যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর মাইক লি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এখন মার্কিন সেনাদের হেফাজতে আছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে ফৌজদারি অভিযোগে বিচার হতে পারে।
লি বলেন, মার্কো রুবিও তাকে জানিয়েছেন যে মাদুরোকে ভেনেজুয়েলায় আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি এই কর্মকাণ্ডকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের ‘প্রকৃত বা আসন্ন আক্রমণ থেকে রক্ষা করার’ ক্ষমতার আওতায় পড়তে পারে বলে উল্লেখ করেছেন।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেন, মাদুরো ও তার স্ত্রীকে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্ভাব্য ক্ষমতার পালাবদলের প্রেক্ষাপটে দেশটির প্রধান বিরোধী নেতা ও নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত মারিয়া কোরিনা মাচাদো যুক্তরাষ্ট্রঘনিষ্ঠ নতুন রাষ্ট্রনীতির রূপরেখা উপস্থাপন করেছেন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মাদুরো-পরবর্তী ভেনেজুয়েলাকে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান কৌশলগত মিত্র এবং জ্বালানি সম্পদের কেন্দ্রে পরিণত করা হবে। মাচাদো দাবি করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ভেনেজুয়েলায় দীর্ঘদিনের স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটিয়েছে এবং এটি আইনের শাসন ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যৎ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষায় আঞ্চলিক অপরাধচক্র দমনে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে, একই সঙ্গে বাজার উন্মুক্তকরণ ও বিদেশি বিনিয়োগ সুরক্ষার মাধ্যমে জ্বালানি খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো হবে। তিনি আরও বলেন, বিদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখো ভেনেজুয়েলাবাসীকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের পূর্ণ ম্যান্ডেট অর্জনের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। বর্তমানে আত্মগোপনে থাকা মাচাদো অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বের সমালোচনা করলেও রাজনৈতিক পরিবর্তনকে ভেনেজুয়েলায় গণতান্ত্রিক শাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর মাইক লি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এখন মার্কিন সেনাদের হেফাজতে আছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে ফৌজদারি অভিযোগে বিচার হতে পারে। লি বলেন, মার্কো রুবিও তাকে জানিয়েছেন যে মাদুরোকে ভেনেজুয়েলায় আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি এই কর্মকাণ্ডকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের ‘প্রকৃত বা আসন্ন আক্রমণ থেকে রক্ষা করার’ ক্ষমতার আওতায় পড়তে পারে বলে উল্লেখ করেছেন। এর আগে ট্রাম্প দাবি করেন, মাদুরো ও তার স্ত্রীকে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।