শিরোনাম
সৈয়দপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
সৈয়দপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের খালিশা ধুলিয়া মালিপাড়া গ্রাম থেকে শ্যামল (২৭) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৬ জুন) সকালে নিজ বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘরের বাঁশের তীরের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

খাতামধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ রানা পাইলট জানান, পারিবারিক কলহের জেরে ওই যুবক আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পুলিশ এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে।

রাজধানীতে প্রবাসীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধার, তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
রাজধানীতে প্রবাসীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধার, তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানীর মুগদা এলাকায় উদ্ধার হওয়া খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। পুলিশের ধারণা, নিহত ব্যক্তি সৌদি প্রবাসী মো. মুকাররম এবং তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে পরকীয়া সম্পর্ক ও আর্থিক বিরোধের জেরে।

রোববার (১৭ মে) মুগদা থানার পুলিশ মান্ডা এলাকার ‘শাহনাজ ভিলা’র বেজমেন্ট থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় মরদেহের একাধিক অংশ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আশপাশের এলাকা থেকে বিচ্ছিন্ন মাথার অংশও পাওয়া যায়।

তদন্ত সূত্র বলছে, ভুক্তভোগীর কাছ থেকে অর্থ আত্মসাতের পর তাকে ঘুমের ওষুধ প্রয়োগ করে অচেতন করা হয়। এরপর হত্যা করে মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয় এবং বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়, যাতে পরিচয় শনাক্ত বিলম্বিত হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, হত্যাকাণ্ডটি অন্য কোথাও সংঘটিত হয়ে পরে মরদেহ রাজধানীর মুগদা এলাকায় এনে ফেলে রাখা হয়। ঘটনাটির পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে।

মুগদা থানার তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।