শিরোনাম
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

বিভিন্ন দাবিতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এতে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা দুর্ভোগে পড়েছেন।

রোববার (৭ জুন) সকাল ১১টায় মেডিকেল শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে তারা কর্মবিরতির ঘোষণা দেন।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন ডা. সাজিদ শাজাহান। বক্তব্য রাখেন ডা. তাছনিম বিনতে আসাদ, ডা. সৌরভ সরকার, ডা. রানা, ডা. শিফাত ও ডা. মোরশেদসহ অন্যান্য চিকিৎসকরা।

বক্তারা বলেন, চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি এফসিপিএস প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকদের বেতন বৈষম্য দূর করা, বিসিএসে উত্তীর্ণদের বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়ন নীতিমালার প্রস্তাবনা বাতিল, বিএমইউ ও বিসিপিএসের পরীক্ষার ফি কমানো এবং বিসিএসে চিকিৎসকদের বয়সসীমা পুনরায় ৩৪ বছর নির্ধারণের দাবি জানান তারা।

এছাড়া বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য সুস্পষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়নেরও দাবি তোলেন আন্দোলনকারীরা।

চিকিৎসকরা জানান, দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এদিকে, হঠাৎ কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ফকিরহাটে তালের বাম্পার ফলন
ফকিরহাটে তালের বাম্পার ফলন

বর্ষা মৌসুমে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলাজুড়ে এবার তালের বাম্পার ফলন হয়েছে। রাস্তার ধারে, খেতের আইলে ও বসতভিটার তালগাছগুলো ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে। এতে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ফকিরহাটে ১০ হাজার ৫০৪টি ফলন্ত তালগাছ থেকে এ বছর প্রায় ১১ লাখ তাল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষক পর্যায়ে প্রতি পিস তাল গড়ে ১ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকার সংযোজন হবে।

স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ট্রাকভর্তি তাল ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। কৃষকরা জানান, কম খরচে ও স্বাভাবিকভাবে ফলন হওয়ায় তাল চাষ ও সংরক্ষণে আগ্রহ বাড়ছে।

উপজেলা কৃষিবিদ শেখ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তাল পুষ্টিকর ফল হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তালগাছ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।

ফকিরহাটে তালের বাম্পার ফলন
ফকিরহাটে তালের বাম্পার ফলন

বর্ষা মৌসুমে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলাজুড়ে এবার তালের বাম্পার ফলন হয়েছে। রাস্তার ধারে, খেতের আইলে ও বসতভিটার তালগাছগুলো ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে। এতে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ফকিরহাটে ১০ হাজার ৫০৪টি ফলন্ত তালগাছ থেকে এ বছর প্রায় ১১ লাখ তাল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষক পর্যায়ে প্রতি পিস তাল গড়ে ১ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকার সংযোজন হবে।

স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ট্রাকভর্তি তাল ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। কৃষকরা জানান, কম খরচে ও স্বাভাবিকভাবে ফলন হওয়ায় তাল চাষ ও সংরক্ষণে আগ্রহ বাড়ছে।

উপজেলা কৃষিবিদ শেখ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তাল পুষ্টিকর ফল হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তালগাছ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।