শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল–রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) সেলিনা পারভীন ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে শোকজ হলেও নিয়মিত অফিস করছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে গত ১ ফেব্রুয়ারি তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে শোকজের পরও তার দাপ্তরিক কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি সংক্রান্ত কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা গ্রহণ করছেন তিনি। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “এখানে যা আছে সব খারিজ হবে, কোনো কথা নাই—তুই শুধু টাকা পাঠাবি।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, নামজারি ও খারিজের মতো সেবায় সরকারি নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হতো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী জানান, ২০ শতাংশ জমির নামজারির জন্য তার কাছে ৮ হাজার টাকা দাবি করা হয়, যেখানে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুর রহমান বলেন, ভিডিওর সত্যতা যাচাই করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সচেতন মহল বলছে, শোকজের পরও অভিযুক্ত কর্মকর্তার নিয়মিত অফিস করা জনমনে আস্থাহীনতা তৈরি করছে। দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম-এর জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের বেরবাড়ি গ্রামে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সোমবার ভোরে ভারত থেকে তার মরদেহ টাঙ্গাইলে পৌঁছায়। গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭০ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। রবিবার রাতে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে তার মরদেহ দেশে আনা হয়। সোমবার দুপুর ১২টায় টাঙ্গাইল জেলা সদর হেলিপ্যাডে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকেল ৩টায় সখীপুরের বেরবাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় সামাজিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত জটিলতা, মাল্টি অর্গান ফেইলিওর ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। মৃত্যুর তিন দিন আগে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়ার পর মরদেহ দেশে আনা হয়। অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম টাঙ্গাইল আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ছিলেন। তিনি করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজ ছাত্র সংসদের দুইবারের ভিপি ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি টাঙ্গাইল-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি ভারতে অবস্থান করছিলেন। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল–রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) সেলিনা পারভীন ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে শোকজ হলেও নিয়মিত অফিস করছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে গত ১ ফেব্রুয়ারি তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে শোকজের পরও তার দাপ্তরিক কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি সংক্রান্ত কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা গ্রহণ করছেন তিনি। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “এখানে যা আছে সব খারিজ হবে, কোনো কথা নাই—তুই শুধু টাকা পাঠাবি।” এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, নামজারি ও খারিজের মতো সেবায় সরকারি নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হতো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী জানান, ২০ শতাংশ জমির নামজারির জন্য তার কাছে ৮ হাজার টাকা দাবি করা হয়, যেখানে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুর রহমান বলেন, ভিডিওর সত্যতা যাচাই করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সচেতন মহল বলছে, শোকজের পরও অভিযুক্ত কর্মকর্তার নিয়মিত অফিস করা জনমনে আস্থাহীনতা তৈরি করছে। দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বাটাজোর নতুন বাজার-এ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১ টায় মাটি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতা মিয়াজ ও তায়েব গং-এর নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে ব্যবসায়ী রাশেদুল হাসানের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় রাশেদুলের ব্যবহৃত একটি টিভিএস কোম্পানির মটরসাইকেল পুড়ে যায় এবং ভাড়া করা নয়টি লড়ি গাড়ি ভাংচুর হয়। অভিযুক্তরা রাশেদুলকে মাটি ব্যবসা করতে না দেওয়ার পাশাপাশি প্রাণহানির হুমকি প্রদান করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরিস্থিতি জানার পর আশপাশের মানুষ ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাশেদুল বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে ভালুকা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল্লাহ আল তায়েব গং ও রাশেদুলের মধ্যে মাটি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল, যা শনিবার রাতে সহিংসতার রূপ নেয়।