মহাবিশ্বে জীবনের অস্তিত্ব নিয়ে অনুসন্ধানকে নতুন মাত্রা দিয়েছে নাসা। সংস্থাটি সম্প্রতি এমন এক গ্রহের সন্ধান দিয়েছে, যা গঠনগতভাবে আমাদের পৃথিবীর সঙ্গে বিস্ময়কর মিল রাখে।
গ্রহটি, ‘এইচডি ১৩৭০১০ বি’ নামক, পৃথিবী থেকে প্রায় ১৪৬ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এবং বিজ্ঞানীদের মতে, এটি তার নক্ষত্রের বাসযোগ্য অঞ্চলের প্রান্তে অবস্থান করছে।
নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রহটিতে তরল পানির অস্তিত্ব ও জীবনধারণের জন্য উপযোগী বায়ুমণ্ডলের সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও মূল নক্ষত্র সূর্যের মতো হলেও অনেক বেশি শীতল ও কম আলো প্রবাহিত করে, ফলে গ্রহটির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় মাইনাস ৬৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের কে২ মিশনের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে গ্রহটি শনাক্ত করা হয়েছে। নক্ষত্রের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আলোর সামান্য পরিবর্তনের পর্যবেক্ষণেই এর অস্তিত্ব নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা আরও জানিয়েছেন, গ্রহটির অরবিটাল পিরিয়ড মাত্র ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা, যেখানে পৃথিবী ৩৬৫ দিনে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
নাসার গবেষকরা আশা করছেন, ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার কিওপস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে ভবিষ্যতে গ্রহটির প্রকৃতি এবং জীবনধারণের সক্ষমতা নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
মহাবিশ্বে জীবনের অস্তিত্ব নিয়ে অনুসন্ধানকে নতুন মাত্রা দিয়েছে নাসা। সংস্থাটি সম্প্রতি এমন এক গ্রহের সন্ধান দিয়েছে, যা গঠনগতভাবে আমাদের পৃথিবীর সঙ্গে বিস্ময়কর মিল রাখে। গ্রহটি, ‘এইচডি ১৩৭০১০ বি’ নামক, পৃথিবী থেকে প্রায় ১৪৬ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এবং বিজ্ঞানীদের মতে, এটি তার নক্ষত্রের বাসযোগ্য অঞ্চলের প্রান্তে অবস্থান করছে। নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রহটিতে তরল পানির অস্তিত্ব ও জীবনধারণের জন্য উপযোগী বায়ুমণ্ডলের সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও মূল নক্ষত্র সূর্যের মতো হলেও অনেক বেশি শীতল ও কম আলো প্রবাহিত করে, ফলে গ্রহটির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় মাইনাস ৬৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের কে২ মিশনের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে গ্রহটি শনাক্ত করা হয়েছে। নক্ষত্রের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আলোর সামান্য পরিবর্তনের পর্যবেক্ষণেই এর অস্তিত্ব নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা আরও জানিয়েছেন, গ্রহটির অরবিটাল পিরিয়ড মাত্র ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা, যেখানে পৃথিবী ৩৬৫ দিনে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। নাসার গবেষকরা আশা করছেন, ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার কিওপস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে ভবিষ্যতে গ্রহটির প্রকৃতি এবং জীবনধারণের সক্ষমতা নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
দেশের তরুণদের মধ্যে নতুন ধারণা ও প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবসা শুরুর আগ্রহ বিগত কয়েক বছরে চোখে পড়ার মতোভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে স্টার্টআপ খাতে প্রযুক্তি, ই-কমার্স, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাভিত্তিক উদ্যোগগুলো এখন তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) জানায়, ২০২৪ সালে দেশে নিবন্ধিত স্টার্টআপের সংখ্যা ছিল প্রায় ২ হাজার, যা ২০২০ সালের তুলনায় দ্বিগুণ। এই বৃদ্ধির পেছনে উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা, সরকারের নীতিগত সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কাজ করেছে। তরুণদের চোখে সম্ভাবনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থী রায়হান মৃধা সম্প্রতি “EduTrack” নামে একটি এডটেক স্টার্টআপ চালু করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা চেয়েছি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সহজ ও ইন্টারেক্টিভ লার্নিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে। শুরুতে ঝুঁকি ছিল, তবে এখন মাসে ১০ হাজারের বেশি ব্যবহারকারী পাচ্ছি।” এমন বহু উদাহরণ রয়েছে যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া বা সদ্য পাস করা তরুণরা চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরাই উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং কর্মসংস্থান তৈরি করছেন। বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বিদেশি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্মগুলোও এখন বাংলাদেশি স্টার্টআপে অর্থ ঢালতে আগ্রহী। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই ১২টি স্টার্টআপ প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার ফান্ডিং পেয়েছে। উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ ও বিনিয়োগ সহায়তা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ‘BD Venture’–এর নির্বাহী পরিচালক নাজমুল হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের তরুণদের ধারণা অনেক সময় আন্তর্জাতিক মানের হয়, শুধু প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা ও পুঁজি। এখন সেই সুযোগ ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।” সরকারি উদ্যোগ ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ নামে আইসিটি বিভাগের একটি প্রকল্প ইতোমধ্যে ৫০টির বেশি উদ্যোগে প্রাথমিক অর্থায়ন করেছে। একইসঙ্গে রয়েছে উদ্যোক্তা হাব, মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ তৈরির সুযোগ।