কৃষি ও জলবায়ু

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

Icon
তামিম রেহমান
প্রকাশঃ জুন ২৮, ২০২৫
Irregular rainfall disrupts farming
Irregular rainfall disrupts farming

বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে প্রকৃতি ও নির্ধারিত ঋতুচক্র। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি যেমন চাষাবাদের জন্য আশীর্বাদ, তেমনি এর অনিয়মিততা কৃষকের জন্য এক ভয়াবহ বিপর্যয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে বৃষ্টির আচরণে যে অনিয়ম দেখা যাচ্ছে, তাতে কৃষিজ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে ব্যাপকভাবে। আগে যেখানে একটি নির্দিষ্ট সময়ে চাষাবাদ করা যেত নির্দ্বিধায়, এখন সেখানে কৃষকদের পড়তে হচ্ছে দোটানার মধ্যে। কখন বৃষ্টি হবে, কতটা হবে, কবে হবে—এই অনিশ্চয়তা কৃষকের পরিকল্পনা ভেস্তে দিচ্ছে বারবার।

 

জুন-জুলাই মাসেই বর্ষাকাল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখন অনেক বছরেই দেখা যায়, বৃষ্টি শুরু হচ্ছে দেরিতে অথবা হচ্ছে অতিরিক্ত অল্প সময়ে। এতে করে রোপা আমনের মতো ফসল সময়মতো রোপণ করা সম্ভব হচ্ছে না। আবার কখনো বৃষ্টি হচ্ছে হঠাৎ করে অতিরিক্ত, যা বীজতলা ধ্বংস করে দিচ্ছে বা সদ্য রোপণ করা চারা নষ্ট করে দিচ্ছে। আবার কখনো দীর্ঘদিন খরা বিরাজ করায় জমিতে ফাটল ধরছে, শুকিয়ে যাচ্ছে ফসল। এর ফলে ফসল উৎপাদনের পরিমাণ যেমন কমছে, তেমনি উৎপাদন ব্যয়ও বাড়ছে।

 

অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে চাষাবাদের চক্রে পরিবর্তন আসছে। অনেক কৃষকই নির্ধারিত সময়ে জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না। কোনো কোনো অঞ্চলে আবার বৃষ্টি এসে প্রস্তুত জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে, যা চাষাবাদের উপযোগিতা নষ্ট করছে। আবার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে, ধান কাটা-মাড়াইয়ের সময়েই হঠাৎ বৃষ্টি নেমে ফসল নষ্ট করে দিচ্ছে। এতে করে কৃষকদের শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই হচ্ছে না, সাথে বাড়ছে মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তা।

 

এক সময়ের নির্ভরযোগ্য কৃষি মৌসুমগুলো এখন অনেকটাই অনির্ভরযোগ্য হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থাও অনেক সময় যথাযথ তথ্য দিতে ব্যর্থ হচ্ছে, ফলে কৃষকরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। এমন অবস্থায় অনেক কৃষকই বাধ্য হয়ে কৃষিকাজ ছেড়ে দিচ্ছেন অথবা অন্য পেশায় ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে কৃষিখাতের জন্য বড় হুমকি। এতে করে ভবিষ্যতে খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে।

 

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণ শুধু ধান বা গম নয়, শাকসবজি, তিল, আখ কিংবা মসুরের মতো ফসলেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। চাষের পর সঠিক সময়ে পানি না পাওয়ায় ফসল স্বাভাবিক বৃদ্ধি পাচ্ছে না। আবার বেশি পানি পেয়ে অনেক ক্ষেতেই গাছ পচে যাচ্ছে বা ফলন হচ্ছে অপূর্ণাঙ্গ। এতে কৃষকদের আয় দিনদিন কমছে, আর ঋণগ্রস্ততার হার বাড়ছে।

 

এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন জলবায়ু সহনশীল কৃষি পরিকল্পনা এবং কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা। টেকসই চাষাবাদ পদ্ধতি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা করা কঠিন। কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বীমা, এবং আবহাওয়া তথ্য সেবা সহজলভ্য করতে হবে। একইসাথে গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের সচেতন করে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে। শুধু প্রকৃতির উপর নির্ভর না করে বিজ্ঞানভিত্তিক চাষাবাদের দিকে এগিয়ে যেতে না পারলে এই অনিয়মিত বৃষ্টির চক্র আগামীতে আরও বড় সমস্যা তৈরি করবে। তাই এখনই সময় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার।

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
বাগেরহাটে বোরো ধান কাটার মৌসুমে ভারী বৃষ্টিপাত, শঙ্কায় কৃষকরা

বাগেরহাটে বোরো ধান কাটার মৌসুমে ভারী বৃষ্টিপাত কৃষকের উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠা বাড়িয়েছে। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে বুধবার সকাল থেকে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে জমিতে কাটা ধান ঘরে তুলতে বিড়ম্বনা পোহাচ্ছেন কৃষকরা। হঠাৎ বৃষ্টির কারণে পাকা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেক কৃষক মাঠে ধান কাটতে পারছেন না, আবার অনেকের কাটা ধান ভিজে গিয়ে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। বাগেরহাট জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৬৮ হাজার ১৭১ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ করা হয়েছে। বেশিরভাগ উপজেলার মাঠপর্যায়ে এখন ধান কাটার উৎসবে ব্যস্ত কৃষক। তবে বৃষ্টি দীর্ঘস্থায়ী হলে পাকা ধান জমিতে নষ্ট হবার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন কৃষক।  জেলার মোল্লাহাট উপজেলার কৃষক হুমায়ূন রশিদ জানান, তিনি এবার দেড় বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছেন। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফলান বেশি। অর্ধেক জমির ধান কেটে ঘরে তুলেছেন, বাকি অর্ধেক জমির ধান সম্পূর্ণ না পাকার কারণে কাটতে পারছেন না। এর মাঝে বৃষ্টি তার ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।  ফকিরহাটের ফলতিতা এলাকার কৃষক মো: আনিস শেখ জানান, গত দুইদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তাতে ধান কেটে ঘরে তোলার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও জমিতে পানি জমে কাটা ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।  বাগেরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোতাহার হোসেন জানান, জেলার ১৩ হাজার হেক্টর-এর মতো ধান কর্তন করা হয়েছে। কিছু কাটা ধান মাঠে রয়েছে। এর আনুমানিক ১০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে কিছু ধান ঝরে পড়ে কৃষকরা ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। তবে বৃষ্টি না হলে কৃষকরা ক্ষতিপুষিয়ে নিতে পারবে বলেও জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।  মোংলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে বৃষ্টির সাথে দমকা হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। মোংলা বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ৬ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

বাগেরহাট এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0

বরিশালে টানা দুইদিনের বর্ষণে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মোরেলগঞ্জে স্বল্প খরচে অধিক লাভবানে স্বপ্ন বুনছেন চাষিরা

ছবি: প্রতিনিধি

মধু চাষে মধুর জীবন গড়ছেন শিক্ষক সাহানুর

ছবি: প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁওয়ের লিচুতে এবার ২০ হাজার টনের স্বপ্ন

উত্তরের শান্ত জনপদ ঠাকুরগাঁও এখন পীত-সবুজে সেজেছে। বসন্তের বিদায়ের পর লিচু বাগানগুলো মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে ২০ হাজার মেট্রিক টন লিচু উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের মাটি ও আবহাওয়া লিচু চাষের জন্য আদর্শ। সদর, বালিয়াডাঙ্গী ও পীরগঞ্জ উপজেলার বাগানগুলোতে উৎপন্ন ‘বেদানা লিচু’ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃত। পাতলা চামড়া, ছোট আঁটি ও মিষ্টি রসের কারণে এটি দেশের যেকোনো অঞ্চলে পরিচিত। ২০ হাজার টন লিচু উৎপাদিত হলে স্থানীয় অর্থনীতিতে কয়েকশ কোটি টাকার রোজগার সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। লিচু পাড়া, বাছাই, খাঁচা তৈরি ও পরিবহন কাজে যুক্ত হবে হাজারো শ্রমিক, যা গ্রামীণ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করবে। তবে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো সংরক্ষণ ও বিপণন। লিচু পচনশীল, এবং ঠাকুরগাঁওয়ে হিমাগার বা আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাব থাকায় কৃষকরা প্রায়ই কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন। মধ্যস্বত্বভোগী বা ফড়িয়ারা এই সুযোগ নিয়ে বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি করে, ফলে চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত হন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও উদ্বেগজনক। উচ্চ তাপমাত্রায় লিচু ফেটে যেতে বা গুটি ঝরে পড়তে পারে। আধুনিক সেচ প্রযুক্তি এবং বালাইনাশকের যথাযথ ব্যবহার ছাড়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জন চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।   ঠাকুরগাঁওয়ের লিচু শিল্পকে বাঁচাতে হলে: ১. রপ্তানি বাজার তৈরি: বেদানা ও চায়না-৩ লিচু মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে রপ্তানি করা সম্ভব,          ‘GAP’ নিশ্চিত করতে হবে। ২. প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প: লিচু থেকে জুস, জ্যাম বা ক্যানিং উৎপাদন করলে উদ্বৃত্ত ফল অপচয় হবে না। ৩. পরিবহন সুবিধা: ‘লিচু স্পেশাল’ ট্রেনের ব্যবস্থা করলে বড় শহরে সরাসরি লিচু পাঠানো সহজ হবে।   উৎপাদন ও বিপণন একযোগে কাজ করলে ঠাকুরগাঁওয়ের লিচু শুধুমাত্র উৎসবের অংশ নয়, বরং জেলার স্থায়ী অর্থনৈতিক ভিত্তি হয়ে উঠবে। কৃষকের শ্রম যেন মধ্যস্বত্বভোগীর পকেটে না যায়, সেটিই এবারের মৌসুমের মূল লক্ষ্য।

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

মৌ মৌ গন্ধে সুরভিত করে তুলেছে সজনে ফুল, বাড়ছে বাণিজ্যিক চাষ

ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারীতে নিজের নামে উদ্ভাবিত মাল্টার জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চান রাজু

ছবি: প্রতিনিধি

দেবীগঞ্জে গম ও ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

ছবি: প্রতিনিধি
মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

২১ বছর ইপিজেডে চাকরি করে একঘেয়ে জীবন থেকে বেরিয়ে এসে কৃষিতে সফলতার গল্প গড়েছেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামের সুমন মিয়া (৪০)। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া মাত্র ২৪ শতক জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম (পেপসিক্যাম) চাষ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। চার মাস আগে বাড়ির পাশের জমিতে উচ্চমূল্যের এই সবজি চাষ শুরু করে ইতোমধ্যে দেড় লাখ টাকা আয় করেছেন সুমন। আরও দুই মাস ফসল তুলতে পারবেন বলে আশা করছেন, যেখানে অতিরিক্ত প্রায় এক লাখ টাকা আয় হবে বলে তার ধারণা। সবুজ আপেলের মতো ক্যাপসিক্যাম থোকায় থোকায় ঝুলতে থাকায় এটি দেখতে এলাকাবাসীর ভিড় জমছে। স্থানীয়ভাবে এটিই প্রথম বাণিজ্যিক ক্যাপসিক্যাম চাষ। বগুড়া এগ্রো ওয়ানের মাঠকর্মীদের পরামর্শে তিনি এ চাষে উদ্বুদ্ধ হন। ক্যাপসিক্যামের পাশাপাশি তিনি দেড় বিঘা জমিতে তরমুজ এবং প্রায় দুই বিঘা জমিতে শসা ও টমেটো চাষ করে সব ক্ষেত্রেই লাভের মুখ দেখেছেন। সুমন মিয়া বলেন, ভরা মৌসুমে সবাই একসঙ্গে একই ফসল চাষ করলে বাজারে সরবরাহ বেড়ে যায়, ফলে দাম পড়ে যায়। তাই আগাম ও ব্যতিক্রম সময়ের ফসল চাষ করলেই লাভবান হওয়া যায়। তিনি জানান, মালচিং পদ্ধতিতে পানি সাশ্রয় হয়, জমির আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং আগাছা ও রোগবালাই কমে। ফলে ক্যাপসিক্যাম দাগমুক্ত থাকে এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়া যায়। তবে পলিহাউস না থাকায় পোকামাকড় দমনে বাড়তি শ্রম ও খরচ হচ্ছে বলে জানান তিনি। সরকারের কাছে উদ্যোক্তাদের জন্য পলিহাউস সুবিধা দেওয়ার দাবি জানান সুমন। তিনি আরও বলেন, ক্যাপসিক্যামের বাজার মূলত শহরকেন্দ্রিক। রংপুর, সৈয়দপুর ও নীলফামারীর বাজার, সুপারশপ ও অভিজাত রেস্টুরেন্টে এর চাহিদা বেশি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ক্যাপসিক্যাম ভিটামিন সি, এ, বি-৬, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং চোখ ও ত্বকের জন্য উপকারী। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মঞ্জুর রহমান বলেন, ক্যাপসিক্যাম চাষ ব্যয়বহুল হলেও বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়। চলতি মৌসুমে নীলফামারী জেলায় চারজন উদ্যোক্তা এ সবজি চাষ করছেন।

নীলফামারী প্রতিনিধি> জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

ছবি: প্রতিনিধি

কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

0 Comments