বাগেরহাটের শরণখোলা সংলগ্ন সুন্দরবনে কুখ্যাত করিম শরীফ বাহিনীর সঙ্গে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বনদস্যু বাহিনীর তিন সদস্যকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে) সকালে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
কোস্ট গার্ড জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” ও “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড”-এর আওতায় অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৩ মে থেকে দুই দিনব্যাপী শ্যালা নদীর মরা চানমিয়া খাল এলাকায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ও স্টেশন কোকিলমনি যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে দস্যুরা কোস্ট গার্ডকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালানো হয়। একপর্যায়ে ধাওয়া করে তিনজনকে আটক করা হয়।
আটকদের কাছ থেকে তিনটি একনলা বন্দুক, একটি দেশীয় পিস্তল, ৪৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি, দুটি ওয়াকিটকি ও চারটি চার্জার উদ্ধার করা হয়েছে।
আটকরা হলেন মো. মেহেদী হাসান, মো. রমজান শরীফ এবং মো. এনায়েত।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সুন্দরবনে ডাকাতি ও জেলে-বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
এদিকে, গত ১৩ মে বন বিভাগের সহযোগিতায় করিম শরীফ বাহিনীর জিম্মিতে থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করে কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জব্দ অস্ত্র ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।