ভারতীয়দের যুক্তরাষ্ট্রে আগমনের উদ্দেশ্য কেবল সন্তান জন্ম দেয়া: ট্রাম্প
রোববারই শেষ হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ
শুক্রবার থেকে ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
সীমান্তে নৃশংস হত্যার পর ধানক্ষেতে ফেলে গেল মরদেহ
বিশ্ব

রোববারই শেষ হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0
অর্থনীতি

দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ

শুক্রবার থেকে ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
অর্থনীতি

দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0
আজকের স্বর্ণের বাজারদর

দেশীয় বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ ও কাঁচামালের দামের ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষাপটে মূল্যবান ধাতুর দামে পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী সমন্বয় কার্যকর করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ নির্ধারিত দামে শনিবার (১৮ এপ্রিল) থেকে স্বর্ণ ও রুপা নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে। সংগঠনটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার দর বৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় এনে এ সমন্বয় করা হয়েছে। এর ফলে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর আগে গত ১৫ এপ্রিল জারি করা সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিতে স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা এবং রুপার দাম ৩৫০ টাকা বাড়ানো হয়, যা একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, বৈশ্বিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি এবং দেশীয় সরবরাহ পরিস্থিতির প্রভাবে এ খাতে মূল্য সমন্বয়ের ধারা অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে আগামীতেও দামে পুনঃসমন্বয়ের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।  

ইইউ–যুক্তরাষ্ট্রে ডেনিম রপ্তানিতে শীর্ষস্থানে বাংলাদেশ

প্রায় চার দশকের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রার পর আন্তর্জাতিক ডেনিম বাণিজ্যে নেতৃত্ব আরও দৃঢ় করেছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র—এই দুই প্রধান বাজারে দেশটির ডেনিম পোশাক রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ২৬০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি। সরকারি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তথ্যসূত্র—বিশেষত অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা) ও ইউরোস্ট্যাটের উপাত্তে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি ৯৬ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে, যেখানে প্রবৃদ্ধি ৩৪ শতাংশ এবং বাজার হিস্যা প্রায় ২৬ শতাংশ। অপরদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে ১৬৪ কোটি ডলারের রপ্তানির মাধ্যমে ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যা উভয় ক্ষেত্রেই শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে। বাজার প্রতিযোগিতায় মেক্সিকো, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, তুরস্ক ও কম্বোডিয়া অনুসরণ করলেও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ও বাজার দখলে বাংলাদেশ স্পষ্টতই অগ্রগামী অবস্থানে রয়েছে। খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় যে, গত দেড় দশকে দেশীয় ডেনিম শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে দেশীয় মিলগুলো মোট চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ সরবরাহ করতে সক্ষম, যা পূর্বে আমদানিনির্ভর ছিল। পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয়ের প্রতিযোগিতামূলক কাঠামো, জ্বালানি ও কাঁচামালের তুলনামূলক প্রাপ্যতা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্বিন্যাস বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা জোরদার করেছে। আইনগত ও বাণিজ্যিক কাঠামোর দৃষ্টিকোণ থেকে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা এবং বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের সম্প্রসারণ—এসব উপাদান বাংলাদেশের ডেনিম খাতকে একটি টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মত দিয়েছে।  

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৩৫ বিলিয়ন ডলার

বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রবণতার ধারাবাহিকতায় নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে দেশের রিজার্ভ—কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি ও ডলার সরবরাহের স্থিতিশীলতার ফলে মোট রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। আইএমএফের আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম–৬ পদ্ধতি অনুযায়ী, ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০.৩৬ বিলিয়ন ডলার, আর গ্রস রিজার্ভ পৌঁছেছে ৩৫.০৩ বিলিয়ন ডলারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাষ্যমতে, ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিই এ অর্জনের প্রধান চালিকাশক্তি। চলতি মাসের প্রথমার্ধে প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৭৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেশি। একদিনেই ১৮১ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসার ঘটনাও রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে মোট প্রবাসী আয় প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার স্পর্শ করেছে, যা বার্ষিক ভিত্তিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। ডলার বাজারে ভারসাম্য রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিতভাবে বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয় অব্যাহত রেখেছে এবং এপ্রিল মাসেই একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার সংগ্রহ করেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এ প্রবণতা বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনলেও আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ভবিষ্যতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। সার্বিক বিবেচনায়, রেমিট্যান্সনির্ভর এই রিজার্ভ বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত বহন করলেও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সতর্ক নীতি সহায়তা প্রয়োজন।  

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ফের বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে এ নতুন দর কার্যকর হয় বলে সংগঠনটি জানিয়েছে। নতুন মূল্য তালিকায় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকা। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর আগে ৯ এপ্রিল স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫৫ দফা সমন্বয়ের মধ্যে ৩২ বার বৃদ্ধি এবং ২৩ বার হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারে উচ্চমাত্রার অস্থিরতা নির্দেশ করছে।  

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0
আজকের স্বর্ণের বাজারদর
নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৩৫ বিলিয়ন ডলার
নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

বাগেরহাটে হাদী হত্যার বিচার দাবিতে ছাত্রজনতার আল্টিমেটাম

বাগেরহাট ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

মতামত

সকল নিরপরাধের মুক্তি চাই

শিপন হালদার এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
মোরেলগঞ্জে স্বল্প খরচে অধিক লাভবানে স্বপ্ন বুনছেন চাষিরা

  বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পতিত জমিতে মুগ ডাল চাষ করে স্বল্প খরচে বেশি লাভের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষকরা। আর মাত্র তিন সপ্তাহ পর ফসল ঘরে তুলতে পারবেন তারা। ভালো ফলন হওয়ায় বিঘাপ্রতি ৫-৬ মণ উৎপাদনের আশা করছেন চাষিরা। উপজেলার হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব চর হোগলাবুনিয়া গ্রামে এ বছর প্রথমবারের মতো ১১ বিঘা পতিত জমিতে ১০ জন কৃষক শীতকালীন মুগ ডাল চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। আগে এসব জমিতে কেবল আমন ধান হতো, পরে জমি অনাবাদি পড়ে থাকত। কৃষি বিভাগের প্রণোদনা ও পরামর্শে এবার মুগ চাষে আগ্রহী হন তারা। কৃষকদের দাবি, বিঘাপ্রতি প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ করে দুই মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা আয় সম্ভব হচ্ছে। পাশাপাশি নিজের চাহিদা মিটিয়ে নিরাপদ খাদ্যও পাচ্ছেন তারা। স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ২৭৫ হেক্টর জমিতে মুগ ডাল চাষ হয়েছে। বিশেষ করে হোগলাবুনিয়া, বলইবুনিয়া, চিংড়াখালী, পুটিখালী ও বনগ্রাম এলাকায় চাষ বেশি হয়েছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, পতিত জমিকে চাষের আওতায় এনে কৃষকদের আয় বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। কৃষকদের আগ্রহ থাকায় ভালো ফলন এসেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম জানান, তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মুগ চাষ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ চাষ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।  

মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

মধু চাষে মধুর জীবন গড়ছেন শিক্ষক সাহানুর

ছবি: প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের লিচুতে এবার ২০ হাজার টনের স্বপ্ন

ছবি: প্রতিনিধি

মৌ মৌ গন্ধে সুরভিত করে তুলেছে সজনে ফুল, বাড়ছে বাণিজ্যিক চাষ

ছবি: প্রতিনিধি
নীলফামারীতে নিজের নামে উদ্ভাবিত মাল্টার জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চান রাজু

নীলফামারী জেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের ঝাড়পাড়ায় মনিরুজ্জামান (রাজু) গড়ে তুলেছেন রাজু অর্গানিক গার্ডেন অ্যান্ড নার্সারী, যেখানে বিভিন্ন জাতের মাল্টা, কমলা এবং দেশি-বিদেশি ফলের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। রাজু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ পাস করার পর চাকরি না পেয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০১৮ সালে নিজের পৈতৃক দেড় একর জমিতে তিনি মাল্টার বাগান গড়ে তোলেন। বাগানে বর্তমানে রাজু-১ ও রাজু-২ নামে তার উদ্ভাবিত মাল্টার দুটি জাত ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। রাজুর বাগান থেকে নীলফামারীর বিভিন্ন অফিস-আদালত ও দেশের বাইরের জেলায় মাল্টা পাঠানো হচ্ছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। বাগানে কমলা, সিকি মোসাম্বি, বারী-১, বারী-২, মরক্কো, থাই পেয়ারা, বারো মাসী আমড়া, কাঁঠাল, ড্রাগন, আনার, আপেল, কাজু ও পেস্তা বাদামসহ প্রায় ৪০০ প্রজাতির ফলগাছ রয়েছে। রাজু বলেন, “২০১৯ সালে প্রথম ফল পাওয়া শুরু হয়। ২০২০ সালে ফলন ও মিষ্টিতা বেশি হওয়ায় বাজারে চাহিদা বেড়ে যায়। গত বছর বাগান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার আয় হয়েছে, এবারে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে আশা করি।” পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনারুল হক বলেন, “রাজু মনেপ্রাণে কাজ করেছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে মাল্টা ও কমলার উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে সফলতা পেয়েছে।” নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি এই বাগান থেকে বিষমুক্ত, স্বাস্থ্যকর মাল্টা পাওয়া যাচ্ছে। এটি স্থানীয়দের কর্মসংস্থানও দিয়েছে।” নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর রহমান বলেন, “রাজুর বাগান থেকে উৎপাদিত মাল্টা ও কমলা দেশজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে। ভার্মি কম্পোস্ট, জৈব সার ও হাঁড়ের গুড়া ব্যবহার করে আশাতীত ফলন মিলছে। কৃষি বিভাগও রাজুর উদ্ভাবিত মাল্টা জাত দেশের বাজারে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে।”  

সৈয়দপুর, নীলফামারী ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

দেবীগঞ্জে গম ও ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

ছবি: প্রতিনিধি

মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ব্যাপকভাবে আলুখেতে লেটব্রাইট (কোল্ড ইনজুরি) রোগ দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতিদিন কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক স্প্রে করেও সুফল না পাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আলুচাষিরা। জেলায় হিমশীতল বাতাস ও দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশার প্রভাবে শত শত বিঘা আলুখেত আক্রান্ত হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, নামি-দামি বালাইনাশক ব্যবহার করেও রোগ দমন করা যাচ্ছে না। ফলে ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় লোকসানের হিসাব কষে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তারা। কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর দুরাকুঠি এলাকার আলুচাষি আবদুল জব্বার বলেন, গত বছর অনুকূল আবহাওয়ায় ভালো ফলন পাওয়ায় এবার দ্বিগুণ জমিতে আলু আবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু চলতি মৌসুমে শীত ও কুয়াশার কারণে লেটব্রাইট রোগে ফসল নষ্ট হচ্ছে।     কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি রবি মৌসুমে নীলফামারী জেলায় ১৮ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৬২০ টন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান বলেন, আক্রান্ত এলাকার তথ্য পেলে দ্রুত মাঠ পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম জানান, প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশায় আলুখেতে এ ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে।     সৈয়দপুর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে লেটব্রাইট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। কৃষকরা দোকানিদের পরামর্শে ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করছেন। একই সঙ্গে শীত ও কুয়াশা থেকে রক্ষায় বোরো বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সৈয়দপুর, নীলফামারী জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

Irregular rainfall disrupts farming

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

ভারতীয়দের যুক্তরাষ্ট্রে আগমনের উদ্দেশ্য কেবল সন্তান জন্ম দেয়া: ট্রাম্প

বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অভিবাসন নীতি ফের আলোচনায় এসেছে, যেখানে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি বিতর্কিত পোস্ট শেয়ার করে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছেন। শেয়ার করা ওই কনটেন্টে রেডিও সঞ্চালক মাইকেল সেভেজ ভারত ও চীনসহ কয়েকটি দেশকে অবমাননাকর ভাষায় উল্লেখ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নীতিকে কেন্দ্র করে কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, এসব দেশ থেকে কিছু ব্যক্তি সন্তান জন্মের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে নাগরিকত্ব সুবিধা গ্রহণ করছে—যা তিনি নীতিগত অপব্যবহার হিসেবে অভিহিত করেন। এই বক্তব্যে আরও বলা হয়, অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব অর্জন করছে এবং পরবর্তীতে পারিবারিক পুনর্মিলনের মাধ্যমে অন্যান্য সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসছে—যা নিয়ে তিনি আইন সংশোধনের আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, ট্রাম্প এর আগের এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ব্যবস্থাকে একক ব্যতিক্রম হিসেবে দাবি করলেও আন্তর্জাতিক তথ্য অনুযায়ী বিষয়টি সঠিক নয়; বিশ্বের বহু দেশে এ ধরনের আইন প্রচলিত রয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ভারত ও চীনসহ বিভিন্ন দেশে কূটনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা একে ‘বিদ্বেষমূলক বয়ান’ হিসেবে অভিহিত করে সতর্ক করেছেন যে, এ ধরনের বক্তব্য বৈশ্বিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ও অভিবাসন নীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অভিবাসন ইস্যুকে কেন্দ্র করে এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনি কৌশলের অংশ হলেও তা আন্তর্জাতিক আইনগত ও কূটনৈতিক পরিসরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0

রোববারই শেষ হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ

উত্তর প্রদেশে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ ১১ জন নিহত

৪ দিনেও খোঁজ মেলেনি যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, চাপের মুখে শেয়ারবাজার

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হলেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও অর্থবাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। বরং প্রত্যাশিত স্বস্তির পরিবর্তে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে পতন দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, পাকিস্তানের অনুরোধে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানো হয়েছে। তবে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ বহাল রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ঘোষণার পরপরই বাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া না এসে উল্টো অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বাড়ে। এর প্রভাব পড়ে ওয়াল স্ট্রিটে। মঙ্গলবার এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ০.৬ শতাংশ কমে যায়। একই সঙ্গে ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ প্রায় ২৯৩ পয়েন্ট এবং নাসডাক কম্পোজিট সূচকও নিম্নমুখী হয়। অন্যদিকে জ্বালানি বাজারে উল্টো চিত্র দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক মানের ব্রেন্ট ক্রুড তেল দিনের শুরুতে নিম্নমুখী থাকলেও পরে দ্রুত বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৮.৪৮ ডলারে পৌঁছায়, যা আগের দিনের তুলনায় তিন শতাংশের বেশি বৃদ্ধি। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, বন্দর অবরোধ এবং ভবিষ্যৎ সংঘাতের শঙ্কাই বাজারে চাপ তৈরি করছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা থেকেই শেয়ারবাজারে পতন ও তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিচ্ছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0

এশিয়া-প্যাসিফিকে ফের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান

ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের কোনো চাপ ছিল না: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ‘চূড়ান্তভাবে পরাজিত’ করতে সব সামরিক প্রস্তুতি সম্পূর্ণ: মোজতবা খামেনি

ট্রাম্পকে ইরান যুদ্ধে টেনেছেন নেতানিয়াহু: কমালা হ্যারিস

ইরানকে ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তীব্র মতপার্থক্য প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে যুদ্ধনীতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন কমালা হ্যারিস। শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে তিনি অভিযোগ করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর প্রভাবে এমন এক সংঘাতে জড়িয়েছেন, যা মার্কিন জনগণের প্রত্যাশার পরিপন্থী এবং দেশটির সেনাসদস্যদের ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এ বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া না জানালেও ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে মন্তব্য করেন যে, দেশটি কঠিন পরিস্থিতিতেও কৌশলগত সক্ষমতা ও দৃঢ়তার পরিচয় দিচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরযোগ্য মিত্র হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পাল্টাপাল্টি অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও সম্ভাব্য সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে রাজনৈতিক বিভাজনকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে, যা ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় যুদ্ধ শুরু করতে পারে: ইরানের স্পিকার

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ

হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধের ঘোষণা দিল ইরান

যুদ্ধবিরতির মাঝেই লোহিত সাগরের পথে মার্কিন রণতরি ‘জেরাল্ড ফোর্ড’

মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঘিরে কৌশলগত উপস্থিতি জোরদারে নতুন করে নৌ-সামরিক শক্তি প্রদর্শনে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’-কে লোহিত সাগরে পুনরায় মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা সূত্র। পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, পূর্ব ভূমধ্যসাগর থেকে যাত্রা করে রণতরিটি সুয়েজ খাল অতিক্রম করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ লোহিত সাগর অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। এর সঙ্গে রয়েছে সশস্ত্র ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস মাহান’ এবং ‘ইউএসএস উইনস্টন এস চার্চিল’, যা সম্মিলিতভাবে একটি শক্তিশালী ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ গঠন করেছে। এর আগে রক্ষণাবেক্ষণ ও অগ্নিকাণ্ডজনিত ক্ষয়ক্ষতির কারণে কিছু সময়ের জন্য মেরামতে থাকলেও এখন পূর্ণ সক্ষমতায় পুনরায় অপারেশনাল অবস্থায় ফিরেছে রণতরিটি। বর্তমানে অঞ্চলে ইতোমধ্যে সক্রিয় রয়েছে আরেকটি মার্কিন রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’, আর তৃতীয় ক্যারিয়ার ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ ও অগ্রসরমান। ফলে অদূর ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধমূলক সক্ষমতা জোরদার করতেই যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের শক্তি প্রদর্শনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0

মালয়েশিয়ায় ত্রিমুখী মোটরসাইকেল সংঘর্ষে বাংলাদেশি নিহত

সোমবার পাকিস্তানে মুখোমুখি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান

হরমুজে নতুন ফি আরোপের ইঙ্গিত দিলো ইরান

প্রবাস

আরও দেখুন
দক্ষিণ আফ্রিকায় কোম্পানীগঞ্জের ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

  দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার প্রবাসী ব্যবসায়ী আবু নাসের শামীম (৫০) গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় ১০টায় জোহানেসবার্গের বারাখওয়ানে এলাকায় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শামীম দোকানে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তার মাথায় গুলি করে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হামলার পর দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। নিহত শামীম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার হত্যার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা ও প্রয়োজনীয় সহায়তায় সরকার কাজ করবে।  

নোয়াখালী প্রতিনিধি> এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0

মালয়েশিয়ায় ১৪ বাংলাদেশি শ্রমিকের বেতন আত্মসাৎ করে পলাতক সুপারভাইজার

বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিনোদন

আরও দেখুন
ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছেন কমেডি অভিনেতা তপন

জনপ্রিয় অভিনেতা তারিকুজ্জামান তপন মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চরম শারীরিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। পরিবার জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে রাজধানীর আফতাবনগরের বাসায় শয্যাশায়ী অবস্থায় আছেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তারিকুজ্জামান তপন খাদ্যনালির ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চতুর্থ ধাপে পৌঁছেছেন। গত ডিসেম্বর রোগ শনাক্তের পর থেকে তিনি চিকিৎসাধীন থাকলেও এখন পর্যন্ত তিন দফা কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে। তার স্ত্রী সাবিনা হেলেন জানান, অভিনেতার শারীরিক অবস্থা দিন দিন অবনতি হচ্ছে। তিনি খাবার গ্রহণ করতে পারছেন না, বমি ও তীব্র ব্যথায় ভুগছেন এবং প্রায় সারাক্ষণ শয্যাশায়ী থাকছেন। চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ সামলাতে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে জানানো হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার চেষ্টা করা হলেও শয্যা সংকটের কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যয়বহুল চিকিৎসা অব্যাহত রাখা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় তারা সরকারি সহায়তা ও শিল্পী-সমাজের সহযোগিতা কামনা করেছেন। একসময় কমেডি ও চরিত্রাভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেতা টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র দুই মাধ্যমেই দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এখন তার সুস্থতার জন্য পরিবার, সহকর্মী ও ভক্তদের দোয়া চাওয়া হয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0

বাংলাদেশে গম পাঠিয়ে আইনি বিপাকে নুসরাত জাহান

দ্বিতীয়বার মা হওয়ার সুখবর দিলেন দীপিকা পাড়ুকোন

চমকের নতুন চমক

আবারো বিচ্ছেদের গুঞ্জন রণবীর-দীপিকার

বলিউডের আলোচিত দম্পতি রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন-এর বৈবাহিক সম্পর্ক ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে পুনরায় বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রদান করা হয়নি। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, একটি অনির্ধারিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টকে কেন্দ্র করে এই জল্পনার সূত্রপাত। উক্ত পোস্টে দাবি করা হয়, পারস্পরিক মতপার্থক্যের জেরে দম্পতিটি সম্ভাব্য আইনি বিচ্ছেদের দিকে অগ্রসর হতে পারেন। যদিও এ ধরনের দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপিত হয়নি। এদিকে, সম্প্রতি ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ-এর সাফল্য উদযাপনকালে দীপিকার অনুপস্থিতি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠলেও পরে তিনি স্পষ্ট করেন যে, চলচ্চিত্রটি তিনি পূর্বেই দেখেছেন। দম্পতির ঘনিষ্ঠ সূত্রসমূহ এ ধরনের গুঞ্জনকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে। পূর্বেও অনুরূপ গুজব প্রচারিত হলেও তা পরবর্তীতে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিগত সম্পর্ক সংক্রান্ত এ ধরনের অনানুষ্ঠানিক তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার করা সমীচীন নয় এবং এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য প্রাপ্তিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য পন্থা।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0

কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি পেয়েছিলেন পূর্ণিমা

নতুন আবহে উপস্থিত বিপাশা হায়াত

তৃতীয় সার্জারির প্রস্তুতিতে তানিয়া বৃষ্টি

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি এবারো ক্যামেরার বাইরে যুদ্ধ করছেন জীবনের সঙ্গে। গত ফেব্রুয়ারি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া এই অভিনেত্রীর মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে।  প্রথম অস্ত্রোপচারের পর দেশে কিছুদিন চিকিৎসা নিয়ে গত ৯ মার্চ চেন্নাইয়ে দ্বিতীয় সার্জারি সম্পন্ন করেছেন তিনি। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামের মধ্যেই রয়েছে তৃতীয় অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি। ঈদে ১০টি নাটকে দেখা গেলেও শারীরিক অসুবিধার কারণে তিনি পুরোপুরি সাফল্যের আনন্দ উপভোগ করতে পারেননি। সংবাদমাধ্যমকে তানিয়া বৃষ্টি জানান, অস্ত্রোপচারের পর মানসিকভাবে খুবই দুর্বল ছিলেন এবং সহজেই আবেগাপ্লুত হতেন। এখন কিছুটা সুস্থ হলেও চোখ ও নাকের সমস্যা রয়ে গেছে। নাটক ‘সুপ্তাদের বাড়ি’-র ট্রেলার দেখলেও আবেগ সামলাতে পারেননি তিনি। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তাকে জীবনের গভীর বেদনা উপলব্ধি করিয়েছে, বিশেষ করে কাছের মানুষ হারানোর কষ্ট। অভিনেত্রী মনে করেন, এই কাজ তার অভিনয় জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তৃতীয় অস্ত্রোপচারের আগে আরও প্রস্তুতির প্রয়োজন। সব ঠিক থাকলে কয়েক মাসের মধ্যে এটি সম্পন্ন হবে। তানিয়া বৃষ্টি দৃঢ় প্রত্যয়ে আশা রাখছেন, সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে আবারও পর্দার সামনে দাঁড়াবেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0

সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নিশো

‘এবার দুই থেকে তিন হতে চলেছি’: রাশমিকা

লুবাবার বিয়ে ঘিরে বিতর্ক, বাল্যবিবাহ আইনে শাস্তির আশঙ্কা দু’পক্ষের

কেজিএফের রেকর্ড ভেঙে দিলো রণবীর সিংয়ের ‘ধুরন্ধর টু’

রণবীর সিংয়ের নতুন ব্লকবাস্টার ‘ধুরন্ধর টু’ বক্স অফিসে ইতিহাস গড়ে চলেছে। মুক্তির মাত্র ১২ দিনে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে সিনেমাটি আয়ের পরিমাণ ৮৬৫ কোটি রুপির মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেছে। সংবাদ অনুসারে, এই রেকর্ড ভাঙা সাফল্যের ফলে দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার যশের ‘কেজিএফ: চ্যাপ্টার টু’-এর আয়ের রেকর্ডও পেছনে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ছবিটি খুব দ্রুত ১ হাজার কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করবে। বক্স অফিস বিশ্লেষক সংস্থা স্যাকনিল্ক জানিয়েছে, প্রথম সপ্তাহে সিনেমাটি ৬৭৪ কোটি রুপির আয় করে, আর দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতেই ১৯.২৬ কোটি রুপি যুক্ত হয়। ১২ দিনের মধ্যে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৮৬৬.১৩ কোটি রুপি। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এর উত্তেজনাপূর্ণ গল্প, রোমাঞ্চকর চরিত্র ও দারুণ নির্মাণশৈলী দর্শক আকর্ষণের মূল কারণ। রণবীর সিংয়ের অভিনয়, আর মাধবন, সঞ্জয় দত্ত, অর্জুন রামপাল ও ইয়ামি গৌতমের উপস্থিতি ছবিকে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক প্যাকেজে পরিণত করেছে। বর্তমানে বাণিজ্যিক বিশেষজ্ঞদের নজর ‘ধুরন্ধর টু’র পরবর্তী লক্ষ্য ১,০০০ কোটি ও ১,২০০ কোটি রূপির রেকর্ড স্পর্শে। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এটি শীর্ষ আয়ের সিনেমা হিসেবে নাম লেখাতে যাচ্ছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0

ঘণ্টাখানেক পানিতে ডুবে ফুসফুসে বালি ও নোনাজল ঢুকে মারা গেছেন রাহুল

জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেতা শামস সুমন আর নেই

ফুলের মাঝে মুগ্ধতা ছড়ালেন মিমি

সকল নিরপরাধের মুক্তি চাই

চব্বিশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে টালমাটাল গোটা দেশ। পতিত সরকারের একতরফা দমন-পীড়ন তারুণ্যের বারুদ নেভাতে পারেনি। বরং গর্জে উঠেছে, চূড়ান্ত বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে ৫ আগস্ট। তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠন করা হয় অন্তর্বর্তী সরকার। সংস্কার আর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে গিয়ে দমন-পীড়নের অভিনব ধারা তৈরি করে তারা। মব সন্ত্রাসকে ‌'জাস্টিস' বানিয়ে চাপিয়ে দেয়া হয় শিক্ষক, গণমাধ্যম, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষের ওপর। ডিপ স্টেস্টের এজেন্ডা বাস্তবায়ন, সীমাহীন অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, মব সন্ত্রাস, টাকা পাচার, প্রশাসনে নিজেদের লোক বসানো, পদায়ন ও রদবদলে প্রকাশ্যে ঘুষ লেনদেনসহ হাজারও কারণে চব্বিশ এখন এক পতিত ধ্রুবতারার নাম। জাতির সাথে, দেশের সাথে প্রতারণা ছিল কী না-তা নিয়ে আলোচনা চলছে জোরেশোরে।  পরিসংখ্যান বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর 'মব সন্ত্রাস' এর মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাড়ে তিন হাজার শিক্ষক হেনস্তার শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে এ পর্যন্ত ছয়জন শিক্ষক মারা গেছেন। পাঁচ শতাধিক আহত ও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। সামাজিকভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন ঠিক কতজন-এর কোনও হিসেব নেই।   মানবাধিকার সংস্থা 'অধিকার' এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৭ মাসে 'মব সন্ত্রাস' এ ৪৫ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে গত এক বছরেই অর্থাৎ ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে খুন হয়েছেন ৩৩ জন। আর গণপিটুনিতে গত ১৭ মাসে ১৮১ জন নিহত হয়েছেন।  ঢাকাসহ সারা দেশে নির্বিচার পুলিশ হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা বলা নিষেধ। তাই বললাম না। এবার আসি গায়েবি/ভুয়া/সাজানো মামলা দিয়ে বাণিজ্যের বিষয়ে। হয়রানির এক কালো অধ্যায় শুরু হয় ৫ আগস্টের পর। আপনি কোনদিন রাজনীতি করেননি। গান, কবিতা, আঁকাআঁকি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। মনের আনন্দে কী-বোর্ডে সুর তোলেন। আপনি বাসায় আছেন, অথচ আপনার নামে হত্যাচেষ্টা, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়ে গেছে। পুলিশ এসে ধরে নিয়ে গেলো। আদালতে তোলা মাত্র রিমান্ড মঞ্জুর। এরপর থেকে কারাগারে। অপরাধ কী, আপনার বাবা একসময় মন্ত্রী ছিলেন। পতিত দলের রাজনীতি করতেন। বাবার রাজনীতির বলি হতে হচ্ছে সন্তানকে। এভাবেই চলছে, প্রিয় বাংলাদেশ। আর কতদিন চলবে কে জানে! জামিন কী হচ্ছে না? হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বলছি, সাবের হোসেন চৌধুরীর কথা। সাবেক এই পরিবেশমন্ত্রীকে হত্যা মামলায় রিমান্ডে পাঠানোর পরদিনই সেটিসহ ছয় মামলায় জামিন দেন আদালত। এটা ০৮ অক্টোবর ২০২৪ এর কথা। বিষয়টি নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। কিন্তু নীরবতা ছিল উত্তর। যা বোঝার সবাই বুঝে নিয়েছেন আশা করি। বিস্তারিত আলাপে যাবো না। কারণ, তাকে নিয়ে রাজনীতিতে নতুন সমীকারণের কথা বলা হচ্ছে।  এবার আসি সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিষয়ে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজধানীর লালবাগ থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকারকে জামিন দিয়েছেন আদালত। রোববার (১২ এপ্রিল, ২০২৬) আসামি পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালত ৫০ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। সবশেষ, কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম। বুধবার (২২ এপ্রিল, ২০২৬) দুপুর ১২টার দিকে তারা কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মানবিক বিবেচনায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেছেন। প্রবীণ রাজনীতিবিদ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। ঢাকা ও চট্টগ্রামে দায়ের করা ১২টি মামলায় জামিন পাওয়ার পর ১৪ আগস্ট, ২০২৫ বৃহস্পতিবার কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয় সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীকে। চব্বিশের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২৭ অক্টোবর তাকে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে।  মোশাররফ হোসেন চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রথম, তৃতীয়, সপ্তম, নবম, দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০০১ পর্যন্ত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পরে দশম সংসদে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় পরিচালনা করেছেন। প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ শারীরিক নানা রোগব্যাধিতে আক্রান্ত। উন্নত চিকিৎসার জন্য মোশাররফ হোসেনকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। ব্যক্তিগতভাবে আমিও মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই। তাকে বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হোক।  দুটি হত্যা মামলায় কারাবন্দি তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার (২৪ মার্চ, ২০২৫) ঢাকা কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হন তিনি। চব্বিশের ১৭ অক্টোবর সাবেক পররাষ্ট্রসচিব শমসের মুবিন চৌধুরী গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তার হওয়ার পরদিন তাকে পল্টন থানায় দায়ের করা যুবদল নেতা শামীম মোল্লা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা পারভেজ মিয়া হত্যা মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হয় প্রবীণ এই রাজনীতিবিদকে।  অন্যদিকে, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ঢাকা-১৫ আসন থেকে চার বারের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদার, বৃদ্ধ বয়সে অসুস্থ শরীরে দিন কাটছে কারাগার নির্ধারিত হাসপাতালের বিছানায়। যে বয়সে কোরআন শরীফ পাঠ করা আর নাতি-নাতনির সাথে সময় কাটানোর কথা, যে বয়সে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে জেলখানায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। ক্ষমতায় থাকতেও অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছেন সংসদে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন। একাত্ম ছিলেন তরুণ প্রজন্মের দাবির আদায়ে। কিন্তু তাতে কি, ছাত্র আন্দোলনে দায়ের করা বেশ কিছু হত্যা মামলায় ২০২৪ বছরের ১৯ অক্টোবর কামাল আহমেদ মজুমদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে মামলার জালে আটকে রাখা হয়েছে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদকে। অন্যদের জামিন দেওয়া হলেও কামাল আহমেদ মজুমদারের মতো রাজনীতিবিদের বেলায় রাষ্ট্রের ন্যায্যতা দেখিনা। মহামান্য বিচারকদের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি আমরা। যে কথা বলছিলাম, কেবলমাত্র বাবার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সন্তান এখন কারাভোগ করছেন। মোহনা টেলিভিশনে কাজ করার সময় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদারের ছেলে মোহনা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহেদ আহমেদ মজুমদারের সঙ্গে মেশার সুযোগ হয়েছে আমার। খুব কাছ থেকে দেখেছি তাকে। রাজনীতির সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। আগ্রহও দেখিনি। নিপাট ভদ্রলোক। সুর, তাল, লয়, আঁকাআঁকি নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন সবসময়। সবার সঙ্গে মানবিক আচরণ করা, সৃজনশীল এই মানুষটি এখন কারাগারে। কারণ আগেই বলেছি, বাবার রাজনৈতিক পরিচয়। বাবা রাজনীতি করতে বলে সন্তানকে জেল খাটতে হবে!  সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জেল আছেন শাহেদ আহমেদ মজুমদার। তার বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৫ সালের গত ১২ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুলশানের ফজলে রাব্বী পার্কের পাশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ব্যানার নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক স্লোগান দেন। তারা গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা করে জনমনে ভীতির সঞ্চার করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। সেসময় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার ও তাদের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। মামলা বলা হয়, জব্দ করা মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাপের মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রকে ‘অস্থিতিশীল ও অবকাঠামোকে ধ্বংস করতে’ বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে বলে পুলিশ দেখতে পেয়েছে। ২০২৫ সালের গত ১৩ সেপ্টেম্বর গুলশান থানার এসআই মাহাবুব হোসাইন ওই মামলা করেন। এর প্রেক্ষিতে ২৭ সেপ্টেম্বর শাহেদ আহমেদ মজুমদারকে ঢাকার গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।  মামলা যে ষড়যন্ত্রমূলক তা বিবরণ পড়লে যে কেউ বুঝতে পারবেন। অন্যদিকে, শাহেদ আহমেদ মজুমদার, বাবা কামাল আহমেদ মজুমদারের ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাব নামে জ্ঞাত-আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২ কোটি ৩৯ লাখ ৭৩ হাজার ৭৩৬ অর্জন করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনও আরেকটি মামলা করেছেন। দুদকও সঙ্গী হয়েছে তখনকার প্রভাবশালীদের। রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যাশা, অপরাধ করলে তার তদন্ত করা হোক। বিচার করা হোক। তবে অন্যায়ভাবে কাউকে মিথ্যে মামলায় হয়রানি করানো, জেল খাটানো, মানসিক নির্যাতন করা, সামাজিকভাবে হেয় করা, সন্তানকে বাবার আদর থেকে বঞ্চিত করা-এটা কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না।  আইনের ছাত্র হিসেবে, একজন সাংবাদিক হিসেবে মনে করি, শাহেদ আহমেদ মজুমদারকে আইনি প্রক্রিয়ায় জামিন দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাতে তার ছোট্ট সন্তান বাবার আদর পাবে। একজন স্ত্রী তার স্বামীকে পাশে পাবে। অন্যদিকে, মোহনা টেলিভিশনের শত শত কর্মী ফিরে পাবে প্রিয় অভিভাবক। প্রতিহিংসার রাজনীতি আর দেখতে চাই না। চাই না, কোনও নিরপরাধ ব্যক্তি অকারণে মিথ্যে মামলায় আর জেলে খাটুক। আর প্রশাসনকে যারা প্রভাব খাটিয়ে অপব্যবহার করছেন বা করেছেন; তাদের বিচারেও আওতায় নিয়ে আসা দরকার। না হলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, কেবল কথার কথাই থেকে যাবে। বাংলাদেশ হোক সবার প্রত্যাশিত ন্যায় ও সাম্যের বাংলাদেশ।  

শিপন হালদার এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0

চার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ!

আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী-নিষ্ঠাবান মানুষ আব্বু : জাইমা

শিক্ষা

আরও দেখুন
এসএসসিতে ক্যালকুলেটর-ঘড়ি ব্যবহারে নতুন বিধি জারি

এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ক্যালকুলেটর ও হাতঘড়ি ব্যবহারে নতুন বিধিনিষেধ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ, যা অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) ঢাকা শিক্ষা বোর্ড-এর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় জানানো হয়, পরীক্ষার্থীরা শুধুমাত্র নির্ধারিত সায়েন্টিফিক নন-প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। অনুমোদিত মডেলগুলোর মধ্যে রয়েছে—Fx-82MS, Fx-100MS, Fx-570MS, Fx-991MS, Fx-991EX, Fx-991ES, Fx-991ES Plus এবং Fx-991CW। এ ছাড়া উল্লিখিত তালিকার বাইরে সাধারণ (নন-প্রোগ্রামেবল) ক্যালকুলেটর ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও কোনো ধরনের প্রোগ্রামেবল ডিভাইস কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই নির্দেশনায় পরীক্ষাকেন্দ্রে কাঁটাযুক্ত (অ্যানালগ) হাতঘড়ি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তবে স্মার্ট বা ডিজিটাল ফিচারসমৃদ্ধ ডিভাইস বহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষার স্বচ্ছতা, নকল প্রতিরোধ এবং আইনি শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতেই এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং লঙ্ঘন ঘটলে প্রচলিত বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কালীগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি পরীক্ষা

১৮ লক্ষাধিক পরীক্ষার্থী নিয়ে আজ থেকে শুরু হল এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষা

এসএসসি পরীক্ষায় কার্যকর হচ্ছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’

অটোপাশের দাবিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির উপর হামলা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ অটোপাশ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হামলার শিকার হয়েছেন। গাজীপুর ক্যাম্পাস থেকে ঢাকায় ফেরার পথে সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে তাঁর গাড়িতে শিক্ষার্থীরা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এতে ভিসি চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। ঘটনাটি মূলত ২০২৩ সালের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত। শিক্ষার্থীরা কিছু বিষয়ে ফেল করলেও অটোপাশের দাবিতে আন্দোলন করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ দাবি অযৌক্তিক বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ২১ মে একই ধরনের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে ভিসি আহত হয়েছিলেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ-সংযোগ বিভাগ স্পষ্ট করেছে, ‘অন্যায্য দাবি ও অযৌক্তিক আবদারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় সহানুভূতি দেখাবে না। অটোপাশ চালু হলে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ ঘটনার পর ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0

শিখন ঘাটতি পূরণের জন্য ১০ শনিবার ক্লাস খোলা

লটারির পদ্ধতি বাতিল, স্কুল ভর্তি হবে পরীক্ষা নির্ভর: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাবির নতুন ভিসি ওবায়দুল ইসলাম ও ইউজিসির চেয়ারম্যান হচ্ছেন মামুন আহমেদ

সালাহউদ্দিন আম্মার
ঢাবি নিয়ে আম্মারের বিতর্কিত মন্তব্য

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক মন্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-কেন্দ্রিক রাজনীতি নিয়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দেওয়ায় বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ ও জুলাই-পরবর্তী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ‘কোরাম’ বা গোষ্ঠীভিত্তিক রাজনীতির সমালোচনা করেন তিনি। পোস্টে নেপাল-এর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে সালাহউদ্দিন আম্মার মন্তব্য করেন, সেখানে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিরা সরকার গঠন করতে পেরেছেন—কারণ সেখানে ঢাবিকেন্দ্রিক ‘ভাই-ব্রাদার কোরাম’ ধরনের রাজনীতির প্রভাব নেই বলে তিনি ইঙ্গিত করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার বক্তব্যের সঙ্গে অনেকেই একমত হতে পারেন। রাকসুর এই নেতা তার স্ট্যাটাসে আরও বলেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নেতৃত্বের দাবি, সংগঠনিক ভূমিকা বা ব্যক্তিগত অবদান নিয়ে অতিরিক্ত বিতর্ক তৈরি হয়েছে, যা তার ভাষায় ‘অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা’ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে আন্দোলন চলাকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এর উদ্যোগ বা কর্মসূচি যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। পোষ্য কোটা আন্দোলনের সময়ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এ বিষয়ে প্রত্যাশিত উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আম্মার দাবি করেন, জুলাই-সম্পর্কিত নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন ঢাবিকেন্দ্রিকভাবে বড় পরিসরে হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কর্মসূচি আয়োজনের প্রস্তাব নিয়ে সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়ে তিনি অবহেলার মুখে পড়েছেন। স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি নেতৃত্ব নির্বাচনে জনপ্রিয়তা বা অনুসারীর সংখ্যার ভিত্তিতে মূল্যায়নের প্রবণতার সমালোচনা করেন এবং নেপাল-এর নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বকে শুভকামনা জানান।  

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ৭, ২০২৬ 0

বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে সব পরীক্ষার্থী ‘মেয়ে’!

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগে উন্নীতের ঘোষণা

বিদ্যালয়ের সংশোধিত ছুটির তালিকা জারি

শিক্ষার্থীদের থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় নিষিদ্ধ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ প্রকাশ করেছে, যা দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম রোধ, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জবাবদিহিতা জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে গৃহীত। নীতিমালা সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমে জারি করা হয়। নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভর্তি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় করতে পারবে না। বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪’ অনুযায়ী নির্ধারিত ফি নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, কোনো নতুন খাত তৈরি করে অর্থ আদায় করা যাবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান অনুসারে পরিচালনা করতে হবে। হিসাব সংরক্ষণ ও তদারকির দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালনা কমিটির উপর যৌথভাবে চাপানো হয়েছে। আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা আইন অনুযায়ী দায়বদ্ধ থাকবেন। নীতিমালায় ব্যাংকিং ও অর্থপ্রাপ্তির প্রক্রিয়াও নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত সব ফি, দান-অনুদান ও সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয় সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংক বা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে। জরুরি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে নগদ অর্থ গ্রহণ সম্ভব, যা দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দিতে হবে। এছাড়া, আয়-ব্যয়ের খাতে কোনো সংযোজন, বিয়োজন বা পরিবর্তন করার আগে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি হলেন ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

বর্ণবাদের শিকার হামজা, প্রতিবাদ করায় হলুদ কার্ড দেখালেন রেফারি!

ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপে আবারও হার দেখল লেস্টার সিটি, আর সেই ম্যাচেই বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশি তারকা হামজা চৌধুরী—ঘটনা ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। শনিবার (১৮ এপ্রিল) লেস্টার সিটি ১-০ গোলে হেরে যায় পোর্টসমাউথ-এর বিপক্ষে, ফলে প্রিমিয়ার লিগে ফেরার লড়াইয়ে দলটির অবনমন শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়। ম্যাচের ৭১তম মিনিটে পরিবর্তিত হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় হামজা চৌধুরী গ্যালারি থেকে অপমানজনক মন্তব্যের শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে তিনি রেফারির সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে তাকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়, যা নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করে। ডাগ আউটেও কিছুক্ষণ উত্তপ্ত পরিস্থিতি চললেও পরে কোচিং স্টাফের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এদিকে ৪৩ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে লেস্টার এখন টেবিলের ২৩তম স্থানে রয়েছে, ফলে অবনমন এড়াতে শেষ ম্যাচগুলোতে কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়েছে ক্লাবটি।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0

ম্যারাডোনার মৃত্যু রহস্য ‍উদঘাটনে নতুন করে বিচার শুরু

১৮ বছর বয়সেই বোল্টের রেকর্ড ভেঙে দিলেন গাউট

বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার পেলো তিন বড় ধাক্কা

বোর্ড প্রধান হয়েই বুলবুলের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত পাল্টালেন তামিম

দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা ও অংশগ্রহণ সংকটের পর অবশেষে রাজধানীর ক্লাব ক্রিকেট কাঠামো পুনরুজ্জীবনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান অ্যাডহক কমিটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন নেতৃত্ব গ্রহণের পরই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) পুনরায় চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ডের অধীনে ক্লাবগুলোর একাংশের অনাগ্রহ ও মতবিরোধের কারণে ডিপিএল আয়োজন স্থগিত হয়ে পড়ে। এমনকি প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগ লিগ আংশিকভাবে অনুষ্ঠিত হলেও সব ক্লাবের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়নি, ফলে সার্বিকভাবে ঢাকার ক্লাব ক্রিকেট কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিসিবির অ্যাডহক কমিটির চেয়ারম্যান তামিম ইকবালের উদ্যোগে ১২টি ক্লাবের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের মাধ্যমে মে মাসের শুরুতে সুপার লিগ পর্ব ছাড়া ডিপিএল আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী বোর্ডের নেওয়া কিছু প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। বিশেষত, প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগে অংশগ্রহণ না করা ক্লাবগুলোকে অবনমনের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা আইনগত ও ক্রীড়া ন্যায্যতার প্রশ্ন বিবেচনায় বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে লিগ কাঠামো পুনর্বিন্যাস নিয়ে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে, প্রমোশন ও রেলিগেশন ব্যবস্থা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার প্রস্তাবে কিছু ক্লাব আপত্তি জানিয়েছে। এ প্রেক্ষিতে সমাধান হিসেবে ভবিষ্যৎ মৌসুমে ক্লাব সংখ্যা বাড়ানোর বিকল্প পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে। এদিকে, দ্বিতীয় বিভাগে অংশ না নেওয়া ক্লাবগুলোর খেলোয়াড়দের সুযোগ দিতে পৃথক টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা অংশগ্রহণমূলক ন্যায্যতা নিশ্চিতের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিসিবির সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে লিগ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ম্যাচ সূচিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। একদিনেই এক রাউন্ডের সব ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা পূর্ববর্তী কাঠামো থেকে ভিন্ন। সার্বিকভাবে, বর্তমান উদ্যোগগুলোকে ক্লাব ক্রিকেটে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং পেশাদারিত্ব নিশ্চিতের একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0

পিএসএল থেকে ছিটকে গিয়ে হতাশ পারভেজ ইমন

সাকিবকে দীর্ঘমেয়াদে দলে রাখার আগ্রহ হাবিবুল বাশারের

ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের রেফারিদের তালিকা প্রকাশ

নিউজিল্যান্ড সিরিজে বাংলাদেশ স্কোয়াডে নেই কোনো চমক

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত দলে কোনো নতুন পরিবর্তন না এনে আগের স্কোয়াডই বহাল রাখা হয়েছে। সর্বশেষ পাকিস্তান সিরিজে অংশ নেওয়া ক্রিকেটারদের নিয়েই গঠিত হয়েছে এই দল, যেখানে নেতৃত্ব দেবেন মেহেদী হাসান মিরাজ। নির্বাচক প্যানেল এ দফায় কোনো চমক না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। ঘোষিত স্কোয়াডে রয়েছেন সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, আফিফ হোসেন, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা।   বিস্তারিত আসছে...   

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে চলছে বিশাল রাজনৈতিক নাটক

বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ বাতিল, তামিমের নেতৃত্বে এডহক কমিটি গঠন

স্প্যানিশ অ্যাথলেট মানুয়েল আলনসো

৯০ বছর বয়সে দৌড়ে জোড়া বিশ্বরেকর্ড গড়লেন স্প্যানিশ অ্যাথলেট

ফিফার সিদ্ধান্তেই নির্ধারিত হবে বিশ্বকাপে ইরানের ভবিষ্যৎ

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে ভেন্যু-সংক্রান্ত বিরোধে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে। ইরান ফুটবল ফেডারেশন (আইএফএফ) যুক্তরাষ্ট্রে নির্ধারিত ম্যাচগুলো নিরাপত্তা ও পরিস্থিতিগত বিবেচনায় মেক্সিকোতে স্থানান্তরের জন্য ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় বিষয়টি জটিল রূপ নিচ্ছে। রোববার (৫ এপ্রিল) তুরস্কভিত্তিক আনাদোলু সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দোনিয়ামালি জানান, প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হলে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে; অন্যথায় পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়ন করতে হতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচ খেলতে সরকার চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে না। এদিকে, অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও দলের প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, ১৬ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইরানের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হওয়ার কথা। পরবর্তী ম্যাচগুলোও যুক্তরাষ্ট্রেই নির্ধারিত রয়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতিতে ফিফার সিদ্ধান্ত এখন ইরানের বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0

পরিচালকদের টানা পদত্যাগের মধ্যেও চেয়ারম্যানপদ ছাড়ছেন না বুলবুল

তদন্তে অংশ না নেয়ার কারণ জানালেন আসিফ মাহমুদ

বিসিবি নির্বাচনের তদন্ত সম্পন্ন, অংশ নেননি আসিফ মাহমুদ

হরমুজ প্রণালিতে কড়া নিরাপত্তা
ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ আজ থেকে কার্যকর

এবার ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ আরোপ করছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। আজ ইরানের স্থানীয় সময় সকাল ১০টা (বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩০মিনিট) থেকে অবরোধ কার্যকর করা হবে। এই অবরোধ কার্যকর হলে ইরানের বন্দরগুলোতে কোনো জাহাজ ভিড়তে পারবে না এবং বর্তমানে যেসব জাহাজ ইরানের বন্দরগুলোতে আছে, সেগুলো বন্দর ত্যাগ করে বাইরে যেতে পারবে না। কোনো জাহাজ যদি অবরোধ অমান্য করে, তাহলে সেটি লক্ষ্য করে হামলা চালাবে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে সেন্টকোমের পক্ষ থেকে। বার্তায় বলা হয়েছে, “সোমবার পূর্বাঞ্চলীয় (ইরানি) সময় সকাল ১০টা থেকে আরব সাগর এবং ওমান উপসাগরে অবস্থিত ইরানি বন্দরগুলোসহ ইরানের সব বন্দরে অবরোধ জারি করা হচ্ছে। এসব বন্দরে প্রবেশ কিংবা নির্গমনে ইচ্ছুক এবং ইরানের উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশকারী সব দেশের জাহাজের ওপর এ অবরোধ নিরপেক্ষভাবে কার্যকর করা হবে। তবে যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরান ব্যতীত অন্য কোনো দেশের বন্দরের উদ্দেশে যাওয়া-আসা করছে—সেসব জাহাজের চলাচলের স্বাধীনতায় সেন্টকোম কোনো বাধা দেবে না।” বিভিন্ন দেশের বাণিজ্য জাহাজগুলোর সুবিধার জন্য অবরোধ কার্যকরের আগে নোটিশ দিয়ে এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে সেন্টকোমের এক্সবার্তায়। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের ২১ ঘণ্টার সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর গতকাল রোববার গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারির হুমকি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর এক্সে ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ কার্যকর করা বিষয়ক পোস্ট দিয়েছে সেন্টকোম।

নিখাদ খবর ডেস্ক এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0

ইতিহাসের সর্বোচ্চ ভারসাম্যহীনতায় বিশ্ব, সতর্কতা জাতিসংঘের

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে তালেবানের নতুন দণ্ডবিধি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো

সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা আরও একবার সামনে এনে জাতিসংঘ একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে। সংস্থাটির বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে পৃথিবীজুড়ে গড় তাপমাত্রা পূর্ববর্তী সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। গত কয়েক মাস ধরেই বৈশ্বিক উষ্ণতা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। ২০২4 সালের জুলাই ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে গরম মাস, কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, চলতি বছর সেই রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ও এল নিনোর মতো প্রাকৃতিক ঘটনার মিলিত প্রভাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, “এই সংকেত মোটেও অবহেলা করার মতো নয়। জলবায়ু পরিবর্তন এখন ভবিষ্যতের ভয় নয়, এটি বর্তমানের বাস্তব দুর্যোগ।”   রেকর্ডভাঙা উষ্ণতা ও এর পরিণতি WMO-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসেই গড় বৈশ্বিক তাপমাত্রা শিল্পপূর্ব সময়ের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। এটি প্যারিস জলবায়ু চুক্তির প্রধান সীমা অতিক্রম করার আশঙ্কাকে বাস্তব করে তুলেছে। বিশেষ করে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে আগেই অস্বাভাবিক দাবদাহ শুরু হয়েছে। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানল, স্পেনে জলসংকট এবং চীনের নদীগুলোতে পানি শুকিয়ে যাওয়া—এইসব ঘটনা বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবের সরাসরি উদাহরণ। এ ছাড়া গলছে হিমবাহ, বাড়ছে সমুদ্রের উচ্চতা, এবং খরার কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে অনেক দেশে। জাতিসংঘ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, তাপমাত্রার এই রেকর্ডব্রেকিং ধারা অব্যাহত থাকলে লাখো মানুষ খাদ্যসংকটে পড়বে এবং জলবায়ু উদ্বাস্তু হওয়ার হার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।   জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়তে থাকলেও পৃথিবীর বড় অর্থনীতিগুলো কার্বন নিঃসরণ কমাতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “জলবায়ু সংকটের সময়েও কয়লা পোড়ানো এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা চলতে পারে না। সময় এসেছে, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে সাহসিকতার সঙ্গে।” এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান নির্গমন কমানোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বললেও বাস্তবায়নে গতি কম। চীন ও ভারতের মতো উন্নয়নশীল শক্তিগুলোও উন্নয়ন চাহিদার দোহাই দিয়ে নিঃসরণ কমাতে দ্বিধাগ্রস্ত। তবে কিছু ইতিবাচক উদ্যোগও রয়েছে। সম্প্রতি ৫০টিরও বেশি দেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার কিছু দেশ পরিবেশবান্ধব নীতিমালায় সরে আসছে। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু আন্দোলনকারীরা আবারও রাস্তায় নামার ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলছে, “এই লড়াই শুধু পরিবেশের নয়, এটি মানবতার অস্তিত্বের লড়াই।”   পরিস্থিতি মোকাবেলায় বৈশ্বিক ঐক্য ছাড়া কোনো পথ নেই বলে জানিয়েছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। জুলাই মাসে রেকর্ড তাপমাত্রা যদি সত্যিই বাস্তবে পরিণত হয়, তবে সেটি হবে মানবজাতির জন্য এক বড় সতর্ক সংকেত। বিশ্ব এখন অপেক্ষা করছে—এই সংকেতকে নেতারা কতটা গুরুত্ব দেন, আর মানুষ কতটা প্রস্তুত থাকে এক বিপজ্জনক ভবিষ্যতের মুখোমুখি হতে।

জানিফ হাসান জুন ২৮, ২০২৫ 0

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন
ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে বর্তমানে প্রচণ্ড গরমের যে ঢেউ বইছে, তা যেন আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। স্পেন, ইতালি, গ্রিস, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ দক্ষিণ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। এই অস্বাভাবিক গরমে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা, হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড়, আর মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের তাপপ্রবাহ শুধু একটি স্বাভাবিক গ্রীষ্মকালীন ঘটনা নয়, বরং এটি জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব। গত কয়েক দশকে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে ইউরোপের আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আগে যেখানে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রির ওপরে যেত না, এখন সেখানে ৪৫-৪৭ ডিগ্রিও স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। এমনকি অনেক অঞ্চলে তাপমাত্রা এতটাই বেড়েছে যে আগুন লেগে যাচ্ছে বনাঞ্চলে, আর দাবানল নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে দমকল বাহিনী। বিশেষ করে বয়স্ক এবং শিশুদের মধ্যে এই গরমে মৃত্যুহার বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। ইতালির রোমে একদিনে অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে শুধুমাত্র হিট স্ট্রোকের কারণে। ফ্রান্সে হাসপাতালগুলোতে রোগীদের জন্য ঠান্ডা ঘর তৈরি করতে হচ্ছে, আর জার্মানির কিছু এলাকায় পানি সংরক্ষণের জন্য বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। গরমের প্রভাবে জনজীবনের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও পড়েছে বড় প্রভাব। রাস্তাঘাট ফাঁকা, অনেক অফিস ও দোকান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে দুপুরের সময়। পর্যটন খাতে পড়েছে বড় আঘাত, কারণ বহু পর্যটক সফর বাতিল করছেন। কৃষিক্ষেত্রেও এর ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে—খরায় জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে, গবাদিপশু পানিশূন্যতায় মারা যাচ্ছে, আর কৃষকরা পড়েছেন দিশেহারা অবস্থায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমন তীব্র গরম কেবল শুরু। যদি বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়তে থাকে এই হারে, তাহলে আগামী কয়েক দশকে ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চল বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠতে পারে। অনেক দেশ এরইমধ্যে তাদের নাগরিকদের সচেতন করতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে—যেমন দুপুর ১২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বাইরে না থাকা, পর্যাপ্ত পানি পান করা, ও ঠান্ডা জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে শুধু পরামর্শ বা সতর্কতা যথেষ্ট নয়। অনেকেই বলছেন, এখনই যদি বিশ্ব নেতারা কার্যকর জলবায়ু পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে এ ধরনের বিপর্যয় আরও ঘন ঘন দেখা যাবে, এবং শুধু ইউরোপ নয়, গোটা পৃথিবীর মানুষকেই এর মূল্য দিতে হবে। ইউরোপে এই গ্রীষ্মের ভয়াবহ চিত্র আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—জলবায়ু পরিবর্তন আর কোনো ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়, এটি এখনই ঘটছে, এবং এর প্রভাব এখনই আমাদের জীবনকে করে তুলছে হুমকির মুখে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

iranqatar

ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Jamil Saxona জুন ২৫, ২০২৫ 0

রাজনীতি

আরও দেখুন
স্ত্রীর মনোনয়ন বিতর্কে মুখ খুললেন জিল্লুর রহমান

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক চলার মধ্যে মুখ খুলেছেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) প্রেসিডেন্ট ও জনপ্রিয় উপস্থাপক জিল্লুর রহমান।  তিনি বলেন, তার স্ত্রী ফাহমিদা হকের সংসদ সদস্য মনোনয়ন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততার ধারাবাহিক ফল। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ফাহমিদা হক লেখালেখি, সামাজিক উদ্যোগ ও নীতিনির্ধারণী আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত থেকে জনপরিসরে ভূমিকা রেখে আসছেন। সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায়ই তার রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা। জিল্লুর রহমান আরও বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একই পরিবারে ভিন্ন ভিন্ন জনভূমিকা থাকতে পারে, তবে পেশাগত স্বাধীনতা ও নৈতিকতা অক্ষুণ্ন রাখা অপরিহার্য। সাংবাদিকতা ও নীতি গবেষণার ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। তিনি ফাহমিদা হকের নতুন দায়িত্বের সাফল্য কামনা করে আশা প্রকাশ করেন, তিনি সংসদীয় কার্যক্রমে ইতিবাচক অবদান রাখবেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন চাওয়ার দাবি অস্বীকার আফরোজা আব্বাসের

গোপালগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন আ.লীগ নেত্রী

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ জন মনোনীত

বিএনপির সংরক্ষিত আসনে বিলকিস ইসলামের এমপি মনোনীত হওয়ায় উচ্ছ্বাস

  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংরক্ষিত নারী আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বিলকিস ইসলামকে মনোনয়ন দিয়েছে। এ ঘোষণায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ-এর স্বাক্ষরে ৩৬টি সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়। দলীয় সূত্র জানায়, বিলকিস ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার রাজনৈতিক অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই এ মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম বলেন, বিলকিস ইসলাম একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। মাঠ পর্যায়ের নেতাদের মূল্যায়নের এ সিদ্ধান্তে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, বিলকিস ইসলাম নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের পানিয়ালপুকুর গ্রামের বাসিন্দা।    

নীলফামারী প্রতিনিধি> এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0

পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে ভাইরাল ভিডিও বিতর্কের ব্যাখ্যা দিলেন মাসুদ অরুণ

পুনরায় রাজপথে নামার প্রস্তুতির ঘোষণা দিলেন নাহিদ ইসলাম

গুজব তোলে নিন্দুকরা, ছড়ায় অজ্ঞরা, আর বিশ্বাস করে নির্বোধরা: রুমিন ফারহানা

বড় ব্যবধানে জয়ী রুবেল, শেরপুর-৩ এ বিএনপির হাসি

    শেরপুর-৩ আসনের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছেন। ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রুবেল তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলহাজ মাসুদুর রহমান মাসুদকে প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে জানান, ১২৮টি কেন্দ্রে গণনার ফলাফলে রুবেল ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট পেয়েছেন, আর মাসুদের ভোট ৪৭ হাজার ৫১। ভোটগ্রহণ সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। মোট ভোটারের মধ্যে ৫০.৫২ শতাংশ অংশগ্রহণ করেছেন। কিছু কেন্দ্রে অভিযোগে জড়িতদের আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিয়েছে।  

শেরপুর প্রতিনিধি> এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0

আপত্তি সত্ত্বেও ‘গণবিরোধী আইন’ পাস করায় বিরোধী দলের ওয়াকআউট

একাত্তরে কার কী ভূমিকা ছিল তার চূড়ান্ত সাক্ষী আল্লাহ: জামায়াত আমির

৮ এপ্রিল রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করবে ছাত্রশিবির

সরকারের ভাবে মনে হয় বাংলাদেশ তেলের স্রোতে ভাসছে: শফিকুর রহমান

জ্বালানি সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-র ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকারি মন্ত্রীরা যেন দেশের অর্থনীতি তেলের ওপর ভাসছে এমন প্রভাব তৈরি করছেন।  তিনি অভিযোগ করেন, পাম্পে দীর্ঘ লাইন থাকা সত্ত্বেও সরকার রিজার্ভ বেশি থাকার প্রমাণ দেখিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে প্রশ্ন তুললেও নোটিশ আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না। ডা. শফিকুর রহমান বর্তমান সংসদের গঠনকে প্রশ্নবিদ্ধ উল্লেখ করে বলেন, যারা সংসদে বসেছেন, তাদের অধিকাংশই অতীতের অন্যায় ও নির্যাতনের শিকার। তিনি সতর্ক করে বলেন, ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলে তরুণ প্রজন্ম ও জামায়াত ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তিনি ২৪-এর আন্দোলনের লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে বলেন, বর্তমান প্রজন্ম কেবল ব্যক্তিগত পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার মূল পরিবর্তনের জন্য সংগ্রাম করেছে। বিগত নির্বাচনে জনগণের সমর্থন ‘হাইজ্যাক’ বা ‘ডাকাতি’ করা হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘন। ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেন, জনগণের রায় বাস্তবায়নে জামায়াত রাজপথে ফিরবে এবং ইনসাফ নিশ্চিত করবে। দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, যারা নিজের দলের মধ্যে গণতন্ত্র ও ইনসাফ রক্ষা করতে ব্যর্থ, তারা ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষা করতে পারবে না। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, সংসদে থাকা ৭৭ জন সদস্য জনগণের অধিকার রক্ষায় সতর্ক থাকবে। আলোচনা সভায় জাগপা-র মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ডা. শফিকুর রহমান দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন, যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন রোধ করা হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ডা. তাসনিম জারা

স্বাধীন নয় ‘নিয়ন্ত্রণশীল’ দুদক চায় সরকার: তাসনিম জারা

দলীয় প্রধানের দায়িত্ব ত্যাগ করলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি

‘জঙ্গি এমপি’ সম্বোধনে স্পিকারের কাছে বিচার চাইলেন হানজালা