ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে চার প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহার
মুলাদিতে নির্বাচনের আগের দিন জাতীয় পার্টির নেতার বাড়িতে হামলার ও প্রচারকেন্দ্র ভাঙচুর
সাতক্ষীরায় ককটেল ও মাদক সহ এক ব্যক্তি আটক
রাজশাহীর চারঘাটে চাপাতির কোপে কৃষকদল নেতা রক্তাক্ত
দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স‌ম্মেলন
এ এম এম নাসির উদ্দিন
জাতীয়

আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি
বিশ্ব

কানাডায় হাইস্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত ১০

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

আজ কোন যান চলবে, কোনটিতে থাকছে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৪০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
আবারো ১৯৬.৫ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে সরবরাহ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে দেশের ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৯ কোটি ৬৫ লাখ মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এই ডলার ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয় বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডলার কেনাবেচার ক্ষেত্রে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ও কাট-অফ রেট নির্ধারণ করা হয় ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। একই দরে আগের দিন বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার সংগ্রহ করে। এর আগে চলতি মাসের ২ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত ২১ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার কেনা হয়। ফলে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম পাঁচ দিনেই বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট ডলার ক্রয় দাঁড়িয়েছে ৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত মোট ৪৫১ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে জানুয়ারি মাসজুড়েও একাধিক দফায় বিভিন্ন সংখ্যক বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে একই দরে ডলার সংগ্রহ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বাজারভিত্তিক ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে নির্ধারিত কাট-অফ রেটে ডলার কেনা হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া রিজার্ভ ব্যবস্থাপনার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।  

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের নতুন ইতিহাস, আউন্সপ্রতি দাম ছাড়াল ৫,২০০ ডলার

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স ৫ হাজার ২০০ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের মূল্য শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২১৯ দশমিক ৯৭ ডলারে, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত স্বর্ণের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন ফিউচার বাজারে স্বর্ণের দর ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ২১৬ দশমিক ৮০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলারের চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থান এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন। বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং জানান, ডলার দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমতে পারে—এমন প্রত্যাশা স্বর্ণের বাজারকে আরও চাঙ্গা করেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, স্বর্ণের দাম স্বল্পমেয়াদে আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ২৪০ ডলার ছুঁতে পারে। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুতেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। স্পট সিলভারের দাম বছরে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১১৩ দশমিক ৬৩ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও বেড়েছে যথাক্রমে ২ হাজার ৬৭৯ দশমিক ১৫ এবং ১ হাজার ৯৫১ দশমিক ৯৩ ডলারে। ডয়চে ব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডলারের বিকল্প হিসেবে বাস্তব সম্পদে বিনিয়োগ বাড়ায় ২০২৬ সালের মধ্যে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৬ হাজার ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রভাব বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতায় স্বর্ণ বিনিয়োগকারীদের কাছে অলঙ্কারের গণ্ডি ছাড়িয়ে আর্থিক নিরাপত্তার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দুর্নীতি ও পরিবারতন্ত্রে বিপন্ন বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত: গভর্নর মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান হাবিব মনসুর দেশীয় ব্যাংকিং খাতের বর্তমান দুরবস্থা ও পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি ও সুশাসনের অভাবের কারণে ২০–২৫ বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে পাচার হয়েছে। বর্তমানে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যধিক, তাই বাস্তবতার ভিত্তিতে মাত্র ১০–১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট হবে। তিনি আরও জানান, খেলাপি ঋণের হার নিয়ন্ত্রণে আনা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে রেশনালাইজেশন করা সরকারের লক্ষ্য। বাংলাদেশ ব্যাংক রেজ্যুলিউশন ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে ৩০–৪০ হাজার কোটি টাকা জমা রাখা হবে। নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এই কাঠামোর আওতায় আনা হবে। গভর্নর আশ্বাস দেন, মার্চের মধ্যে খেলাপি ঋণ ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব। তবে সংশোধিত বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ জারি না হলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আবার ফিরে আসার ঝুঁকি রয়েছে। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শরিফ মোশারফ হোসেন এবং বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ। তারা সবাই ব্যাংকিং খাতের সংকট ও প্রয়োজনীয় পুনর্গঠনের উপর গুরুত্বারোপ করেন।  

জনতা ব্যাংকের ৭০ শতাংশেরও বেশি ঋণ খেলাপি

  রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের ৭০ শতাংশেরও বেশি ঋণ এখন খেলাপি। এই বিশাল পরিমাণ টাকা আদায় হবে কি-না সেটা অনিশ্চিত। এদের মধ্যে অনেকেই পালিয়ে গেছে। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫ সালে সুদ খাতে ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি লোকসান গুনেছে ব্যাংকটি। ফলে বছর শেষে জনতা ব্যাংকের পরিচালন লোকসান দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকায়। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য বলছে, নিরীক্ষার পর লোকসানের পরিমাণ ৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছাড়াবে ৭০ হাজার কোটি টাকার বেশি এবং মূলধন ঘাটতি ছাড়াবে ৬৬ হাজার কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ এর আদায় এবং কীভাবে খেলাপির পরিমাণ কমিয়ে আনা হবে, সেটা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে খেলাপি ব্যক্তির ঋণ নেওয়ার সময় যে জামানত আছে, সেটা বিক্রি করে টাকা আদায়ের প্রক্রিয়ায় গিয়েছে ব্যাংকগুলো। একইসঙ্গে ঐ ব্যক্তির শেয়ার জব্দ করে টাকা আদায় হচ্ছে। কিন্তু এটা করতে গিয়ে নানা জটিলতাও তৈরি হয়েছে। যেমন- খেলাপি ঋণের বিপরীতে যে জামানত রাখা আছে, সেটার মূল্যমান ঋণের তুলনায় কম। অর্থাৎ দশ টাকার জামানত নিয়ে একহাজার টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে এসব জামানত বিক্রি করেও লাভ হচ্ছে না। বড় বড় ঋণগুলো দেওয়া হয়েছে বেনামে। এস আলম গ্রুপসহ অনেকেই নেপথ্যে থেকে বেনামে এসব ঋণ বের করে নিয়েছেন। ঋণগ্রহীতারা বিদেশে পলাতক। টাকাও বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। ফলে টাকা আদায় হচ্ছে না। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান শুধু জনতা ব্যাংকের এক শাখা থেকেই ঋণের নামে বের করে নিয়েছেন প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা। যা ওই শাখার মোট ঋণের ৬৫ শতাংশ। এসব ঋণের অধিকাংশই ছিল বেনামি। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক উদ্যোগে বেনামি ঋণগুলো তার নামে সংযুক্ত করেছে। জনতা ব্যাংকের নথি ঘেঁটে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিস থেকে বেক্সিমকো গ্রুপ এবং গ্রুপ সম্পর্কিত মোট ৩২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ২৬ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। এসব ঋণের বেশির ভাগই নেওয়া হয় ২০২১, ২২ ও ২৩ সালে। সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের ঘনিষ্ঠজন হিসাবে পরিচিত কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের টাকা মেরে দিয়ে এখন প্রবাসে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। জনতা ব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকা লুটপাট করে অস্ট্রেলিয়ায় আয়েশি জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। সালাউদ্দিন আহমেদ জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার রাজাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। জনতা ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে জনতা ব্যাংক ঢাকার মতিঝিল শাখা থেকে আসিফ অ্যাপারেলস ১৪৭ কোটি ৮০ লাখ এবং আসিফ ফ্যাশনের নামে ১৩৯ কোটি টাকার ঋণ নেওয়া হয়। এসব ঋণ সুদে-আসলে বেড়ে ৪০০ কোটি টাকার ওপরে দাঁড়িয়েছে। ঋণের চাইতে তার ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠানের মর্টগেজ মূল্য অনেক কম হওয়ায় তিনি কৌশলে ব্যাবসাটি গুটিয়ে নেন। এরপর সপরিবারে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেয়ারটেকার নিয়োগ করে জনতা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। চার বছর ধরে কেয়ারটেকার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন জনতা ব্যাংকের গার্ড মাহবুব খান। এদিকে আব্দুল কাদির মোল্লার থার্মেক্স গ্রুপটির কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রুপালীসহ একডজন কমার্শিয়াল ব্যাংকের পাওনা রয়েছে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে খেলাপির পরিমাণ সবচেয়ে বেশী জনতা ব্যাংকের কাছে। এত অনিয়ম ও আর্থিক এ বিপর্যয়ের মধ্যেও জনতা ব্যাংকের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় সুশাসন ফেরেনি। তড়িঘড়ি করে গত ৭ ডিসেম্বর ব্যাংকটির ২৬ কর্মকর্তাকে উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) থেকে দেয়া এ পদোন্নতির ক্ষেত্রে জনপ্রতি ২০-৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুস গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগও জমা পড়েছে। ঋণ বিতরণে ঘুস গ্রহণের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় শীর্ষ কর্মকর্তারা এখন পদোন্নতি ও বদলির মাধ্যমে ঘুস নিচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন। আর্থিক সংকট কাটাতে উচ্চ সুদের আমানত সংগ্রহে জোর দিয়েছে জনতা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। গত দেড় বছরে ব্যাংকটি প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার আমানত সংগ্রহ করেছে, যার বেশির ভাগই উচ্চ সুদের। বিশ্লেষকরা বলছেন, ১০-১২ শতাংশ সুদে নেয়া এ আমানত দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকটির জন্য আরো ঝুঁকি তৈরি করছে। জনতা ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংকটির সংগৃহীত আমানতের ৫৫ শতাংশই উচ্চ সুদের। মুনাফা নয়, বরং সংগৃহীত এ আমানত থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করছে ব্যাংকটি। রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের বিপর্যয়ের সূত্রপাত ২০০৯ সালে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর অন্য ব্যাংকের মতো এ ব্যাংকেও রাজনৈতিক নেতাদের দিয়ে পর্ষদ গঠন করা হয়। ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ, কর্মীদের পদোন্নতি, ঋণ বিতরণসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা হতো রাজনৈতিক বিবেচনায়। এ সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লুণ্ঠনের শিকার হয়েছে জনতা ব্যাংক। বেক্সিমকো, এস আলম, এননটেক্স, থার্মেক্স গ্রুপ ক্রিসেন্টসহ বেশকিছু বড় গ্রুপ ব্যাংকটি থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছে। এসব ঋণ এখন খেলাপির খাতায়। বাংলাদেশে খেলাপি ঋণে অ্যাননটেক্স গ্রুপ, বেক্সিমকো, থার্মেক্স গ্রুপ ও এস আলমসহ বড় বড় কোম্পানি নামে-বেনামে বড় অংকের ঋণ খেলাপি হয়েছে দেশটিতে। বাংলাদেশে ২০০৯ সালে দেশটিতে খেলাপি ঋণ ছিলো বাইশ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালের জুনে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় দুই লাখ এগারো হাজার কোটি টাকা। আর ২০২৫ সালের জুন নাগাদ খেলাপি ঋণ গিয়ে ঠেকেছে পাঁচ লাখ ত্রিশ হাজার কোটি টাকায়। অর্থাৎ একবছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে রেকর্ড পরিমাণে তিন লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত কয়েকমাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ পাঁচ লাখ ত্রিশ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ছয় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। সে হিসেবে দেশটির মোট ঋণের তেত্রিশ শতাংশরও বেশি খেলাপি হয়ে গেছে। জনতা ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২৪ সালে ব্যাংকটি ২ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা পরিচালন লোকসান দিয়েছে। ওই বছর সুদ খাতে ব্যাংকটির লোকসান ছিল ৩ হাজার ৪২ কোটি টাকা। ২০২৫ সালে এসে এ লোকসান আরো বেড়েছে। গত বছর জনতার পরিচালন লোকসান দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকায়।  বড় লোকসানের মধ্যেও জনতা ব্যাংকের কর্মীদের বেতন-ভাতা খাতে ব্যয় বাড়ছে। ২০২৪ সালে এ খাতে ব্যাংকটির ব্যয় ছিল ১ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা। গত বছর-এ ব্যয় বেড়ে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির এ পরিস্থিতির মধ্যেও ব্যাংকটির বিভিন্ন স্তরে পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে ঘুস লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জনতা ব্যাংকের এমডি মো. মজিবর রহমান বলেন, “অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এজিএম থেকে ডিজিএম পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। পদোন্নতির বোর্ডে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিও ছিলেন। ১২০ জনের মধ্যে মাত্র ২৬ জন পদোন্নতি পাওয়ায় কথা উঠছে। আমি যোগদানের পর ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় সুশাসন ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছি। কিছু কর্মকর্তা বছরের পর বছর ধরে একই বিভাগে কাজ করে আসছিলেন। নীতি অনুযায়ী যাদের একই অফিসে তিন বছর হয়ে গেছে, তাদের ভিন্ন অফিসে বদলি করেছি।” বিদ্যমান পরিস্থিতিতে জনগণের করের টাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে আর টেনে নেয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, “জনগণের করের টাকা থেকে মূলধন জোগান দিয়ে সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে যুগের পর যুগ টেনে নিয়ে যাচ্ছে। সুশাসনের ঘাটতি ও অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে জনতা ব্যাংকসহ অন্য ব্যাংকগুলোতে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে, সেটি মেনে নেয়া যায় না। কোনো ব্যাংকের যখন ৭০ শতাংশের বেশি ঋণ খেলাপি হয়ে যায়, সেটিকে আর বাঁচিয়ে রাখার কোনো অর্থও হয় না।”

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

বাগেরহাটে হাদী হত্যার বিচার দাবিতে ছাত্রজনতার আল্টিমেটাম

বাগেরহাট ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

রফিকুল আলম
অপরাধ

হত্যাসহ ৪৭ মামলার আসামি খাগড়াছড়ির সাবেক মেয়র রফিকুল আলম ঢাকায় গ্রেফতার

এইচ এম প্রফুল্ল ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
নীলফামারীতে নিজের নামে উদ্ভাবিত মাল্টার জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চান রাজু

নীলফামারী জেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের ঝাড়পাড়ায় মনিরুজ্জামান (রাজু) গড়ে তুলেছেন রাজু অর্গানিক গার্ডেন অ্যান্ড নার্সারী, যেখানে বিভিন্ন জাতের মাল্টা, কমলা এবং দেশি-বিদেশি ফলের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। রাজু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ পাস করার পর চাকরি না পেয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০১৮ সালে নিজের পৈতৃক দেড় একর জমিতে তিনি মাল্টার বাগান গড়ে তোলেন। বাগানে বর্তমানে রাজু-১ ও রাজু-২ নামে তার উদ্ভাবিত মাল্টার দুটি জাত ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। রাজুর বাগান থেকে নীলফামারীর বিভিন্ন অফিস-আদালত ও দেশের বাইরের জেলায় মাল্টা পাঠানো হচ্ছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। বাগানে কমলা, সিকি মোসাম্বি, বারী-১, বারী-২, মরক্কো, থাই পেয়ারা, বারো মাসী আমড়া, কাঁঠাল, ড্রাগন, আনার, আপেল, কাজু ও পেস্তা বাদামসহ প্রায় ৪০০ প্রজাতির ফলগাছ রয়েছে। রাজু বলেন, “২০১৯ সালে প্রথম ফল পাওয়া শুরু হয়। ২০২০ সালে ফলন ও মিষ্টিতা বেশি হওয়ায় বাজারে চাহিদা বেড়ে যায়। গত বছর বাগান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার আয় হয়েছে, এবারে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে আশা করি।” পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনারুল হক বলেন, “রাজু মনেপ্রাণে কাজ করেছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে মাল্টা ও কমলার উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে সফলতা পেয়েছে।” নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি এই বাগান থেকে বিষমুক্ত, স্বাস্থ্যকর মাল্টা পাওয়া যাচ্ছে। এটি স্থানীয়দের কর্মসংস্থানও দিয়েছে।” নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর রহমান বলেন, “রাজুর বাগান থেকে উৎপাদিত মাল্টা ও কমলা দেশজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে। ভার্মি কম্পোস্ট, জৈব সার ও হাঁড়ের গুড়া ব্যবহার করে আশাতীত ফলন মিলছে। কৃষি বিভাগও রাজুর উদ্ভাবিত মাল্টা জাত দেশের বাজারে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে।”  

সৈয়দপুর, নীলফামারী ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

দেবীগঞ্জে গম ও ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

ছবি: প্রতিনিধি

মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ব্যাপকভাবে আলুখেতে লেটব্রাইট (কোল্ড ইনজুরি) রোগ দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতিদিন কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক স্প্রে করেও সুফল না পাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আলুচাষিরা। জেলায় হিমশীতল বাতাস ও দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশার প্রভাবে শত শত বিঘা আলুখেত আক্রান্ত হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, নামি-দামি বালাইনাশক ব্যবহার করেও রোগ দমন করা যাচ্ছে না। ফলে ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় লোকসানের হিসাব কষে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তারা। কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর দুরাকুঠি এলাকার আলুচাষি আবদুল জব্বার বলেন, গত বছর অনুকূল আবহাওয়ায় ভালো ফলন পাওয়ায় এবার দ্বিগুণ জমিতে আলু আবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু চলতি মৌসুমে শীত ও কুয়াশার কারণে লেটব্রাইট রোগে ফসল নষ্ট হচ্ছে।     কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি রবি মৌসুমে নীলফামারী জেলায় ১৮ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৬২০ টন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান বলেন, আক্রান্ত এলাকার তথ্য পেলে দ্রুত মাঠ পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম জানান, প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশায় আলুখেতে এ ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে।     সৈয়দপুর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে লেটব্রাইট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। কৃষকরা দোকানিদের পরামর্শে ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করছেন। একই সঙ্গে শীত ও কুয়াশা থেকে রক্ষায় বোরো বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সৈয়দপুর, নীলফামারী জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

Irregular rainfall disrupts farming

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

সবজি রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলো বাংলাদেশের কৃষি খাত

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের কৃষি খাত

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

ছবি: প্রতিনিধি
দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স‌ম্মেলন

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শান্তি, আস্থা ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ভারতীয় বিদ্যাপীঠ এডুকেশনাল কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত “দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে শান্তি রক্ষা ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা” শীর্ষক সম্মেলনে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সাংবাদিক, গবেষক, মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষাবিদ অংশগ্রহণ করেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ হাসান নবী। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা স্থবির হলেও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা জনমানুষের মধ্যে আস্থার সেতু গড়ে তুলতে এবং শান্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ। আলোচকরা উল্লেখ করেন, দায়িত্বহীন সাংবাদিকতা উত্তেজনা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে, অথচ সংযত ও যাচাইপ্রাপ্ত তথ্যভিত্তিক রিপোর্টিং আঞ্চলিক সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদারে সহায়ক। বিশেষ করে ডিজিটাল যুগে ভুয়া খবর ও অপপ্রচার আঞ্চলিক শান্তির জন্য বড় হুমকি, যা প্রতিহত করতে সাংবাদিকদের নৈতিকতা ও পেশাগত মান বজায় রাখা প্রয়োজন। সেমিনার থেকে পিস জার্নালিজম চর্চা জোরদার করা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

নিখাদ খবর ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কানাডায় হাইস্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত ১০

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি।

পারমাণবিক আলোচনার জন্য ওমানে পৌঁছালেন ইরানের লারিজানি

‘আলোচনার পথ নয়, সামরিক পদক্ষেপ নিন’, আত্মহত্যার আগে ট্রাম্পকে ইরানি যুবকের আবেদন

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভেঙে কৌশলে সতর্কের ইঙ্গিত খামেনির

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দীর্ঘ ৩৭ বছরের এক ঐতিহ্যভঙ্গ করে বার্ষিক বিমান বাহিনী বৈঠক এ বছর সরাসরি এড়িয়ে গেছেন। মার্কিন সামরিক হুমকির প্রেক্ষাপটে এবং পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা ক্রমবর্ধমান থাকার কারণে খামেনির পরিবর্তে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আবদুর রহিম মুসাভি বিমান বাহিনীর কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সাধারণত প্রতি ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে আয়োজন করা হয়। তবে এবার শীর্ষ নেতার অনুপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তিনি বা জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত আছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মার্কিন রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ এবং জর্ডানে উচ্চপ্রযুক্তির বিমান ও ড্রোন মোতায়েনের পর সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় খামেনি জনসমক্ষে এড়িয়ে চলছেন। ইরান-মার্কিন সম্পর্কের চলমান উত্তেজনা, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে মতবিরোধ নতুন করে উস্কে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, খামেনির এই পদক্ষেপ কূটনৈতিক কৌশল বা সম্ভাব্য সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যেতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি ও নজরদারি ক্রমবর্ধমান থাকায়, ইরানের অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বে এই অনুপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা আলোচনা উস্কে দিয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0

চাঁদে শহর স্থাপনের উদ্যোগে নিচ্ছেন ইলন মাস্ক

হাজার হাজার ইরাকি একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেছেন। ছবি সংগৃহীত

ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কা, এবার পাশে দাঁড়াতে অঙ্গীকার হাজারো ইরাকির

ছবি: প্রতিনিধি

লটারিতে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা জিতলেন দুবাই প্রবাসী সাঈদ

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের উপর চাপ বাড়াতে ট্রাম্পের নতুন শুল্ক কৌশল

ইরানকে ঘিরে নতুন করে কড়া অবস্থান নিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করে ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। হোয়াইট হাউস সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুল্কের হার নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না থাকলেও উদাহরণ হিসেবে ২৫ শতাংশের কথা সামনে এসেছে। নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, ইরান থেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পণ্য ও সেবা আমদানিতে যুক্ত কোনো দেশের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করলে সেই রপ্তানির ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপের সুযোগ থাকবে। তবে আদেশে তাৎক্ষণিকভাবে শুল্ক কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করলেও এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প পুনরায় বলেন, ইরানকে কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। তাঁর ভাষায়, কূটনৈতিক সমঝোতা না হলে পরিস্থিতির পরিণতি “খুবই খারাপ” হতে পারে। এই আদেশ জারির সময়ই ওমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে, যা গত জুনে ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার পর প্রথম সরাসরি সংলাপ। আলোচনায় ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা। বৈঠকে মধ্যস্থতা করছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানকে ঘিরে ঘোষিত জাতীয় জরুরি পরিস্থিতির ধারাবাহিকতায় এই নির্বাহী আদেশ জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে প্রেসিডেন্ট প্রয়োজনে আদেশ সংশোধন বা পরিমার্জন করতে পারবেন। আদেশে ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা, সন্ত্রাসে সমর্থন, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, আলোচনার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এটিকে “ইতিবাচক সূচনা” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, আলোচনা শান্ত পরিবেশে হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপে নিজ নিজ রাজধানীতে পরামর্শ শেষে আবার বৈঠকে বসা হবে। উল্লেখ্য, চীন ইরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। এ ছাড়া ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক ও ভারতও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সহযোগী। নতুন এই নির্বাহী আদেশ কার্যকর হলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও কূটনৈতিক অঙ্গনে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত ২৫% শুল্ক প্রত্যাহার, মোদি–ট্রাম্প সম্পর্কে নতুন মোড়

আইভ্যাকের নতুন নিয়মে হবে ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা হালনাগাদ

জিয়ান্নি ইনফান্তিনো

ফিফা সভাপতিকে ‘শত্রু তালিকায়’ অন্তর্ভুক্ত করেছে ইউক্রেন

ছবি: এআই
ফ্লাইটে নারী সহযাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ভারতীয় যুবক গ্রেফতার

যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ড থেকে ওয়াশিংটনগামী অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে বরুণ অরোরা (৩৮) নামের ভারতীয় এক যাত্রী ঘুমানোর ভান করে পাশে বসা নারী সহযাত্রীর গায়ে বারবার স্পর্শের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ঘটনার সময় ভুক্তভোগী নারী অবতরণের ঠিক আগে অরোরার অশ্লীল আচরণ লক্ষ্য করেন। ফেডারেল তদন্তকারী সংস্থা এফবিআই তদন্তের পর, ভার্জিনিয়ার ফেডারেল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ মঞ্জুর হয়। মামলার তদন্ত ও প্রসিকিউশন পরিচালনা করেছেন বিশেষ সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি ম্যাডিসন মুমা ও সহকারী অ্যাটর্নি রাসেল এল কার্লবার্গ। দোষী সাব্যস্ত অরোরা বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। বিচারক আগামী ৭ মে সাজা নির্ধারণ করবেন; সম্ভাব্য সর্বোচ্চ দণ্ড দুই বছরের কারাদণ্ড। উল্লেখযোগ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বরে ব্রিটেনে ৩৪ বছর বয়সী ভারতীয় নাগরিক জাভেদ ইনামদারকে ২১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ফ্লাইটে কিশোরীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি

মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলামকে গুলিকরে হত্যা

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে ইরানের ধাওয়া

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি

“যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে”: খামেনি

প্রবাস

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিশ্বের গবেষণা অঙ্গনে আবারও দৃশ্যমান হলো বাংলাদেশি মেধার শক্ত অবস্থান। মালয়েশিয়া প্রবাসী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান আন্তর্জাতিক গবেষণা মূল্যায়নে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন। এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‍্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় তিনি মালয়েশিয়ায় শীর্ষস্থান, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন। বিশ্বের ৩৩ হাজারের বেশি বিজ্ঞানীর মধ্যে এই অবস্থান তার গবেষণাগত প্রভাব ও একাডেমিক উৎকর্ষের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগের বছরেও তিনি একই বৈশ্বিক অবস্থান ধরে রেখেছিলেন। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায়ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি রয়েছে তার। স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী তিনি এই ক্ষেত্রে বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম হন। একই সঙ্গে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের যৌথ বিশ্লেষণে প্রকাশিত শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় মালয়েশিয়ার এনার্জি গবেষকদের মধ্যে তিনি শীর্ষে অবস্থান করেন। গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষা ও উদ্ভাবনে অবদানের জন্য সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন ড. সাইদুর রহমান। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ বিভাগে নির্বাচিত হন তিনি, যেখানে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানীকে সম্মান জানানো হয়। গুগল স্কলার অনুযায়ী তার এইচ-ইনডেক্স ১৪৫ এবং গবেষণাকর্মে সাইটেশন সংখ্যা ৮৬ হাজারের বেশি। ময়মনসিংহের সন্তান ও বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ড. সাইদুর রহমান বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অর্জন একজন বিজ্ঞানীর ব্যক্তিগত সাফল্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধার সক্ষমতাকেই তুলে ধরেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

বিনোদন

আরও দেখুন
শবনম ফারিয়া
নির্বাচনি আলোচনার শীর্ষে শবনম ফারিয়ার ফেসবুক পোস্ট

দেশে ইতিহাসে প্রথমবার একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি। ভোটকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে উদ্বেগ ও আগ্রহ। এই প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর কাড়লেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল শবনম ফারিয়া। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি ভোট দেওয়ার পাশাপাশি পহেলা ফাল্গুনে শাড়ি না আবায়া পরার প্রশ্ন তুলেছেন, যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে লাইক, শেয়ার ও মন্তব্যের ঝড়ে পরিণত হয়। এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের ভোট প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে এবং দেশের ৪২ হাজার ৬৫৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে ভোটাররা ইতোমধ্যে নিজ নিজ কেন্দ্রে পৌঁছাতে শুরু করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ওমর সানী

ধানের শীষে ভোটের ঘোষণায় বিতর্কে অভিনেতা ওমর সানী

রিনা খান

সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন রিনা খান

শাকিবের ‘রকস্টার’এর নায়িকা নিয়ে রহস্য, পাকিস্তানি নায়িকা থাকার গুঞ্জন

আজ প্রিয়জনকে মিষ্টতায় ভরিয়ে দেওয়ার দিন

সপ্তাহের বিশেষ দিনে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পালিত হলো ‘চকোলেট ডে’, যখন প্রিয়জনকে চকোলেট উপহার দিয়ে সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করার সুযোগ তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, চকোলেট কেবল মিষ্টি খাবার নয়, এটি অনুভূতি প্রকাশের একটি সহজ ও প্রিয় মাধ্যম। যারা সরাসরি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারছেন না, তাদের জন্যও এক টুকরো চকোলেটের মাধ্যমে মন খুলে অনুভূতি জানানো সম্ভব। উপহার হিসেবে ডার্ক চকলেট স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে জনপ্রিয়, কারণ এতে কম চিনি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। মিল্ক চকলেট শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক সকলের কাছে সমান প্রিয়, এবং ক্যারামেল বা বাদাম যুক্ত মিল্ক চকলেট বিশেষ দিনের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। স্বাদের ভিন্নতা পছন্দকারীদের জন্য হোয়াইট চকলেট বা থিমভিত্তিক কাস্টমাইজড চকলেট বক্সও বিকল্প হিসেবে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ দিনটি শুধুমাত্র প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বন্ধু, পরিবার ও কাছের মানুষের সঙ্গে ভালোবাসা ভাগাভাগি করার সুযোগও এটি এনে দেয়। এমনভাবে চকোলেট ডে মনে করিয়ে দেয়, আন্তরিকতা থাকলে একটি ছোট্ট মিষ্টি উপহারও বড় অনুভূতির প্রতীক হয়ে উঠতে পারে। আগামীকাল ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহের ‘টেডি ডে’ পালিত হবে।    

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
পরীমনি

পরীমনিকে বিদেশি নম্বর থেকে প্রাণনাশের হুমকি

ছবি: সংগৃহীত

প্রেমের গুঞ্জনে আলোচনায় সিয়াম–সুস্মিতা

শাকিব খান

বক্স অফিস কাপালেও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকায় নেই শাকিবের নাম

আজহারির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়িকা বর্ষা

চিত্রনায়িকা আফিয়া নুসরাত বর্ষা ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁর লেখা ‘এক নজরে কুরআন’ গ্রন্থকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বর্ষা বইটির প্রশংসা করেন এবং কোরআন অধ্যয়ন সহজতর করার জন্য লেখককে ধন্যবাদ জানান। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে বইটির ছবি প্রকাশ করে বর্ষা লেখেন, বইটি তাঁর পরিবারে কোরআন বোঝার আগ্রহ ও সুযোগ আরও বাড়িয়েছে। তিনি জানান, তিনটি কপি সংগ্রহ করেছেন—এর মধ্যে দুটি তাঁর বোনদের জন্য। পোস্টে বর্ষা উল্লেখ করেন, সংক্ষিপ্ত ও সহজ উপস্থাপনার মাধ্যমে কোরআনের মূল বিষয়গুলো অনুধাবনে বইটি সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী। একই সঙ্গে তিনি ড. আজহারির জন্য দোয়া কামনা করেন। উল্লেখ্য, ‘এক নজরে কুরআন’ সাম্প্রতিক সময়ে পাঠকমহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

শেরপুর ঝিনাইগাতীতে বিএনপি-জামায়েত সংঘর্ষ, ৩০ আহত

সাড়ে ১২ কোটির গাড়ি কিনে আম্বানি-শাহরুখের লিস্টে স্থান পেলেও আফসোস বাদশার

তামান্না ভাটিয়া

রুপালি পর্দা পেরিয়ে ব্যবসার জগতে তামান্না ভাটিয়া

হানিয়া আমির
বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তায় আলোচনায় হানিয়া আমির

পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমিরকে ঘিরে বিয়ের আলোচনা নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর দেওয়া একাধিক ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যে সেই গুঞ্জন নতুন মাত্রা পেয়েছে। ভক্তদের প্রশ্নের জবাবে হালকা রসিকতা ও সংক্ষিপ্ত সম্মতির মাধ্যমে অভিনেত্রী এমন বার্তা দিয়েছেন, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে—বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে থাকতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে গায়ক আসিম আজহারের সঙ্গে হানিয়ার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চললেও সম্প্রতি প্রি-ওয়েডিং আয়োজন ঘিরে কয়েকটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছবিগুলোর পোশাক ও আয়োজনের মিল ঘিরে অনেকে ধারণা করছেন, এটি বিয়ের পূর্ববর্তী অনুষ্ঠান হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দেয় হানিয়ার ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের মন্তব্যের জবাব। ‘ঢোলকি নাইট’ বা ‘মায়ুন’ অনুষ্ঠান সংক্রান্ত প্রশ্নে তাঁর সংক্ষিপ্ত কিন্তু ইতিবাচক উত্তর ভক্তদের কাছে বিয়ের প্রস্তুতির ইঙ্গিত হিসেবেই ধরা পড়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য হলো, এত জল্পনা ও আলোচনার পরও হানিয়া আমির কিংবা আসিম আজহার কেউই এখনো বিয়ের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি। ফলে বিষয়টি নিশ্চিত না হলেও, বিনোদন অঙ্গনে এই সম্ভাব্য বিয়ের খবরে কৌতূহল ও অপেক্ষা—দুটোই বাড়ছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
তাহসান খান

তাহসান খানের নতুন শুরু

ছবি: সংগৃহীত

ম্রুণাল–ধানুশের বিয়ের গুঞ্জন

মহানায়িকা সুচিত্রা সেন

১২ বছর আগে ওপারে চলে গেছেন সুচিত্রা সেন

শিক্ষা

আরও দেখুন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ, স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এআই অ্যাপের সহায়তায় উত্তর খোঁজার অভিযোগে এক ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ‘সি’ ইউনিটের প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আটক শিক্ষার্থীর নাম দিব্য জ্যোতি সাহা। তার রোল নম্বর ৩১১০০০৫২। তিনি ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীর বাসিন্দা হলেও স্থায়ী নিবাস খুলনায়। তার বাবা ড. সাহা চঞ্চল কুমার জনতা ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এবং মা অল্পনা সাহা গৃহিণী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা চলাকালে হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন। পরে কাছে গিয়ে দেখা যায়, তিনি মোবাইল ফোনে ছবি তুলে ‘ডিপসিক’ নামের একটি এআই অ্যাপ ব্যবহার করে উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন। পরীক্ষা শেষে তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর গিয়াসউদ্দিন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহী জানুয়ারী ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

ছবি: প্রতিনিধি

কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক সংকট একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দুর্গম অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এই সংকট আরও প্রকট। অনেক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক না থাকায় একজন শিক্ষককেই একাধিক শ্রেণির পাঠদান করতে হচ্ছে। এতে করে পাঠদানের মান যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহও কমে যাচ্ছে।   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদ্যালয়েই শিক্ষক স্বল্পতা রয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটি বিদ্যালয়ে তিন থেকে চারজন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দেখা যায়, কোনো কোনো স্কুলে মাত্র একজন বা দুজন শিক্ষক দিয়ে পুরো বিদ্যালয় চালানো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন শিক্ষককে একসঙ্গে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির পাঠদান করতে হয়, যা কোনোভাবেই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না।   এ ধরনের পরিস্থিতিতে শিক্ষকরা চরম মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন। একজন শিক্ষক যখন একই সময় একাধিক শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের পড়ান, তখন স্বাভাবিকভাবেই কোনো শ্রেণির উপর পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জনে ব্যর্থ হয়। এইভাবে ধাপে ধাপে শিখনের ঘাটতি তৈরি হয়, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ভবিষ্যত শিক্ষাজীবনেও।   শুধু পাঠদানের ক্ষেত্রেই নয়, একজন শিক্ষককে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজ, মিডডে মিল, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হিসাব রাখা, নানা রিপোর্ট প্রস্তুত করাসহ আরও অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়। এক্ষেত্রে শিক্ষক যতই আন্তরিক হোন না কেন, সীমিত জনবল ও অপ্রতুল সময়ের কারণে শিক্ষার মান উন্নয়ন অসম্ভব হয়ে পড়ে।   অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরাও এই সংকটের কারণে দুর্বল ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করে। একজন শিক্ষক একসঙ্গে দুই-তিনটি শ্রেণির ক্লাস নেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি হয় এবং তারা ধীরে ধীরে স্কুলে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এর ফলে ঝরে পড়ার হারও বাড়ছে।   সরকার শিক্ষক নিয়োগে বিভিন্ন সময় উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সংকট কাটছে না। অনেক সময় নিয়োগপ্রাপ্তরাও দুর্গম এলাকায় যোগদান করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন, ফলে গ্রামাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতেই সংকট সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।   এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত ও কার্যকর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা দরকার। বিশেষ করে দুর্গম ও গ্রামীণ অঞ্চলের স্কুলগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, স্থায়ী পদ সৃষ্টি, নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রণোদনা প্রদান এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর বিকল্প শিক্ষা পদ্ধতিও বিবেচনায় আনা যেতে পারে, যাতে শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় পাঠ গ্রহণ করতে পারে।   প্রাথমিক স্তরেই যদি শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষা না পায়, তবে তা পুরো শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই এখনই সময় কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার, যেন একজন শিক্ষককে আর একা একাধিক শ্রেণির ভার বইতে না হয় এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে এগিয়ে যেতে পারে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে

সরকারি স্কুলে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল হাজিরা চালু, নজরদারিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি

দেশের সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবার থেকে নজরদারির আওতায় আসছে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক পদ্ধতিতে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার প্রায় এক হাজার স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে এই ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।   ✅ কীভাবে কাজ করবে ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি? ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি রেকর্ড হবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইডি কার্ড স্ক্যান অথবা ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে। প্রতিদিন সকালের শুরুতে হাজিরা রেকর্ড হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এবং তা অভিভাবকের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে পাঠানো হবে। শিক্ষকরা মোবাইল অ্যাপ অথবা অনলাইন ড্যাশবোর্ড থেকে তাৎক্ষণিকভাবে হাজিরার তথ্য দেখতে পারবেন। এর ফলে শিক্ষকের সময় বাঁচবে এবং অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের সহজে শনাক্ত করা যাবে।   🎯 উদ্দেশ্য কী এই পদক্ষেপের? এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো— ✅ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা ✅ বিদ্যালয়ে সময়মতো উপস্থিতির সংস্কৃতি গড়ে তোলা ✅ অভিভাবকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন ✅ শৃঙ্খলা, মনোযোগ ও পাঠদানে স্বচ্ছতা আনা শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, "ডিজিটাল হাজিরা শুধু উপস্থিতির হিসাব রাখার জন্য নয়, এটি শিক্ষার মান উন্নয়ন, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং অভিভাবকদের আরও সম্পৃক্ত করার একটি আধুনিক মাধ্যম।"   📊 পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ইতিবাচক ফল প্রাথমিক পর্যায়ে চালু করা স্কুলগুলো থেকে ইতিমধ্যেই আসছে আশাব্যঞ্জক ফলাফল। হাজিরার হার বেড়েছে ৮৫% থেকে ৯৬% পর্যন্ত। ময়মনসিংহের একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, "আগে অনেক শিক্ষার্থী বেলা ১১টায় এসে ক্লাসে ঢুকত, কিন্তু এখন সবাই ঠিক ৮টায় হাজির। অভিভাবকেরাও সময়মতো স্কুলে পাঠাতে সচেষ্ট হচ্ছেন।"   📱 অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অভিভাবক পর্যবেক্ষণ এই ডিজিটাল সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত থাকবে একটি মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইট, যেখানে প্রতিদিনের হাজিরা, ফলাফল, পরীক্ষার সময়সূচি ও শিক্ষকের মন্তব্য অভিভাবকরা দেখতে পারবেন। একজন অভিভাবক বলেন, "আগে আমরা জানতাম না সন্তান স্কুলে যাচ্ছে কিনা। এখন প্রতিদিন সকালে এসএমএস পেয়ে নিশ্চিন্ত হতে পারি।"   🏫 চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা যদিও এই পদ্ধতি অত্যাধুনিক, তবে প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, ইন্টারনেট সংযোগ ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ—এই তিনটি ক্ষেত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। তবে শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকার ইতোমধ্যে ৫০০০ বিদ্যালয়ে সফটওয়্যার ও প্রশিক্ষণ বিতরণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।   📌 উপসংহার সরকারি বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা চালু হওয়া নিঃসন্দেহে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি শুধু উপস্থিতির হিসাব রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, জবাবদিহিতা এবং প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলেই শিক্ষাবিদরা মনে করছেন।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, চালু হচ্ছে কেন্দ্রীয় আবেদন ও মেধাতালিকা

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব

কারিগরি শিক্ষা কেবল ডিগ্রি নয়, কর্মসংস্থান ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মূল চাবিকাঠি। জানুন কেন এই শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিশ্বে দক্ষতা নির্ভর শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। তাই কারিগরি শিক্ষা এখন শুধু বিকল্প নয়, বরং একটি সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী শিক্ষাধারা। কারিগরি শিক্ষা এখন সময়ের দাবি। এটি শুধু কর্মসংস্থানের পথ নয়, বরং টেকসই উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের অন্যতম উপায়। সরকার, সমাজ ও পরিবার—সকলকে সম্মিলিতভাবে এই শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে আগামী প্রজন্মকে দক্ষ ও কর্মক্ষম করে তুলতে হবে। কারিগরি শিক্ষা কী? কারিগরি শিক্ষা বলতে বোঝায় এমন এক শিক্ষাব্যবস্থা যা শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কোনো পেশাগত বা প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত করে। যেমন: ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডার, কম্পিউটার অপারেটর, অটোমোবাইল মেকানিক, গ্রাফিক ডিজাইনার, ফ্যাশন ডিজাইনার, ওয়েব ডেভেলপার ইত্যাদি পেশায় কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়। কেন কারিগরি শিক্ষা জরুরি? কারিগরি শিক্ষা হলো ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের গেটওয়ে। এটি পরবর্তী প্রজন্মকে শুধু আত্মনির্ভরশীল করে তোলে না, বরং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সময় এসেছে কারিগরি শিক্ষাকে মূল ধারার শিক্ষার মতো মর্যাদা দেয়ার। সরকারের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকেও এই পরিবর্তনের অংশ হতে হবে। চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি  সাধারণ একাডেমিক ডিগ্রির তুলনায় কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত একজন ব্যক্তি খুব দ্রুত কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারে। কারণ এই শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে কাজ শেখে এবং সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট পেশার জন্য প্রস্তুত হয়। উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ কারিগরি জ্ঞান থাকলে নিজের উদ্যোগেও কাজ শুরু করা যায়। যেমন: একজন দক্ষ মেকানিক বা মোবাইল টেকনিশিয়ান খুব সহজেই একটি সার্ভিস সেন্টার খুলে আয় করতে পারে। গ্লোবাল জব মার্কেটে চাহিদা বিদেশেও দক্ষ কারিগরি পেশাজীবীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফলে প্রবাসে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে এই শিক্ষাগ্রহণ করা তরুণদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়। আধুনিক শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর দেশের জন্য ভিত্তি একটি দেশ যদি টেকসই উন্নয়ন চায়, তাহলে তাকে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। কারিগরি শিক্ষাই সেই দক্ষতা তৈরির মূল চাবিকাঠি। বর্তমান বিশ্বে কর্মসংস্থানের ধরন দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে টিকে থাকতে হলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে হবে বাস্তবমুখী এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে। এই প্রেক্ষাপটে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বেড়ে চলেছে। এটি শুধু একটি বিকল্প শিক্ষাব্যবস্থা নয়, বরং ভবিষ্যতের চাকরি ও উদ্যোক্তা সৃষ্টির অন্যতম হাতিয়ার।  

আয়ান তাহরিম জুন ২৬, ২০২৫ 0

ছাত্র জীবনে টাইম ম্যানেজমেন্ট: সফলতার চাবিকাঠি

আইইএলটিএসের প্রস্তুতি মেনে চলুন এই ১০ ধাপ

কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বাড়লেও চাকরি নিশ্চিত নয়

লিওনেল মেসি
ভোট দিচ্ছেন না মেসি, নিরপেক্ষ থাকছেন এই কিংবদন্তি

হোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের পর ফের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করেছে এফসি বার্সেলোনা। ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হচ্ছেন লাপোর্তা, যেখানে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছেন ভিক্টর ফন্ট। আগামী ১৫ মার্চ অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনকে ঘিরে ক্লাবের ভবিষ্যৎ কাঠামো, ক্রীড়া দর্শন ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে বার্সেলোনার দুই কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও জাভি হার্নান্দেজের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। জাভি প্রকাশ্যে ভিক্টর ফন্টের পক্ষে অবস্থান নিলেও, লিওনেল মেসি এবার নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দিয়ারিও স্পোর্তসহ একাধিক ইউরোপীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত ব্যস্ততা এবং বর্তমানে ক্লাবের সঙ্গে প্রত্যক্ষ কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা না থাকায় মেসি এবারের নির্বাচনে ভোট দেবেন না। একই সঙ্গে তিনি কোনো প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ বা প্রকাশ্য সমর্থন দিতেও আগ্রহী নন। প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান সভাপতি লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক কার্যত নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। আবার ভিক্টর ফন্ট জয়ী হলে মেসির সঙ্গে যোগাযোগ করার ঘোষণা দিলেও, সে আহ্বানেও এখনো সাড়া দেননি আর্জেন্টাইন তারকা। বার্সেলোনার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মেসি ক্লাবের আজীবন সদস্য হিসেবে ভোট দেওয়ার অধিকার রাখেন, তবে ভোট না দেওয়াকে ক্লাবের প্রতি অনাগ্রহ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। তিনি দূর থেকেই ক্লাবের মঙ্গল কামনা করছেন। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে মেসি সশরীরে ন্যু ক্যাম্পে এসে ভোট দিয়েছিলেন, যা তখন ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলায় ব্যস্ত থাকায় এবং অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়াতেই এবার নিরপেক্ষ থাকার পথ বেছে নিয়েছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার। ফুটবল বিশ্ব এখন অপেক্ষায় ১৫ মার্চের নির্বাচনের, যেখানে নির্ধারিত হবে বার্সেলোনার আগামী দিনের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

বিশ্বকাপে না খেললেও শাস্তি নয়, বরং বাড়তি আইসিসি ইভেন্ট পাচ্ছে বিসিবি

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডের  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্তে পাকিস্তানকে ধন্যবাদ আসিফ জানান নজরুল

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বর্জন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্তের পেছনের ব্যাখ্যা প্রথমবারের মতো প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সরকার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, ক্রিকেটের মাঠে রাজনীতির অনুপ্রবেশের প্রতিবাদ এবং বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানাতেই এই অবস্থান নিয়েছে ইসলামাবাদ। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইসলামাবাদে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রাজনৈতিক প্রভাব গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর ভাষায়, “খেলার মাঠ রাজনীতিমুক্ত থাকা উচিত। এই নীতিগত অবস্থান থেকেই ভারতের বিপক্ষে না খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” একই সঙ্গে তিনি জানান, বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোকে সরকার নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা–সংক্রান্ত উদ্বেগ আমলে না নিয়ে আইসিসি দলটিকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার পরই পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয়। যদিও সিদ্ধান্তটি আগেই জানানো হয়েছিল, এর পেছনের যুক্তি এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরল পাকিস্তান সরকার। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার কথা। সূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ নির্ধারিত থাকলেও পাকিস্তান সরকার স্পষ্ট করেছে, সেই ম্যাচে দল মাঠে নামবে না। আইসিসি এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানালেও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে পিসিবি নেতৃত্ব অতীতের মতো এবারও আইসিসির নীতিতে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ তুলেছে এবং বাংলাদেশের প্রতি করা আচরণকে অন্যায্য বলে অভিহিত করেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল নেপালকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে পাকিস্তান-ভারত উত্তেজনা, আইসিসি’র জরুরি বৈঠক

সৈয়দ আব্দুস সামাদ বা মহাজাদুকর সামাদ

ফুটবলের কিংবদন্তি সামাদের ৬২তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

ছবি: প্রতিনিধি
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আইসিসি–ক্রিকেটার সংগঠনের দ্বন্দ্ব তীব্র

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি নতুন বিতর্কে জড়াল। বিশ্ব ক্রিকেটারদের স্বতন্ত্র অধিকার ও অংশগ্রহণের শর্তাবলি নিয়ে ক্রিকেটার সংগঠন ডব্লিউসিএ আইসিসিকে কঠোর সমালোচনা করেছে। ডব্লিউসিএ অভিযোগ করেছে, আইসিসি খেলোয়াড়দের কাছে পাঠানো নতুন শর্তাবলি ২০২৪ সালের চুক্তির সঙ্গে মিলছে না এবং এতে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত নাম, ছবি ও তথ্য ব্যবহারের অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষত যেসব খেলোয়াড় আর্থিকভাবে দুর্বল, তাদের ওপর একপক্ষীয় শর্ত চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে সংগঠনটি উল্লেখ করেছে। আইসিসি পাল্টা দাবি করেছে, ২০২৪ সালের চুক্তিটি কেবল আটটি ক্রিকেট বোর্ডের জন্য প্রযোজ্য, বাকিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তবে ডব্লিউসিএর মতে, চুক্তি সকল সদস্য খেলোয়াড়ের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। এতে খেলোয়াড়রা গণমাধ্যমে উপস্থিতি, ড্রেসিংরুমে প্রবেশাধিকার, ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ এবং বাণিজ্যিক লাইসেন্সের ক্ষেত্রে পূর্ণ অধিকার রাখতে পারবেন। ডব্লিউসিএ প্রধান নির্বাহী টম মোফাট বলেছেন, আইসিসির নতুন শর্তগুলো খেলোয়াড়দের অধিকার হরণ করছে এবং “বিশেষ করে নিম্নবেতনপ্রাপ্ত বা অপেশাদার খেলোয়াড়দের শোষণমূলক” পরিস্থিতির দিকে ধাবিত করছে। তিনি উল্লেখ করেন, সংগঠন বিশ্বকাপ পণ্ড করতে চাইছে না, তবে খেলোয়াড়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ মুহূর্তে আইসিসি এখনও ডব্লিউসিএর নোটিশের জবাব দেয়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0

আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে সর্বনিম্ন স্থানে বিপিএল

ছবি: প্রতিনিধি

ইয়ং টাইগার্স অনুর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

আমিনুল ইসলাম বুলবুল

বিসিবি সভাপতির প্রশ্ন: ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এত আগ্রহ কেন?

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল প্রথমবারের সাফ চ্যাম্পিয়ন

থাইল্যান্ডের ব্যাংককের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে রোববার (২৫ জানুয়ারি) টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বাধীন দল। লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সাত দেশের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ছয় ম্যাচে পাঁচ জয় ও এক ড্রয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে ইতিহাস সৃষ্টি করে। ফাইনাল ম্যাচে মালদ্বীপের অগ্রগতিকে দ্রুত বিপরীতমুখী করে বাংলাদেশ দখল নেন। অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও লিপি আক্তার হ্যাটট্রিক করেন। এছাড়া কৃষ্ণা রানী সরকার, নিলুফা আক্তার নীলা ও নৌশিন জাহানসহ একাধিক খেলোয়াড় গোল উৎসবে অংশ নেন। বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট শুরু করে ভারতের বিপক্ষে ৩-১, ভুটানের সঙ্গে ৩-৩ ড্র, নেপালকে ৩-০, শ্রীলঙ্কাকে ৬-২ এবং পাকিস্তানকে ৯-১ গোলে পরাজিত করে শিরোপার পথে এগিয়ে যায়। শেষ ম্যাচের বড় ব্যবধানে জয়ের মাধ্যমে দলের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিশ্চিত হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
ট্রিনিটি রডম্যান

নারী ফুটবলে সর্বোচ্চ আয়কারী হিসেবে ইতিহাস গড়লেন ট্রিনিটি রডম্যান

বাংলাদেশ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসিকে চিঠি, বিসিবির পাশে দাঁড়াল পিসিবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো
সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস এবং অন্যান্য প্রদেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। স্থানীয়রা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কারাকাসের কেন্দ্রস্থলস্থ সামরিক বিমানঘাঁটি লা কার্লোটা ও প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফুয়ের্তে তিউনা। উভয় স্থানের বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে হামলার জন্য দায়ী করেছে। তাদের দাবি, দেশজুড়ে সামরিক স্থাপনা এবং বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। হামলার কারণে কারাকাসসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, এবং আকাশে বিমান চলাচল অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত এবং মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র
ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে গোপনে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করেছে—যদিও সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল–ইরান উত্তেজনার মধ্যে এটি একটি অব্যাহত এবং সূক্ষ্ম পদক্ষেপ। জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরান আক্রমণের পরও টেবিলে কূটনৈতিক বিকল্প রেখেছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক জবাববৎ কিছু সীমাবদ্ধ পদক্ষেপ নিয়েছে । মঙ্গলবার মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, "আলোচনাগুলো ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, সরাসরি ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে" এবং তিনি এগুলোকে “promising” হিসেবে বর্ণনা করেন । এদিকে রিপোর্টগুলো অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সমন্বিত প্রস্তাব দিতে পারে: ২০–৩০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, নিষিদ্ধ নয়-সমৃদ্ধি পারমাণবিক উদ্যোগে এবং জমানো তহবিল মুক্ত করার সম্ভাবনা সহ । তবে ইরানের পক্ষ থেকে তেমন আগ্রহ প্রকাশ না করেই তারা জানাচ্ছে, “সংঘাত চলাকালীন কোনো অর্থবোধক আলোচনা হয়নি” এবং ইরান কোনো আলাপ-আলোচনায় অংশ নিতে ইচ্ছুক নয়—এ পর্যন্ত পরোক্ষ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে । এই পরিস্থিতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের যৌক্তিকতা হলো—এটি একটি "হেডফেক" বা প্রকাশ্য হুমকির ছায়ায় গোপন দ Diplomacy, যা ইরানের উত্তেজনায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে তাকে পুনরায় টেবিলে আনাতে চায় । বেশ কিছু অনুসন্ধানমূলক মিডিয়া যেমন CNN ও NBC বলছে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে মুক্তি এবং ফোর্ডো কেন্দ্রটি একটি বেসামরিক পারমাণবিক কেন্দ্র হিসেবে পুনর্গঠন উপস্থাপন করা হয়েছে । উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মিডিয়া প্রকাশনাগুলোতে সহজ-সরল বৈঠক নয়, বরং একটি স্ট্র্যাটেজিক কৌশল লক্ষ্য করা যাচ্ছে—যেখানে সামরিক হামলা ও কূটনৈতিক আমন্ত্রণ একই ছত্রছায়ায় অনুদিত হচ্ছে । এই প্রসঙ্গে সামুদ্রিক মধ্যপ্রাচ্যীয় প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী দেশ যেমন ওমান ও কাতার নির্দ্বিধায় ভূমিকায় রয়েছে, যাতে তারা গোপন পর্যায়ে যোগাযোগ সহজতর করতে পারে । এতে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পুনরায় আলোচনায় ফেরাতে চায়। যদিও সামনের দুর্গম পদক্ষেপগুলো নির্ভর করছে ইরানের উত্তর ও মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক উত্তেজনার দিকে নজর দিয়ে — আর তা জোরালো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0
ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

iranqatar

ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ
ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসরায়েল ও ইরানের দ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। বহু বছর ধরে এ দুই দেশের মধ্যে চলা গোপন ও প্রকাশ্য উত্তেজনা ২০২৫ সালে এসে সরাসরি সংঘর্ষে রূপ নেয়। ড্রোন হামলা, সাইবার আক্রমণ এবং সীমান্তে সরাসরি পাল্টা-প্রতিক্রিয়া পুরো অঞ্চলকে কাঁপিয়ে তোলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ের একটি শান্তিপূর্ণ সমঝোতা এবং যুদ্ধবিরতির ঘোষণা কি সত্যিই এই দীর্ঘ শত্রুতা শেষের ইঙ্গিত দিচ্ছে? আর এই দ্বন্দ্বে কে কী পেল? যুদ্ধের পটভূমি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ—দুইয়ের সংঘর্ষ থেকেই উত্তেজনার সূচনা। ইসরায়েলের দাবি ছিল, ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যা পুরো অঞ্চলের জন্য হুমকি। অন্যদিকে, ইরান বরাবরই দাবি করেছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। ২০২৫ সালের শুরুতে সিরিয়ায় একটি ইরানি সামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধে ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইসরায়েল ইরানের বেশ কয়েকটি সামরিক ও পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায়। কয়েক সপ্তাহের এই সংঘাতে শত শত মানুষ নিহত ও আহত হয় এবং হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়। যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলের চাপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মধ্যস্থতায় অবশেষে দুই দেশ এক অঘোষিত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। একটি অস্থায়ী চুক্তির আওতায়— ইরান পরমাণু কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনবে এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের অনুমতি দেবে ইসরায়েল নতুন করে ইরানি স্থাপনায় আঘাত না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলো এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে কে কী পেল? ইরান যা পেল: আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হতে পারে আঞ্চলিক মিত্রদের (যেমন: হিজবুল্লাহ, সিরিয়া) সমর্থন অব্যাহত রাখতে পারবে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একটি বিজয় দাবি করার সুযোগ ইসরায়েল যা পেল: ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে একটি সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কিছুটা স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক সমর্থন   তবে যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ?   এই প্রশ্নের উত্তর সহজ নয়। যদিও সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে, কিন্তু দুই দেশের আস্থা একে অপরের প্রতি এখনও ভঙ্গুর। আঞ্চলিকভাবে প্রক্সি গোষ্ঠীর মাধ্যমে উত্তেজনা অব্যাহত থাকতে পারে। পর্দার আড়ালে সংঘর্ষ, সাইবার হামলা ও গুপ্তচরবৃত্তি চলতেই থাকবে বলেই বিশ্লেষকদের ধারণা। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের এই পর্ব আপাতত শেষ হলেও প্রকৃত অর্থে শান্তি আসেনি। মধ্যপ্রাচ্য এখনও একটি বিস্ফোরক ভূখণ্ড, যেখানে যে কোনো সময় আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এই বিরতি শুধু "শ্বাস নেওয়ার" সময়, কিন্তু "সমাধান" নয়।

রতন লাল জুন ২৫, ২০২৫ 0

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

রাজনীতি

আরও দেখুন
ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে চার প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহার

ঢাকা–১৭ সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। বিএনপির প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানিয়ে চারজন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।  বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সশরীরে ও টেলিফোনে তাঁরা এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর আগে একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক প্রার্থীও সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বিএনএফ প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য এস এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, জাতীয়তাবাদী ভোট বিভক্তি রোধ এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌম স্বার্থ রক্ষার বিবেচনায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি তাঁর সমর্থকদের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রদানের আহ্বান জানান। একই মঞ্চে অপর প্রার্থী শামীম আহমেদও অনুরূপ ঘোষণা দেন। অন্যদিকে, নির্বাচনী এলাকায় অনুপস্থিত থাকায় আরও দুই প্রার্থী টেলিফোনে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে সমর্থনের কথা জানান এবং ভোটারদের নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনী এলাকায় অর্থের বিনিময়ে ভোট প্রভাবিত করার অপচেষ্টা চলছে। তারা নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

বিমানবন্দরে জব্দকৃত অর্থ ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমিরের ব্যবসায়িক অর্থ হিসেবে দাবি করেন এহসানুল মাহবুব

বেলাল উদ্দিন

‘টাকার ব্যাগ’সহ আটক ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

ছবি: প্রতিনিধি
পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, প্রশাসনের সহযোগিতা চাইলেন জামায়াত প্রার্থী

শেরপুর-২ (নকলা–নালিতাবাড়ী) আসনে পোলিং এজেন্টদের হুমকি ও ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া ভিপি। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় নালিতাবাড়ী পৌর শহরের গাজীরখামার এলাকার দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকেরা বিভিন্ন কেন্দ্রে জামায়াতের পোলিং এজেন্টদের ভয় দেখাচ্ছেন এবং ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছেন। এ ছাড়া প্রচারণার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও অর্থ ও উপকরণ দিয়ে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি দাবি করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, শেরপুর-২ আসনের ১৫৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯৩টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেরপুর প্রতিনিধি> ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারী-৪ আসনের জাপা প্রার্থীর বিরুদ্ধে কালো টাকা বিতরণের অভিযোগে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন

ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী

সরকার গঠন করবে বিএনপি : এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী

ভালুকায় শেষ মুহূর্তে উত্তাপ, বিএনপি-স্বতন্ত্রের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত অনুকূলে আছে বলে জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাথমিক পরিবেশ ইতিমধ্যেই অনুকূলে রয়েছে।  মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু হলে গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে যাওয়া সম্ভব হবে এবং সকলকে গণতন্ত্রের চর্চার সুযোগ হবে।” ফখরুল অতীতের কারচুপির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “বিগত ১৫ বছরে নানা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারণে মানুষ ভালো নির্বাচনের আশা কম রাখে, তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রভাব সীমিত হবে। জামায়াতের প্রচারণা ও বিভ্রান্তিমূলক কার্যক্রম নিয়েও ফখরুল সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, “নাগরিকরা বোকা নয়; মিথ্যা তথ্য সহজে প্রভাব ফেলবে না।” নির্বাচনের ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিএনপি সব সময় ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও স্বাগত জানাবে। ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা এই আলাপচারিতায় উপস্থিত ছিলেন।  

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0

ঢাকা-৮ আসনকে সৌদি মদিনার আদলে গড়ার প্রতিশ্রুতি নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর

পিতা–মাতার কবর জিয়ারত করে ঘরে ফিরলেন তারেক রহমান

ছবি: প্রতিনিধি

জামায়াতের শেষ জনসভায় মানুষের ঢল

ছবি: প্রতিনিধি
সরকারি মেডিকেল কলেজ ও ভোলা বরিশাল সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি বিএনপি প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমের

ভোলায় আধুনিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ নির্মাণ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ভোলা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ হাফিজ ইব্রাহিম। একই সঙ্গে ভোলা–বরিশাল সেতু নির্মাণসহ ভোলা ও ঢাকার মধ্যে সারা বছর নিরবিচ্ছিন্ন, নিরাপদ ও স্থায়ী সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন তিনি। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে বোরহানউদ্দিন সরকারি হাইস্কুল মাঠে উপজেলা বিএনপির আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন হাফিজ ইব্রাহিম। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাফরুজা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি তাঁর ২২ দফা নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ধানের শীষে ভোট দিয়ে নির্বাচিত হলে নির্বাচনী এলাকায় আবাসিক গ্যাস সংযোগ চালু করা হবে এবং গ্যাসভিত্তিক শিল্পকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। নির্বাচনের দিন ফজরের নামাজ আদায় করে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি নির্বাচন সুষ্ঠু রাখতে বহিরাগতদের প্রতিহত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে রয়েছে—ভোলা–বরিশাল সেতু নির্মাণ, সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন, নদীভাঙন রোধ, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন। জনসভায় উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিকেল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে ধানের শীষের ব্যানার-ফেস্টুন ও ডাকঢোলসহ মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জনসভায় যোগ দেন।  

ভোলা প্রতিনিধি> ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারীতে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ ভোটারের গণমিছিল, ভোটের আহ্বান তুহিনের

ছবি: প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জে ফজলুর রহমানের ধানের শীষের  নির্বাচনী জনসভায় জনসমুদ্র

ছবি: প্রতিনিধি

ধানের শীষে ভোট দিয়ে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি জাগান: জিন্নাহ কবির