আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী নেতৃত্ব-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়েছে। দেশটির গার্ডিয়ান কাউন্সিলের আলেম ও আইনজ্ঞ আলিরেজা আরাফিকে সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আলজাজিরা। তিনি পূর্বেও কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নেতৃত্ব পরিষদের অপর দুই সদস্য হলেন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এবং বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেই।
এদিকে সর্বোচ্চ নেতা পদে উত্তরসূরি নির্ধারণের এখতিয়ার রয়েছে ৮৮ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচিত সংস্থা অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের ওপর। আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো উত্তরসূরি ঘোষিত না থাকায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে কয়েকজন আলেমের নাম বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মাধ্যমে উঠে এসেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মোজতবা খামেনি, মোহাম্মদ মাহদি মিরবাঘেরি, হাসান খোমেনি ও হাশেম হোসেইনি বুশেহরি। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে সংশ্লিষ্ট সাংবিধানিক সংস্থাগুলো। আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী নেতৃত্ব-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়েছে। দেশটির গার্ডিয়ান কাউন্সিলের আলেম ও আইনজ্ঞ আলিরেজা আরাফিকে সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আলজাজিরা। তিনি পূর্বেও কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নেতৃত্ব পরিষদের অপর দুই সদস্য হলেন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এবং বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেই। এদিকে সর্বোচ্চ নেতা পদে উত্তরসূরি নির্ধারণের এখতিয়ার রয়েছে ৮৮ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচিত সংস্থা অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের ওপর। আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো উত্তরসূরি ঘোষিত না থাকায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে কয়েকজন আলেমের নাম বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মাধ্যমে উঠে এসেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মোজতবা খামেনি, মোহাম্মদ মাহদি মিরবাঘেরি, হাসান খোমেনি ও হাশেম হোসেইনি বুশেহরি। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে সংশ্লিষ্ট সাংবিধানিক সংস্থাগুলো। আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এবার পরস্পরবিরোধী দাবি–পাল্টা দাবিতে নতুন মাত্রা পেয়েছে পরিস্থিতি। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২০০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে এবং একটি মার্কিন রণতরী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে বলা হয়েছে, এ হামলা তাদের ঘোষিত সামরিক অভিযানের অংশ এবং তা ‘অপারেশন ট্রুথফুল প্রমিজ ৪’-এর সাফল্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) একে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য দাবি বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। আল জাজিরাকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় সেন্টকমের এক মুখপাত্র জানান, মার্কিন বাহিনীর কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা নৌযান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ হামলা প্রতিহত করেছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উভয় পক্ষের পরস্পরবিরোধী দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাগুলোর স্বাধীন ও নিরপেক্ষ যাচাই এখনো সম্ভব হয়নি।
ইরানের তেহরান শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলার ঘটনায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে রাজধানীতে। এ সময় প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দেশজুড়ে সতর্কবার্তা জারি করে নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার নির্দেশ দেয়। আইডিএফের বক্তব্য, বার্তাটি জনসাধারণকে সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি থেকে সচেতন রাখার জন্য দেওয়া হয়েছে; তবে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের দিকে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবর পাওয়া যায়নি। বিস্তারিত আসছে...