শিক্ষা

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ জানুয়ারী ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা ২১ এপ্রিল থেকে শুরু, ব্যবহারিক পরীক্ষা ৭-১৪ জুনে সম্পন্ন হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এ সময়সূচি ঘোষণা করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তত্ত্বীয় পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হবে এবং ২০ মে পর্যন্ত চলবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা শিক্ষার্থী নিজ নিজ কেন্দ্রের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।
পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশাবলির মধ্যে রয়েছে: 
প্রবেশপত্র পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে সংগ্রহ করা, প্রশ্নপত্রে প্রদত্ত সময় অনুসরণ, বহুনির্বাচনি ও রচনামূলক অংশে আলাদা করে অংশগ্রহণ ও পাস নিশ্চিত করা, ব্যবহারিক নম্বর অনলাইনে বোর্ডে পাঠানো, এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ। এছাড়া পরীক্ষার্থীরা কেবল নিবন্ধিত বিষয়েই পরীক্ষা দিতে পারবেন।
ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন প্রক্রিয়া ও সময়সূচি বোর্ডের ওয়েবসাইট ও দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

শিক্ষা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

২০২৬ সালের মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা ২১ এপ্রিল থেকে শুরু, ব্যবহারিক পরীক্ষা ৭-১৪ জুনে সম্পন্ন হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এ সময়সূচি ঘোষণা করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তত্ত্বীয় পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হবে এবং ২০ মে পর্যন্ত চলবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা শিক্ষার্থী নিজ নিজ কেন্দ্রের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশাবলির মধ্যে রয়েছে:  প্রবেশপত্র পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে সংগ্রহ করা, প্রশ্নপত্রে প্রদত্ত সময় অনুসরণ, বহুনির্বাচনি ও রচনামূলক অংশে আলাদা করে অংশগ্রহণ ও পাস নিশ্চিত করা, ব্যবহারিক নম্বর অনলাইনে বোর্ডে পাঠানো, এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ। এছাড়া পরীক্ষার্থীরা কেবল নিবন্ধিত বিষয়েই পরীক্ষা দিতে পারবেন। ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন প্রক্রিয়া ও সময়সূচি বোর্ডের ওয়েবসাইট ও দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

দেশে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্প নির্ভর অর্থনীতিতে টিকে থাকতে হলে শুধু সাধারণ শিক্ষায় নয়, বাস্তবভিত্তিক ও হাতে-কলমে দক্ষতা অর্জনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। সেই বিবেচনা থেকেই সরকার এবার কারিগরি শিক্ষার প্রসারে নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি অঞ্চলের যুবসমাজকে দক্ষ করে তোলা এবং তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো।   বর্তমানে দেশে কারিগরি শিক্ষার পরিসর সীমিত। অধিকাংশ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র জেলা বা বিভাগীয় শহরগুলোতেই সীমাবদ্ধ। ফলে গ্রামীণ ও প্রান্তিক এলাকার তরুণরা এই ধরনের শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। তবে নতুন এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপিত হবে, যেখানে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এতে করে একদিকে যেমন স্থানীয়ভাবে দক্ষ জনবল গড়ে উঠবে, অন্যদিকে কর্মসংস্থানেও নতুন দ্বার খুলবে।   প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে মূলত বিদ্যুৎ ও ইলেকট্রনিক্স, গাড়ি মেরামত, ফ্রিজ ও এসি রিপেয়ারিং, কম্পিউটার ও আইটি, ফ্যাশন ডিজাইন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সৌরবিদ্যুৎ এবং রোবোটিক্সের মতো চাহিদাসম্পন্ন কোর্স চালু করা হবে। এসব কোর্সের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিখে চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের উপযোগী হয়ে উঠবে। প্রশিক্ষণের শেষে তাদের সার্টিফিকেটও প্রদান করা হবে, যা চাকরির ক্ষেত্রেও মূল্যায়িত হবে। তাছাড়া অনেকে নিজের উদ্যোগেও ব্যবসা শুরু করতে পারবে, যার ফলে বেকারত্ব হ্রাস পাবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।   এই প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সরবরাহ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জ্ঞান অর্জনে সক্ষম হয়। প্রশিক্ষকেরাও হবেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ, যারা যুগোপযোগী পদ্ধতিতে পাঠদান করবেন। কিছু প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে বিশেষায়িত করাও হবে, যেমন কোনো এলাকায় কৃষিভিত্তিক প্রশিক্ষণ বেশি, আবার অন্য এলাকায় আইটি নির্ভর প্রশিক্ষণ বেশি দেওয়া হবে। এইভাবে স্থানীয় চাহিদা ও সম্ভাবনার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণের ধরন নির্ধারণ করা হবে।   এই উদ্যোগ শুধু কর্মসংস্থানের দিক থেকেই নয়, সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে নারী ও প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো হবে, যাতে কারিগরি শিক্ষা সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ শেষে ঋণ সুবিধা, উদ্যোক্তা পরামর্শ ও চাকরির সংযোগও দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, যা প্রকল্পকে বাস্তবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সফলতায় রূপান্তর করবে।   সার্বিকভাবে বললে, প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের এই উদ্যোগ গ্রামীণ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের তরুণ সমাজ আরও দক্ষ, আত্মনির্ভর ও ভবিষ্যতমুখী হয়ে উঠবে, যা স্মার্ট বাংলাদেশের পথে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে

সরকারি স্কুলে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল হাজিরা চালু, নজরদারিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, চালু হচ্ছে কেন্দ্রীয় আবেদন ও মেধাতালিকা

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পৃথক পৃথক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আর থাকছে না। শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন আবেদন ও মেধাতালিকা ভিত্তিক ভর্তি ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।   নতুন ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা ফরম পূরণ ও পরীক্ষা দেওয়ার ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে। শিক্ষার্থীরা একবার আবেদন করে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ বেছে নিতে পারবেন, এবং সেই অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে।   শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য: শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি বলেছেন, “বছরের পর বছর ধরে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা একাধিক ভর্তি পরীক্ষার জন্য মানসিক ও আর্থিক চাপে থাকেন। এই পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের সময়, টাকা এবং কষ্ট—সবকিছুই বাঁচাবে।”   বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিক্রিয়া কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও, কয়েকটি প্রতিষ্ঠান একে আত্মনিয়ন্ত্রণের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছে। তবে ইউজিসি জানিয়েছে, সব বিশ্ববিদ্যালয়কেই এই পদ্ধতির আওতায় আনা হবে এবং প্রয়োজনে আলোচনা করে বিশেষায়িত ক্ষেত্রের জন্য নীতিমালা নির্ধারণ করা হবে।   অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মতামত নতুন এই পদ্ধতি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ঢাকার একটি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী জানায়, “আমার জন্য এটা ভালো খবর। এখন একবার প্রস্তুতি নিলেই চলবে, আলাদা আলাদা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফি আর যাওয়া-আসার খরচও কমবে।” অন্যদিকে, একজন অভিভাবক বলেন, “এটা যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়, তাহলে এটি শিক্ষার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে।”   পরবর্তী পদক্ষেপ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইউজিসি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই কেন্দ্রীয় ভর্তিপদ্ধতির জন্য একটি আলাদা ওয়েবসাইট চালু করবে এবং বিস্তারিত গাইডলাইন প্রকাশ করা হবে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0
অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব

0 Comments