মুক্তিপনের দাবীতে সুন্দরবনে জলদস্যু “নানাভাই ” বাহিনীর হাতে জেলে অপহৃত
কর্মবিরতি প্রত্যাহার, রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় জ্বালানি সরবরাহ শুরু
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৌলিক সরঞ্জামের জন্য তহবিল শূন্য: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত স্থাপনার আলো নিভিয়ে ‘আর্থ আওয়ার’-এর শক্তিশালী বার্তা
বাগেরহাটের রামপালে বিএনপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ

এবারের ঈদযাত্রা তুলোনামুলক স্বস্তিদায়ক হয়েছে: সেতুমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
জাতীয়

নরসিংদীর বিদায়ী জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধের অভিযোগের পাহাড়

নরসিংদী মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
বিশ্ব

ইতিহাসের সর্বোচ্চ ভারসাম্যহীনতায় বিশ্ব, সতর্কতা জাতিসংঘের

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
অর্থনীতি

টানা ৭ দফা কমার পর এবার বাড়লো স্বর্ণের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
সংকট না কাটলে বন্ধ সব ফিলিং স্টেশন: পাম্প মালিকদের আল্টিমেটাম

নীলফামারী জেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় জেলার সব ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সৈয়দপুর শহরে অনুষ্ঠিত সমিতির জরুরি সভা থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও আইয়ুব ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশন–এর স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব মো. একরামুল হক জানান, জেলার ছয়টি উপজেলায় মোট ৩৮টি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় পাম্প পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারিভাবে রেশনিং না থাকলেও বাস্তবে সীমিত পরিমাণ তেল দেওয়া হচ্ছে। সপ্তাহে মাত্র দুই দিন প্রতিটি পাম্পে ২ থেকে ৩ হাজার লিটার করে জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে, যা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত কম। ফলে প্রতিদিন পাম্পে যানবাহনের চালকদের ভিড় বাড়ছে এবং প্রায়ই উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি জলঢাকা উপজেলার টেঙ্গনমারিতে একটি ফিলিং স্টেশনে তেল সরবরাহকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক কর্মচারীর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান তিনি। সমিতির নেতারা বলেন, এ পরিস্থিতিতে পাম্প পরিচালনা করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই দ্রুত স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত না হলে পাম্প বন্ধ রাখা ছাড়া বিকল্প থাকবে না। একই দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে সমিতি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পাম্প মালিকরা।

এক ধাক্কায় ৮০% বাড়ল জেট ফুয়েলের দাম

  বাংলাদেশে বিমান খাতে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের মূল্য এক ধাক্কায় প্রায় ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এক জরুরি বৈঠকের পর নতুন মূল্যহার অনুমোদন ও প্রকাশ করা হয়, যা কার্যকর হবে ২৪ মার্চ মধ্যরাত থেকে। নতুন নির্ধারিত দরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের মূল্য ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে বেড়ে ২০২ টাকা ২৯ পয়সায় উন্নীত হয়েছে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক রুটে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি লিটার ০.৭৩৮৪ ডলার থেকে ১.৩২১৬ ডলারে নির্ধারণ করা হয়েছে। বিইআরসি সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও সরবরাহ ব্যবস্থার পরিবর্তন বিবেচনায় এনে এই মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়, যেখানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই মূল্যবৃদ্ধি দেশের বিমান পরিবহন খরচে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে এবং যাত্রীসেবায় অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  

দেশের সমস্ত পেট্রোল পাম্প যে কোনো মুহূর্তে বন্ধের আশঙ্কা

  মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি সরবরাহ বিপর্যয় এবং নিরাপত্তা সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন রবিবার (২২ মার্চ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশের প্রায় সব পেট্রোল পাম্পের দৈনিক তেল সরবরাহ যথাযথভাবে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হচ্ছে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ছেন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা, এবং কর্মরতরা শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপে রয়েছেন। সংগঠনটির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে যেকোনো সময় পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। ঈদের আগের দিনও একাধিক পাম্পে প্রয়োজনীয় তেল মজুদ স্বল্প সময়েই শেষ হয়ে যায়, ফলে গ্রাহকরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। অনেক ব্যবহারকারী একাধিকবার তেল সংগ্রহ করছে, যা পাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে পাম্পে এসে তেল লুটের ঘটনা ঘটার অভিযোগও করা হয়েছে। সংগঠনটি প্রশাসনের কাছে দাবি করেছে, পাম্পে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ডিপো থেকে তেল পরিবহন বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকবে না। তেল লিফটিং চলাকালে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে ব্যবসা চালানোও অচল হয়ে পড়বে। পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন হুঁশিয়ারি দিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি শক্তিশালী না হলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ও নিরাপত্তা বিপন্ন থাকবে।  

পদত্যাগ করলেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া

রাষ্ট্রায়ত্ত নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সাবেক সচিব মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া। সোমবার (১৬ মার্চ) তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর সরকার তাকে ব্যাংকটির প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। ব্যাংকটির কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই তার এই পদত্যাগ ব্যাংকিং খাতে নতুন আলোচনা ও অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করেছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তীব্র তারল্য সংকটে থাকা পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক— এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করা হয়েছে। ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার ইতোমধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা প্রদান করেছে এবং অবশিষ্ট ১৫ হাজার কোটি টাকা আমানতকারীদের শেয়ারের মাধ্যমে সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। উল্লেখ্য, ব্যাংকটির শীর্ষ নেতৃত্বে অনিশ্চয়তা এর আগেও দেখা দেয়। সরকারের নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে মনোনীত ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাবিল মুস্তাফিজুর রহমান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ওই পদে যোগদান থেকে বিরত থাকেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক—দুই গুরুত্বপূর্ণ পদই শূন্য থাকায় দ্রুত নতুন নেতৃত্ব নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, একীভূত পাঁচ ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার এবং আমানতকারীদের আস্থা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী ও দক্ষ নেতৃত্ব অপরিহার্য।  

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

বাগেরহাটে হাদী হত্যার বিচার দাবিতে ছাত্রজনতার আল্টিমেটাম

বাগেরহাট ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

জাতীয়

নরসিংদীর বিদায়ী জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধের অভিযোগের পাহাড়

নরসিংদী মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
মধু চাষে মধুর জীবন গড়ছেন শিক্ষক সাহানুর

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের সাহানুর ইসলাম শিক্ষকতার পাশাপাশি মধু চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করছেন। জলঢাকার বগুলাগাড়ী হুসাইনিয়া (রাঃ) কওমিয়া মহিলা হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে স্বল্প বেতনে চার সদস্যের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হওয়ায় প্রায় তিন বছর আগে তিনি মধু চাষ শুরু করেন। এখন এই পেশা থেকেই বাড়তি আয়ের পথ তৈরি হয়েছে তার। সরিষা ক্ষেত, মিষ্টিকুমড়া ক্ষেত, লিচুবাগানসহ বিভিন্ন ফলবাগান ও ফসলের মাঠে মৌবাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করেন সাহানুর। নিজ জেলা ছাড়াও ঠাকুরগাঁও ও লালমনিরহাটের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে তিনি মধু সংগ্রহ করেন। পরে স্থানীয় বাজার ও অনলাইনে তা বিক্রি করেন। বর্তমানে তার কাছে ১৫টি মৌবাক্স রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি এপিস মেলিফেরা এবং ৫টি এপিস সেরেনা প্রজাতির মৌমাছি রয়েছে। এপিস সেরেনা জাতের মধুর কেজি বাজারে প্রায় ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা, আর এপিস মেলিফেরা প্রজাতির মধু ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হয়। সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ উপজেলার একটি লিচুবাগানে বসানো ১০টি মৌবাক্স থেকে হারভেস্টিং মেশিনে প্রায় ৭ কেজি মধু সংগ্রহ করেন তিনি, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭ হাজার টাকা। এটি লিচু ও মিষ্টিকুমড়া ফুলের সমন্বিত মধু। সাহানুর ইসলাম বলেন, “মধু চাষে খরচ খুব কম। মৌসুমে তেমন খরচ লাগে না। বর্ষাকালে মৌমাছিকে বাঁচিয়ে রাখতে কিছুটা চিনি দিতে হয়। তবে মৌমাছির সংখ্যা বাড়লে মধু উৎপাদনও বাড়ে।” তিনি আরও জানান, মৌমাছি শুধু মধুই দেয় না, পরাগায়নের মাধ্যমে ফল ও সবজির ফলনও বাড়ায়। তিন কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বিভিন্ন ফসলের জমিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। স্থানীয় মিষ্টিকুমড়া চাষি সহিদুল ইসলাম জানান, “মৌচাষের কারণে জমিতে পরাগায়ন ভালো হয়। গত বছর ৪০ শতক জমি থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা লাভ করেছি। এবার লক্ষাধিক টাকা লাভের আশা করছি।” এ বিষয়ে আবু মো. মঞ্জুর রহমান বলেন, জেলায় বর্তমানে ২৭ জন মৌচাষি রয়েছেন। মৌচাষের ফলে বিভিন্ন ফল ও সবজি চাষে ফলন বাড়ছে। ভবিষ্যতে এ খাতে আরও প্রণোদনা দেওয়া হলে উৎপাদন বাড়বে এবং অর্গানিক মধু রপ্তানির সম্ভাবনাও তৈরি হবে।

নীলফামারী প্রতিনিধি> মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের লিচুতে এবার ২০ হাজার টনের স্বপ্ন

ছবি: প্রতিনিধি

মৌ মৌ গন্ধে সুরভিত করে তুলেছে সজনে ফুল, বাড়ছে বাণিজ্যিক চাষ

ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারীতে নিজের নামে উদ্ভাবিত মাল্টার জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চান রাজু

ছবি: প্রতিনিধি
দেবীগঞ্জে গম ও ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে অবস্থিত বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে গম চাষে ইঁদুর দমন ও উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৫–২৬ মৌসুমে বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্লক-৩ এলাকায় বারি গম-৩৩ জাতের প্রজনন বীজ ৪.৮০ হেক্টর, বারি গম-৩০ এবং বারি গম-৩২ যথাক্রমে ৫.৫ হেক্টর জমিতে বপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাইব্রিড ভুট্টা-২, বারি খই ভুট্টা-১ (০.৭৫ হেক্টর) ও বারি মিষ্টি ভুট্টা-১ (০.৮০ হেক্টর) চাষ করা হচ্ছে। দেবীগঞ্জ বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের কর্মকর্তা ড. মোঃ ইলিয়াছ হোসেন জানান, “লাইন বা সারিভিত্তিক নালাভিত্তিক চাষাবাদ বীজের অপচয় কমায়, সেচ ও সার ব্যবস্থাপনায় সুবিধা দেয় এবং ফলন বৃদ্ধি করে। সঠিক জাত ও সময়ে বপন করলে কৃষকরা বেশি ফলন পাবেন। বারি গম-৩৩ জাতে প্রতি কেজিতে ৫০–৫৫ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ব্যবহার করা হয়, যা পুষ্টি বৃদ্ধিতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়ক।” BWMRI-এর নতুন উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি বিএডিসি (BADC) মাধ্যমে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই উদ্যোগ দেশের গম উৎপাদনে মানসম্মত ও উচ্চ ফলনশীল বীজ সরবরাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  

আমির খসরু লাবলু জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

ছবি: প্রতিনিধি
কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের দোনা গ্রামের কৃষক আজিজুল হাকীম শীতপ্রবাহ উপেক্ষা করে নিজের এক একর জমিতে কুইক স্টার বিটকপি চাষ করে বাম্পার ফলন তুলে নিয়েছেন। দীর্ঘ ৩০ বছরের কৃষিজীবনে এটি তার অন্যতম সফল চাষ বলে জানাচ্ছেন তিনি। চাষি আজিজুল হাকীম জানান, তার ক্ষেতে কুইক স্টার এবং জিরো-৫ প্রজাতির বিটকপি চারা রোপণ করা হয়েছে। ৮৫ দিনের চাষে তিনি প্রায় ৫০০ মন বিটকপি উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন। চারা রোপণ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরি মিলিয়ে তার মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় এক লাখ টাকা। তবে ফলন অনুযায়ী তিনি আশা করছেন প্রায় ৫ লাখ টাকার লাভ করতে পারবেন। এ ফসল থেকে তিনি নিজের পরিবারে বৃদ্ধ মাতা, স্ত্রী ও ছয় সন্তানসহ সংসারের সব ব্যয় মিটিয়ে কিছু সঞ্চয়ও করতে পারবেন।     আজিজুল হাকীম বলেন,  “পৈত্রিক জমিতে কুইক স্টার চাষ করে এত ভালো ফলন পেয়েছি, এটি আমার জন্য এক অনন্য আনন্দ। পরিশ্রমের মূল্য এই ফলন দেখিয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কৃষক শীতকালীন রবি শস্য ও সবজি চাষে আগ্রহী হবেন।” উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এস এম আলী আশরাফ জানান, “আজিজুল হাকীমের সফলতা পুরো ইউনিয়নের জন্য দৃষ্টান্ত। কৃষি দপ্তর নতুন নতুন ফসল উৎপাদন ও আধুনিক চাষপ্রণালীর প্রশিক্ষণ দিয়ে এমন চাষিদের উৎসাহিত করছে। শীতকালীন সবজি চাষে এ ধরনের সফলতা স্থানীয় কৃষকদের জন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।” সরেজমিন দেখা যায়, আজিজুল হাকীমের একর জমিতে সবুজ কুইক স্টার বিটকপি ঘনবিপুলভাবে ছড়িয়ে আছে। মাঠে কাজ করা শ্রমিকদের চোখে স্বচ্ছ আনন্দ ও চাষির মুখে সন্তুষ্টির হাসি প্রকৃত অর্থেই তার সফলতার প্রমাণ বহন করছে।

মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
Irregular rainfall disrupts farming

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত স্থাপনার আলো নিভিয়ে ‘আর্থ আওয়ার’-এর শক্তিশালী বার্তা

জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি ও ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদার প্রেক্ষিতে বিশ্বজুড়ে সতর্কতার এক নতুন প্রতীক হয়ে উঠেছে ‘আর্থ আওয়ার’। স্থানীয় সময় ২৮ মার্চ রাত ৮টায় নিউজিল্যান্ড থেকে শুরু হয়ে বিশ্বের প্রধান শহরগুলোতে এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ রাখা হয়েছে। এই উদ্যোগ ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হলেও বর্তমানে এটি বিশ্বজুড়ে পরিবেশ সচেতনতামূলক শক্তিশালী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচারের আয়োজনে ২০ বছর ধরে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচি কেবল কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের প্রতীক নয়, বরং জনগণকে জলবায়ু হুমকি সম্পর্কে সচেতন করার একটি কার্যকর মাধ্যম। ডব্লিউডব্লিউএফ জার্মানির জলবায়ুবিষয়ক প্রধান ভিভিয়ান রাডাতজ বলেন, “বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মাঝেও জলবায়ু সংকট অব্যাহত রয়েছে। আর্থ আওয়ারের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা এবং বিষয়টিকে রাজনৈতিক এজেন্ডার শীর্ষে রাখা জরুরি।” বাতি নিভানোর পাশাপাশি এবারের ২০তম আসরে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো প্লাস্টিক দূষণ কমানো এবং নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার শপথ নিয়েছে। এই পদক্ষেপ, যদিও সরাসরি কার্বন হ্রাসে বড় প্রভাব ফেলে না, তবু তরুণ প্রজন্মসহ কোটি কোটি মানুষকে পরিবেশ সুরক্ষার দিকে ভাবাতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। সারসংক্ষেপে, ‘আর্থ আওয়ার’ জলবায়ু সচেতনতার আন্তর্জাতিক প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে—এক ঘণ্টার নিঃশব্দ অন্ধকারের মধ্য দিয়ে গ্রহ রক্ষার একটি দৃশ্যমান আহ্বান।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0

মধ্যপ্রাচ্যে ধারাবাহিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিশ্বের দুই বৃহৎ অ্যালুমিনিয়াম কারখানা

ইরান যুদ্ধে ‘সপ্তাহের মধ্যেই’ বিজয় সম্ভব: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালিতে ‘টোল বুথ’ চালু করেছে ইরান, জাহাজপ্রতি নেওয়া হবে ফি

গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলে ১০৩টি অভিযান চালিয়েছে হিজবুল্লাহ

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ শুক্রবার জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ১০৩টি সামরিক অভিযান সম্পন্ন করেছে। এই ব্যাপক হামলার মধ্যে অন্তত দুটি মেরকাভা ট্যাংক ধ্বংস এবং একজন ইসরায়েলি সেনার প্রাণহানি ঘটানোর দাবি অন্তর্ভুক্ত। ইসরায়েলি সামরিক সূত্রও দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তে সংঘর্ষে তাদের একজন কর্মকর্তার মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করেছে। হিজবুল্লাহর রকেট, ড্রোন ও নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা উত্তর ইসরায়েলের আপার গ্যালিলি, হাইফা এবং অ্যাক্রি অঞ্চলকে লক্ষ্য করে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযান শুরু হওয়ার পর সংঘাতের মাত্রা ক্রমবর্ধমান। এই সংঘাত কেবল দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ও রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। হিজবুল্লাহর দাবি, তাদের অভিযান ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সমন্বিত প্রতিরোধের অংশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0

নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি গ্রেফতার

ইরানের পর কিউবা হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী লক্ষ্য, ইঙ্গিত ট্রাম্পের

বাংলাদেশসহ ৬টি দেশের জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে পাবে নিরাপত্তা: ইরান

ইরান চেয়েছিল আমাকে সর্বোচ্চ নেতা বানাতে: ট্রাম্প

  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি চাঞ্চল্যকর বক্তব্যে দাবি করেছেন, ইরানের নেতৃত্ব তাকে দেশের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল, যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল রিপাবলিকান কংগ্রেসনাল কমিটির (এনআরসিসি) বার্ষিক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইরানী কর্মকর্তারা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদটির জন্য প্রস্তাব দিয়েছিল, তবে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, “না ধন্যবাদ, আমি এটি চাই না।” ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, তেহরান বর্তমানে মার্কিন ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করতে গোপনে আলোচনায় তৎপর, যদিও প্রকাশ্যে তারা সব প্রস্তাব অস্বীকার করছে। তিনি বলেন, ইরানি কর্মকর্তারা চুক্তির জন্য আগ্রহী হলেও অভ্যুত্থান বা জনগণের ক্রোধের ভয়ে তা স্বীকার করতে পারছেন না। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’ জানিয়েছে, তেহরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য নির্দিষ্ট শর্ত রেখেছে—ভবিষ্যতে আমেরিকা ও ইসরায়েল হামলা করবে না, ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ প্রদান, এবং হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের পূর্ণ কর্তৃত্ব স্বীকৃতি। এই শর্তাবলী না মেনে ইরান যুদ্ধে পিছপা হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছে না। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের দাবি মূলত ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি এবং অভ্যন্তরীণ বিভেদ উসকে দেওয়ার কৌশল। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে উত্তেজনা এবং বিশ্ববাজারে তেলের অস্থিরতা ট্রাম্প ও তেহরানের কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0

হার না মানলে আরও কঠোর হবে যুক্তরাষ্ট্র: ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি

পাকিস্তান ইরানের কাছে পৌঁছে দিল যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় রেকর্ড ধস, নামল ৩৬ শতাংশে

ইরানের লো-অল্টিটিউড হামলায় হিমশিম খাচ্ছে মার্কিন বিমান শক্তি

ইরানের আকাশসীমায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতার কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ঘাটতি ও প্রতিরক্ষা বিনিয়োগের অসমতা তুলে ধরেছেন আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকরা। ‘মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউট’-এর এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনায় তারা বলেন, নিম্ন আকাশসীমায় (লো অল্টিটিউড) হুমকি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকায় ওয়াশিংটন কার্যকর আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিকো বিশ্লেষণে উল্লেখ করেন, উচ্চ আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তুলনামূলক সফল হলেও নিম্ন আকাশপথে ইরানের মোবাইল ও বিকেন্দ্রীভূত প্রতিরক্ষা কৌশল কার্যকর বাধা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে স্বল্পমূল্যের ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে ইরান আঞ্চলিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করে ব্যয়বহুল প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে চাপে ফেলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান সরাসরি আকাশ আধিপত্য অর্জনের চেষ্টা না করে ‘বিঘ্ন সৃষ্টিকারী যুদ্ধনীতি’ (war of disruption) গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি চাপ সৃষ্টি ও প্রতিপক্ষের ব্যয় বাড়ানোই তাদের মূল উদ্দেশ্য। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মূলত ধ্বংসাত্মক অভিযান (destructive operations) পরিচালনার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংসে মনোযোগ দিচ্ছে। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক মাইকেল ও’হ্যানলন সতর্ক করে বলেন, উচ্চমূল্যের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে স্বল্পমূল্যের ড্রোন প্রতিহত করা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। তিনি প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার, অস্ত্রের মজুত বৃদ্ধি এবং বিকল্প প্রযুক্তি—বিশেষ করে লেজারভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এদিকে, মার্কিন প্রশাসন তাদের সামরিক সাফল্যের দাবি অব্যাহত রাখলেও বিশ্লেষকদের অভিমত অনুযায়ী বর্তমান সংঘাতে পূর্ণ আকাশ নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী ব্যয়বহুল প্রতিযোগিতাই প্রধান বাস্তবতা হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0

কূটনীতির আড়ালে বিশ্বাসঘাতকতা করছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ইরান যুদ্ধবিরতির জন্য মধ্যপ্রাচ্যে পাঁচ শর্তের দাবি উত্থাপন

ইরানকে ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়ে যুদ্ধ বন্ধ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

প্রবাস

আরও দেখুন
বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে গতকাল ২১ ফেব্রুয়ারি যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে।  এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রবাসী বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের সদস্য এবং চীনা অতিথিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।  সকালের অনুষ্ঠানে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন এবং অন্তরীপ শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এতে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। এই অংশটি ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। বিকেলের অনুষ্ঠান পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর ভাষা শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়, যা দিবসটির তাৎপর্যকে আরও গভীর করে তোলে। আলোচনা সভায় ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ বেঙ্গল স্টাডিজের সভাপতি প্রফেসর দং ইয়ুচেন এবং চায়না মিডিয়া গ্রুপের বাংলা বিভাগের পরিচালক ইয়ু গুয়াংয়ু বাংলা ভাষায় বক্তব্য প্রদান করেন।  প্রফেসর দং ইয়ুচেন বলেন, "ভাষা আন্দোলন শুধু বাংলাদেশের ইতিহাস নয়, এটি বিশ্বের ভাষাগত বৈচিত্র্যের সংরক্ষণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।"   ইয়ু গুয়াংয়ু যোগ করেন, "চীনে বাংলা ভাষার প্রসারে আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি, এবং এই দিবসটি আমাদের অনুপ্রাণিত করে।" রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম তার বক্তব্যে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, "১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালির জাতীয় চেতনার বিকাশ ঘটে, যা পরবর্তীতে স্বাধিকার আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দেয়। প্রবাসী বাংলাদেশীদের আমি আহ্বান জানাই, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করুন।" অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ-জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর ইফতার আয়োজন এবং আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে দিবসটির উদযাপন শেষ হয়। এই অনুষ্ঠানটি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও মজবুত করার পাশাপাশি প্রবাসীদের মধ্যে জাতীয় চেতনা জাগরূক করেছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী ভাষা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে।

চীন প্রতিনিধি ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিনোদন

আরও দেখুন
জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেতা শামস সুমন আর নেই

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা সুজাত শিমুল। তিনি জানান, বিকেল ৫টার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন শামস সুমন। পরে তাকে দ্রুত রাজধানীর গ্রিন রোড এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। মঞ্চনাটকের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করা শামস সুমন পরবর্তীতে টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্রে সমানভাবে কাজ করে দর্শকমহলে পরিচিতি অর্জন করেন। একসময় ছোট পর্দার নিয়মিত মুখ হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাকে তুলনামূলক কম দেখা গেছে। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে— ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’ (২০১৬), ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’, ‘চোখের দেখা’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’, ‘আয়না কাহিনি’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘জয়যাত্রা’, ‘নমুনা’ ও ‘হ্যালো অমিত’। ২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি রেডিও ভূমির স্টেশন প্রধান এবং চ্যানেল আই-এর অনুষ্ঠান বিভাগের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

ফুলের মাঝে মুগ্ধতা ছড়ালেন মিমি

বিশ্বখ্যাত পপ তারকা রিহানার বাড়িতে ১০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

ইকরা আরেকটি বিয়ে ও বাসর করেছে : আলভী

‘সাধু সাজবেন না, সবার আমলনামা আছে’: তিথি

বিনোদন অঙ্গনে আলোচিত ইকরা ইভনাথ হত্যাকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে নিজেকে সাফ জানালেন অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথি। বুধবার (০৪ মার্চ) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৪৪টি ব্যক্তিগত চ্যাট স্ক্রিনশট প্রকাশ করে তিনি দাবি করেছেন, ইকরার সঙ্গে তার সম্পর্ক সম্পূর্ণ বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল এবং তিনি কখনোই ইকরাকে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করেননি। তিথি জানান, ইকরার মানসিক অবসাদ, পারিবারিক অশান্তি এবং ব্যক্তিগত হতাশাই মূল কারণ, যা তার মৃত্যুর পেছনে প্রভাব ফেলেছিল। তিনি স্পষ্ট করেছেন, আলভীর সঙ্গে তার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে যে অভিযোগগুলো উঠেছে, সেগুলো সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা ও অপপ্রচার। তিথি আরও বলেন, ইকরাকে তিনি পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে সমর্থন করেছেন এবং কখনোই কোনোভাবে সংসার ভাঙার বা সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করেননি। পোস্টে তিথি, ইকরার পরিবারের সঙ্গে তার দূরত্ব এবং মানসিক কষ্টের বিষয়ও তুলে ধরেছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সংস্থাগুলোকে এই ঘটনায় ন্যায্য তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। পোস্টের শেষাংশে ইফফাত আরা তিথি ইকরার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শান্তিতে থাকার প্রার্থনা জানিয়েছেন।

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ৫, ২০২৬ 0

ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে এবার নীরবতা ভাঙলেন ডলি

ফেসবুকে ইকরাকে নিয়ে আলভীর নতুন পোস্টকে কেন্দ্র করে আবারো বিতর্ক

শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগে আবারো বিতর্কে তানজিন তিশা

আজ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন বিজয়–রেশমিকা, আলোচনায় রাশমিকার ছোট বোন

দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন দক্ষিণি চলচ্চিত্র অঙ্গনের দুই জনপ্রিয় মুখ— রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবরাকোন্ডা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজস্থানের উদয়পুরে ঐতিহ্যবাহী আয়োজনে সম্পন্ন হচ্ছে তাঁদের বিবাহ অনুষ্ঠান। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে প্রাক্‌-বিবাহ অনুষ্ঠান চলার পর আনুষ্ঠানিক পর্ব শুরু হয় আজ। তারকাখচিত অতিথি ও প্রভাবশালী পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হচ্ছে। এদিকে বিয়ের প্রেক্ষাপটে আলোচনায় এসেছে অভিনেত্রীর কনিষ্ঠ বোন শিমান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই বোনের বয়সের পার্থক্য প্রায় ১৬ বছর। পরিবার সচেতনভাবেই শিমানকে জনপরিসর ও গণমাধ্যমের আলোচনার বাইরে রেখেছে, যাতে তিনি স্বাভাবিক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারেন। বিবাহ-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে দম্পতির নতুন জীবনপর্বের সূচনা হলো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের অভিনন্দন বার্তায় সরব রয়েছে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: ‍সংগৃহীত

মানিকগঞ্জে ওমর সানীর রেস্তোরাঁয় গ্রাহককে কুপিয়ে আহত

তানিয়া বৃষ্টি

মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ায় অস্ত্রোপচারে অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি

ধানুশ

২০ কোটির ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ ধানুশকে

রুমিন ফারহানার সঙ্গে ছবিকে ঘিরে আলোচনায় অপু বিশ্বাস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হওয়া রুমিন ফারহানাকে অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করেছেন ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক স্টোরিতে ওই ছবি শেয়ার করেন তিনি, যা পরবর্তীতে অনলাইন মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ছবির সঙ্গে অপু বিশ্বাস বিজয়ী প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান এবং নারী নেতৃত্বের অগ্রযাত্রায় সমর্থন প্রকাশ করেন। তবে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একাংশের মন্তব্য, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এমন প্রকাশনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে; অন্যদিকে অনেকেই এটিকে স্বাভাবিক সামাজিক সৌজন্য হিসেবে দেখছেন। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রের ভাষ্য, নির্বাচনে জয়লাভের পর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রুমিন ফারহানাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন—এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ। চলচ্চিত্র অঙ্গনের প্রতিনিধি হিসেবে শিল্পের উন্নয়ন ও সংস্কৃতিচর্চায় ইতিবাচক ভূমিকার প্রত্যাশাই তিনি ব্যক্ত করেছেন। উল্লেখ্য, বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ফল ঘোষণার পর থেকেই তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শুভেচ্ছা বার্তায় সিক্ত হচ্ছেন।      

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
শবনম ফারিয়া

নির্বাচনি আলোচনার শীর্ষে শবনম ফারিয়ার ফেসবুক পোস্ট

ওমর সানী

ধানের শীষে ভোটের ঘোষণায় বিতর্কে অভিনেতা ওমর সানী

রিনা খান

সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন রিনা খান

আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী-নিষ্ঠাবান মানুষ আব্বু : জাইমা

বাবা তারেক রহমানকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন মেয়ে জাইমা রহমান। তিনি লিখেছেন, আমার আব্বু হলেন আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে তিনি এ কথা লেখেন। ছোটোবেলায় আমাদের সকলের মনেই বিশ্বাস জন্মে যে, আমাদের বাবারা সবকিছুতেই পারদর্শী। অনেক সময় তাঁরাই হয়ে ওঠেন আমাদের জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে বড় আদর্শ। পোস্টে তিনি লেখেন, আমার আব্বু হলেন আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ। আমার জীবনে তিনিই হলেন সেই একজন ব‍্যাক্তি- যার ওপর আমি নিশ্চিন্তে যেকোনো পরিস্থিতিতে ভরসা করতে পারি। বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেমই তাঁকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। তিনি আরও লেখেন, আমি খুবই আনন্দিত যে, সমগ্র বাংলাদেশ অবশেষে তাঁর এই অনন্য গুণাবলিগুলো প্রত্যক্ষ করবে। তাঁর মধ‍্যে থাকা অসাধারণ গুণাবলিগুলোই তাঁকে এই দেশ ও জনগণের একজন সত্যিকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে ইনশাআল্লাহ।

নিখাদ খবর ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

শিক্ষা

আরও দেখুন
শিখন ঘাটতি পূরণের জন্য ১০ শনিবার ক্লাস খোলা

  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় রমজান মাসজুড়ে ছুটি ঘোষণা হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে পরবর্তী ১০টি শনিবার ক্লাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক মো. অয়নাল আবেদীন স্বাক্ষরিত পরিপত্রের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন। পরিপত্রে বলা হয়েছে, রমজান মাসে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তাই রমজানের ছুটির পরে বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান কার্যক্রম চালু রাখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ২৪, ২০২৬ 0

লটারির পদ্ধতি বাতিল, স্কুল ভর্তি হবে পরীক্ষা নির্ভর: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাবির নতুন ভিসি ওবায়দুল ইসলাম ও ইউজিসির চেয়ারম্যান হচ্ছেন মামুন আহমেদ

সালাহউদ্দিন আম্মার

ঢাবি নিয়ে আম্মারের বিতর্কিত মন্তব্য

বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে সব পরীক্ষার্থী ‘মেয়ে’!

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার নিবন্ধনপত্রে গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়েছে। বোর্ডের নিবন্ধিত প্রায় ৬৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৩৯ হাজার ছেলে থাকলেও তাদের সবার নিবন্ধনপত্রে লিঙ্গ হিসেবে ‘Female’ উল্লেখ করা হয়েছে। কলেজগুলোতে নিবন্ধনপত্র বিতরণের সময় বিষয়টি প্রথম ধরা পড়ে। ঝালকাঠিসহ বিভিন্ন জেলার কলেজে ছেলেদের কার্ডেও ‘Female’ লেখা দেখে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, বোর্ডের ডাটাবেসে ভুল সেটিংসের কারণে এই ত্রুটি ঘটে এবং তা যাচাই না করেই হাজার হাজার নিবন্ধনপত্র মুদ্রণ করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বোর্ডের অ্যানালিস্ট এস এম শহিদুজ্জামানের গাফিলতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বোর্ড চেয়ারম্যান ড. ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রাম সেটিংস ও অপারেটরের অসাবধানতার কারণে এই ভুল হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং নিবন্ধনপত্র পুনর্মুদ্রণের কাজ চলছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, নতুন সেটিংস করে নিবন্ধনপত্র সংশোধন করা হচ্ছে। কয়েক হাজার কার্ড ইতোমধ্যে সংশোধন করা হয়েছে এবং বাকি কাজ দ্রুত শেষ করা হবে। এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, নিবন্ধনপত্রে মৌলিক তথ্য যাচাই না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।  

বরিশাল মার্চ ৫, ২০২৬ 0

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগে উন্নীতের ঘোষণা

বিদ্যালয়ের সংশোধিত ছুটির তালিকা জারি

শিক্ষার্থীদের থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় নিষিদ্ধ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি হলেন ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব

নবগঠিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-এর প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব। আগামী চার বছরের জন্য তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়-এর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর ১১(১) ধারায় এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর স্নাতকোত্তর অধ্যয়ন অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, উপাচার্য হিসেবে যোগদানের আগে তিনি তার মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে উপাচার্যকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন। উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে সমন্বিত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনতে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হয়, যা মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে অনুমোদন করেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

ছবি: প্রতিনিধি

কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলা-২০২৫ শুরু হলো ১২ ডিসেম্বর । নগরীর টাউন হল প্রাঙ্গণে শুক্রবার বিকালে উদ্বোধনী ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে এ মেলার পর্দা উঠলো। মেলাটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) এম এ আকমল হোসেন আজাদ। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বিভাগীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আয়োজিত ১২ ডিসেম্বর হতে শুরু হওয়া ০৯ দিনব্যাপী ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলাটি চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মেলায় ১০ সরকারি ও ৬২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৭২ টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। বইমেলায় প্রতিদিন বিকাল ৩ টা হতে ৫ টা পর্যন্ত আলোচনা সভা, সেমিনার, উপস্থিত বক্তৃতা, কচিকাঁচার উৎসব, কুইজ প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আবৃত্তিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন রয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন সকাল ১০ টা হতে মেলা অনুষ্ঠিত হবে।উদ্বোধনী আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি'র বক্তৃতায় কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) বলেন, এ বইমেলা নতুনদের অনুপ্রাণিত করবে। মেলার মাধ্যমে যে বই হাতে পাবে তা বাংলাভাষাকে জীবন্ত রাখবে। যখন সবচেয়ে বেশি দরকার হবে বই এগিয়ে আসবে। জড় বস্তু বইয়ের মধ্যে প্রাণের স্পন্দন খুঁজে পাবেন। মেলা শুধু বইয়ের স্তুপ নয়,এটা কথোপকথনের জায়গাও বটে।তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতির রাজধানী এই ময়মনসিংহ অঞ্চল। এ জায়গাতে কালচারাল হাব গড়ে তুলতে চাই। তাতে করে সাংস্কৃতিক চর্চায় আরো সমৃদ্ধ হবে এ অঞ্চল।বিভাগীয় কমিশনার মিজ্ ফারাহ শাম্মী এনডিসি এর সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক অধ্যাপক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাঃ খালিদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতাম্মেল ইসলাম ও শহীদ সাগরের গর্বিত পিতা মোঃ আসাদুজ্জামান প্রমুখ। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার তাহমিনা আক্তার স্বাগত বক্তৃতা করেন।বক্তৃতায় অতিথিবৃন্দ বলেন, পাঠক সমাজ সৃষ্টি করতেই বইমেলার মূল উদ্দেশ্য। এতে নতুন পাঠক সৃষ্টি হয়। মেলায় সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অনেক নতুন বই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছে যায়।একটি বই অন্য আরেকটি বইয়ের কাছে নিয়ে যায়। বইমেলায় আসতে আপনারা সকলকে উদ্বুদ্ধ করবেন। আমরা যতটুকু শিখেছি বই থেকেই শিখেছি। ডিজিটাল যুগে বই কম টানে কিন্তু মুদ্রিত বইয়ের চাইতে আনন্দ উপভোগ করা খুব কমই হয়।পাঠক ও লেখকের মাঝে মিথষ্ক্রিয়া ঘটায় বইমেলা। সমাজে আলোকিত মানুষ গড়ে তোলাতে বই খুবই প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। বই হতে পারে আমাদের উপহারের মাধ্যম।সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বৈষম্যহীন আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।সৃজনশীলতা ও চিন্তার বিকাশ ঘটায় বই। তরুণদের যুক্তিবাদী করে তুলে বই। শিশুদের জন্য যেন খেলনার চাইতেও প্রিয় এবং প্রবীণদের জন্য যেন সঙ্গী হয় এই বই, এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যাপকগণ, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, সরকারি দপ্তরগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সিনিয়র শিক্ষকমন্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, কবি, লেখক ও প্রকাশকবৃন্দ, সাহিত্যপ্রেমী নাগরিকবৃন্দ, সুশীল সমাজ, সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।অতিথিবৃন্দ কর্তৃক বইয়ের স্টল পরিদর্শনের মাধ্যমে মেলাটির বর্ণিল আয়োজন আরো সমৃদ্ধ লাভ করে। শুরুর দিনই মেলাতে বইপ্রিয় মানুষের উপচে পড়া ভীড় দেখা যায়।

রতন লাল ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ 0

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

হামজাসহ ভিয়েতনামের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

  দীর্ঘ ২৫ বছর পর আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভিয়েতনামের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) হ্যানয়ের হাং জু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হওয়া ম্যাচকে সামনে রেখে কোচ হ্যাভিয়ের কাবরেরা শক্তিশালী একাদশ ঘোষণা করেছেন, যেখানে শেষ মুহূর্তের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীকে রাখা হয়েছে। ফিফা র‍্যাংকিংয়ে ১৮১ নম্বরে থাকা বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভিয়েতনাম অবস্থান করছে ১০৫ নম্বরে, যা দুই দলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান নির্দেশ করে। তবুও প্রতিযোগিতামূলক লড়াইয়ের প্রত্যাশা করছেন কোচিং স্টাফ। দলে গোলরক্ষক হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন মেহেদী হাসান শ্রাবণ। রক্ষণভাগে আছেন শাকিল আহাদ তপু, তারিক কাজী ও সাদ উদ্দিন। অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করবেন সোহেল রানা। কার্ড জটিলতা কাটিয়ে একাদশে ফিরেছেন ফাহমিদুল ইসলাম, আর আক্রমণভাগে থাকছেন সামিত সোম ও জায়ান আহমেদ। বাংলাদেশ দল পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামছে, যেখানে কৌশলগত ভারসাম্য ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ জানানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0

পুনঃনির্ধারিত সিরিজ খেলতে সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে আসছে ভারত

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ক্রাইস্টচার্চ হামলায় অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছে: তামিম ইকবাল

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে আইসিসির বোর্ড সভা স্থগিত

আজ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল, মুখোমুখি ভারত-নিউজিল্যান্ড

ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম-এ আজ রোববার (৮ মার্চ) অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল, যেখানে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল ও নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। স্বাগতিক ভারতের সামনে রয়েছে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ। জয়ে তারা প্রথম দল হিসেবে তিনটি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা অর্জনের পাশাপাশি টানা দুই আসরে ট্রফি ধরে রাখার রেকর্ড গড়তে পারে। তিন বছর আগে একই মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে পরাজয়ের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন সাফল্যের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে রোহিত শর্মার দল। ফাইনালের আগে প্রস্তুতিতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই); এমনকি দলের হোটেলও পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ম্যাচের ফল নির্ধারণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত দ্বৈরথ বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। নিউজিল্যান্ডের আক্রমণাত্মক ওপেনার ফিন অ্যালেন-কে থামানোর দায়িত্ব থাকবে ভারতের প্রধান পেসার যশপ্রীত বুমরা-র ওপর। সেমিফাইনালে মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করা অ্যালেন পাওয়ারপ্লেতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত। ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন সঞ্জু স্যামসন। তবে তাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন কিউই পেসার ম্যাট হেনরি, যিনি অতীতে কয়েকবার স্যামসনকে আউট করেছেন। এছাড়া মধ্য ওভারে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং নিউজিল্যান্ডের স্পিনার মিচেল স্যান্টনার-এর লড়াইও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ধারাবাহিক ব্যাটার টিম সাইফার্ট-কে নিয়ন্ত্রণে রাখার দায়িত্ব থাকবে অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া-র ওপর। সাত ইনিংসে তিনটি অর্ধশতক করা সাইফার্ট এই টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। ফলে ফাইনালের এই দ্বৈরথগুলোই শেষ পর্যন্ত শিরোপার ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। 

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৮, ২০২৬ 0

অবশেষে গাঁটছড়া বাধলেন সানিয়ার-অর্জুন, প্রকাশ্যে এলো বিয়ের প্রথম ছবি

চীনের কাছে হেরে গেলো বাংলাদেশ

সাকিব আল হাসান

সাকিব আল হাসানের মামলার ফাইল যাচ্ছে সরকারে কাছে

মাশরাফি-সাকিবকে ফেরাতে সহনশীল ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল

নবনিযুক্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পল্লবীতে নিজের বাসভবনে প্রথম সংবাদ সম্মেলনে দেশের ক্রীড়া ও কূটনৈতিক নীতি নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি জানান, সরকার ভারতের সঙ্গে চলমান ইস্যু আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চায় এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি উল্লেখ করেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ ভারতের চলমান টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তবে শপথ গ্রহণের পর ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত পরিস্থিতি সমাধান সম্ভব হবে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভাবনাও তুলে ধরে তিনি জানান, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজা ও সাকিব আল হাসানকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার সহনশীল ও নমনীয় পদক্ষেপ নেবে। তিনি বলেন, “যে মামলাগুলো রয়েছে, সেগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে দ্রুত সমাধান করা হবে যাতে খেলোয়াড়রা বাংলাদেশে ফিরে আসতে পারে।” প্রতিমন্ত্রী দেশব্যাপী ক্রীড়াঙ্গনের অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রতিভা বিকাশ ও গ্রাসরুট পর্যায়ে খেলাধুলা প্রসারে তার পরিকল্পনার কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জনতার সঙ্গে সংলাপে তিনি সবাইকে আশ্বাস দেন, “আমি মন্ত্রী হয়েছি, তবে আপনাদের সেই আমিনুলই আছি। আমার দরজা সব সময় খোলা।”

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
আমিনুল ইসলাম বুলবুল

দেশ ত্যাগ করে অস্ট্রেলিয়ায় বিসিবি সভাপতি আমিনুল

লিওনেল মেসি

ভোট দিচ্ছেন না মেসি, নিরপেক্ষ থাকছেন এই কিংবদন্তি

বিশ্বকাপে না খেললেও শাস্তি নয়, বরং বাড়তি আইসিসি ইভেন্ট পাচ্ছে বিসিবি

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডের  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত

বাংলাদেশের নিরাপত্তা উদ্বেগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পিছিয়ে যাওয়ার ফলে তাদের স্থান গ্রহন করেছে স্কটল্যান্ড।  আইসিসি শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিশ্চিত করেছে, গ্রুপ ‘সি’-তে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালির সঙ্গে স্কটল্যান্ড খেলবে। স্কটিশরা বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ম্যাচের আগে দলের স্পিনার মার্ক ওয়াট বাংলাদেশের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের প্রতি আমরা গভীর সহমর্মী, তবে আমাদের উপস্থিতি এই টুর্নামেন্টে নিশ্চিত হওয়া উচিত ছিল।” তিনি আরও বলেন, “আমরা যে কোনো দলকে হারাতে সক্ষম এবং পুরোপুরি প্রস্তুত।” স্কটল্যান্ডের এই অংশগ্রহণ টুর্নামেন্টের গতিশীলতা বাড়িয়ে দিচ্ছে, যেখানে র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা দলকেও চমক দেওয়া সম্ভব বলে মনে করছে দলটি।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্তে পাকিস্তানকে ধন্যবাদ আসিফ জানান নজরুল

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বর্জন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল নেপালকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে

ইতিহাসের সর্বোচ্চ ভারসাম্যহীনতায় বিশ্ব, সতর্কতা জাতিসংঘের

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) সতর্ক করেছে, পৃথিবীর জলবায়ু বর্তমানে নজিরবিহীন শক্তির ভারসাম্যহীনতার মধ্যে রয়েছে, যেখানে গ্রহটি তাপ নির্গমনের তুলনায় অধিক পরিমাণ তাপ শোষণ করছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে অতিরিক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকে দায়ী করা হয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এই তাপীয় ভারসাম্যহীনতার ফলে সমুদ্রের তাপমাত্রা রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং মেরু অঞ্চলের বরফ গলন ত্বরান্বিত হয়েছে। একই সঙ্গে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এল নিনো প্রক্রিয়া সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা বৈশ্বিক তাপমাত্রাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস দেশগুলোর প্রতি জীবাশ্ম জ্বালানি পরিত্যাগ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জলবায়ুর প্রতিটি সূচকই বর্তমানে ‘লাল সংকেত’ প্রদর্শন করছে। ডব্লিউএমওর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৮৫০ সালের পর থেকে গত ১১ বছরই ছিল সর্বোচ্চ উষ্ণতম। ২০২৫ সালে বৈশ্বিক তাপমাত্রা প্রাক-শিল্পায়ন যুগের তুলনায় ১ দশমিক ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। বিজ্ঞানীদের মতে, বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের বর্তমান মাত্রা গত ২০ লাখ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ, যার অধিকাংশ তাপ সমুদ্রে জমা হয়ে সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান ও আবহাওয়াগত ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, মানবসৃষ্ট উষ্ণায়ন ও সম্ভাব্য এল নিনোর যৌথ প্রভাবে আগামী বছরগুলোতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা নতুন রেকর্ড ছুঁতে পারে, যা জলবায়ু ঝুঁকিকে আরও তীব্র করে তুলবে।

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে তালেবানের নতুন দণ্ডবিধি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো

সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসেছে ইউক্রেন। পশ্চিমা সমর্থিত ইউক্রেনীয় প্রশাসন এখন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের দিকে অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিয়েভ এবং মস্কোর মধ্যকার আলোচনার বিষয়বস্তু এখনো পুরোপুরি প্রকাশ না হলেও, বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে—প্রস্তাবিত চুক্তিতে যুদ্ধবিরতি, নিরাপদ সীমান্ত নির্ধারণ, যুদ্ধবন্দি বিনিময় এবং পূর্ব ইউক্রেনের ভবিষ্যত রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, “আমরা একটি টেকসই শান্তির পথ খুঁজছি, তবে তা হবে আমাদের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড অক্ষুন্ন রাখার ভিত্তিতে।” রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও আলোচনার কথা নিশ্চিত করেছে এবং একে "গঠনমূলক প্রক্রিয়া" বলে উল্লেখ করেছে। তবে তারা পশ্চিমা সামরিক প্রভাব থেকে ইউক্রেনকে মুক্ত রাখার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা এখনো সমঝোতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।   আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মিশ্র প্রতিক্রিয়া এই আলোচনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ শান্তিপূর্ণ আলোচনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে সতর্ক করেছে যাতে তারা চাপে পড়ে কোনও অসম চুক্তিতে না যায়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, “আমরা চাই ইউক্রেন স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিক, তবে মনে রাখতে হবে—শান্তি চুক্তি যেন যুদ্ধাপরাধীদের দায়মুক্তির সুযোগ না দেয়।” বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া বর্তমানে কৌশলগতভাবে কিছুটা দুর্বল অবস্থানে থাকলেও, যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের কিছু সাফল্যও রয়েছে। বিশেষ করে দোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক অঞ্চলে রুশ বাহিনী আংশিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে, যা আলোচনার ক্ষেত্রে তাদের দাবিকে শক্তিশালী করতে পারে। এদিকে, ইউক্রেনের জনগণের মধ্যেও এই আলোচনাকে ঘিরে মতভেদ রয়েছে। একাংশ মনে করছে, দীর্ঘদিনের যুদ্ধক্লান্তি থেকে মুক্তির পথ এটি, অন্যদিকে অনেকে বলছে—এটি মূলত রাশিয়ার পক্ষে আত্মসমর্পণের আরেক নাম।   চুক্তির সম্ভাব্য কাঠামো ও চ্যালেঞ্জ বিশ্লেষকদের ধারণা, আলোচনায় একটি অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তি হতে পারে, যার আওতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মাধ্যমে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ পর্যবেক্ষণ করা হবে। একইসঙ্গে যুদ্ধবন্দিদের বিনিময়, ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে সহায়তা এবং দেশান্তরিত জনগণকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে—ক্রাইমিয়া ও ডনবাস অঞ্চলের ভবিষ্যৎ অবস্থান নির্ধারণ। রাশিয়া ক্রাইমিয়াকে ইতোমধ্যেই তাদের অংশ বলে দাবি করে আসছে, অন্যদিকে ইউক্রেন কোনোভাবেই এই অঞ্চলগুলোর উপর রুশ আধিপত্য মেনে নিতে রাজি নয়। মস্কোভিত্তিক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক আন্দ্রেই লুকাশেঙ্কো বলেন, “যদি উভয় পক্ষই বাস্তববাদী অবস্থান গ্রহণ করে, তবে একটি সীমিত পরিসরের চুক্তি সম্ভব হতে পারে, তবে এর জন্য উভয়পক্ষকেই কিছু ছাড় দিতে হবে।” তবে আরেকটি বিষয় স্পষ্ট—এই আলোচনা যতই অগ্রসর হোক না কেন, এটি পুরোপুরি সফল হতে হলে পশ্চিমা শক্তিগুলোর অংশগ্রহণ ও সমর্থন অপরিহার্য। কারণ ইউক্রেনের সামরিক ও আর্থিক সহায়তার বড় উৎসই হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো।   এই আলোচনার পরবর্তী ধাপ কী হবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায় আগ্রহের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। আগামী কয়েক সপ্তাহেই হয়তো জানা যাবে—দীর্ঘ যুদ্ধের পর প্রকৃত শান্তির পথে কতটা এগোতে পারল ইউক্রেন ও রাশিয়া।

জানিফ হাসান জুন ২৮, ২০২৫ 0

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

নিউইয়র্কের রাজনীতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন একজন তরুণ, মুসলিম, প্রগতিশীল নেতা—জোহারান মামদানি। তার বয়স মাত্র ৩৩ বছর, কিন্তু এরই মধ্যে তিনি নিউইয়র্কবাসীর দৃষ্টি কেড়েছেন সাহসী বক্তব্য, সমাজকল্যাণমুখী কর্মসূচি এবং ভিন্নধারার রাজনৈতিক দর্শন দিয়ে। অনেকেই বলছেন, নিউইয়র্কের পরবর্তী মেয়র হতে পারেন এই মুসলিম তরুণ।   মামদানির পরিচয় জোহারান মামদানি একজন মুসলিম এবং ভারতীয়-উগান্ডীয় বংশোদ্ভূত। তার মা বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ার, আর বাবা মোহাম্মদ মামদানি একজন নামকরা শিক্ষাবিদ। মামদানি শৈশবেই উগান্ডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং নিউইয়র্কেই বড় হন। তিনি বর্তমানে অ্যাস্টোরিয়াতে বসবাস করেন এবং পেশাগতভাবে একজন হাউজিং কাউন্সেলর থেকে রাজনীতিবিদ হয়েছেন।   রাজনীতিতে প্রবেশ ২০২০ সালে নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টদের সমর্থনে কুইন্স জেলার ৩৬ নম্বর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। তিনি নিজেকে "জনগণের প্রতিনিধি" হিসেবে তুলে ধরেছেন, যিনি গৃহহীন, শ্রমজীবী ও প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর। তার মূল রাজনৈতিক এজেন্ডাগুলোর মধ্যে রয়েছে: ভাড়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ ফ্রি পাবলিক বাস সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও শিশু পরিচর্যার সুযোগ মুসলিম সম্প্রদায়সহ সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা   সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী জোহারান মামদানি এখন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদের জন্য বিবেচিত সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। প্রথাগত রাজনীতিবিদদের চেয়ে আলাদা হওয়ায় তরুণ প্রজন্ম ও অভিবাসীদের মধ্যে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হন, তবে এটি নিউইয়র্কের রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা হবে।   মুসলিম পরিচয় এবং নেতৃত্ব একজন গর্বিত মুসলিম হিসেবে মামদানি কখনও নিজের ধর্মীয় পরিচয় লুকাননি। বরং তিনি ইসলামিক মূল্যবোধের আলোকে সমাজসেবা ও ন্যায়ের কথা বারবার উচ্চারণ করে গেছেন। তিনি ‘Students for Justice in Palestine’ নামক সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও ন্যায়ের জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।   উপসংহার জোহারান মামদানি শুধু একজন মুসলিম রাজনীতিবিদ নন, তিনি বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার নাম। একদিকে তার তরুণ নেতৃত্ব, অন্যদিকে তার সামাজিক দায়বদ্ধতা নিউইয়র্কের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে নতুন দিশা দিতে পারে। নিউইয়র্কবাসীর আশাবাদ—এই তরুণ যদি মেয়র হন, তবে নগরবাসীর প্রকৃত সমস্যাগুলোর সমাধানে আমরা এক নতুন ইতিহাস দেখতে পারি।

রতন লাল জুন ২৬, ২০২৫ 0
iranqatar

ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

রাজনীতি

আরও দেখুন
ফাঁস হলো গোলাম রাব্বানী–সাদিক কায়েমের টেক্সটের স্ক্রিনশট

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভিপি সাদিক কায়েমের পুরনো মোবাইল টেক্সটের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।  স্ক্রিনশটে দেখা যায়, ২০১৮ ও ২০১৯ সালের মধ্যে সাদিক কায়েম বারবার নিজেকে গোলাম রাব্বানীর বিশ্ববিদ্যালয় ও হলের ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দিয়ে সালাম পাঠিয়েছিলেন, যা কোনো প্রতিক্রিয়া ছাড়াই রয়ে গেছে। স্ক্রিনশটটি পোস্ট করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের নেতা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের। তিনি লেখেন, যারা অন্যকে পাত্তা না দিয়ে হতাশ হয়েছেন, তারা শিক্ষা নিন—সাদিক কায়েমের উদাহরণ প্রমাণ করে ধৈর্য ও সম্মান প্রদর্শন ভবিষ্যতে জননন্দিত নেতৃত্বে রূপান্তরিত হতে পারে। এই ভাইরাল পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার ঝড় তুলেছে, যেখানে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার মুখেও একজন ছাত্রনেতার ধৈর্য ও কৌশলকে প্রশংসা করা হচ্ছে।    

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0

বাগেরহাটের রামপালে ছাত্রশিবিরের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

বিএনপি জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে: সারজিস আলম

ওয়াকআউটের পর হাসনাতের তিন শব্দের পোস্ট ভাইরাল

রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তিন অভিযোগ তুলে তার বক্তব্য বর্জন বিরোধী দলের

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের তীব্র আপত্তির প্রেক্ষাপটে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান। তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ থাকায় তার বক্তব্য শোনার কোনো নৈতিক ভিত্তি নেই। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালে বিরোধী দলের ওয়াকআউটের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। তার অভিযোগ, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে যথাযথ অবস্থান না নেওয়ায় তিনি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। এছাড়া তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে দেওয়া একটি রাষ্ট্রীয় বক্তব্যের সঙ্গে পরবর্তী সময়ে দেওয়া মন্তব্যের অসামঞ্জস্য রাষ্ট্রপতির অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। একইসঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানের পর ঘোষিত সাংবিধানিক সংস্কার সংক্রান্ত প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন না হওয়াকেও তিনি সমালোচনা করেন। বিরোধীদলীয় নেতার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কারণে তাদের দল রাষ্ট্রপতির ভাষণ গ্রহণযোগ্য মনে করেনি এবং প্রতিবাদস্বরূপ সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও সংসদে জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো পদক্ষেপ হলে তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে অবস্থান নেওয়া হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১২, ২০২৬ 0

নিজের চেয়ে বেশি শিক্ষিত নারীকে বিয়ের পরামর্শ হাসনাতের

মির্জা আব্বাস হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে ভর্তি

প্রথম অধিবেশনের দিনেই রাষ্ট্রপতির অভিশংসনসহ ৩ দাবিতে এনসিপির অবস্থান

রংপুরে এনসিপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল, সংস্কার না হলে নতুন বিপ্লবের প্রস্তুতির আহ্বান

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতারা বলেছেন, দেশের রাজনীতি নতুন এক সংকটের দিকে এগোচ্ছে। তাদের মতে, বৃহস্পতিবার শুরু হতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে এগোবে নাকি স্বৈরতন্ত্রের দিকে যাবে। বুধবার (১১ মার্চ) রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে পবিত্র রমজান উপলক্ষে আয়োজিত বিভাগীয় দোয়া ও ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন দলটির শীর্ষ নেতারা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, সারজিস আলম, আখতার হোসেন এবং নাহিদ ইসলাম। বক্তারা বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায় এবং সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা গেছে। তবে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার না হলে দেশে আবারও আন্দোলন ও বিপ্লবের প্রয়োজন হতে পারে বলেও তারা সতর্ক করেন। তারা আরও বলেন, নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগসহ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সামনে রয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজ প্রার্থীদের বয়কট করার আহ্বান জানান তারা। অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন। শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয় এবং উপস্থিত সবার মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।

রংপুর ব্যুরো মার্চ ১১, ২০২৬ 0

রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি তুললেন নাহিদ ইসলাম

মন্ত্রী মর্যাদা বিতর্কে জামায়াত আমিরের উপদেষ্টা অপসারণ, নতুন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আরমান

বন্যার তহবিলের হিসাব নিয়ে তোপের মুখে আসিফ মাহমুদ

সংস্কার কার্যকর না হলে ডেপুটি স্পিকার পদ নেবে না জামায়াতে ইসলামী: শিশির মনির

বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নিশ্চিত করেছে, জুলাই সনদ ও গণভোট অনুযায়ী প্রদত্ত সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন না হলে তারা কেবল আভ্যন্তরীণ সম্মানসূচক হিসেবে ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণ করবেন না। এমনটি জানিয়েছেন দলটির নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শিশির মনির বলেন, প্রস্তাবিত সংস্কার কার্যকর না হলে বিরোধী দল পদ গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করবে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষের ভাগ্য ও বড় অর্থনীতিকে ঘিরে চলমান সংকট মোকাবিলায় সৎ ও দক্ষ নেতৃত্ব এবং জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য। শিশির মনির আরও উল্লেখ করেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ পালন না করার কারণে দেশের রাজনৈতিক একতার অভাব বেড়েই চলেছে এবং সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১০, ২০২৬ 0

প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে চেয়ার দখল, কারাগারে জামায়াত নেতা

বগুড়া-৬ এ তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল বাদশা

ছবি: প্রতিনিধি

মিথ্যা চাঁদাবাজীর অভিযোগের প্রতিবাদে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন