ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বাটাজোর নতুন বাজার-এ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১ টায় মাটি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতা মিয়াজ ও তায়েব গং-এর নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে ব্যবসায়ী রাশেদুল হাসানের ওপর হামলা চালানো হয়।
হামলায় রাশেদুলের ব্যবহৃত একটি টিভিএস কোম্পানির মটরসাইকেল পুড়ে যায় এবং ভাড়া করা নয়টি লড়ি গাড়ি ভাংচুর হয়। অভিযুক্তরা রাশেদুলকে মাটি ব্যবসা করতে না দেওয়ার পাশাপাশি প্রাণহানির হুমকি প্রদান করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরিস্থিতি জানার পর আশপাশের মানুষ ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাশেদুল বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে ভালুকা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল্লাহ আল তায়েব গং ও রাশেদুলের মধ্যে মাটি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল, যা শনিবার রাতে সহিংসতার রূপ নেয়।
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বাটাজোর নতুন বাজার-এ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১ টায় মাটি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতা মিয়াজ ও তায়েব গং-এর নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে ব্যবসায়ী রাশেদুল হাসানের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় রাশেদুলের ব্যবহৃত একটি টিভিএস কোম্পানির মটরসাইকেল পুড়ে যায় এবং ভাড়া করা নয়টি লড়ি গাড়ি ভাংচুর হয়। অভিযুক্তরা রাশেদুলকে মাটি ব্যবসা করতে না দেওয়ার পাশাপাশি প্রাণহানির হুমকি প্রদান করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরিস্থিতি জানার পর আশপাশের মানুষ ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাশেদুল বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে ভালুকা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল্লাহ আল তায়েব গং ও রাশেদুলের মধ্যে মাটি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল, যা শনিবার রাতে সহিংসতার রূপ নেয়।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবদের সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে পৌঁছাতে হচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী পৌনে নয়টার মধ্যেই কার্যালয়ে উপস্থিত হন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত সর্বদলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “আগে যে যার ইচ্ছেমতো অফিস করতেন, এখন আর সেই সুযোগ নেই। পর্যায়ক্রমে এই নিয়ম দেশের সব সরকারি দপ্তরে কার্যকর হয়েছে। আমাদের সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে পৌঁছাতে হয় এবং বিকেল ৪টা পর্যন্ত দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। এরপর মন্ত্রণালয়ের সভা থাকে।” দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবো। এ বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না।” তিনি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সুশাসন নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও পেশাজীবী প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। জেলার পাঁচ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাতক্ষীরা শহর সহ জেলার বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার দুপুরে ভূমিকম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পনের উৎপত্তিস্থল জেলার আশাশুনি উপজেলায়। রিকটার স্কেলে যার মাত্রা ৫.৪ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তবে ভূমিকম্পনের মাঝারি মাত্রা থাকায় ঝাকুনিও ছিল প্রচণ্ড। কয়েক সেকেন্ডের এ ভূমিকম্পে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে জেলার মানুষ। সাতক্ষীরার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিক্কার আলী জানান, শুক্রবার দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ২৯ সেকেন্ডে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিকটার স্কেলে যার মাত্রা ৫.৪। আর এর উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নে। যেটি খুলনার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ও সাতক্ষীরার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। সাতক্ষীরার কাটিয়া এলাকার গৃহবধূ রোকসানা আক্তার জানান, তিনি তখন ঘরের মধ্যে টুকটাক কাজ করছিলেন। হঠাৎ তার মনে হচ্ছিল, তিনি ডানদিকে একবার তারপর বাম দিকে ঢলে পড়ছেন। আতঙ্কিত হয়ে তিনি ঘর থেকে বের হয়ে আসেন। আশপাশের কিশোর-কিশোরীসহ সর্বস্তরের মানুষের চিৎকার শুনেছেন তিনি। জেলার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রব পলাশ জানান, শুক্রবার ওভারব্রীজ জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়ার শেষ মুহূর্তে হঠাৎ কেঁপে ওঠে মসজিদের জানালা। তীব্র ঝাঁকুনিতে মুসল্লিরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। অনেকে মসজিদেও বাইরে বেরিয়ে যায়। তিনি নিজেও টলে পড়ে যাচ্ছিলেন। শহরের কাটিয়া এলাকার বাসিন্দা জাহারুল ইসলাম টুটুল জানান, তিনি মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়ছিলেন। দোতলা মসজিদটি দোল খাওয়া শুরু করলে তারা মসজিদ থেকে বেরিয়ে আসেন। তবে এখন পর্যন্ত জেলায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা শ্মশান ঘাটের প্রাচীর, তালা উপজেলার নগরঘাটা গ্রামের কয়েকটি কাঁচা ঘরবাড়ি, অর্ধ-শতাধিক বাড়ির দেয়ালে ফাটলসহ ছোট-ছোট ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ওয়ারহাউজ ইনস্পেক্টর মো: নুরুল ইসলাম বলেন, এখনও পর্য়ন্ত জেলায় কোনো ফায়ার স্টেশনে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ আসেনি। তবে কিছু স্থানে ভবনের ফাটলের খবর পেয়েছি। সেগুলি আমরা পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করব। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আক্তার জানান, ভূমিকম্পের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য তিনি পাননি। তবে মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে বলে তিনি জানান।