সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে অধিক মুনাফার আশায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় ১০ ব্যারেল ভর্তি ও প্রায় ২০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।
রোববার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার মৌতলা ও বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে এই দণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন কালিগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাইনুল ইসলাম খান।
সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পুলিশ–এর একটি দল এসআই আতিকের নেতৃত্বে মৌতলা ইউনিয়নের পিরোজপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত ‘মেসার্স লায়ন এন্টারপ্রাইজ’-এ অভিযান চালায়। সেখান থেকে ৩০টি ব্যারেল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৬ ব্যারেল ডিজেল, ২ ব্যারেল অকটেন ও ২ ব্যারেল পেট্রোল ভর্তি ছিল এবং বাকি ২০টি ব্যারেল খালি পাওয়া যায়। দোকানের মালিক পার্থ প্রতিম অর্জুন সিংহ বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এর আগে বিকেল ৪টার দিকে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে মো. আনারুল ইসলামের বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২০০ লিটার তেল, তেল বিক্রির সরঞ্জাম ও একটি খালি ব্যারেল জব্দ করা হয়। আবাসিক এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে ও অবৈধ উদ্দেশ্যে তেল মজুদ রাখার দায়ে তাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাইনুল ইসলাম খান বলেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তেলের দাম বাড়ার আশায় বা অতিরিক্ত মুনাফার লোভে এই মজুদ গড়ে তুলেছিলেন। জনস্বার্থ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে অধিক মুনাফার আশায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় ১০ ব্যারেল ভর্তি ও প্রায় ২০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। রোববার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার মৌতলা ও বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে এই দণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন কালিগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাইনুল ইসলাম খান। সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পুলিশ–এর একটি দল এসআই আতিকের নেতৃত্বে মৌতলা ইউনিয়নের পিরোজপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত ‘মেসার্স লায়ন এন্টারপ্রাইজ’-এ অভিযান চালায়। সেখান থেকে ৩০টি ব্যারেল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৬ ব্যারেল ডিজেল, ২ ব্যারেল অকটেন ও ২ ব্যারেল পেট্রোল ভর্তি ছিল এবং বাকি ২০টি ব্যারেল খালি পাওয়া যায়। দোকানের মালিক পার্থ প্রতিম অর্জুন সিংহ বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর আগে বিকেল ৪টার দিকে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে মো. আনারুল ইসলামের বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২০০ লিটার তেল, তেল বিক্রির সরঞ্জাম ও একটি খালি ব্যারেল জব্দ করা হয়। আবাসিক এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে ও অবৈধ উদ্দেশ্যে তেল মজুদ রাখার দায়ে তাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাইনুল ইসলাম খান বলেন, অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে তেলের দাম বাড়ার আশায় বা অতিরিক্ত মুনাফার লোভে এই মজুদ গড়ে তুলেছিলেন। জনস্বার্থ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
সাতক্ষীরা শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকায় অবস্থিত জেলার কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১১ মার্চ) গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা মন্দিরের একাধিক কক্ষের তালা কেটে প্রতিমার স্বর্ণালংকার, রুপা ও দানবাক্সের নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায়। মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১৮ লাখ টাকার সম্পদ চুরি হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন জানান, চোরেরা মায়ের বাড়ি মন্দিরের কালীমন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, রাধাগোবিন্দ মন্দির ও জগন্নাথ মন্দিরের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর প্রতিমার বিভিন্ন স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের নগদ অর্থ চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে—চার ভরি ওজনের দুই জোড়া স্বর্ণের বালা, এক ভরি ওজনের দুই জোড়া শাঁখা, চার আনা ওজনের এক জোড়া কানের দুল, আট আনা ওজনের একটি ‘মায়ের জিভ’, আট আনা ওজনের একটি চেন, দশ আনা ওজনের একটি নথ, চার আনা ওজনের দুই জোড়া পেটি, প্রায় পাঁচ ভরি রুপা এবং দানবাক্সের নগদ প্রায় সাত হাজার টাকা। মন্দির সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য দীপাসিন্ধু তরফদার বলেন, দুই দিন আগে শহরের কাটিয়া মন্দিরেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। বারবার এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। সাতক্ষীরা সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। মন্দিরের কর্মকর্তা অসীম দাশ সোনা বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নীলফামারীতে ৪র্থ শ্রেণির শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষিতা ছাত্রী জেলার ডোমার উপজেলার পশ্চিম হলহলিয়া গ্রামের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। এলাকাবাসী জানায়, মেয়েটির বাবা মা কাজের জন্য বাড়িতে ছিল না। এ সুযোগে ওই এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে আজিজুর রহমান নামের ৬০ বছরের এক ব্যক্তি বাড়িতে একা পেয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। সন্ধ্যার পরে মেয়ের বাবা মা বাড়িতে আসার পর মেয়েটিকে অসুস্থ দেখতে পেলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তার বাবা মাকে মেয়েটি সব কিছু বলে দেয়। এলাকাবাসী কৌশলে আজিজাকে বাড়িতে ডেকে এনে বেঁধে রাখলে আজিজার ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ ধর্ষক আজিজাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেয়। এ ব্যাপারে ডোমার থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই শৈলেন চন্দ্র আজিজারকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলার প্রস্তুতি চলছে, ভিকটিমকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।