অসহায় পিতার সংবাদ সম্মেলন
সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্যায় শিশু রাহি হত্যা মামলা তুলে নিতে আসামিরা বাদী এবং তার পরিবারের সদস্যদের খুন জখমসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছি বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৩০ এপ্রিল) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন আশাশুনির আগরদাঁডি গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে মো. রবিউল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি একজন দরিদ্র অসহায় পিতা। গত ২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর আমাদের প্রতিবেশী আব্দুর রাজ্জাকের মাদকাসক্ত ছেলে রেজোয়ান কবির জনি কৌশলে আমার শিশু কন্যা নুসরাত জাহান (রাহি) (৯) কে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। হত্যার সময় তার কানে থাকা দুটি স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নিয়ে তার গায়ের গেঞ্জি ছিড়িয়ে হাত পা বেধে পাশ্ববর্তী পুকুরে ফেলে দেয়।
তিনি বলেন, এঘটনায় আমি বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ আসামী রেজোয়ান কবির জনিকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করে। পরে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে সে। জবানবন্দিতে শিশু রাহিকে হত্যার পর তার কানে থাকা দুল ছিনিয়ে নিয়ে বুধহাটা বাজারের একটি স্বর্ণের দোকানে বিক্রি করে। ওই দোকানদারও দুল কেনার বিষয়টি স্বীকার করে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, এ ঘটনার পর থেকে আসামী জনি কারাগারে থাকলেও সন্তানকে ছাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠে তার পিতা আব্দুর রাজ্জাকসহ আত্মীয়-স্বজনরা। কিন্তু জনির স্বীকারোক্তিসহ তথ্য প্রমান থাকায় তার জামিন হয়নি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে আমাকে এবং আমার বৃদ্ধা মা' সহ পরিবারের সদস্যদের খুনজখমের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছে আসামীর স্বজনরা। এমনকি মামলার স্বাক্ষীদেরকেও হুমকি দিচ্ছে তারা।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ৩১ জানুয়ারি জনির পিতা আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে তার পিতা জেহের আলী, রাজ্জাকের ছেলে রনি আমাদের বাড়িতে গিয়ে প্রকাশ্যে আমার মা'কে হুমকি দিয়ে বলে, মামলা তুলে না নিলে আরো একটি হত্যাকা- ঘটবে। এঘটনায় আমি বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠালে জামিন নিয়ে এলাকায় ফিরে পুনরায় রাজ্জাকের নেতৃত্বে আতিয়ার সরদারের ছেলে মোস্তাক বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিনিয়ত হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে। এসব ঘটনায় হত্যা মামলার স্বাক্ষীসহ আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
তিনি শিশু কন্যা রাহি হত্যার আসামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ফের প্রাণনাশের হুমকিদাতাদের গ্রেফতার পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্যায় শিশু রাহি হত্যা মামলা তুলে নিতে আসামিরা বাদী এবং তার পরিবারের সদস্যদের খুন জখমসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছি বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৩০ এপ্রিল) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন আশাশুনির আগরদাঁডি গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে মো. রবিউল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি একজন দরিদ্র অসহায় পিতা। গত ২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর আমাদের প্রতিবেশী আব্দুর রাজ্জাকের মাদকাসক্ত ছেলে রেজোয়ান কবির জনি কৌশলে আমার শিশু কন্যা নুসরাত জাহান (রাহি) (৯) কে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। হত্যার সময় তার কানে থাকা দুটি স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নিয়ে তার গায়ের গেঞ্জি ছিড়িয়ে হাত পা বেধে পাশ্ববর্তী পুকুরে ফেলে দেয়।
তিনি বলেন, এঘটনায় আমি বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ আসামী রেজোয়ান কবির জনিকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করে। পরে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে সে। জবানবন্দিতে শিশু রাহিকে হত্যার পর তার কানে থাকা দুল ছিনিয়ে নিয়ে বুধহাটা বাজারের একটি স্বর্ণের দোকানে বিক্রি করে। ওই দোকানদারও দুল কেনার বিষয়টি স্বীকার করে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, এ ঘটনার পর থেকে আসামী জনি কারাগারে থাকলেও সন্তানকে ছাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠে তার পিতা আব্দুর রাজ্জাকসহ আত্মীয়-স্বজনরা। কিন্তু জনির স্বীকারোক্তিসহ তথ্য প্রমান থাকায় তার জামিন হয়নি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে আমাকে এবং আমার বৃদ্ধা মা' সহ পরিবারের সদস্যদের খুনজখমের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছে আসামীর স্বজনরা। এমনকি মামলার স্বাক্ষীদেরকেও হুমকি দিচ্ছে তারা।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ৩১ জানুয়ারি জনির পিতা আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে তার পিতা জেহের আলী, রাজ্জাকের ছেলে রনি আমাদের বাড়িতে গিয়ে প্রকাশ্যে আমার মা'কে হুমকি দিয়ে বলে, মামলা তুলে না নিলে আরো একটি হত্যাকা- ঘটবে। এঘটনায় আমি বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠালে জামিন নিয়ে এলাকায় ফিরে পুনরায় রাজ্জাকের নেতৃত্বে আতিয়ার সরদারের ছেলে মোস্তাক বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিনিয়ত হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে। এসব ঘটনায় হত্যা মামলার স্বাক্ষীসহ আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
তিনি শিশু কন্যা রাহি হত্যার আসামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ফের প্রাণনাশের হুমকিদাতাদের গ্রেফতার পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার ভোমরা, গাজীপুর, তলুইগাছা, কালিয়ানী, কাকডাঙ্গা, সুলতানপুর ও চান্দুরিয়া সীমান্ত থেকে আজ শুক্রবার এসব মালামাল জব্দ করা হয়। তবে, বিজিবি এসময় কোন চোরাকারবারিকে আটক করতে পারেনি।
১ ঘণ্টা আগেপ্রেমের প্রস্তারে রাজী না হওয়ায় গায়ে কেরোসিন ঢেলে সানজিদা আক্তার তুলি নামে (১৭) তালার এক কলেজছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল বৃহষ্পতিবার রাতে মৃতের বাবা কামরুল ইসলাম মোড়ল বাদি হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে তালা থানা থানায় মামলা করেন।
২ ঘণ্টা আগেখুলনার রূপসা উপজেলার ঘাটভোগে পূর্ব শত্রুতার জেরে বাদশা মোল্লার মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে।
২ ঘণ্টা আগেমসজিদের ইমামকে রাখা ও না রাখাকে কেন্দ্র করে দুই বংশের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধের জের ধরে যুবদল কর্মী শেখ আল মামুন বাবুকে (৩৫) পাথর দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। স্থানীয়রা গুরুত্বর আহত বাবুকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
২ ঘণ্টা আগেসাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার ভোমরা, গাজীপুর, তলুইগাছা, কালিয়ানী, কাকডাঙ্গা, সুলতানপুর ও চান্দুরিয়া সীমান্ত থেকে আজ শুক্রবার এসব মালামাল জব্দ করা হয়। তবে, বিজিবি এসময় কোন চোরাকারবারিকে আটক করতে পারেনি।
প্রেমের প্রস্তারে রাজী না হওয়ায় গায়ে কেরোসিন ঢেলে সানজিদা আক্তার তুলি নামে (১৭) তালার এক কলেজছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল বৃহষ্পতিবার রাতে মৃতের বাবা কামরুল ইসলাম মোড়ল বাদি হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে তালা থানা থানায় মামলা করেন।
খুলনার রূপসা উপজেলার ঘাটভোগে পূর্ব শত্রুতার জেরে বাদশা মোল্লার মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে।
মসজিদের ইমামকে রাখা ও না রাখাকে কেন্দ্র করে দুই বংশের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধের জের ধরে যুবদল কর্মী শেখ আল মামুন বাবুকে (৩৫) পাথর দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। স্থানীয়রা গুরুত্বর আহত বাবুকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।