শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও সীমান্তে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক হৃদয়বিদারক ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় দেড় বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফেরার কথা থাকলেও জীবিত নয়, মরদেহ হয়ে ফিরলেন বরগুনা সদরের সবেজ হাওলাদারের ছেলে শিপন হাওলাদার।
দুপুরে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় সীমান্ত এলাকায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, প্রায় ১৯ মাস আগে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন শিপন। পরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। আদালতের রায়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে কারাদণ্ড দিয়ে তুরা কারাগারে পাঠানো হয়।
সূত্র জানায়, চলতি মাসের ২৮ এপ্রিল তার সাজা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগেই গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) তার মরদেহ দেশে ফেরত আনা হয়। পরিবারের জন্য এটি এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখা দিয়েছে।
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে নেপিয়ার ঘাসের জমিতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগে জানা যায়, জমির দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন নোমানুজ্জামান মিয়া ঘাস কাটতে গেলে প্রতিপক্ষ আবু সাঈদ মিয়া (৭০), তার ছেলে শওকত মিয়া (৪২) ও সোয়াইব মিয়া (২০)-এর সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় লাঠিসোঁটা, কাঁচি ও রামদা ব্যবহার করে হামলার অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, হামলায় নারী সদস্যরা এগিয়ে এলে তাদের ওপরও আক্রমণ করা হয় এবং এক নারীর স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়। আহতরা হলেন নোমানুজ্জামান, পারভীন আক্তার সুইটি, রিকু আক্তার ও রোহান। তাদের নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আব্দুস সালাম মিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে অভিযুক্ত পক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা মামলার হুমকি দিয়েছে। নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও সীমান্তে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক হৃদয়বিদারক ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় দেড় বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফেরার কথা থাকলেও জীবিত নয়, মরদেহ হয়ে ফিরলেন বরগুনা সদরের সবেজ হাওলাদারের ছেলে শিপন হাওলাদার। দুপুরে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় সীমান্ত এলাকায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, প্রায় ১৯ মাস আগে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন শিপন। পরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। আদালতের রায়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে কারাদণ্ড দিয়ে তুরা কারাগারে পাঠানো হয়। সূত্র জানায়, চলতি মাসের ২৮ এপ্রিল তার সাজা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগেই গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) তার মরদেহ দেশে ফেরত আনা হয়। পরিবারের জন্য এটি এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখা দিয়েছে।
নীলফামারীর সৈয়দপুরে বিহারি ক্যাম্পগুলোতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে বিপুল বকেয়া ও অবৈধ সংযোগের কারণে নেসকোতে জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নেসকো সূত্রে জানা গেছে, শহরের ২২টি ক্যাম্পে স্থাপিত ২৪টি সরকারি মিটার থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ টাকার বিদ্যুৎ ব্যবহার হলেও নিয়মিত বিল পরিশোধ হচ্ছে না। চলতি এপ্রিল পর্যন্ত বকেয়া দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৭ কোটি টাকা। ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই ক্যাম্পগুলোর বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। পরে নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার পাওয়ার পর ক্যাম্পবাসীদের নিজ নিজ বিল পরিশোধের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই বকেয়া দ্রুত বাড়তে থাকে। সরেজমিনে দেখা যায়, সরকারি মিটার থাকলেও ক্যাম্পের ভেতরে ব্যাপকভাবে অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করা হচ্ছে। অনেক ঘরে সরাসরি লাইনের সঙ্গে সংযোগ নিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার চলছে, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্র বলছে, অবৈধ সংযোগ সচল রাখতে অনিয়মিত লোড ব্যবস্থাপনা করা হয়, ফলে বিদ্যুৎ অপচয় ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে। ঘনবসতিপূর্ণ এসব ক্যাম্পে ছোট কক্ষেই একাধিক ফ্যান, লাইট, টিভি ও ফ্রিজ ব্যবহার করা হলেও বেশিরভাগ সংযোগই মিটারবিহীন। নেসকো সৈয়দপুর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিমুল ইসলাম সেলিম জানান, কেন্দ্রীয় মিটার থাকলেও পৃথক মিটার বসাতে গেলে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিয়ে কাজ করতে হলেও পরিস্থিতি অনেক সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে কিছু অগ্রগতি হলেও বাসাবাড়ি পর্যায়ে মিটার স্থাপন এখনো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিন বিনা বিল ব্যবহারের অভ্যাস সমস্যাকে আরও জটিল করেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং সমাধানে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।