ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম-এ আজ রোববার (৮ মার্চ) অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল, যেখানে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল ও নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল।
স্বাগতিক ভারতের সামনে রয়েছে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ। জয়ে তারা প্রথম দল হিসেবে তিনটি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা অর্জনের পাশাপাশি টানা দুই আসরে ট্রফি ধরে রাখার রেকর্ড গড়তে পারে।
তিন বছর আগে একই মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে পরাজয়ের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন সাফল্যের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে রোহিত শর্মার দল। ফাইনালের আগে প্রস্তুতিতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই); এমনকি দলের হোটেলও পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ম্যাচের ফল নির্ধারণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত দ্বৈরথ বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। নিউজিল্যান্ডের আক্রমণাত্মক ওপেনার ফিন অ্যালেন-কে থামানোর দায়িত্ব থাকবে ভারতের প্রধান পেসার যশপ্রীত বুমরা-র ওপর। সেমিফাইনালে মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করা অ্যালেন পাওয়ারপ্লেতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত।
ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন সঞ্জু স্যামসন। তবে তাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন কিউই পেসার ম্যাট হেনরি, যিনি অতীতে কয়েকবার স্যামসনকে আউট করেছেন। এছাড়া মধ্য ওভারে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং নিউজিল্যান্ডের স্পিনার মিচেল স্যান্টনার-এর লড়াইও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ধারাবাহিক ব্যাটার টিম সাইফার্ট-কে নিয়ন্ত্রণে রাখার দায়িত্ব থাকবে অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া-র ওপর। সাত ইনিংসে তিনটি অর্ধশতক করা সাইফার্ট এই টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। ফলে ফাইনালের এই দ্বৈরথগুলোই শেষ পর্যন্ত শিরোপার ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম-এ আজ রোববার (৮ মার্চ) অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল, যেখানে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল ও নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। স্বাগতিক ভারতের সামনে রয়েছে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ। জয়ে তারা প্রথম দল হিসেবে তিনটি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা অর্জনের পাশাপাশি টানা দুই আসরে ট্রফি ধরে রাখার রেকর্ড গড়তে পারে। তিন বছর আগে একই মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে পরাজয়ের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন সাফল্যের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে রোহিত শর্মার দল। ফাইনালের আগে প্রস্তুতিতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই); এমনকি দলের হোটেলও পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ম্যাচের ফল নির্ধারণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত দ্বৈরথ বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। নিউজিল্যান্ডের আক্রমণাত্মক ওপেনার ফিন অ্যালেন-কে থামানোর দায়িত্ব থাকবে ভারতের প্রধান পেসার যশপ্রীত বুমরা-র ওপর। সেমিফাইনালে মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করা অ্যালেন পাওয়ারপ্লেতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত। ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন সঞ্জু স্যামসন। তবে তাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন কিউই পেসার ম্যাট হেনরি, যিনি অতীতে কয়েকবার স্যামসনকে আউট করেছেন। এছাড়া মধ্য ওভারে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং নিউজিল্যান্ডের স্পিনার মিচেল স্যান্টনার-এর লড়াইও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ধারাবাহিক ব্যাটার টিম সাইফার্ট-কে নিয়ন্ত্রণে রাখার দায়িত্ব থাকবে অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া-র ওপর। সাত ইনিংসে তিনটি অর্ধশতক করা সাইফার্ট এই টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। ফলে ফাইনালের এই দ্বৈরথগুলোই শেষ পর্যন্ত শিরোপার ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
নবনিযুক্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পল্লবীতে নিজের বাসভবনে প্রথম সংবাদ সম্মেলনে দেশের ক্রীড়া ও কূটনৈতিক নীতি নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি জানান, সরকার ভারতের সঙ্গে চলমান ইস্যু আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চায় এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি উল্লেখ করেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ ভারতের চলমান টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তবে শপথ গ্রহণের পর ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত পরিস্থিতি সমাধান সম্ভব হবে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভাবনাও তুলে ধরে তিনি জানান, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজা ও সাকিব আল হাসানকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার সহনশীল ও নমনীয় পদক্ষেপ নেবে। তিনি বলেন, “যে মামলাগুলো রয়েছে, সেগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে দ্রুত সমাধান করা হবে যাতে খেলোয়াড়রা বাংলাদেশে ফিরে আসতে পারে।” প্রতিমন্ত্রী দেশব্যাপী ক্রীড়াঙ্গনের অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রতিভা বিকাশ ও গ্রাসরুট পর্যায়ে খেলাধুলা প্রসারে তার পরিকল্পনার কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জনতার সঙ্গে সংলাপে তিনি সবাইকে আশ্বাস দেন, “আমি মন্ত্রী হয়েছি, তবে আপনাদের সেই আমিনুলই আছি। আমার দরজা সব সময় খোলা।”
বাংলাদেশের নিরাপত্তা উদ্বেগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পিছিয়ে যাওয়ার ফলে তাদের স্থান গ্রহন করেছে স্কটল্যান্ড। আইসিসি শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিশ্চিত করেছে, গ্রুপ ‘সি’-তে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালির সঙ্গে স্কটল্যান্ড খেলবে। স্কটিশরা বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ম্যাচের আগে দলের স্পিনার মার্ক ওয়াট বাংলাদেশের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের প্রতি আমরা গভীর সহমর্মী, তবে আমাদের উপস্থিতি এই টুর্নামেন্টে নিশ্চিত হওয়া উচিত ছিল।” তিনি আরও বলেন, “আমরা যে কোনো দলকে হারাতে সক্ষম এবং পুরোপুরি প্রস্তুত।” স্কটল্যান্ডের এই অংশগ্রহণ টুর্নামেন্টের গতিশীলতা বাড়িয়ে দিচ্ছে, যেখানে র্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা দলকেও চমক দেওয়া সম্ভব বলে মনে করছে দলটি।