জাতীয়

পদত্যাগ  করছেন বিচারপতি নাইমা হায়দার

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬
বিচারপতি নাইমা হায়দার
বিচারপতি নাইমা হায়দার

হাইকোর্ট বিভাগের নাইমা হায়দার বিচারপতি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, বিচারপতি নাইমা হায়দার স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি নিজ স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির কাছে পদত্যাগপত্র দাখিল করেন, যা পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির নিকট পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি আনুষ্ঠা নিকভাবে নিশ্চিত করেন আপিল বিভাগের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম।
বিচারপতি নাইমা হায়দার একজন জ্যেষ্ঠ আইনবিদ ও সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর কন্যা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া অক্সফোর্ড, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া (বার্কলি) এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষায় অংশ নেন।
আইন পেশায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নাইমা হায়দার ১৯৮৯ সালে জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়ে ২০০৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি এবং ২০১১ সালে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো নির্বাচন কমিশন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সচিব জানান, সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন খুব শিগগিরই জারি করা হবে এবং ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের সময় সাধারণ ভোটার ও সাংবাদিকরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া জানান, মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে আর কোনো বিধিনিষেধ থাকবে না। এর আগে ইসি প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র প্রিসাইডিং অফিসার ও নির্দিষ্ট নিরাপত্তা সদস্যদের জন্য মোবাইল ব্যবহার অনুমোদন দিয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলের নেতারা, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এই কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানায়। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ ভোটের স্বচ্ছতা ও ভোটার ও সাংবাদিকদের স্বাধীন তথ্য সঞ্চারের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0

ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি ডিআরইউর

বিচারপতি নাইমা হায়দার

পদত্যাগ  করছেন বিচারপতি নাইমা হায়দার

সাগর–রুনি হত্যা মামলায় প্রতিবেদন না দেওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা শোকজ

ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনী ৪ দিনে সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী তহবিল ও টাকার অপব্যবহার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবার উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ৯৬ ঘণ্টার জন্য ব্যক্তি হিসাব থেকে এমএফএস লেনদেনের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সময়ে পি-টু-পি ইন্টারনেট ব্যাংকিং (আইবিএফটি) পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। এছাড়া প্রতিটি এমএফএস প্রোভাইডারকে নিজস্ব ‘কুইক রেসপন্স সেল’ গঠন করে নির্বাচনকালীন লেনদেন মনিটরিং এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক লেনদেন শনাক্ত হলে তা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট থানায় রিপোর্ট করতে হবে। ব্যাংক ও এমএফএস প্রোভাইডারদের নির্বাচন কমিশন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করলো ইসি

নির্বাচনের দিনে মেট্রোরেল পরিচালনায় বিশেষ নির্দেশনা জারি

শেখ বশিরউদ্দীন

নির্বাচনের তিন দিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় বাণিজ্য চুক্তি করবে অন্তর্বর্তী সরকার

ছবি: সংগৃহীত
রমজান সামনে রেখে চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে কঠোর অবস্থানে সরকার

রমজান সামনে রেখে চট্টগ্রাম বন্দরের অচলাবস্থাকে দেশের ভোগ্যপণ্যের সরবরাহব্যবস্থার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছে সরকার। নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, এই সময় বন্দরে ধর্মঘট ডেকে কার্যত দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষকে সংকটে ফেলার অপচেষ্টা চলছে, যা সরকার মেনে নেবে না। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বন্দরের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। নৌপরিবহন উপদেষ্টার ভাষ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। উল্লেখ্য, চার দফা দাবিতে রোববার থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট শুরু করে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। এ কর্মসূচির ফলে বন্দরের জেটি ও বহির্নোঙরে জাহাজ চলাচল ও পণ্য খালাস কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ডিপি ওয়ার্ল্ডকে নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে কর্মবিরতির ডাক দেয় বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। পরবর্তীতে ওই আন্দোলন সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে ধারাবাহিক কর্মসূচিতে রূপ নেয়। এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত দাবিগুলো যৌক্তিক নয় এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিশেষ করে রমজানের আগে বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রাখা জনগণের দুর্ভোগ বাড়াবে। তাই সরকার যেকোনো মূল্যে বন্দর সচল রাখবে। অন্যদিকে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন আন্দোলন দমনে কঠোর কৌশল নিয়েছে। বন্দর ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং সংগ্রাম পরিষদের অন্তত দুই সদস্যকে তুলে নেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তারা।  

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি> ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

“ডিজিএফআইর সেলে তারেককে অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছিল”: সাবেক সেনাপ্রধান

ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে যান চলাচলে কড়াকড়ি নিষেধাজ্ঞা, ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

0 Comments