সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কর্মরত সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৩২ জনকে জামিন দিয়েছে আদালত।
সোমবার (৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক রাফিয়া সুলতানা তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন।
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি মো. আবু নাসের সাঈদ। মামলায় ৩৭ জন সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার মতো ফৌজদারি ধারা (১৪৩/৩২৫/৩০৭/৪২৭/৫০৬ পেনাল কোড) প্রয়োগ করা হয়েছে।
আদালতে সাংবাদিকদের পক্ষের আইনজীবী ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম শাহ আলম, সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী ও অ্যাডভোকেট খায়রুল বদিউজ্জামালসহ অর্ধশতাধিক সিনিয়র আইনজীবী।
জামিন পাওয়া সাংবাদিকরা বলেন, আমরা ন্যায়বিচারের ওপর আস্থাশীল বলেই আইন মেনে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছি। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যেভাবে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মামলা করা হয়েছে, তাতে আমাদের পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে সাংবাদিক নেতারা দাবি করেছেন, মূলত সাংবাদিকদের উপর সংঘটিত হামলার ঘটনা আড়াল করতেই পাল্টা মামলা করেছেন আবু সাঈদ। তারা আরও বলেন, যারা হামলার শিকার হয়েছেন, আজ তারাই আসামি, এটি ন্যায়বিচারের পরিপন্থি। আমরা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।
উল্লেখ্য, গত ৩০ জুন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি আবু সাঈদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারীর নির্দেশে সাংবাদিকদের উপর হামলা চালায় বহিরাগতরা। এতে সভাপতি আবুল কাশেমসহ অন্তত ৩০ জন সাংবাদিক আহত হন। ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা হয়। একটি সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এবং অপরটি আবু সাঈদের পক্ষ থেকে।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কর্মরত সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৩২ জনকে জামিন দিয়েছে আদালত।
সোমবার (৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক রাফিয়া সুলতানা তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন।
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি মো. আবু নাসের সাঈদ। মামলায় ৩৭ জন সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার মতো ফৌজদারি ধারা (১৪৩/৩২৫/৩০৭/৪২৭/৫০৬ পেনাল কোড) প্রয়োগ করা হয়েছে।
আদালতে সাংবাদিকদের পক্ষের আইনজীবী ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম শাহ আলম, সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী ও অ্যাডভোকেট খায়রুল বদিউজ্জামালসহ অর্ধশতাধিক সিনিয়র আইনজীবী।
জামিন পাওয়া সাংবাদিকরা বলেন, আমরা ন্যায়বিচারের ওপর আস্থাশীল বলেই আইন মেনে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছি। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যেভাবে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মামলা করা হয়েছে, তাতে আমাদের পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে সাংবাদিক নেতারা দাবি করেছেন, মূলত সাংবাদিকদের উপর সংঘটিত হামলার ঘটনা আড়াল করতেই পাল্টা মামলা করেছেন আবু সাঈদ। তারা আরও বলেন, যারা হামলার শিকার হয়েছেন, আজ তারাই আসামি, এটি ন্যায়বিচারের পরিপন্থি। আমরা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।
উল্লেখ্য, গত ৩০ জুন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি আবু সাঈদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারীর নির্দেশে সাংবাদিকদের উপর হামলা চালায় বহিরাগতরা। এতে সভাপতি আবুল কাশেমসহ অন্তত ৩০ জন সাংবাদিক আহত হন। ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা হয়। একটি সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এবং অপরটি আবু সাঈদের পক্ষ থেকে।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ছেলে জামিলের (২০) বিরুদ্ধে বাবা রাশিদুল হক খান সুমনকে (৪৭) অতিমাত্রায় ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
১ দিন আগেএঘটনায় সিআইডি ও পিবিআইয়ের সদস্যরা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোয়েলের পরনে ছিল সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি ও লুঙ্গি।
২ দিন আগেবাগেরহাটের ফকিরহাট এলাকার কাটাখালী মোড় থেকে অভিযান চালিয়ে এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।
২ দিন আগেফেনীর ছাগলনাইয়া থানার পুলিশ ও বিজিবি পৃথক অভিযানে মাদক ও চোরাচালান পণ্য উদ্ধার এবং তিনজনকে আটক করেছে।
২ দিন আগেটাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ছেলে জামিলের (২০) বিরুদ্ধে বাবা রাশিদুল হক খান সুমনকে (৪৭) অতিমাত্রায় ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
এঘটনায় সিআইডি ও পিবিআইয়ের সদস্যরা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোয়েলের পরনে ছিল সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি ও লুঙ্গি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট এলাকার কাটাখালী মোড় থেকে অভিযান চালিয়ে এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।
ফেনীর ছাগলনাইয়া থানার পুলিশ ও বিজিবি পৃথক অভিযানে মাদক ও চোরাচালান পণ্য উদ্ধার এবং তিনজনকে আটক করেছে।