একসময়ের জনপ্রিয় জুটি ডলি সায়ন্তনী ও রবি চৌধুরীর সম্পর্কের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে রবি চৌধুরী দাবি করেছেন, ডলির সঙ্গে তার ড্রাইভার বিপ্লবের সম্পর্কের কারণে তাদের সংসার ভেঙে যায়।
এ বিষয়ে ডলি সায়ন্তনী জানিয়েছে, এসব অভিযোগ “ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত”। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “আমাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আমরা নীরব থাকলেও তা দুর্বলতা নয়।” তিনি আরও অনুরোধ করেছেন, ব্যক্তিগত বিষয় অযথা আলোচনার বিষয় না করা হোক।

ডলি স্পষ্ট করেছেন, ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত তার পক্ষ থেকেই নেওয়া হয়েছিল এবং সেই সময়ই বিষয়টি প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হয়েছিল। রবি জানিয়েছেন, তিনি ডলির ফোনে ‘দুলাভাই’ নামে সেভ থাকা নম্বর থেকে সন্দেহ পান, পরে তা যাচাই করে জানতে পারেন, নামটির আসল ব্যক্তি বিপ্লব, যিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় গাড়ি চালাতেন। এর ভিত্তিতেই তিনি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন।
উভয়েই এই বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত বিতর্কে যেতে না চাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বিনোদন অঙ্গনে আলোচিত ইকরা ইভনাথ হত্যাকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে নিজেকে সাফ জানালেন অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথি। বুধবার (০৪ মার্চ) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৪৪টি ব্যক্তিগত চ্যাট স্ক্রিনশট প্রকাশ করে তিনি দাবি করেছেন, ইকরার সঙ্গে তার সম্পর্ক সম্পূর্ণ বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল এবং তিনি কখনোই ইকরাকে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করেননি। তিথি জানান, ইকরার মানসিক অবসাদ, পারিবারিক অশান্তি এবং ব্যক্তিগত হতাশাই মূল কারণ, যা তার মৃত্যুর পেছনে প্রভাব ফেলেছিল। তিনি স্পষ্ট করেছেন, আলভীর সঙ্গে তার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে যে অভিযোগগুলো উঠেছে, সেগুলো সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা ও অপপ্রচার। তিথি আরও বলেন, ইকরাকে তিনি পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে সমর্থন করেছেন এবং কখনোই কোনোভাবে সংসার ভাঙার বা সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করেননি। পোস্টে তিথি, ইকরার পরিবারের সঙ্গে তার দূরত্ব এবং মানসিক কষ্টের বিষয়ও তুলে ধরেছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সংস্থাগুলোকে এই ঘটনায় ন্যায্য তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। পোস্টের শেষাংশে ইফফাত আরা তিথি ইকরার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শান্তিতে থাকার প্রার্থনা জানিয়েছেন।
দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন দক্ষিণি চলচ্চিত্র অঙ্গনের দুই জনপ্রিয় মুখ— রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবরাকোন্ডা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজস্থানের উদয়পুরে ঐতিহ্যবাহী আয়োজনে সম্পন্ন হচ্ছে তাঁদের বিবাহ অনুষ্ঠান। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে প্রাক্-বিবাহ অনুষ্ঠান চলার পর আনুষ্ঠানিক পর্ব শুরু হয় আজ। তারকাখচিত অতিথি ও প্রভাবশালী পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হচ্ছে। এদিকে বিয়ের প্রেক্ষাপটে আলোচনায় এসেছে অভিনেত্রীর কনিষ্ঠ বোন শিমান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই বোনের বয়সের পার্থক্য প্রায় ১৬ বছর। পরিবার সচেতনভাবেই শিমানকে জনপরিসর ও গণমাধ্যমের আলোচনার বাইরে রেখেছে, যাতে তিনি স্বাভাবিক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারেন। বিবাহ-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে দম্পতির নতুন জীবনপর্বের সূচনা হলো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের অভিনন্দন বার্তায় সরব রয়েছে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হওয়া রুমিন ফারহানাকে অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করেছেন ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক স্টোরিতে ওই ছবি শেয়ার করেন তিনি, যা পরবর্তীতে অনলাইন মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ছবির সঙ্গে অপু বিশ্বাস বিজয়ী প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান এবং নারী নেতৃত্বের অগ্রযাত্রায় সমর্থন প্রকাশ করেন। তবে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একাংশের মন্তব্য, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এমন প্রকাশনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে; অন্যদিকে অনেকেই এটিকে স্বাভাবিক সামাজিক সৌজন্য হিসেবে দেখছেন। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রের ভাষ্য, নির্বাচনে জয়লাভের পর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রুমিন ফারহানাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন—এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ। চলচ্চিত্র অঙ্গনের প্রতিনিধি হিসেবে শিল্পের উন্নয়ন ও সংস্কৃতিচর্চায় ইতিবাচক ভূমিকার প্রত্যাশাই তিনি ব্যক্ত করেছেন। উল্লেখ্য, বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ফল ঘোষণার পর থেকেই তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শুভেচ্ছা বার্তায় সিক্ত হচ্ছেন।