কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যাং সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামের এক যুবকের বাঁ পা উড়ে গেছে। তিনি হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বাবিল গ্রামের ফজল করিমের ছেলে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বাসিন্দারা জানান, হোয়াইক্যং সীমান্তের নাফ নদী–সংলগ্ন এলাকায় ব্যক্তি মালিকানাধীন চিংড়িঘেরে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণে আহত হন হানিফ। তাঁকে উদ্ধার করে উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নাফ নদীতে মাছ ধরাও বন্ধ রয়েছে। পুলিশ জানায়, আহত হানিফ হোয়াইক্যং সীমান্তের কাছে ব্যক্তিমালিকানাধীন ওই চিংড়ির খামারে চাকরি করেন। সকাল ১০টার দিকে তিনি খামারে রাখা নৌকা ঠিকমতো আছে কি না দেখতে গিয়েছিলেন। এ সময় পুঁতে রাখা স্থলমাইনটি বিস্ফোরণ হলে তাঁর বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মাইন বিস্ফোরণের শব্দ ও হানিফের চিৎকার শুনে গ্রামের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করেন।
খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার দুর্গম চার গ্রামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে প্রায় দুই হাজার মানুষের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যদের টানা ১৩ দিনের প্রচেষ্টায় ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩ হাজার ৬শ ফুট উচ্চতার কালাপাহাড় রেঞ্জের প্রাকৃতিক উৎস থেকে পানি সরবরাহ করা হয়। সেনা সূত্র জানায়, ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বিরোধী অভিযানে গিয়ে ওই এলাকার দীর্ঘদিনের পানি সংকটের বিষয়টি নজরে আসে। পরে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও গুইমারা রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭ কিলোমিটার পাইপলাইনের মাধ্যমে ইন্দ্রসিংপাড়া, শুকনাছড়ি, পাংকুপাড়া ও হাতিছড়া গ্রামে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়। লক্ষ্মীছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম জানান, কোনো ধরনের বিদ্যুৎ বা মোটর ছাড়াই প্রাকৃতিক উৎস থেকে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে ৩৭৬টি পরিবার উপকৃত হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রামবাসীরা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল আমিন বলেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ভণ্ডুল করতে সক্রিয় হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ওই গোষ্ঠী জনগণের ভোট ছাড়াই ক্ষমতা ভোগ করতে চায় এবং রাজনৈতিক বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে মিরসরাই উপজেলার কাটাছরা ইউনিয়নে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও নির্বাচনী বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি সদ্য প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত হয়। নুরুল আমিন বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রাম ছিল ঐতিহাসিক, আর সেই আদর্শ ধারণ করেই বিএনপিকে এগিয়ে নিতে হবে। আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। সভায় উপজেলা ও উত্তর জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে এক প্রার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কক্সবাজার-৪ (উখিয়া–টেকনাফ) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে ডাকযোগে পাওয়া একটি উড়োচিঠিতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। চিঠির খামের ভেতরে একটি সাদা কাপড়ের টুকরো পাওয়া যায়, যা কাফনের কাপড় হিসেবে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। চিঠিতে কথিত ‘ব্যাটালিয়ন-৭১’-এর কক্সবাজার আঞ্চলিক সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে একজনের নাম উল্লেখ করে বলা হয়, নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ালে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং তিনি ২৪ ঘণ্টা নজরদারিতে রয়েছেন। চিঠির তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫। ঘটনার পর শাহজাহান চৌধুরী উখিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ফোন করে তার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। এদিকে, বিষয়টি জানার পর নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ হুমকির বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুর আহমদ বলেন, জিডি গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা দাবি করেছেন।
কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যাং সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামের এক যুবকের বাঁ পা উড়ে গেছে। তিনি হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বাবিল গ্রামের ফজল করিমের ছেলে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বাসিন্দারা জানান, হোয়াইক্যং সীমান্তের নাফ নদী–সংলগ্ন এলাকায় ব্যক্তি মালিকানাধীন চিংড়িঘেরে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণে আহত হন হানিফ। তাঁকে উদ্ধার করে উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নাফ নদীতে মাছ ধরাও বন্ধ রয়েছে। পুলিশ জানায়, আহত হানিফ হোয়াইক্যং সীমান্তের কাছে ব্যক্তিমালিকানাধীন ওই চিংড়ির খামারে চাকরি করেন। সকাল ১০টার দিকে তিনি খামারে রাখা নৌকা ঠিকমতো আছে কি না দেখতে গিয়েছিলেন। এ সময় পুঁতে রাখা স্থলমাইনটি বিস্ফোরণ হলে তাঁর বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মাইন বিস্ফোরণের শব্দ ও হানিফের চিৎকার শুনে গ্রামের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করেন।
খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার দুর্গম চার গ্রামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে প্রায় দুই হাজার মানুষের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যদের টানা ১৩ দিনের প্রচেষ্টায় ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩ হাজার ৬শ ফুট উচ্চতার কালাপাহাড় রেঞ্জের প্রাকৃতিক উৎস থেকে পানি সরবরাহ করা হয়। সেনা সূত্র জানায়, ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বিরোধী অভিযানে গিয়ে ওই এলাকার দীর্ঘদিনের পানি সংকটের বিষয়টি নজরে আসে। পরে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও গুইমারা রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭ কিলোমিটার পাইপলাইনের মাধ্যমে ইন্দ্রসিংপাড়া, শুকনাছড়ি, পাংকুপাড়া ও হাতিছড়া গ্রামে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়। লক্ষ্মীছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম জানান, কোনো ধরনের বিদ্যুৎ বা মোটর ছাড়াই প্রাকৃতিক উৎস থেকে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে ৩৭৬টি পরিবার উপকৃত হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রামবাসীরা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল আমিন বলেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ভণ্ডুল করতে সক্রিয় হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ওই গোষ্ঠী জনগণের ভোট ছাড়াই ক্ষমতা ভোগ করতে চায় এবং রাজনৈতিক বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে মিরসরাই উপজেলার কাটাছরা ইউনিয়নে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও নির্বাচনী বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি সদ্য প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত হয়। নুরুল আমিন বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রাম ছিল ঐতিহাসিক, আর সেই আদর্শ ধারণ করেই বিএনপিকে এগিয়ে নিতে হবে। আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। সভায় উপজেলা ও উত্তর জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে এক প্রার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কক্সবাজার-৪ (উখিয়া–টেকনাফ) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে ডাকযোগে পাওয়া একটি উড়োচিঠিতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। চিঠির খামের ভেতরে একটি সাদা কাপড়ের টুকরো পাওয়া যায়, যা কাফনের কাপড় হিসেবে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। চিঠিতে কথিত ‘ব্যাটালিয়ন-৭১’-এর কক্সবাজার আঞ্চলিক সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে একজনের নাম উল্লেখ করে বলা হয়, নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ালে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং তিনি ২৪ ঘণ্টা নজরদারিতে রয়েছেন। চিঠির তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫। ঘটনার পর শাহজাহান চৌধুরী উখিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ফোন করে তার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। এদিকে, বিষয়টি জানার পর নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ হুমকির বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুর আহমদ বলেন, জিডি গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা দাবি করেছেন।