খাগড়াছড়ির পানছড়িতে শনিবার (৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রতিপক্ষের গুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর এক সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮) পানছড়ির মরাটিলা পদ্মিনীগ্রামের মৃত কিরণ মুনি ত্রিপুরার ছেলে। ঘটনা সদর ইউনিয়নের বড়কোণা গ্রামে ঘটে।
ইউপিডিএফ’র প্রচার বিভাগের মুখপাত্র নিরন চাকমা গণমাধ্যমকে জানান, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (সন্তু গ্রুপ) দায়ী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আনন্দ ত্রিপুরা সাংগঠনিক কাজে বড়কোণা পাড়ায় গেলে আগে থেকে অবস্থান করা জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা কাছ থেকে গুলি করে তাকে হত্যা করে।
ইউপিডিএফ সংগঠক অংগ্য মারমা ঘটনাটিকে “কাপুরুষোচিত ও ন্যাক্কারজনক” বলে উল্লেখ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সন্তু গ্রুপ পানছড়িতে খুন, অপহরণ ও সন্ত্রাস চালাচ্ছে, কিন্তু প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তিনি অবিলম্বে হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, গোলাগুলির শব্দ শোনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
খাগড়াছড়ির পানছড়িতে শনিবার (৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রতিপক্ষের গুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর এক সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮) পানছড়ির মরাটিলা পদ্মিনীগ্রামের মৃত কিরণ মুনি ত্রিপুরার ছেলে। ঘটনা সদর ইউনিয়নের বড়কোণা গ্রামে ঘটে। ইউপিডিএফ’র প্রচার বিভাগের মুখপাত্র নিরন চাকমা গণমাধ্যমকে জানান, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (সন্তু গ্রুপ) দায়ী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আনন্দ ত্রিপুরা সাংগঠনিক কাজে বড়কোণা পাড়ায় গেলে আগে থেকে অবস্থান করা জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা কাছ থেকে গুলি করে তাকে হত্যা করে। ইউপিডিএফ সংগঠক অংগ্য মারমা ঘটনাটিকে “কাপুরুষোচিত ও ন্যাক্কারজনক” বলে উল্লেখ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সন্তু গ্রুপ পানছড়িতে খুন, অপহরণ ও সন্ত্রাস চালাচ্ছে, কিন্তু প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তিনি অবিলম্বে হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, গোলাগুলির শব্দ শোনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের অধ্যাপক আসমা সাদিয়ার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শনিবার (০৭ মার্চ) কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন তার ১০ বছর বয়সী কন্যা ইফফাত তাইবা ও পরিবারের অন্য তিন সন্তান। মানববন্ধনে তারা দাবি জানান, মায়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি দেওয়া হোক। ইফফাত বলে, ‘আমাদের মাকে ফিরাই দেন। তা না হলে মায়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি দেন। আমার ভাইবোনগুলো রাতে ঘুমাতে পারে না। আমাদের মা রাতে কত আদর করে ঘুম পাড়িয়ে দিত। আমাদের মাকে কোথায় পাব?’ মানববন্ধনে আসমার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান অভিযোগ করেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার তদন্ত কর্মকর্তাদের প্রতি আস্থা নেই। তারা বিভিন্ন ধরনের কথা বলছে।” ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা, এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। বুধবার (০৪ মার্চ) নিজের দপ্তরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে আসমা সাদিয়া নিহত হন। একই ঘটনায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান গুরুতর আহত হন এবং কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেফতারের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তা না হলে আন্দোলন দেশব্যাপী সম্প্রসারিত হবে।
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও জ্বালানি ও শিল্প কাঁচামালবাহী একাধিক জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণার আগেই উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে রওনা হওয়া অন্তত ১৫টি জাহাজ ধাপে ধাপে চট্টগ্রাম বন্দর-এ পৌঁছাচ্ছে। এসব জাহাজে মোট প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টন পণ্য রয়েছে। বন্দর সূত্রে জানা গেছে, জাহাজগুলোর মধ্যে চারটিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), দুটি জাহাজে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং বাকি নয়টিতে সিমেন্ট শিল্পের প্রধান কাঁচামাল ক্লিংকার রয়েছে। এরই মধ্যে ১২টি জাহাজ বন্দরে পৌঁছেছে, আর বাকি তিনটি চলতি সপ্তাহের মধ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-কে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর যৌথ হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা তীব্র হয়ে ওঠে। এর প্রভাব পড়ে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়, কারণ বৈশ্বিক তেল ও এলএনজি পরিবহনের একটি বড় অংশ এই প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন বন্দর থেকে এলএনজি, এলপিজি ও শিল্প কাঁচামালবাহী এসব জাহাজ সংঘাত শুরুর কয়েক দিন আগেই প্রণালী অতিক্রম করেছিল। ফলে বর্তমান চালানগুলো নিরাপদে বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারছে। তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে ভবিষ্যৎ চালান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশঙ্কা করছে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানির বড় অংশ যেহেতু উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসে, তাই প্রণালী ঘিরে অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে সরবরাহ ব্যবস্থায় ঝুঁকি বাড়তে পারে।