নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থেকে জলঢাকা পর্যন্ত তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলে পানি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মূল ক্যানেলে উভয় ডাইকের মেরামত ও শক্তিশালীকরণের কাজ ঠিকাদারদের অনিয়ম ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিলম্বের কারণে সময়মতো শেষ হয়নি। ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে ৫০ হাজার কৃষক সেচ পাননি। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, প্রধান সেচ ক্যানেলের মেরামত, সম্প্রসারণ এবং সিল ট্রাফ (পলি অপসারণ) কাজ শেষ করে আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে সেচ সুবিধা দেওয়া হবে। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়ম ভেঙে ক্যানেলের কাছে কৃষকের জমিতে মাটি ভরাট করছে, ব্লক বসানোর সময় নিয়ম মানছে না এবং ক্যানেলের অনেক জায়গায় বড় গর্ত ও ভাঙন রয়েছে। এতে কৃষকরা ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, অনিয়ম বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনে তিনি নিজে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে কৃষকদের পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থেকে জলঢাকা পর্যন্ত তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলে পানি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মূল ক্যানেলে উভয় ডাইকের মেরামত ও শক্তিশালীকরণের কাজ ঠিকাদারদের অনিয়ম ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিলম্বের কারণে সময়মতো শেষ হয়নি। ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে ৫০ হাজার কৃষক সেচ পাননি। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, প্রধান সেচ ক্যানেলের মেরামত, সম্প্রসারণ এবং সিল ট্রাফ (পলি অপসারণ) কাজ শেষ করে আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে সেচ সুবিধা দেওয়া হবে। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়ম ভেঙে ক্যানেলের কাছে কৃষকের জমিতে মাটি ভরাট করছে, ব্লক বসানোর সময় নিয়ম মানছে না এবং ক্যানেলের অনেক জায়গায় বড় গর্ত ও ভাঙন রয়েছে। এতে কৃষকরা ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, অনিয়ম বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনে তিনি নিজে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে কৃষকদের পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে।