জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে যাচাই-বাছাই চলাকালে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যাচাই-বাছাই শেষে হলফনামায় ত্রুটি, মামলার তথ্য গোপন, ঋণখেলাপি হওয়া এবং মনোনয়নপত্রে দলের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর না থাকাসহ বিভিন্ন কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। মনোনয়ন যাচাইয়ের সময় মুজিবুল হক চুন্নু উপস্থিত ছিলেন না। তার পক্ষে কয়েকজন প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপস্থিত কিছু ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন ও শাস্তির দাবি জানান। উল্লেখ্য, তিনি অতীতে দুইবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে কিশোরগঞ্জ জেলার ১, ২ ও ৩ আসনে মোট ৩২ প্রার্থীর মধ্যে ১৫ জনের মনোনয়ন বৈধ, ১৬ জনের বাতিল এবং একটি স্থগিত করা হয়েছে।
জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে যাচাই-বাছাই চলাকালে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যাচাই-বাছাই শেষে হলফনামায় ত্রুটি, মামলার তথ্য গোপন, ঋণখেলাপি হওয়া এবং মনোনয়নপত্রে দলের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর না থাকাসহ বিভিন্ন কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। মনোনয়ন যাচাইয়ের সময় মুজিবুল হক চুন্নু উপস্থিত ছিলেন না। তার পক্ষে কয়েকজন প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপস্থিত কিছু ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন ও শাস্তির দাবি জানান। উল্লেখ্য, তিনি অতীতে দুইবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে কিশোরগঞ্জ জেলার ১, ২ ও ৩ আসনে মোট ৩২ প্রার্থীর মধ্যে ১৫ জনের মনোনয়ন বৈধ, ১৬ জনের বাতিল এবং একটি স্থগিত করা হয়েছে।