সাতক্ষীরা
মাসির বাড়ি থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের উল্টারথযাত্রা সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (০৫ জুলাই) বিকালে শহরের কাটিয়া (কর্মকার পাড়া) সদর সর্বজনীন পূজা মন্দির থেকে হাজার হাজার ভক্ত নিয়ে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেব নিজ বাড়ি সদরের ধুলিহর ব্রহ্মরাজপুর মঠ মন্দিরে ফিরে যান।
হিন্দু ধর্মশাস্ত্র মতে, জগন্নাথ কলিযুগের ভক্তদের উদ্ধার করেছিলেন। তারা মনে করেন, জগন্নাথদেবের রশি টানার মাধ্যমে কল্যাণ রয়েছে। বৃদ্ধ, যুবক, তরুণ শিক্ষার্থীসহ সব বয়সের মানুষ কিন্তু রশির প্রতি আকর্ষণ টানে। জগন্নাথ দেবের প্রতিবছর মানুষকে এই রশির মাধ্যমে সকল বিপদ থেকে মুক্ত রাখেন। জগন্নাথদেব এক সপ্তাহের অধিক সময় মাসির বাড়ি অবস্থান করেন। এ সময় প্রতিদিন সন্ধ্যায় ভাগবত আলোচনা ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে মিলিত হন। জগন্নাথ দেবের সান্নিধ্যে আগত হাজার হাজার ভক্তদের দুপুরে অন্নপ্রসাদ প্রদান করেন।
প্রতিদিন দুপুরে অংশগ্রহণকারী হাজার হাজার ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। প্রতিদিন ভক্তদের আগমনে কাটিয়া সদর সার্বজনীন মন্দির প্রাঙ্গণ মিলন মেলায় পরিণত হয়। প্রতি বছর আষাঢ় মাসে শুক্লা পক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে শ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভাদ্রা নিজ বাড়ি থেকে মাসির বাড়ির যান। এ সময় বিভিন্ন লোভনীয় ফল মিষ্টিসহ বিপুল সংখ্যক ভক্ত কিন্তু তার সাথে থাকেন।
শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সর্বজনীন পূজা মন্দিরের সভাপতি গৌর চন্দ্র দত্ত, রথযাত্রা উদযাপন কমিটির আহবায়ক শংকর কুমার রায়, যুগ্ন আহবায়ক সমরেশ কুমার দাশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার, জেলা জুয়েলারি সমিতির সাধাঃ সম্পাদক মনোরঞ্জন কর্মকার মন্টু, প্রশান্ত কুমার গাইন,সমীর কুমার বসু, অলোক কুমার তরফদার, সদস্য সচিব কিরণ্ময় সরকার, মিলন কুমার দত্ত, দীনবন্ধু মিত্র, ভৈরব কর্মকার, তপন কুমার কর্মকার, অসিত কুমার মল্লিক, নিমাই কর্মকার, উৎপল শাহসহ সাধু ,পন্ডিত, পুরোহিত ও হাজার হাজার ভক্তবৃন্দরা।
মাসির বাড়ি থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের উল্টারথযাত্রা সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (০৫ জুলাই) বিকালে শহরের কাটিয়া (কর্মকার পাড়া) সদর সর্বজনীন পূজা মন্দির থেকে হাজার হাজার ভক্ত নিয়ে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেব নিজ বাড়ি সদরের ধুলিহর ব্রহ্মরাজপুর মঠ মন্দিরে ফিরে যান।
হিন্দু ধর্মশাস্ত্র মতে, জগন্নাথ কলিযুগের ভক্তদের উদ্ধার করেছিলেন। তারা মনে করেন, জগন্নাথদেবের রশি টানার মাধ্যমে কল্যাণ রয়েছে। বৃদ্ধ, যুবক, তরুণ শিক্ষার্থীসহ সব বয়সের মানুষ কিন্তু রশির প্রতি আকর্ষণ টানে। জগন্নাথ দেবের প্রতিবছর মানুষকে এই রশির মাধ্যমে সকল বিপদ থেকে মুক্ত রাখেন। জগন্নাথদেব এক সপ্তাহের অধিক সময় মাসির বাড়ি অবস্থান করেন। এ সময় প্রতিদিন সন্ধ্যায় ভাগবত আলোচনা ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে মিলিত হন। জগন্নাথ দেবের সান্নিধ্যে আগত হাজার হাজার ভক্তদের দুপুরে অন্নপ্রসাদ প্রদান করেন।
প্রতিদিন দুপুরে অংশগ্রহণকারী হাজার হাজার ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। প্রতিদিন ভক্তদের আগমনে কাটিয়া সদর সার্বজনীন মন্দির প্রাঙ্গণ মিলন মেলায় পরিণত হয়। প্রতি বছর আষাঢ় মাসে শুক্লা পক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে শ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভাদ্রা নিজ বাড়ি থেকে মাসির বাড়ির যান। এ সময় বিভিন্ন লোভনীয় ফল মিষ্টিসহ বিপুল সংখ্যক ভক্ত কিন্তু তার সাথে থাকেন।
শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সর্বজনীন পূজা মন্দিরের সভাপতি গৌর চন্দ্র দত্ত, রথযাত্রা উদযাপন কমিটির আহবায়ক শংকর কুমার রায়, যুগ্ন আহবায়ক সমরেশ কুমার দাশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার, জেলা জুয়েলারি সমিতির সাধাঃ সম্পাদক মনোরঞ্জন কর্মকার মন্টু, প্রশান্ত কুমার গাইন,সমীর কুমার বসু, অলোক কুমার তরফদার, সদস্য সচিব কিরণ্ময় সরকার, মিলন কুমার দত্ত, দীনবন্ধু মিত্র, ভৈরব কর্মকার, তপন কুমার কর্মকার, অসিত কুমার মল্লিক, নিমাই কর্মকার, উৎপল শাহসহ সাধু ,পন্ডিত, পুরোহিত ও হাজার হাজার ভক্তবৃন্দরা।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকালে বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে দাবিকৃত আড়াই লাখ টাকা পরিশোধের পর শুক্রবার(২৯) রাতে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়
২ মিনিট আগেটাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির(কাদের) অফিস ভাঙচুর ও মহাসড়ক অবরোধ করেছে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।
৬ মিনিট আগেপর্যটকের ওপর নির্ভর করে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকায় পাঁচ শতাধিক ট্রলার চলে। সুন্দরবনে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত মাছ ও কাঁকড়া ধরা বন্ধ রাখার পাশাপাশি পর্যটক ঢোকা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় ট্রলারচালক ও শ্রমিকরা বেকার জীবন যাপন করেন। তাদের সংসার চলে খুব কষ্টে
৩৪ মিনিট আগেতালার শ্রীমন্তকাটি গ্রামের ভবেন্দ্র দাস ৬৮ হাজার টাকায় জমি বিক্রির জন্য তিন মাস আগে আব্দুল আহাদের সঙ্গে চুক্তি করেন। ২৫ হাজার টাকা নেওয়ার পরেও ভবেন্দ্র দাস জমি অন্যজনের কাছে বিক্রি করে
১ ঘণ্টা আগেবৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকালে বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে দাবিকৃত আড়াই লাখ টাকা পরিশোধের পর শুক্রবার(২৯) রাতে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়
টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির(কাদের) অফিস ভাঙচুর ও মহাসড়ক অবরোধ করেছে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।
পর্যটকের ওপর নির্ভর করে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকায় পাঁচ শতাধিক ট্রলার চলে। সুন্দরবনে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত মাছ ও কাঁকড়া ধরা বন্ধ রাখার পাশাপাশি পর্যটক ঢোকা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় ট্রলারচালক ও শ্রমিকরা বেকার জীবন যাপন করেন। তাদের সংসার চলে খুব কষ্টে
তালার শ্রীমন্তকাটি গ্রামের ভবেন্দ্র দাস ৬৮ হাজার টাকায় জমি বিক্রির জন্য তিন মাস আগে আব্দুল আহাদের সঙ্গে চুক্তি করেন। ২৫ হাজার টাকা নেওয়ার পরেও ভবেন্দ্র দাস জমি অন্যজনের কাছে বিক্রি করে