মার্কিন নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকার প্রেক্ষাপটে কৌশলগত জলপথে নিয়ন্ত্রণ জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে ইরান, যার ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
দেশটির সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, প্রণালির ওপর পুনরায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে এবং এটি এখন সশস্ত্র বাহিনীর নিবিড় তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের বরাতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধকে ‘সামুদ্রিক আইন লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে ইরান এই পদক্ষেপ নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানি জাহাজ চলাচলে পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত প্রণালিতে চলাচল পূর্বের মতো উন্মুক্ত থাকবে না।
এদিকে পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফও সতর্ক করে জানিয়েছেন, পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ইরানের অনুমোদন সাপেক্ষে সীমিত থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে এবং চলমান উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
মার্কিন নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকার প্রেক্ষাপটে কৌশলগত জলপথে নিয়ন্ত্রণ জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে ইরান, যার ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, প্রণালির ওপর পুনরায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে এবং এটি এখন সশস্ত্র বাহিনীর নিবিড় তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের বরাতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধকে ‘সামুদ্রিক আইন লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে ইরান এই পদক্ষেপ নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানি জাহাজ চলাচলে পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত প্রণালিতে চলাচল পূর্বের মতো উন্মুক্ত থাকবে না। এদিকে পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফও সতর্ক করে জানিয়েছেন, পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ইরানের অনুমোদন সাপেক্ষে সীমিত থাকবে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে এবং চলমান উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত জলপথে নতুন নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর ইঙ্গিত দিয়ে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাভিত্তিক নতুন ফি আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি স্পষ্ট করেছেন—প্রচলিত ট্রানজিট ফি আরোপ না করলেও প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পৃথক আর্থিক কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি খসড়া আইন সংসদে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায়, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজসমূহকে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ব সমন্বয় বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। একইসঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সংযুক্ত সামরিক জাহাজের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপের কথাও ইঙ্গিত করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল নীতির সঙ্গে সম্ভাব্য সাংঘর্ষিক প্রশ্ন উত্থাপন করছে। অন্যদিকে, ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, প্রণালির নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় বহিরাগত শক্তি—বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ রাষ্ট্রের জাহাজগুলো নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি পেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে সীমিত সময়ের জন্য প্রণালিটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেয় তেহরান। এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তবে নতুন ফি আরোপের সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ ও সমুদ্র আইনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে জটিলতা তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।
ক্যামেরুন সফরে বৈশ্বিক যুদ্ধনীতি ও ক্ষমতাধর নেতাদের ভূমিকা নিয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন পোপ লিও। তিনি অভিযোগ করে বলেন, অল্প কিছু স্বৈরশাসক বিশ্বকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে এবং সংঘাতকে বৈধতা দিতে ধর্মীয় ভাষার অপব্যবহার করা হচ্ছে। ক্যামেরুনের ইংরেজিভাষী অঞ্চলের বৃহত্তম শহরে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এসব মন্তব্য করেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বক্তব্য এসেছে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সমালোচনার পরপরই। পোপ লিও বলেন, যুদ্ধবাজ রাজনৈতিক নেতৃত্ব এমন আচরণ করছে যেন তারা ধ্বংসের পরিণতি সম্পর্কে অজ্ঞ, অথচ ধ্বংস করতে এক মুহূর্তই যথেষ্ট হলেও পুনর্গঠনে লাগে পুরো জীবন। দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে হাজারো প্রাণহানির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বিশ্বব্যাপী সামরিক ব্যয়ের সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিপুল অর্থ যুদ্ধ ও ধ্বংসে ব্যয় হলেও স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পুনর্গঠনের মতো মানবিক খাতে অর্থ বরাদ্দে অনীহা দেখা যাচ্ছে, যা বৈশ্বিক ভারসাম্যহীনতাকে আরও গভীর করছে। পোপ লিও বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের জন্য এখনই ‘দৃঢ় ও নৈতিক পরিবর্তনের পথ’ গ্রহণ করা জরুরি।