ইরান ইস্যুতে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান, পদত্যাগ মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তার
হরমুজ প্রণালিতে সামরিক পদক্ষেপে অংশ নেবে না ফ্রান্স: ম্যাক্রোঁ
জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেতা শামস সুমন আর নেই
কারামুক্তির পরপরই জেলগেট থেকে ফের গ্রেফতার ইউপি চেয়ারম্যান
ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন মামলার দ্রুত নিস্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয়

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন মামলার দ্রুত নিস্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
বিশ্ব

বাহরাইন প্রবাসীদের ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইট, শুরু হয়েছে নিবন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
বিশ্ব

মার্কিন নাগরিকদের জন্য সৌদি আরব ত্যাগের জরুরি নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
অর্থনীতি

পদত্যাগ করলেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ঈদে বিশেষ শিডিউলে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখা হবে

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স বিভাগ সোমবার (১৫ মার্চ) দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, আগামী ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর সংলগ্ন শাখা ও বুথগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী খোলা থাকবে। পোশাক শিল্প অধ্যুষিত এলাকায় ১৮ ও ১৯ মার্চ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে, তবে গ্রাহকের লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। বন্দর সংলগ্ন শাখাগুলো নিজেদের ব্যবস্থায় লেনদেন নিশ্চিত করবে। তবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ঈদের দিন (২১ মার্চ) সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এই সিদ্ধান্তে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং শিল্পখাতে বেতন-ভাতা পরিশোধের কার্যক্রম সচল রাখা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও দাপ্তরিক কার্যক্রমের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে।  

আবারো কমলো স্বর্ণের দাম

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজারে নতুন দাম ঘোষণা করেছে। এবার ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের দামের চেয়ে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কম। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা। স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৭৩২ টাকায় বিক্রি হবে। নতুন এই দাম আজ (১৪ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে স্বর্ণের দাম ৪৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৬ বার দাম বৃদ্ধি এবং ১৭ বার দাম কমানো হয়েছে। রুপার দাম ২৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১১ বার কমানো হয়েছে। এ সমন্বয় মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ওঠানামা এবং স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় করা হয়েছে, যাতে সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য স্থিতিশীল বাজার নিশ্চিত করা যায়।

ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ শ্রমমন্ত্রীর

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের শিল্পকারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও উৎসব ভাতা সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন আরিফুল হক চৌধুরী। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডে তার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে বলেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ বৈঠকে তৈরি পোশাক (আরএমজি) ও অন্যান্য শিল্পখাতে সম্ভাব্য শ্রম অসন্তোষ প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, শ্রমিকদের পাওনা বেতন ও বোনাস নিয়ে কোনো ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হলে তা সহ্য করা হবে না এবং এ বিষয়ে মালিকপক্ষ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ঝুঁকিপূর্ণ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের কাছে পাঠানো হবে, যাতে তারা মালিকপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে বকেয়া পরিশোধ নিশ্চিত করতে পারেন। পাশাপাশি যেসব ব্যাংক শিল্পকারখানাগুলোর ঋণ প্রক্রিয়ায় বিলম্ব করছে, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত অর্থ ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। তিনি আরও সতর্ক করেন, শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে শিল্পখাতে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হলে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। একই সঙ্গে পলাতক বা অনিয়মে জড়িত মালিকদের প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রণয়নেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সভায় উপস্থিত শিল্পমালিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, অধিকাংশ কারখানাই ইতোমধ্যে শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধ করেছে। সরকারের পক্ষ থেকেও শ্রমিকদের স্বার্থ সুরক্ষায় কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।  

১২ দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ল ১৬ জ্বালানি জাহাজ, পথে আরও তিনটি

মার্চের প্রথমার্ধে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি পণ্য এসে পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে, যা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতে জ্বালানির সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এলএনজি, এলপিজি এবং অন্যান্য পরিশোধিত জ্বালানি বহনকারী মোট ১৬টি জাহাজ ইতোমধ্যে বন্দরে এসেছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও তিনটি জাহাজ আগমনের সম্ভাবনা রয়েছে। মার্চের প্রথম দশকে কাতার থেকে আগত তিনটি এলএনজি ট্যাংকার—‘আল জুর’, ‘আল জাসাসিয়া’ ও ‘লুসাইল’—প্রতিটি প্রায় ৬২ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস খালাস করেছে। এছাড়া ১২ মার্চ বন্দরে পৌঁছানো ‘আল গালায়েল’ জাহাজ থেকে প্রায় ২৬ হাজার টনের বেশি এলএনজি ভাসমান সংরক্ষণ ও পুনর্গ্যাসীকরণ ইউনিটে স্থানান্তর প্রক্রিয়া চলছে। একই সময়ে এলপিজিবাহী জাহাজের সংখ্যাও ছিল উল্লেখযোগ্য। মালয়েশিয়া ও ওমান থেকে আগত ট্যাংকারগুলো থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ১৯ হাজার টনের বেশি এলপিজি খালাস করা হয়েছে। আরও কয়েকটি জাহাজে খালাস কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা মার্চের মধ্যভাগের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এলএনজি ও এলপিজির পাশাপাশি ফার্নেস অয়েল, গ্যাস অয়েল, ডিজেল এবং বেজ অয়েলসহ শিল্পখাতের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি উপকরণও বন্দরে পৌঁছেছে। বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি এবং প্রায় চার হাজার টন বেজ অয়েল দেশে এসেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা জাহাজ চলাচল ও বিমা ব্যয়ে প্রভাব ফেলতে পারে। তবুও বর্তমানে বন্দরে জাহাজ আগমন ও খালাস কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে, ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও গৃহস্থালির জ্বালানি সরবরাহে তাৎক্ষণিক কোনো বিঘ্নের আশঙ্কা নেই।

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

বাগেরহাটে হাদী হত্যার বিচার দাবিতে ছাত্রজনতার আল্টিমেটাম

বাগেরহাট ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

ছবি: প্রতিনিধি
কৃষি ও জলবায়ু

মধু চাষে মধুর জীবন গড়ছেন শিক্ষক সাহানুর

নীলফামারী প্রতিনিধি> মার্চ ১২, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
মধু চাষে মধুর জীবন গড়ছেন শিক্ষক সাহানুর

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের সাহানুর ইসলাম শিক্ষকতার পাশাপাশি মধু চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করছেন। জলঢাকার বগুলাগাড়ী হুসাইনিয়া (রাঃ) কওমিয়া মহিলা হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে স্বল্প বেতনে চার সদস্যের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হওয়ায় প্রায় তিন বছর আগে তিনি মধু চাষ শুরু করেন। এখন এই পেশা থেকেই বাড়তি আয়ের পথ তৈরি হয়েছে তার। সরিষা ক্ষেত, মিষ্টিকুমড়া ক্ষেত, লিচুবাগানসহ বিভিন্ন ফলবাগান ও ফসলের মাঠে মৌবাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করেন সাহানুর। নিজ জেলা ছাড়াও ঠাকুরগাঁও ও লালমনিরহাটের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে তিনি মধু সংগ্রহ করেন। পরে স্থানীয় বাজার ও অনলাইনে তা বিক্রি করেন। বর্তমানে তার কাছে ১৫টি মৌবাক্স রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি এপিস মেলিফেরা এবং ৫টি এপিস সেরেনা প্রজাতির মৌমাছি রয়েছে। এপিস সেরেনা জাতের মধুর কেজি বাজারে প্রায় ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা, আর এপিস মেলিফেরা প্রজাতির মধু ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হয়। সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ উপজেলার একটি লিচুবাগানে বসানো ১০টি মৌবাক্স থেকে হারভেস্টিং মেশিনে প্রায় ৭ কেজি মধু সংগ্রহ করেন তিনি, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭ হাজার টাকা। এটি লিচু ও মিষ্টিকুমড়া ফুলের সমন্বিত মধু। সাহানুর ইসলাম বলেন, “মধু চাষে খরচ খুব কম। মৌসুমে তেমন খরচ লাগে না। বর্ষাকালে মৌমাছিকে বাঁচিয়ে রাখতে কিছুটা চিনি দিতে হয়। তবে মৌমাছির সংখ্যা বাড়লে মধু উৎপাদনও বাড়ে।” তিনি আরও জানান, মৌমাছি শুধু মধুই দেয় না, পরাগায়নের মাধ্যমে ফল ও সবজির ফলনও বাড়ায়। তিন কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বিভিন্ন ফসলের জমিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। স্থানীয় মিষ্টিকুমড়া চাষি সহিদুল ইসলাম জানান, “মৌচাষের কারণে জমিতে পরাগায়ন ভালো হয়। গত বছর ৪০ শতক জমি থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা লাভ করেছি। এবার লক্ষাধিক টাকা লাভের আশা করছি।” এ বিষয়ে আবু মো. মঞ্জুর রহমান বলেন, জেলায় বর্তমানে ২৭ জন মৌচাষি রয়েছেন। মৌচাষের ফলে বিভিন্ন ফল ও সবজি চাষে ফলন বাড়ছে। ভবিষ্যতে এ খাতে আরও প্রণোদনা দেওয়া হলে উৎপাদন বাড়বে এবং অর্গানিক মধু রপ্তানির সম্ভাবনাও তৈরি হবে।

নীলফামারী প্রতিনিধি> মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের লিচুতে এবার ২০ হাজার টনের স্বপ্ন

ছবি: প্রতিনিধি

মৌ মৌ গন্ধে সুরভিত করে তুলেছে সজনে ফুল, বাড়ছে বাণিজ্যিক চাষ

ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারীতে নিজের নামে উদ্ভাবিত মাল্টার জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চান রাজু

ছবি: প্রতিনিধি
দেবীগঞ্জে গম ও ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে অবস্থিত বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে গম চাষে ইঁদুর দমন ও উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৫–২৬ মৌসুমে বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্লক-৩ এলাকায় বারি গম-৩৩ জাতের প্রজনন বীজ ৪.৮০ হেক্টর, বারি গম-৩০ এবং বারি গম-৩২ যথাক্রমে ৫.৫ হেক্টর জমিতে বপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাইব্রিড ভুট্টা-২, বারি খই ভুট্টা-১ (০.৭৫ হেক্টর) ও বারি মিষ্টি ভুট্টা-১ (০.৮০ হেক্টর) চাষ করা হচ্ছে। দেবীগঞ্জ বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের কর্মকর্তা ড. মোঃ ইলিয়াছ হোসেন জানান, “লাইন বা সারিভিত্তিক নালাভিত্তিক চাষাবাদ বীজের অপচয় কমায়, সেচ ও সার ব্যবস্থাপনায় সুবিধা দেয় এবং ফলন বৃদ্ধি করে। সঠিক জাত ও সময়ে বপন করলে কৃষকরা বেশি ফলন পাবেন। বারি গম-৩৩ জাতে প্রতি কেজিতে ৫০–৫৫ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ব্যবহার করা হয়, যা পুষ্টি বৃদ্ধিতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়ক।” BWMRI-এর নতুন উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি বিএডিসি (BADC) মাধ্যমে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই উদ্যোগ দেশের গম উৎপাদনে মানসম্মত ও উচ্চ ফলনশীল বীজ সরবরাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  

আমির খসরু লাবলু জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

ছবি: প্রতিনিধি
কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের দোনা গ্রামের কৃষক আজিজুল হাকীম শীতপ্রবাহ উপেক্ষা করে নিজের এক একর জমিতে কুইক স্টার বিটকপি চাষ করে বাম্পার ফলন তুলে নিয়েছেন। দীর্ঘ ৩০ বছরের কৃষিজীবনে এটি তার অন্যতম সফল চাষ বলে জানাচ্ছেন তিনি। চাষি আজিজুল হাকীম জানান, তার ক্ষেতে কুইক স্টার এবং জিরো-৫ প্রজাতির বিটকপি চারা রোপণ করা হয়েছে। ৮৫ দিনের চাষে তিনি প্রায় ৫০০ মন বিটকপি উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন। চারা রোপণ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরি মিলিয়ে তার মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় এক লাখ টাকা। তবে ফলন অনুযায়ী তিনি আশা করছেন প্রায় ৫ লাখ টাকার লাভ করতে পারবেন। এ ফসল থেকে তিনি নিজের পরিবারে বৃদ্ধ মাতা, স্ত্রী ও ছয় সন্তানসহ সংসারের সব ব্যয় মিটিয়ে কিছু সঞ্চয়ও করতে পারবেন।     আজিজুল হাকীম বলেন,  “পৈত্রিক জমিতে কুইক স্টার চাষ করে এত ভালো ফলন পেয়েছি, এটি আমার জন্য এক অনন্য আনন্দ। পরিশ্রমের মূল্য এই ফলন দেখিয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কৃষক শীতকালীন রবি শস্য ও সবজি চাষে আগ্রহী হবেন।” উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এস এম আলী আশরাফ জানান, “আজিজুল হাকীমের সফলতা পুরো ইউনিয়নের জন্য দৃষ্টান্ত। কৃষি দপ্তর নতুন নতুন ফসল উৎপাদন ও আধুনিক চাষপ্রণালীর প্রশিক্ষণ দিয়ে এমন চাষিদের উৎসাহিত করছে। শীতকালীন সবজি চাষে এ ধরনের সফলতা স্থানীয় কৃষকদের জন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।” সরেজমিন দেখা যায়, আজিজুল হাকীমের একর জমিতে সবুজ কুইক স্টার বিটকপি ঘনবিপুলভাবে ছড়িয়ে আছে। মাঠে কাজ করা শ্রমিকদের চোখে স্বচ্ছ আনন্দ ও চাষির মুখে সন্তুষ্টির হাসি প্রকৃত অর্থেই তার সফলতার প্রমাণ বহন করছে।

মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
Irregular rainfall disrupts farming

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

ইরান ইস্যুতে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান, পদত্যাগ মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তার

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের (এনসিটিসি) পরিচালক জো কেন্ট। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পাঠানো এক পদত্যাগপত্রে তিনি জানান, ইরানে চলমান যুদ্ধকে তার ব্যক্তিগত বিবেক সমর্থন করে না। চিঠিটি পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশ করা হয়। সেখানে কেন্ট লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরান কোনো তাৎক্ষণিক বা আসন্ন নিরাপত্তা হুমকি তৈরি করেনি। তার ভাষায়, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রভাবশালী লবির চাপের কারণেই এই সংঘাতে জড়ানোর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, জো কেন্টের পদত্যাগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তা ইস্যুতে কেন্টের অবস্থান দুর্বল ছিল। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, কেন্ট যখন ইরানকে হুমকি নয় বলে মন্তব্য করেন, তখনই তিনি মনে করেন তার পদত্যাগই শ্রেয়। ট্রাম্প আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ইরান সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ছিল; এখন প্রশ্ন হচ্ছে—এই হুমকি মোকাবিলায় দেশগুলো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত কি না।

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ১৮, ২০২৬ 0

হরমুজ প্রণালিতে সামরিক পদক্ষেপে অংশ নেবে না ফ্রান্স: ম্যাক্রোঁ

কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানি বাহিনীর ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০০

কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে মৃত্যুর মুখ থেকে রক্ষা পান মোজতবা খামেনি

সৌদির আকাশে দেড় ঘণ্টায় ধেয়ে গেলো ৩৭ ড্রোন

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে অল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় দেড় ঘণ্টার মধ্যে মোট ৩৭টি ড্রোন ওই অঞ্চলের আকাশসীমার দিকে ধেয়ে আসে। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে ড্রোনগুলো প্রতিহত ও ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। তবে এসব ড্রোনের উৎস বা কোন পক্ষ থেকে এগুলো পাঠানো হয়েছে—সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এ ঘটনার আগে সৌদি আরবে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আলিরেজা এনায়েতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদির তেল স্থাপনায় হামলার ঘটনায় তেহরানের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তার দাবি, ইরান যদি এমন কোনো অভিযান পরিচালনা করত, তবে তা প্রকাশ্যেই ঘোষণা দিত। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান টানা ১৭ দিনে গড়িয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরান নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরদিকে তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা কোনো অবস্থাতেই আত্মসমর্পণ করবে না এবং সংঘাত বন্ধের সিদ্ধান্ত তাদের সার্বভৌম অধিকারের বিষয়। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান এই উত্তেজনার প্রভাব ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে বিচ্ছিন্ন হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৬, ২০২৬ 0

ইরানের কঠোর হামলা চালিয়ে যেতে ট্রাম্পকে আহ্বান সৌদি যুবরাজের

প্রথমবার ইসরায়েলে সেজিল ক্ষেপণাস্ত্রে হামলার দাবি ইরানের

বাহরাইন প্রবাসীদের ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইট, শুরু হয়েছে নিবন্ধন

মার্কিন নাগরিকদের জন্য সৌদি আরব ত্যাগের জরুরি নির্দেশ

রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস শনিবার জরুরি নিরাপত্তা সতর্কবার্তা জারি করে সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের তাত্ক্ষণিকভাবে বাণিজ্যিক ফ্লাইটে দেশত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে।  সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের শীর্ষ অগ্রাধিকার।  দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, জরুরি প্রয়োজনে মার্কিন নাগরিকরা স্থানীয় কনস্যুলেট বা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারবেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
প্রিন্স রেজা পাহলভি

ইরানের শাসনপদে অন্তর্বর্তীকালীন নেতা হিসেবে প্রস্তুত রেজা পাহলভি

নেতানিয়াহুকে প্রাণনাশের হুমকি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর

সাড়া দিচ্ছে না শক্তিশালী দেশগুলো, ‘হতাশায় ট্রাম্প’

আফগান বাহিনীর প্রতিশোধী হামলায় পাকিস্তানে ১৪ সেনা নিহত

পাকিস্তানের সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা হামলা চালানোর দাবি করেছে আফগানিস্তান। দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত ওই অভিযানে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অন্তত ১৪ সদস্য নিহত এবং আরও ১১ জন আহত হয়েছেন। আফগান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল প্রায় ৫টার দিকে ইসলামাবাদের ফয়জাবাদ এলাকায় অবস্থিত একটি সামরিক স্থাপনায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ‘রাদ-উল-জুলম’ নামে পরিচালিত ওই অভিযানে নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার দাবি করেছে কাবুল। সামরিক বিশ্লেষক সাদিক শিনওয়ারি বলেন, এই অভিযানের মাধ্যমে আফগান প্রতিরক্ষা বাহিনী দেখিয়েছে যে প্রয়োজন হলে তারা সীমান্তের বাইরে পাকিস্তানের সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা রাখে। তবে এ বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এদিকে আফগান কর্মকর্তাদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানি বাহিনী আফগানিস্তানের পাকতিকা ও কুনার প্রদেশে হামলা অব্যাহত রেখেছে। কুনার প্রদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান জিয়াউররহমান স্পিংঘার জানান, গত ৪৮ ঘণ্টায় পাকিস্তানি সেনারা কুনারের বিভিন্ন এলাকায় ২৭১টিরও বেশি রকেট নিক্ষেপ করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৫, ২০২৬ 0

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় চীন–জাপান–যুক্তরাজ্যের সহায়তা চান ট্রাম্প

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার জীবিত থাকা নিয়ে সংশয়

আমির হাতামি

ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের ঘটনায় প্রতিশোধের ঘোষণা ইরানের সেনাপ্রধানের

প্রবাস

আরও দেখুন
বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে গতকাল ২১ ফেব্রুয়ারি যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে।  এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রবাসী বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের সদস্য এবং চীনা অতিথিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।  সকালের অনুষ্ঠানে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন এবং অন্তরীপ শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এতে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। এই অংশটি ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। বিকেলের অনুষ্ঠান পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর ভাষা শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়, যা দিবসটির তাৎপর্যকে আরও গভীর করে তোলে। আলোচনা সভায় ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ বেঙ্গল স্টাডিজের সভাপতি প্রফেসর দং ইয়ুচেন এবং চায়না মিডিয়া গ্রুপের বাংলা বিভাগের পরিচালক ইয়ু গুয়াংয়ু বাংলা ভাষায় বক্তব্য প্রদান করেন।  প্রফেসর দং ইয়ুচেন বলেন, "ভাষা আন্দোলন শুধু বাংলাদেশের ইতিহাস নয়, এটি বিশ্বের ভাষাগত বৈচিত্র্যের সংরক্ষণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।"   ইয়ু গুয়াংয়ু যোগ করেন, "চীনে বাংলা ভাষার প্রসারে আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি, এবং এই দিবসটি আমাদের অনুপ্রাণিত করে।" রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম তার বক্তব্যে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, "১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালির জাতীয় চেতনার বিকাশ ঘটে, যা পরবর্তীতে স্বাধিকার আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দেয়। প্রবাসী বাংলাদেশীদের আমি আহ্বান জানাই, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করুন।" অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ-জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর ইফতার আয়োজন এবং আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে দিবসটির উদযাপন শেষ হয়। এই অনুষ্ঠানটি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও মজবুত করার পাশাপাশি প্রবাসীদের মধ্যে জাতীয় চেতনা জাগরূক করেছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী ভাষা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে।

চীন প্রতিনিধি ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিনোদন

আরও দেখুন
জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেতা শামস সুমন আর নেই

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা সুজাত শিমুল। তিনি জানান, বিকেল ৫টার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন শামস সুমন। পরে তাকে দ্রুত রাজধানীর গ্রিন রোড এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। মঞ্চনাটকের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করা শামস সুমন পরবর্তীতে টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্রে সমানভাবে কাজ করে দর্শকমহলে পরিচিতি অর্জন করেন। একসময় ছোট পর্দার নিয়মিত মুখ হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাকে তুলনামূলক কম দেখা গেছে। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে— ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’ (২০১৬), ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’, ‘চোখের দেখা’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’, ‘আয়না কাহিনি’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘জয়যাত্রা’, ‘নমুনা’ ও ‘হ্যালো অমিত’। ২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি রেডিও ভূমির স্টেশন প্রধান এবং চ্যানেল আই-এর অনুষ্ঠান বিভাগের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

ফুলের মাঝে মুগ্ধতা ছড়ালেন মিমি

বিশ্বখ্যাত পপ তারকা রিহানার বাড়িতে ১০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

ইকরা আরেকটি বিয়ে ও বাসর করেছে : আলভী

‘সাধু সাজবেন না, সবার আমলনামা আছে’: তিথি

বিনোদন অঙ্গনে আলোচিত ইকরা ইভনাথ হত্যাকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে নিজেকে সাফ জানালেন অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথি। বুধবার (০৪ মার্চ) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৪৪টি ব্যক্তিগত চ্যাট স্ক্রিনশট প্রকাশ করে তিনি দাবি করেছেন, ইকরার সঙ্গে তার সম্পর্ক সম্পূর্ণ বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল এবং তিনি কখনোই ইকরাকে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করেননি। তিথি জানান, ইকরার মানসিক অবসাদ, পারিবারিক অশান্তি এবং ব্যক্তিগত হতাশাই মূল কারণ, যা তার মৃত্যুর পেছনে প্রভাব ফেলেছিল। তিনি স্পষ্ট করেছেন, আলভীর সঙ্গে তার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে যে অভিযোগগুলো উঠেছে, সেগুলো সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা ও অপপ্রচার। তিথি আরও বলেন, ইকরাকে তিনি পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে সমর্থন করেছেন এবং কখনোই কোনোভাবে সংসার ভাঙার বা সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করেননি। পোস্টে তিথি, ইকরার পরিবারের সঙ্গে তার দূরত্ব এবং মানসিক কষ্টের বিষয়ও তুলে ধরেছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সংস্থাগুলোকে এই ঘটনায় ন্যায্য তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। পোস্টের শেষাংশে ইফফাত আরা তিথি ইকরার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শান্তিতে থাকার প্রার্থনা জানিয়েছেন।

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ৫, ২০২৬ 0

ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে এবার নীরবতা ভাঙলেন ডলি

ফেসবুকে ইকরাকে নিয়ে আলভীর নতুন পোস্টকে কেন্দ্র করে আবারো বিতর্ক

শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগে আবারো বিতর্কে তানজিন তিশা

আজ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন বিজয়–রেশমিকা, আলোচনায় রাশমিকার ছোট বোন

দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন দক্ষিণি চলচ্চিত্র অঙ্গনের দুই জনপ্রিয় মুখ— রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবরাকোন্ডা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজস্থানের উদয়পুরে ঐতিহ্যবাহী আয়োজনে সম্পন্ন হচ্ছে তাঁদের বিবাহ অনুষ্ঠান। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে প্রাক্‌-বিবাহ অনুষ্ঠান চলার পর আনুষ্ঠানিক পর্ব শুরু হয় আজ। তারকাখচিত অতিথি ও প্রভাবশালী পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হচ্ছে। এদিকে বিয়ের প্রেক্ষাপটে আলোচনায় এসেছে অভিনেত্রীর কনিষ্ঠ বোন শিমান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই বোনের বয়সের পার্থক্য প্রায় ১৬ বছর। পরিবার সচেতনভাবেই শিমানকে জনপরিসর ও গণমাধ্যমের আলোচনার বাইরে রেখেছে, যাতে তিনি স্বাভাবিক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারেন। বিবাহ-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে দম্পতির নতুন জীবনপর্বের সূচনা হলো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের অভিনন্দন বার্তায় সরব রয়েছে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: ‍সংগৃহীত

মানিকগঞ্জে ওমর সানীর রেস্তোরাঁয় গ্রাহককে কুপিয়ে আহত

তানিয়া বৃষ্টি

মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ায় অস্ত্রোপচারে অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি

ধানুশ

২০ কোটির ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ ধানুশকে

রুমিন ফারহানার সঙ্গে ছবিকে ঘিরে আলোচনায় অপু বিশ্বাস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হওয়া রুমিন ফারহানাকে অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করেছেন ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক স্টোরিতে ওই ছবি শেয়ার করেন তিনি, যা পরবর্তীতে অনলাইন মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ছবির সঙ্গে অপু বিশ্বাস বিজয়ী প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান এবং নারী নেতৃত্বের অগ্রযাত্রায় সমর্থন প্রকাশ করেন। তবে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একাংশের মন্তব্য, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এমন প্রকাশনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে; অন্যদিকে অনেকেই এটিকে স্বাভাবিক সামাজিক সৌজন্য হিসেবে দেখছেন। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রের ভাষ্য, নির্বাচনে জয়লাভের পর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রুমিন ফারহানাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন—এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ। চলচ্চিত্র অঙ্গনের প্রতিনিধি হিসেবে শিল্পের উন্নয়ন ও সংস্কৃতিচর্চায় ইতিবাচক ভূমিকার প্রত্যাশাই তিনি ব্যক্ত করেছেন। উল্লেখ্য, বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ফল ঘোষণার পর থেকেই তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শুভেচ্ছা বার্তায় সিক্ত হচ্ছেন।      

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
শবনম ফারিয়া

নির্বাচনি আলোচনার শীর্ষে শবনম ফারিয়ার ফেসবুক পোস্ট

ওমর সানী

ধানের শীষে ভোটের ঘোষণায় বিতর্কে অভিনেতা ওমর সানী

রিনা খান

সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন রিনা খান

আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী-নিষ্ঠাবান মানুষ আব্বু : জাইমা

বাবা তারেক রহমানকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন মেয়ে জাইমা রহমান। তিনি লিখেছেন, আমার আব্বু হলেন আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে তিনি এ কথা লেখেন। ছোটোবেলায় আমাদের সকলের মনেই বিশ্বাস জন্মে যে, আমাদের বাবারা সবকিছুতেই পারদর্শী। অনেক সময় তাঁরাই হয়ে ওঠেন আমাদের জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে বড় আদর্শ। পোস্টে তিনি লেখেন, আমার আব্বু হলেন আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ। আমার জীবনে তিনিই হলেন সেই একজন ব‍্যাক্তি- যার ওপর আমি নিশ্চিন্তে যেকোনো পরিস্থিতিতে ভরসা করতে পারি। বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেমই তাঁকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। তিনি আরও লেখেন, আমি খুবই আনন্দিত যে, সমগ্র বাংলাদেশ অবশেষে তাঁর এই অনন্য গুণাবলিগুলো প্রত্যক্ষ করবে। তাঁর মধ‍্যে থাকা অসাধারণ গুণাবলিগুলোই তাঁকে এই দেশ ও জনগণের একজন সত্যিকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে ইনশাআল্লাহ।

নিখাদ খবর ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

শিক্ষা

আরও দেখুন
লটারির পদ্ধতি বাতিল, স্কুল ভর্তি হবে পরীক্ষা নির্ভর: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি সিস্টেম বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছে এবং পরীক্ষা-পদ্ধতিতে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের যথাযথ প্রস্তুতি ও সক্ষমতা যাচাই করতে সব শ্রেণিতে পরীক্ষা কার্যকর করা হবে। তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে সহজ ও শিশু-বান্ধব। কোনো শিক্ষার্থীকে অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রাখার পরিকল্পনা নেই।” এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। লটারি ব্যবস্থা কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ২০২১ সাল থেকে চালু হলেও, এবার শিক্ষাব্যবস্থায় পূর্বাবস্থায় ফেরানো হচ্ছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৬, ২০২৬ 0

ঢাবির নতুন ভিসি ওবায়দুল ইসলাম ও ইউজিসির চেয়ারম্যান হচ্ছেন মামুন আহমেদ

সালাহউদ্দিন আম্মার

ঢাবি নিয়ে আম্মারের বিতর্কিত মন্তব্য

বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে সব পরীক্ষার্থী ‘মেয়ে’!

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগে উন্নীতের ঘোষণা

শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশে উন্নীত করার উদ্যোগ নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যাচাই-বাছাই শেষে প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাব দেওয়া হবে। কোন ধরনের অনিয়ম বা ঘুষ-বাণিজ্যের বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া দ্রুত কার্যকর করা হবে এবং বেতন বিলম্বের বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

বিদ্যালয়ের সংশোধিত ছুটির তালিকা জারি

শিক্ষার্থীদের থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় নিষিদ্ধ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি হলেন ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ, স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এআই অ্যাপের সহায়তায় উত্তর খোঁজার অভিযোগে এক ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ‘সি’ ইউনিটের প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আটক শিক্ষার্থীর নাম দিব্য জ্যোতি সাহা। তার রোল নম্বর ৩১১০০০৫২। তিনি ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীর বাসিন্দা হলেও স্থায়ী নিবাস খুলনায়। তার বাবা ড. সাহা চঞ্চল কুমার জনতা ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এবং মা অল্পনা সাহা গৃহিণী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা চলাকালে হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন। পরে কাছে গিয়ে দেখা যায়, তিনি মোবাইল ফোনে ছবি তুলে ‘ডিপসিক’ নামের একটি এআই অ্যাপ ব্যবহার করে উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন। পরীক্ষা শেষে তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর গিয়াসউদ্দিন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহী জানুয়ারী ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

ছবি: প্রতিনিধি

কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক সংকট একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দুর্গম অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এই সংকট আরও প্রকট। অনেক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক না থাকায় একজন শিক্ষককেই একাধিক শ্রেণির পাঠদান করতে হচ্ছে। এতে করে পাঠদানের মান যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহও কমে যাচ্ছে।   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদ্যালয়েই শিক্ষক স্বল্পতা রয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটি বিদ্যালয়ে তিন থেকে চারজন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দেখা যায়, কোনো কোনো স্কুলে মাত্র একজন বা দুজন শিক্ষক দিয়ে পুরো বিদ্যালয় চালানো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন শিক্ষককে একসঙ্গে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির পাঠদান করতে হয়, যা কোনোভাবেই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না।   এ ধরনের পরিস্থিতিতে শিক্ষকরা চরম মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন। একজন শিক্ষক যখন একই সময় একাধিক শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের পড়ান, তখন স্বাভাবিকভাবেই কোনো শ্রেণির উপর পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জনে ব্যর্থ হয়। এইভাবে ধাপে ধাপে শিখনের ঘাটতি তৈরি হয়, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ভবিষ্যত শিক্ষাজীবনেও।   শুধু পাঠদানের ক্ষেত্রেই নয়, একজন শিক্ষককে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজ, মিডডে মিল, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হিসাব রাখা, নানা রিপোর্ট প্রস্তুত করাসহ আরও অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়। এক্ষেত্রে শিক্ষক যতই আন্তরিক হোন না কেন, সীমিত জনবল ও অপ্রতুল সময়ের কারণে শিক্ষার মান উন্নয়ন অসম্ভব হয়ে পড়ে।   অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরাও এই সংকটের কারণে দুর্বল ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করে। একজন শিক্ষক একসঙ্গে দুই-তিনটি শ্রেণির ক্লাস নেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি হয় এবং তারা ধীরে ধীরে স্কুলে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এর ফলে ঝরে পড়ার হারও বাড়ছে।   সরকার শিক্ষক নিয়োগে বিভিন্ন সময় উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সংকট কাটছে না। অনেক সময় নিয়োগপ্রাপ্তরাও দুর্গম এলাকায় যোগদান করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন, ফলে গ্রামাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতেই সংকট সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।   এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত ও কার্যকর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা দরকার। বিশেষ করে দুর্গম ও গ্রামীণ অঞ্চলের স্কুলগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, স্থায়ী পদ সৃষ্টি, নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রণোদনা প্রদান এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর বিকল্প শিক্ষা পদ্ধতিও বিবেচনায় আনা যেতে পারে, যাতে শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় পাঠ গ্রহণ করতে পারে।   প্রাথমিক স্তরেই যদি শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষা না পায়, তবে তা পুরো শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই এখনই সময় কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার, যেন একজন শিক্ষককে আর একা একাধিক শ্রেণির ভার বইতে না হয় এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে এগিয়ে যেতে পারে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ক্রাইস্টচার্চ হামলায় অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছে: তামিম ইকবাল

২০১৯ সালের ১৫ মার্চ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে আল নূর মসজিদ ও লিনউড ইসলামিক সেন্টারে জঙ্গি হামলায় ৫১ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দল অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যায়। জুমার নামাজ চলাকালীন ঘটে যাওয়া ওই ভয়াবহ ঘটনার স্মৃতিচারণ করেছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। সামীরস্ক্যান পডকাস্টে তামিম বলেন, “হোটেলে ফিরে আমরা মাহমুদউল্লাহর রুমে বসে ভিডিও দেখছিলাম। সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েছিল। ঘটনার পর প্রায় ৪০ দিন আমি ট্রমার মধ্যে ছিলাম।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, হামলাকারী মুসলিমদেরই লক্ষ্য করছিল এবং তাদের পাঞ্জাবি ও টুপি পরা অবস্থাই তাকে হোঁচট লাগিয়েছিল। তিনি জানান, দলের বাস চালকের সামান্য দেরির কারণে তারা প্রাণে বেঁচে যান। “ড্রাইভার পুরো সিগারেট শেষ করেছিল, ফলে আমাদের পৌঁছতে দেরি হয়। যদি আমরা সময়মতো পৌঁছাতাম, হয়তো কেউই বেঁচে থাকতাম না,” উল্লেখ করেন তামিম। হামলার প্রেক্ষাপট, নিহতদের দৃশ্যাবলী এবং পুলিশের দ্রুত প্রতিক্রিয়া তামিমের বর্ণনায় স্পষ্ট। এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের ওপর দীর্ঘস্থায়ী মানসিক প্রভাব ফেলেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৪, ২০২৬ 0

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে আইসিসির বোর্ড সভা স্থগিত

আজ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল, মুখোমুখি ভারত-নিউজিল্যান্ড

অবশেষে গাঁটছড়া বাধলেন সানিয়ার-অর্জুন, প্রকাশ্যে এলো বিয়ের প্রথম ছবি

চীনের কাছে হেরে গেলো বাংলাদেশ

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল শক্তিশালী চীনের কাছে ২-০ গোলে হারল, তবে দৃষ্টিকোণ প্রশংসনীয়। সিডনির কমনওয়েলথ ব্যাংক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নারী এশিয়ান কাপের ম্যাচে র‌্যাঙ্কিংয়ে অনেক এগিয়ে থাকা চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশ দৃঢ় মনোভাব দেখিয়েছে। প্রথমার্ধে চীনের দুই গোল আসে শেষ মিনিটে, কিন্তু বাংলাদেশের মিডফিল্ড এবং রক্ষণভাগ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে লড়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে পরিবর্তন আনা হয়, মিলি আক্তারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ এবং নতুন খেলোয়াড়দের অভিষেক নজরকাড়া ছিল। গোল ব্যবধান বৃদ্ধি করতে না পারলেও বাংলাদেশ ফিটনেস ও লড়াকু মনোভাবের দিক থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রদর্শন করেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩, ২০২৬ 0
সাকিব আল হাসান

সাকিব আল হাসানের মামলার ফাইল যাচ্ছে সরকারে কাছে

মাশরাফি-সাকিবকে ফেরাতে সহনশীল ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল

আমিনুল ইসলাম বুলবুল

দেশ ত্যাগ করে অস্ট্রেলিয়ায় বিসিবি সভাপতি আমিনুল

লিওনেল মেসি
ভোট দিচ্ছেন না মেসি, নিরপেক্ষ থাকছেন এই কিংবদন্তি

হোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের পর ফের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করেছে এফসি বার্সেলোনা। ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হচ্ছেন লাপোর্তা, যেখানে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছেন ভিক্টর ফন্ট। আগামী ১৫ মার্চ অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনকে ঘিরে ক্লাবের ভবিষ্যৎ কাঠামো, ক্রীড়া দর্শন ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে বার্সেলোনার দুই কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও জাভি হার্নান্দেজের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। জাভি প্রকাশ্যে ভিক্টর ফন্টের পক্ষে অবস্থান নিলেও, লিওনেল মেসি এবার নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দিয়ারিও স্পোর্তসহ একাধিক ইউরোপীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত ব্যস্ততা এবং বর্তমানে ক্লাবের সঙ্গে প্রত্যক্ষ কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা না থাকায় মেসি এবারের নির্বাচনে ভোট দেবেন না। একই সঙ্গে তিনি কোনো প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ বা প্রকাশ্য সমর্থন দিতেও আগ্রহী নন। প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান সভাপতি লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক কার্যত নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। আবার ভিক্টর ফন্ট জয়ী হলে মেসির সঙ্গে যোগাযোগ করার ঘোষণা দিলেও, সে আহ্বানেও এখনো সাড়া দেননি আর্জেন্টাইন তারকা। বার্সেলোনার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মেসি ক্লাবের আজীবন সদস্য হিসেবে ভোট দেওয়ার অধিকার রাখেন, তবে ভোট না দেওয়াকে ক্লাবের প্রতি অনাগ্রহ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। তিনি দূর থেকেই ক্লাবের মঙ্গল কামনা করছেন। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে মেসি সশরীরে ন্যু ক্যাম্পে এসে ভোট দিয়েছিলেন, যা তখন ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলায় ব্যস্ত থাকায় এবং অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়াতেই এবার নিরপেক্ষ থাকার পথ বেছে নিয়েছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার। ফুটবল বিশ্ব এখন অপেক্ষায় ১৫ মার্চের নির্বাচনের, যেখানে নির্ধারিত হবে বার্সেলোনার আগামী দিনের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

বিশ্বকাপে না খেললেও শাস্তি নয়, বরং বাড়তি আইসিসি ইভেন্ট পাচ্ছে বিসিবি

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডের  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্তে পাকিস্তানকে ধন্যবাদ আসিফ জানান নজরুল

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বর্জন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্তের পেছনের ব্যাখ্যা প্রথমবারের মতো প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সরকার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, ক্রিকেটের মাঠে রাজনীতির অনুপ্রবেশের প্রতিবাদ এবং বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানাতেই এই অবস্থান নিয়েছে ইসলামাবাদ। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইসলামাবাদে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রাজনৈতিক প্রভাব গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর ভাষায়, “খেলার মাঠ রাজনীতিমুক্ত থাকা উচিত। এই নীতিগত অবস্থান থেকেই ভারতের বিপক্ষে না খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” একই সঙ্গে তিনি জানান, বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোকে সরকার নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা–সংক্রান্ত উদ্বেগ আমলে না নিয়ে আইসিসি দলটিকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার পরই পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয়। যদিও সিদ্ধান্তটি আগেই জানানো হয়েছিল, এর পেছনের যুক্তি এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরল পাকিস্তান সরকার। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার কথা। সূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ নির্ধারিত থাকলেও পাকিস্তান সরকার স্পষ্ট করেছে, সেই ম্যাচে দল মাঠে নামবে না। আইসিসি এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানালেও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে পিসিবি নেতৃত্ব অতীতের মতো এবারও আইসিসির নীতিতে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ তুলেছে এবং বাংলাদেশের প্রতি করা আচরণকে অন্যায্য বলে অভিহিত করেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল নেপালকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে পাকিস্তান-ভারত উত্তেজনা, আইসিসি’র জরুরি বৈঠক

সৈয়দ আব্দুস সামাদ বা মহাজাদুকর সামাদ

ফুটবলের কিংবদন্তি সামাদের ৬২তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে তালেবানের নতুন দণ্ডবিধি

আফগানিস্তানে নারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর বিধান সংযোজন করে নতুন ফৌজদারি আইন জারি করেছে ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম The Independent–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন আইনে স্বামীদের স্ত্রী ও সন্তানদের শারীরিকভাবে ‘শাস্তি’ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে, তবে ‘হাড় ভাঙা’ বা দৃশ্যমান জখমের ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯০ পাতার নতুন দণ্ডবিধিতে স্বাক্ষর করেছেন তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা। পশতু ভাষায় প্রণীত ‘দ্য মাহাকুমু জাজাই উসুলনামা’ (আদালতের ফৌজদারি বিধি সংক্রান্ত নিয়মাবলি) ইতোমধ্যে দেশটির আদালতগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে। আইনে বলা হয়েছে, স্বামী ‘অতিরিক্ত শক্তি’ প্রয়োগ করে স্ত্রীর হাড় ভাঙলে বা দৃশ্যমান জখম করলে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের কারাদণ্ড হতে পারে। তবে অভিযোগ প্রমাণের দায় সম্পূর্ণভাবে নির্যাতিত নারীর ওপর বর্তাবে। নির্যাতনের প্রমাণ আদালতে উপস্থাপনের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে—নারীকে পূর্ণ হিজাব পরিহিত অবস্থায় জখম দেখাতে হবে এবং তার সঙ্গে স্বামী অথবা প্রাপ্তবয়স্ক কোনো পুরুষ অভিভাবকের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া স্বামীর অনুমতি ছাড়া বিবাহিত নারীর আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার ক্ষেত্রেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যার সর্বোচ্চ সাজা তিন মাসের কারাদণ্ড। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নতুন দণ্ডবিধিতে সমাজকে চার শ্রেণিতে—উলামা, আশরাফ, মধ্য ও নিম্ন শ্রেণি—বিভক্ত করা হয়েছে। একই অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তির মাত্রা অপরাধের ধরন নয়, বরং অভিযুক্তের সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হতে পারে বলে উল্লেখ রয়েছে। এই আইন জারির পর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নিখাদ খবর ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো

সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

দক্ষিণ চীন সাগরে আবারও শক্তি প্রদর্শন করল যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। মার্কিন নৌবাহিনীর এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার USS Theodore Roosevelt এবং তার স্ট্রাইক গ্রুপ সম্প্রতি বিতর্কিত এই অঞ্চলে প্রবেশ করে টহল মিশনে অংশ নেয়। পেন্টাগনের দাবি, এটি একটি পূর্বনির্ধারিত ও নিয়মিত কার্যক্রম, যার মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক জলসীমায় নৌপরিবহন স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায়। তবে চীন এই পদক্ষেপকে ‘উসকানিমূলক’ বলে মন্তব্য করেছে এবং তাদের নিজস্ব সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করেছে। বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এ ধরনের বিদেশি সামরিক উপস্থিতিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে এবং প্রয়োজন হলে তারা ‘প্রত্যুত্তর’ দিতে প্রস্তুত। দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। চীন প্রায় পুরো অঞ্চলকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে, যদিও আন্তর্জাতিক আইন ও ২০১৬ সালের হেগ ট্রাইব্যুনালের রায়ে এই দাবি খারিজ হয়েছে।   আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক তৎপরতা শুধু চীনের জন্য নয়, বরং সমগ্র এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন শুধু নিজেরাই নয়, বরং আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। সম্প্রতি ফিলিপাইনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশাল আকারের যৌথ সামরিক মহড়া, যেখানে উভয় দেশের নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ড অংশগ্রহণ করে। এতে অংশ নেয় ডজনখানেক যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও নজরদারি ড্রোন। এই মহড়ার অংশ হিসেবে বিতর্কিত স্কারবোরো শোল এলাকার কাছাকাছিও কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়, যেটি চীন এবং ফিলিপাইন উভয় দেশের দাবির কেন্দ্রবিন্দু। এই যৌথ মহড়া চীনকে স্পষ্ট বার্তা দেয় যে যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে এককভাবে নয় বরং মিত্রদের নিয়ে সক্রিয় অবস্থান নিচ্ছে। ফিলিপাইন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া—এই চার দেশকেই এখন যুক্তরাষ্ট্রের ‘নির্ভরযোগ্য কৌশলগত অংশীদার’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। চীন এই মহড়াকে ‘সীমান্ত লঙ্ঘন’ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেছে। চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, “আমরা নিজের ভূখণ্ড ও জলসীমার নিরাপত্তা রক্ষা করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। কোনো প্রকার বাহ্যিক চাপ আমাদের প্রতিক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে না।”   বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে সম্ভাব্য ঝুঁকি নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ চীন সাগর বর্তমানে একটি ভূ-রাজনৈতিক সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র একে ‘ফ্রিডম অব নেভিগেশন’ ইস্যু হিসেবে দেখলেও চীন বিষয়টিকে তাদের ‘সার্বভৌমত্বের অবমাননা’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে। এই দ্বন্দ্বের ফলে সামান্য ভুল বোঝাবুঝিও বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড. লি ঝাও বলেন, “দুই পক্ষের সেনাবাহিনী যখন এত ঘন ঘন এবং এত কাছাকাছি এলাকায় কার্যক্রম চালায়, তখন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। কোন পক্ষ ভুলক্রমেও আগ্রাসী পদক্ষেপ নিলে পুরো অঞ্চলটাই অস্থির হয়ে উঠতে পারে।” বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, এই উত্তেজনা শুধুই সামরিক নয়, বরং বাণিজ্যিক ও কৌশলগত দিক থেকেও গুরুত্ব বহন করছে। দক্ষিণ চীন সাগর দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সামুদ্রিক বাণিজ্য হয়, ফলে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জানিফ হাসান জুন ১২, ২০২৫ 0
ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

iranqatar
ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক মঞ্চে ইরান ও কাতার দুই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। যদিও তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক বরাবরই বন্ধুত্বপূর্ণ, কিন্তু সাম্প্রতিক একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরানের প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে কাতারের আমিরের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এমন দুঃখ প্রকাশ সাধারণত কূটনৈতিক মহলে খুব সচরাচর দেখা যায় না। তাহলে কী হয়েছিল?   কী ঘটেছিল? ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরান-ইসরায়েল চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ইরানের একটি সামরিক ড্রোন ভুলবশত কাতারের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। এই ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্য অনেক দেশের মতো কাতারের পক্ষেও উদ্বেগজনক ছিল। যদিও ড্রোনটি কোনো ক্ষয়ক্ষতি করেনি এবং দ্রুত ইরানের নিয়ন্ত্রণে ফিরে আসে, তবুও কাতারের আকাশসীমা লঙ্ঘন একটি গুরুতর কূটনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়ায়।   প্রেসিডেন্টের দুঃখ প্রকাশ ঘটনার পরদিন ইরানের প্রেসিডেন্ট একটি ফোনালাপে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। প্রেসিডেন্ট বলেন: “ঘটনাটি সম্পূর্ণরূপে অনিচ্ছাকৃত ও প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে ঘটেছে। ইরান কাতারের সার্বভৌমত্বকে পূর্ণ শ্রদ্ধা জানায় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি।”   কাতারের প্রতিক্রিয়া কাতার ইরানের দুঃখ প্রকাশ গ্রহণ করলেও তারা ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়— “আমাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন একটি গুরুতর বিষয়। যদিও বিষয়টি বন্ধুত্বপূর্ণ উপায়ে সমাধান হয়েছে, তবে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বজায় রাখতে সকল পক্ষকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।”   এর রাজনৈতিক তাৎপর্য   এই ঘটনাটি ছোট মনে হলেও এর কূটনৈতিক প্রভাব গভীর। এর মাধ্যমে বোঝা যায়:   ইরান এখন কূটনৈতিকভাবে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে চাচ্ছে, বিশেষ করে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে। কাতার তার আঞ্চলিক গুরুত্ব আরও একবার প্রমাণ করেছে—একটি ছোট দেশ হয়েও তারা তাদের সার্বভৌমত্বে আপসহীন। এটি মধ্যপ্রাচ্যের বড় দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান অবিশ্বাসকেও সামনে এনেছে, যেখানে যেকোনো ছোট ঘটনা বড় উত্তেজনায় রূপ নিতে পারে।   উপসংহার   ইরানের প্রেসিডেন্টের কাতারের আমিরের কাছে দুঃখ প্রকাশ নিছক একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়। এটি একদিকে যেমন ইরানের কূটনৈতিক পরিপক্বতার ইঙ্গিত দেয়, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সমীকরণও তুলে ধরে। ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এমন দায়িত্বশীল আচরণ আরও প্রয়োজন।

হোসেন মাঝি জুন ২৫, ২০২৫ 0
ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

রাজনীতি

আরও দেখুন
বাগেরহাটের রামপালে ছাত্রশিবিরের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

  বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকাল ৫টায় উপজেলার ফয়লাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ আয়োজন করা হয়।     প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও ছাত্রশিবিরের ইউনিয়ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সম্মানে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে ছাত্রশিবির রামপাল পশ্চিম শাখা।     অনুষ্ঠানে শাখা সেক্রেটারি মো. মুরছালিন শেখের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন শাখা সভাপতি শাকিল আহমেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও বাগেরহাট জেলা নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট শেখ আব্দুল ওয়াদুদ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা সেক্রেটারি মো. জিহাদুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি হাফেজ মোরশেদ আলম, এইচআরডি সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সিনান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বাগেরহাট জেলা সিনিয়র আহ্বায়ক খালিদ হাসান নোমান, মীর সাব্বির এবং ছাত্রদলের রামপাল উপজেলা সাবেক আহ্বায়ক মোল্লা তারিকুল ইসলাম শোভনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বর্তমান ও সাবেক নেতাকর্মী, সুধীজন এবং স্থানীয় এলাকাবাসী। অনুষ্ঠানে বক্তারা পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ইফতার মাহফিলে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

বাগেরহাট মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

বিএনপি জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে: সারজিস আলম

ওয়াকআউটের পর হাসনাতের তিন শব্দের পোস্ট ভাইরাল

রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তিন অভিযোগ তুলে তার বক্তব্য বর্জন বিরোধী দলের

নিজের চেয়ে বেশি শিক্ষিত নারীকে বিয়ের পরামর্শ হাসনাতের

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সম্প্রতি যুবকদের উদ্দেশে পরামর্শ দিয়েছেন, তারা যেন নিজের থেকে বেশি শিক্ষিত মেয়েকে বিয়ে করেন। নির্বাচনী প্রচারণার সময় দেওয়া তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সংসদ সদস্য হাসনাত জানান, বিয়ের সময় মেয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “বিয়ে করলে স্ত্রী যেন স্বাবলম্বী হয়, নিজের ও সন্তানের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। তাই নিজের থেকে কম শিক্ষিত মেয়েকে বিয়ে করার পরামর্শ কখনো গ্রহণ করব না।” তিনি আরও বলেন, দেবিদ্বারের নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করাই তাদের পরিবার ও সমাজ উন্নয়নের লক্ষ্য। এই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যম ও স্থানীয় যুব সমাজে ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১২, ২০২৬ 0

মির্জা আব্বাস হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে ভর্তি

প্রথম অধিবেশনের দিনেই রাষ্ট্রপতির অভিশংসনসহ ৩ দাবিতে এনসিপির অবস্থান

রংপুরে এনসিপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল, সংস্কার না হলে নতুন বিপ্লবের প্রস্তুতির আহ্বান

রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি তুললেন নাহিদ ইসলাম

রাজশাহীতে আয়োজিত এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ ও তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ প্রাঙ্গণে এনসিপির বিভাগীয় ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, আসন্ন ১২ মার্চ নতুন সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান রাষ্ট্রপতির বক্তব্য শোনার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়নের দাবিতে তারা সংসদে যোগ দেবেন। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, সংবিধান সংস্কারের জন্য একটি সংস্কার পরিষদ গঠন করে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বাস্তবায়ন করা উচিত। একই সঙ্গে তিনি রাষ্ট্রপতির অপসারণ এবং তাকে আইনের আওতায় আনার দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় তিনি শরীফ উসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানান। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে যারা ভারতে গ্রেফতা হয়েছে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচার কার্যকর করা প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডটি শুধু প্রত্যক্ষ হামলাকারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র ও তথাকথিত ‘ডিপস্টেট’ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তদন্তের মাধ্যমে উন্মোচন করা উচিত। সরকারের সাম্প্রতিক সামাজিক উদ্যোগের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, দুর্নীতি ও ঋণখেলাপি রোধ করা না গেলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের সুফল জনগণের কাছে পুরোপুরি পৌঁছাবে না।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১০, ২০২৬ 0

মন্ত্রী মর্যাদা বিতর্কে জামায়াত আমিরের উপদেষ্টা অপসারণ, নতুন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আরমান

বন্যার তহবিলের হিসাব নিয়ে তোপের মুখে আসিফ মাহমুদ

সংস্কার কার্যকর না হলে ডেপুটি স্পিকার পদ নেবে না জামায়াতে ইসলামী: শিশির মনির

প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে চেয়ার দখল, কারাগারে জামায়াত নেতা

সাতক্ষীরার সদর উপজেলার বল্লী মো. মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত ও তাঁর চেয়ার দখলের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সহকারী শিক্ষক ও ইউনিয়ন জামায়াতের এক নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নজরুল ইসলাম আসামি একেএম আজহারুজ্জামান মুকুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তিনি বল্লী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি এবং ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মামলার বাদী বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জামিলুজ্জামান। তিনি ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বর সাতক্ষীরার আমলি আদালত-১ এ মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করে সিআইডি। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর একেএম আজহারুজ্জামান মুকুলসহ ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে অভিযুক্তরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে মারধর ও লাঞ্ছিত করে কক্ষ থেকে বের করে দেন এবং তাঁর চেয়ার দখল করেন। ঘটনাটির দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল মুজিদ জানান, সিআইডির তদন্তেও ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিকে, একই মামলায় এর আগে অভিযুক্ত মহব্বত খাঁ ও আজমল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হলেও পরে তারা জামিনে মুক্তি পান। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।  

সাতক্ষীরা মার্চ ৫, ২০২৬ 0

বগুড়া-৬ এ তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল বাদশা

ছবি: প্রতিনিধি

মিথ্যা চাঁদাবাজীর অভিযোগের প্রতিবাদে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন

হঠাৎ অসুস্থ জামায়াত আমির