ঢাকা সিলেট মহাসড়কের ২০১ কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে নরসিংদী অংশে রয়েছে ৫২ কিলোমিটার সড়ক। তবে এই অংশে ভূমি অধিগ্রহণে এডিসি মাহমুদা বেগম ‘সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়’ করেছে—এমন দাবিকে ঘিরে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নরসিংদীর নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল রাব্বী জানান, নরসিংদী অংশে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য মোট ৮টি এলএ (ভূমি অধিগ্রহণ) মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ৩টি মামলার অর্থ ছাড় করা হয়েছে। এসব মামলার বিপরীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, পুরো প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় যেখানে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা, সেখানে শুধু নরসিংদী অংশে কীভাবে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নরসিংদীর জেলা প্রশাসকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তবে নরসিংদীর সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজা ই রাব্বি জানান, নরসিংদী অংশে এখন পর্যন্ত মাত্র ৩৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন জটিলতার কারণে বর্তমানে প্রকল্পের কাজ বন্ধ রয়েছে।