রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে এক ব্যবসায়ী পরিবার অভিযোগ করেছেন যে, সাংবাদিক পরিচয় ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাইফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে তাদের উপর নানা রকম হয়রানি চালাচ্ছেন। ভুক্তভোগীরা জানান, পরিকল্পিতভাবে জমি ও অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে একের পর এক ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
পরিবারের বরাত দিয়ে আরমিনা আক্তার বলেন, তাদের বিরুদ্ধে শারীরিক হামলা, মিথ্যা মামলা, পুলিশ এবং মিডিয়ার মাধ্যমে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২১ ডিসেম্বর গোদাগাড়ী থানায় এক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়াও পরিবারের অন্য সদস্যরাও একই সময়ে আহত হয়েছেন।
পরিবারের অভিযোগ, থানায় সহায়তা চাইলে আশানুরূপ সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। বরং হুমকি ও চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। তারা দাবি করেছেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেন, তিনি কখনো তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেননি। গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
"উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি" প্রতিপাদ্যে রামপালে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান প্রযুক্তি সপ্তাহ, বিজ্ঞান মেলা, ১০ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ১০টায় রামপাল উপজেলা অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহিনুর রহমান, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন, ওসি সুব্রত কুমার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আলতাপ হোসেন বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুর রহমান পিয়াল, উপজেলা জামায়াতের আমীর মল্লিক আব্দুল হাই, সেক্রেটারি মো. জিহাদুল ইসলাম, রামপাল সচেতন নাগরিক ফোরামের সদস্য সচিব এম. এ সবুর রানা, প্রেসক্লাব রামপালের সাবেক সহ-সম্পাদক মো. তারিকুল ইসলাম প্রমুখ। বিজ্ঞান মেলায় ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রদর্শনী উপস্থাপন করেন। এরপরে কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে মেলার পরিবেশ প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমীকে গ্রেফতার করেছে লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। গ্রেফতারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিক আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং প্রযোজ্য ধারায় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, সফুরা বেগম রুমী লালমনিরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন। বিস্তারিত আসছে....
বরিশালের ঐতিহ্যবাহী বর্মন পরিবারের উত্তরসূরি সুব্রত প্রসাদ বর্মন (মিঠু) অভিযোগ করেছেন, তাদের পৈতৃক হাবেলী সম্পত্তি প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে। বুধবার (৯ এপ্রিল) বরিশাল প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, বর্মন পরিবারের পূর্বপুরুষ জমিদার বিজয় প্রসাদ বর্মন বেনিসিংহের হাবেলী এলাকায় বিস্তীর্ণ জমির মালিক ছিলেন। মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে তিন পুত্র—দেবপ্রসাদ (শান্তি), অনিল প্রসাদ (বরুন) ও সুনীল প্রসাদ (খোকন)—সম্পত্তি পান। ১৯৫৮ সালের ১১ অক্টোবর এসএ ৬৯৫ খতিয়ানের অধীনে কিছু জমি মৌলভী আব্দুস সোবাহানের কাছে হস্তান্তরিত হলেও, দলিলে মনসা মন্দির ও পারিবারিক সমাধিস্থল উপাসনার জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে ক্রমিক হস্তান্তরের মাধ্যমে এই জমি স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির দখলে চলে যায়। তিনি সংরক্ষিত মনসা মন্দির ও সমাধিস্থলের অংশ ভেঙে নিয়েছেন। সুব্রত প্রসাদ বর্মন বলেন, “দুইশত বছরের পুরনো জাগ্রত মনসা মন্দির ও পূর্বপুরুষদের সমাধি আমাদের সংরক্ষিত থাকা সত্ত্বেও এখন আমরা সেখানে যেতে পারি না, পূজা-অর্চনাও করতে পারছি না।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, এসএ ৬৯৫ খতিয়ানের ১২৫৮ দাগের ৭ শতাংশ জমি বিক্রি হয়নি এবং তা বর্তমানে বিএস ৫৪২৯ নং খতিয়ানে তাদের নামে চূড়ান্ত হলেও বাস্তবে ভোগদখল করতে পারছেন না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বরিশালের প্রশাসন, সাংবাদিক সমাজ, সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানান, দখলমুক্ত করে পৈতৃক সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করতে। সুব্রত প্রসাদ বর্মন অভিযোগ করেন, দখলকারীর সঙ্গে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়রের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতা। উল্লেখ্য, হাবেলীর ঐতিহ্যবাহী দোতলা প্রাচীরঘেরা বর্মন বাড়িটি ইতোমধ্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে।