বিশ্ব

স্থলযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ আরাঘচির

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ মার্চ ৬, ২০২৬
সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি
সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের গুঞ্জনের মধ্যেই কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থলযুদ্ধে নামে তবে তা ওয়াশিংটনের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সম্ভাব্য স্থল আক্রমণ নিয়ে তেহরান কোনো উদ্বেগে নেই; বরং ইরান এমন পরিস্থিতি মোকাবিলার পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রয়েছে। তার ভাষায়, মার্কিন স্থলবাহিনীর যেকোনো পদক্ষেপের জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে ইরানি বাহিনী।

সাক্ষাৎকারে আরাঘচি আরও জানান, চলমান উত্তেজনার মধ্যেও ইরান যুদ্ধবিরতির কোনো প্রস্তাব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে না। অতীত অভিজ্ঞতার উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, পূর্ববর্তী সংঘাতেও তেহরান থেকে কোনো যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি; বরং প্রতিপক্ষই শেষ পর্যন্ত এমন প্রস্তাব দিতে বাধ্য হয়েছিল।

এর আগে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও তা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ অভিযানের মাধ্যমে এতে যোগ দেয়।

আঞ্চলিক বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, টানা সামরিক হামলায় ইরানে এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার মানুষের প্রাণহানি এবং পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতেও তেহরান তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

 

সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি
স্থলযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ আরাঘচির

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের গুঞ্জনের মধ্যেই কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থলযুদ্ধে নামে তবে তা ওয়াশিংটনের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। শুক্রবার (৬ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সম্ভাব্য স্থল আক্রমণ নিয়ে তেহরান কোনো উদ্বেগে নেই; বরং ইরান এমন পরিস্থিতি মোকাবিলার পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রয়েছে। তার ভাষায়, মার্কিন স্থলবাহিনীর যেকোনো পদক্ষেপের জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে ইরানি বাহিনী। সাক্ষাৎকারে আরাঘচি আরও জানান, চলমান উত্তেজনার মধ্যেও ইরান যুদ্ধবিরতির কোনো প্রস্তাব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে না। অতীত অভিজ্ঞতার উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, পূর্ববর্তী সংঘাতেও তেহরান থেকে কোনো যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি; বরং প্রতিপক্ষই শেষ পর্যন্ত এমন প্রস্তাব দিতে বাধ্য হয়েছিল। এর আগে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও তা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ অভিযানের মাধ্যমে এতে যোগ দেয়। আঞ্চলিক বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, টানা সামরিক হামলায় ইরানে এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার মানুষের প্রাণহানি এবং পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতেও তেহরান তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৬, ২০২৬ 0

ইরানি ড্রোন হামলার নিশানায় মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন

ইরানের আকাশসীমা পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র

২০ হাজার নাবিক আটকে আছে হরমুজ প্রণালীতে: জাতিসংঘ

স্থল অভিযান শুরু করতে ইরানে ঢুকেছে হাজার হাজার কুর্দি যোদ্ধা

মার্কিন ও ইসরায়েলি কৌশলগত সহায়তায় কুর্দি মিলিশিয়া ইরানে স্থল অভিযান শুরু করেছে। ইরাক-ইরান সীমান্তবর্তী অঞ্চলের কয়েক হাজার কুর্দি যোদ্ধা দেশটির সামরিক বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালাচ্ছে, যার মাধ্যমে ইরানি বাহিনীকে চাপে ফেলার এবং তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলে ছত্রভঙ্গতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। জেরুজালেম পোস্ট ও ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে কুর্দি যোদ্ধারা সীমান্ত অতিক্রম করে স্থল অভিযানে নেমেছে। যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা সরাসরি তেহরানের অভ্যন্তরে কুর্দি বিদ্রোহীদের অস্ত্র সরবরাহের কথা অস্বীকার করেছেন, তারা জানিয়েছে প্রশাসনের অন্যান্য অংশ এই ধরনের প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিটও জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উত্তর ইরাকে মার্কিন ঘাঁটি এবং কুর্দি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, তবে কোনো অস্ত্র সরবরাহ বা পরিকল্পনায় অনুমোদন দিয়েছেন এমন খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৫, ২০২৬ 0

ইরানের মিসাইল সক্ষমতা এখনও ‘উল্লেখযোগ্য’: ইসরায়েল

খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত

মোহাম্মদ মোখবার

আলোচনা নয়, যতদিন প্রয়োজন যুদ্ধ চালাতে প্রস্তুত ইরান: খামেনির শীর্ষ সহযোগী

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মজুত সংকটে: পেন্টাগনের সতর্কবার্তা

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা যদি আরও দশ দিন স্থায়ী হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও সমরাস্ত্র মজুত বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে আসতে পারে বলে সতর্ক করেছে পেন্টাগন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের চতুর্থ দিনে সেন্ট কম্যান্ডের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সম্ভাব্য সংকটের বিষয়ে অবহিত করেছেন। প্রসঙ্গত, দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত শুধু অস্ত্রের মজুত কমাবে না, বরং ফুরিয়ে যাওয়া গোলাবারুদ পুনরায় সংগ্রহ করতে মার্কিন বাজেটে বিশাল বোঝা তৈরি হবে। যদিও ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার ইতিহাসের সর্বোত্তম অবস্থায় আছে এবং ‘চিরকাল’ যুদ্ধ চালানোর সক্ষমতা রয়েছে। পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ করে ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি সংকটের মুখে। জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েল ও ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক সহায়তার ফলে আমেরিকার নিজস্ব মজুত ইতিমধ্যেই সংকুচিত। গত বছরের ইরান সংঘাতের সময় থাড ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যবহার হয়ে গেছে। এছাড়া, ইরান মাসে প্রায় ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র মাত্র ৬–৭টি ইন্টারসেপ্টর মাসে উৎপাদন করতে সক্ষম। আর্থিক দিক থেকেও উদ্বেগ বাড়ছে; একটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ পরিচালনায় প্রতিদিন প্রায় ৬৫ লাখ ডলার খরচ হয়। যুদ্ধের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় খরচ হয়েছে ৭৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, জেডিএএম বোমা বা নৌ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য এসএম-৩ ইন্টারসেপ্টরও এখন সীমিত। মূল কারণ হিসেবে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী ও ইরানের বিরুদ্ধে বারবার সামরিক অভিযান চালানোকে দায়ী করা হচ্ছে। পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত সংক্ষিপ্ত ও তীব্র সংঘাত মোকাবিলার জন্য তৈরি হলেও, ইরানের মতো দীর্ঘমেয়াদী এবং কম ব্যয়বহুল হামলা সামলানোতে তা অর্থনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করছে। এই ভারসাম্যহীনতা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0

ইরান অভিযানে সেনা ও যুদ্ধফোর্সের সংখ্যা জানাল যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েল কাৎজ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের

ইরানের আইআরজিসি’র নিয়ন্ত্রণে পুরো হরমুজ প্রণালি

0 Comments