জনপ্রিয় অভিনেতা তারিকুজ্জামান তপন মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চরম শারীরিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। পরিবার জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে রাজধানীর আফতাবনগরের বাসায় শয্যাশায়ী অবস্থায় আছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, তারিকুজ্জামান তপন খাদ্যনালির ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চতুর্থ ধাপে পৌঁছেছেন। গত ডিসেম্বর রোগ শনাক্তের পর থেকে তিনি চিকিৎসাধীন থাকলেও এখন পর্যন্ত তিন দফা কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে।
তার স্ত্রী সাবিনা হেলেন জানান, অভিনেতার শারীরিক অবস্থা দিন দিন অবনতি হচ্ছে। তিনি খাবার গ্রহণ করতে পারছেন না, বমি ও তীব্র ব্যথায় ভুগছেন এবং প্রায় সারাক্ষণ শয্যাশায়ী থাকছেন।
চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ সামলাতে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে জানানো হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার চেষ্টা করা হলেও শয্যা সংকটের কারণে তা সম্ভব হয়নি।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যয়বহুল চিকিৎসা অব্যাহত রাখা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় তারা সরকারি সহায়তা ও শিল্পী-সমাজের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
একসময় কমেডি ও চরিত্রাভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেতা টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র দুই মাধ্যমেই দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এখন তার সুস্থতার জন্য পরিবার, সহকর্মী ও ভক্তদের দোয়া চাওয়া হয়েছে।
জনপ্রিয় অভিনেতা তারিকুজ্জামান তপন মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চরম শারীরিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। পরিবার জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে রাজধানীর আফতাবনগরের বাসায় শয্যাশায়ী অবস্থায় আছেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তারিকুজ্জামান তপন খাদ্যনালির ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চতুর্থ ধাপে পৌঁছেছেন। গত ডিসেম্বর রোগ শনাক্তের পর থেকে তিনি চিকিৎসাধীন থাকলেও এখন পর্যন্ত তিন দফা কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে। তার স্ত্রী সাবিনা হেলেন জানান, অভিনেতার শারীরিক অবস্থা দিন দিন অবনতি হচ্ছে। তিনি খাবার গ্রহণ করতে পারছেন না, বমি ও তীব্র ব্যথায় ভুগছেন এবং প্রায় সারাক্ষণ শয্যাশায়ী থাকছেন। চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ সামলাতে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে জানানো হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার চেষ্টা করা হলেও শয্যা সংকটের কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যয়বহুল চিকিৎসা অব্যাহত রাখা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় তারা সরকারি সহায়তা ও শিল্পী-সমাজের সহযোগিতা কামনা করেছেন। একসময় কমেডি ও চরিত্রাভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেতা টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র দুই মাধ্যমেই দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এখন তার সুস্থতার জন্য পরিবার, সহকর্মী ও ভক্তদের দোয়া চাওয়া হয়েছে।
বলিউডের আলোচিত দম্পতি রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন-এর বৈবাহিক সম্পর্ক ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে পুনরায় বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রদান করা হয়নি। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, একটি অনির্ধারিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টকে কেন্দ্র করে এই জল্পনার সূত্রপাত। উক্ত পোস্টে দাবি করা হয়, পারস্পরিক মতপার্থক্যের জেরে দম্পতিটি সম্ভাব্য আইনি বিচ্ছেদের দিকে অগ্রসর হতে পারেন। যদিও এ ধরনের দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপিত হয়নি। এদিকে, সম্প্রতি ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ-এর সাফল্য উদযাপনকালে দীপিকার অনুপস্থিতি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠলেও পরে তিনি স্পষ্ট করেন যে, চলচ্চিত্রটি তিনি পূর্বেই দেখেছেন। দম্পতির ঘনিষ্ঠ সূত্রসমূহ এ ধরনের গুঞ্জনকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে। পূর্বেও অনুরূপ গুজব প্রচারিত হলেও তা পরবর্তীতে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিগত সম্পর্ক সংক্রান্ত এ ধরনের অনানুষ্ঠানিক তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার করা সমীচীন নয় এবং এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য প্রাপ্তিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য পন্থা।
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি এবারো ক্যামেরার বাইরে যুদ্ধ করছেন জীবনের সঙ্গে। গত ফেব্রুয়ারি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া এই অভিনেত্রীর মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। প্রথম অস্ত্রোপচারের পর দেশে কিছুদিন চিকিৎসা নিয়ে গত ৯ মার্চ চেন্নাইয়ে দ্বিতীয় সার্জারি সম্পন্ন করেছেন তিনি। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামের মধ্যেই রয়েছে তৃতীয় অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি। ঈদে ১০টি নাটকে দেখা গেলেও শারীরিক অসুবিধার কারণে তিনি পুরোপুরি সাফল্যের আনন্দ উপভোগ করতে পারেননি। সংবাদমাধ্যমকে তানিয়া বৃষ্টি জানান, অস্ত্রোপচারের পর মানসিকভাবে খুবই দুর্বল ছিলেন এবং সহজেই আবেগাপ্লুত হতেন। এখন কিছুটা সুস্থ হলেও চোখ ও নাকের সমস্যা রয়ে গেছে। নাটক ‘সুপ্তাদের বাড়ি’-র ট্রেলার দেখলেও আবেগ সামলাতে পারেননি তিনি। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তাকে জীবনের গভীর বেদনা উপলব্ধি করিয়েছে, বিশেষ করে কাছের মানুষ হারানোর কষ্ট। অভিনেত্রী মনে করেন, এই কাজ তার অভিনয় জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তৃতীয় অস্ত্রোপচারের আগে আরও প্রস্তুতির প্রয়োজন। সব ঠিক থাকলে কয়েক মাসের মধ্যে এটি সম্পন্ন হবে। তানিয়া বৃষ্টি দৃঢ় প্রত্যয়ে আশা রাখছেন, সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে আবারও পর্দার সামনে দাঁড়াবেন।