ্ন: ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এত আগ্রহ কেন?

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের দেশ ত্যাগের গুজব উড়াল দেওয়ার পরে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে গুজবকে ‘মিথ্যা’ ঘোষণা করেছেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত্রে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে পড়ে যে বুলবুল অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। এ বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, বিসিবির কাজের চাপের কারণে তিনি কোথাও যাচ্ছেন না।  বুলবুলের বক্তব্য, “আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এত আগ্রহ কেন? আমার অবস্থান জানানো কি সত্যিই জরুরি?” তিনি আরও বলেন, “কি মনে হচ্ছে, আমি কি দেশের বাইরে?” বিসিবি সভাপতির পরিবার বহু বছর ধরে মেলবোর্নে বসবাস করছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পরও তিনি বেশ কয়েকবার মেলবোর্নে গিয়ে অনলাইনে অফিস পরিচালনা করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল প্রথমবারের সাফ চ্যাম্পিয়ন

ট্রিনিটি রডম্যান

নারী ফুটবলে সর্বোচ্চ আয়কারী হিসেবে ইতিহাস গড়লেন ট্রিনিটি রডম্যান

বাংলাদেশ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো
সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস এবং অন্যান্য প্রদেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। স্থানীয়রা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কারাকাসের কেন্দ্রস্থলস্থ সামরিক বিমানঘাঁটি লা কার্লোটা ও প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফুয়ের্তে তিউনা। উভয় স্থানের বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে হামলার জন্য দায়ী করেছে। তাদের দাবি, দেশজুড়ে সামরিক স্থাপনা এবং বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। হামলার কারণে কারাকাসসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, এবং আকাশে বিমান চলাচল অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত এবং মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র
ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে গোপনে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করেছে—যদিও সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল–ইরান উত্তেজনার মধ্যে এটি একটি অব্যাহত এবং সূক্ষ্ম পদক্ষেপ। জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরান আক্রমণের পরও টেবিলে কূটনৈতিক বিকল্প রেখেছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক জবাববৎ কিছু সীমাবদ্ধ পদক্ষেপ নিয়েছে । মঙ্গলবার মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, "আলোচনাগুলো ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, সরাসরি ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে" এবং তিনি এগুলোকে “promising” হিসেবে বর্ণনা করেন । এদিকে রিপোর্টগুলো অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সমন্বিত প্রস্তাব দিতে পারে: ২০–৩০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, নিষিদ্ধ নয়-সমৃদ্ধি পারমাণবিক উদ্যোগে এবং জমানো তহবিল মুক্ত করার সম্ভাবনা সহ । তবে ইরানের পক্ষ থেকে তেমন আগ্রহ প্রকাশ না করেই তারা জানাচ্ছে, “সংঘাত চলাকালীন কোনো অর্থবোধক আলোচনা হয়নি” এবং ইরান কোনো আলাপ-আলোচনায় অংশ নিতে ইচ্ছুক নয়—এ পর্যন্ত পরোক্ষ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে । এই পরিস্থিতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের যৌক্তিকতা হলো—এটি একটি "হেডফেক" বা প্রকাশ্য হুমকির ছায়ায় গোপন দ Diplomacy, যা ইরানের উত্তেজনায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে তাকে পুনরায় টেবিলে আনাতে চায় । বেশ কিছু অনুসন্ধানমূলক মিডিয়া যেমন CNN ও NBC বলছে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে মুক্তি এবং ফোর্ডো কেন্দ্রটি একটি বেসামরিক পারমাণবিক কেন্দ্র হিসেবে পুনর্গঠন উপস্থাপন করা হয়েছে । উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মিডিয়া প্রকাশনাগুলোতে সহজ-সরল বৈঠক নয়, বরং একটি স্ট্র্যাটেজিক কৌশল লক্ষ্য করা যাচ্ছে—যেখানে সামরিক হামলা ও কূটনৈতিক আমন্ত্রণ একই ছত্রছায়ায় অনুদিত হচ্ছে । এই প্রসঙ্গে সামুদ্রিক মধ্যপ্রাচ্যীয় প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী দেশ যেমন ওমান ও কাতার নির্দ্বিধায় ভূমিকায় রয়েছে, যাতে তারা গোপন পর্যায়ে যোগাযোগ সহজতর করতে পারে । এতে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পুনরায় আলোচনায় ফেরাতে চায়। যদিও সামনের দুর্গম পদক্ষেপগুলো নির্ভর করছে ইরানের উত্তর ও মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক উত্তেজনার দিকে নজর দিয়ে — আর তা জোরালো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0
ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

iranqatar

ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ
ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসরায়েল ও ইরানের দ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। বহু বছর ধরে এ দুই দেশের মধ্যে চলা গোপন ও প্রকাশ্য উত্তেজনা ২০২৫ সালে এসে সরাসরি সংঘর্ষে রূপ নেয়। ড্রোন হামলা, সাইবার আক্রমণ এবং সীমান্তে সরাসরি পাল্টা-প্রতিক্রিয়া পুরো অঞ্চলকে কাঁপিয়ে তোলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ের একটি শান্তিপূর্ণ সমঝোতা এবং যুদ্ধবিরতির ঘোষণা কি সত্যিই এই দীর্ঘ শত্রুতা শেষের ইঙ্গিত দিচ্ছে? আর এই দ্বন্দ্বে কে কী পেল? যুদ্ধের পটভূমি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ—দুইয়ের সংঘর্ষ থেকেই উত্তেজনার সূচনা। ইসরায়েলের দাবি ছিল, ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যা পুরো অঞ্চলের জন্য হুমকি। অন্যদিকে, ইরান বরাবরই দাবি করেছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। ২০২৫ সালের শুরুতে সিরিয়ায় একটি ইরানি সামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধে ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইসরায়েল ইরানের বেশ কয়েকটি সামরিক ও পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায়। কয়েক সপ্তাহের এই সংঘাতে শত শত মানুষ নিহত ও আহত হয় এবং হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়। যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলের চাপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মধ্যস্থতায় অবশেষে দুই দেশ এক অঘোষিত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। একটি অস্থায়ী চুক্তির আওতায়— ইরান পরমাণু কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনবে এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের অনুমতি দেবে ইসরায়েল নতুন করে ইরানি স্থাপনায় আঘাত না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলো এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে কে কী পেল? ইরান যা পেল: আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হতে পারে আঞ্চলিক মিত্রদের (যেমন: হিজবুল্লাহ, সিরিয়া) সমর্থন অব্যাহত রাখতে পারবে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একটি বিজয় দাবি করার সুযোগ ইসরায়েল যা পেল: ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে একটি সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কিছুটা স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক সমর্থন   তবে যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ?   এই প্রশ্নের উত্তর সহজ নয়। যদিও সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে, কিন্তু দুই দেশের আস্থা একে অপরের প্রতি এখনও ভঙ্গুর। আঞ্চলিকভাবে প্রক্সি গোষ্ঠীর মাধ্যমে উত্তেজনা অব্যাহত থাকতে পারে। পর্দার আড়ালে সংঘর্ষ, সাইবার হামলা ও গুপ্তচরবৃত্তি চলতেই থাকবে বলেই বিশ্লেষকদের ধারণা। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের এই পর্ব আপাতত শেষ হলেও প্রকৃত অর্থে শান্তি আসেনি। মধ্যপ্রাচ্য এখনও একটি বিস্ফোরক ভূখণ্ড, যেখানে যে কোনো সময় আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এই বিরতি শুধু "শ্বাস নেওয়ার" সময়, কিন্তু "সমাধান" নয়।

রতন লাল জুন ২৫, ২০২৫ 0

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

রাজনীতি

আরও দেখুন
বগুড়া–৬ আসন ছাড়লেন তারেক রহমান

সংসদীয় আইনানুগ বাধ্যবাধকতার প্রেক্ষিতে একটি আসন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সে অনুযায়ী তিনি বগুড়া–৬ আসনটি পরিত্যাগ করে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করেছেন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) কমিশনে পৌঁছানো চিঠিতে তিনি ঢাকা–১৭ আসনটি সংরক্ষণের কথা জানান। কমিশন সূত্র জানায়, আইন অনুযায়ী একাধিক আসনে নির্বাচিত হলেও সংসদ সদস্য হিসেবে কেবল একটি আসন গ্রহণ করা যায়; অবশিষ্ট আসন শূন্য ঘোষণা করে সেখানে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
আফরোজা রিতা

মন্ত্রীসভায় কি থাকবেন আফরোজা রিতা?

এনসিপি যমুনায় আজ সন্ধ্যায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে

সন্ধ্যায় চরমোনাই পীরের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

নাহিদ ও সারজিসকে বুকে টেনে নিলেন তারেক রহমান

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর শীর্ষ নেতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাড্ডায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম-এর বাসভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বাসায় প্রবেশের সময় তারেক রহমান নাহিদ ইসলাম ও উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে বুকে টেনে নেন তারেক রহমান। বিএনপি সূত্র জানায়, নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ইতিবাচক সংলাপের উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুর নবী খান সোহেল, হুমায়ুন কবির এবং চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে এনসিপির পক্ষে সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সারজিস আলমসহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

“কৃষককে অসম্মান করা মানে বাবাকে অপমান করা”: ড. শফিকুর রহমান

ছবি: প্রতিনিধি

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা পারস্পরিক শুভেচ্ছায় প্রকাশ করলেন রাজনৈতিক সৌহার্দ্য

ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিশাঙ্কা

শেরপুর সদর-১ আসনে ‘ভোট কারচুপি’র অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর

৪১ বছরে ইতিহাস! নাটোর-১ আসনে সর্বকনিষ্ঠ নারী এমপি পুতুলের জয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-১ (লালপুর–বাগাতিপাড়া) আসনে ইতিহাস গড়লেন ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। মাত্র ৪১ বছর বয়সে তিনি দেশের সর্বকনিষ্ঠ নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্য হিসেবে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছেন। একই সঙ্গে এ আসনে প্রথম নারী এমপি হিসেবেও নিজের নাম লেখালেন তিনি। দীর্ঘ ১৮ বছর পর বিএনপির হারানো ঘাঁটি পুনরুদ্ধার করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বার্তা দিলেন পুতুল। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আসমা শাহীন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন পুতুল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল কালাম আজাদ (দাঁড়িপাল্লা) পান ৮৯ হাজার ৪৩১ ভোট। বিজয়ের পর প্রতিক্রিয়ায় পুতুল মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “এই বিজয় লালপুর–বাগাতিপাড়ার আপামর মানুষের। দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের অক্লান্ত পরিশ্রমই এ সাফল্যের মূল ভিত্তি।” রাজনৈতিক ঐতিহ্যবাহী পরিবারে জন্ম নেওয়া পুতুল বিএনপি সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, মরহুম ফজলুর রহমান পটল–এর কন্যা। ফজলুর রহমান পটল ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে এ আসন থেকে ধারাবাহিকভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে নাটোর-১ আসনকে বিএনপির শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত করেছিলেন। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আসনটি হাতছাড়া হয় এবং পরবর্তী এক দশকেরও বেশি সময় বিএনপি সেখানে প্রতিনিধিত্বহীন থাকে। বাবার মৃত্যুর পর সেই রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বে পুনরুজ্জীবিত করলেন পুতুল। তার এ বিজয় কেবল একটি আসন পুনরুদ্ধারের ঘটনা নয়; বরং প্রজন্মান্তরের নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা ও নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিখাদ খবর ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছে ৪টি ইসলামিক দল

ছবি: প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ে ভোটে জিতেই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিলেন বিএনপি নেতা

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা হবে সন্ত্রাসমুক্ত ও অধিকারবান্ধব

এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত
জনগণের স্বপ্নপূরণে ফের সংসদে এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ–বকশিগঞ্জ) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এর আগে তিনি ২০০১ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দেওয়ানগঞ্জ ও বকশিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ১২৯টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে দেওয়ানগঞ্জে ৭৬টি এবং বকশিগঞ্জে ৫৩টি কেন্দ্র। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৬ ভোট পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৯৭ হাজার ৮২০ ভোট। ফলে দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দাঁড়ায় ৭৫ হাজার ৮৩৬। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মো. আব্দুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীকে ৪ হাজার ১২১ ভোট, **জাতীয় পার্টি**র এ. কে. এম ফজলুল হক লাঙল প্রতীকে ৯৩১ ভোট এবং **গণধিকার পরিষদ**র মো. রফিকুল ইসলাম ট্রাক প্রতীকে ২২৬ ভোট পেয়েছেন। ফলাফল ঘোষণার পর এলাকায় বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।  

দেওয়ানগঞ্জ, জামালপুর ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম

বাগেরহাট–৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের রেকর্ড বিজয়

শেরপুর-১ আসনে জামায়াত ও শেরপুর-২ আসনে বিএনপি'র বিজয়

ছবি: সংগৃহীত

লাঙল নিয়ে ‘জানাজা’ আয়োজনের ছবি ভাইরাল