জাতীয়

জাতীয় ক্রীড়াবিদদের ভাতা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ মার্চ ৩০, ২০২৬


ক্রীড়াকে পেশাগত মর্যাদা ও টেকসই জীবিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সরকার প্রথমবারের মতো জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য বেতনভিত্তিক কাঠামো প্রবর্তন করেছে। 
সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্রীড়া ভাতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
প্রথম ধাপে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদকে অন্তর্ভুক্ত করে তাদের মধ্যে ক্রীড়া কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। নির্ধারিত বেতনের পাশাপাশি সম্মাননা ও প্রণোদনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। সরকার পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা বিস্তৃত করে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, অন্তর্ভুক্ত ক্রীড়াবিদদের প্রতি চার মাস অন্তর কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন করা হবে। নির্ধারিত মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ক্রীড়াবিদকে তালিকা থেকে অপসারণের বিধান রাখা হয়েছে, যা জবাবদিহিতা নিশ্চিতের একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সকল ক্রীড়াবিদকে সমান বেতন প্রদানের নীতি গ্রহণ করা হলেও বেতনের নির্দিষ্ট পরিমাণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি; এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এই উদ্যোগ দেশের ক্রীড়া খাতকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় এনে পেশাদারিত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

খুব দ্রুত হামের টিকা দেশে আনা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সরকার দেশের হামের বিস্তার রোধে এক নজিরবিহীন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকায় সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠকের পরে জানান, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) খাতে এই উদ্দেশ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।  বরাদ্দকৃত অর্থে হামের ভ্যাকসিন ক্রয় প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে পারচেজ কমিটি অনুমোদন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স কমিটিতে পাশ হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “ভ্যাকসিন যত দ্রুত সম্ভব দেশে আনা হবে এবং সঙ্গে সঙ্গেই জনগণকে দ্রুত টিকাদান নিশ্চিত করা হবে। আমরা আমাদের সমস্ত চেষ্টা অব্যাহত রাখছি এবং ইনশাআল্লাহ, জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এটি চালিয়ে যাব।” তিনি আরও জানান, হামের সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে ভেন্টিলেটর, আইসিইউ ইউনিট এবং আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মানিকগঞ্জে ৮ শয্যার আইসিইউ ইউনিট ভেন্টিলেটরসহ চালু করা হয়েছে এবং রাজশাহীতে পাঁচটি ভেন্টিলেটর পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, “গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নিয়মিত টিকাদান ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা ছিল। ২০১৮ সালে সর্বশেষ ক্যাম্পেইন হয়েছে এবং প্রতি চার বছর অন্তর হওয়ার কথা ছিল। সেই ক্যাম্পেইনের ব্যর্থতার কারণে শিশুদের মধ্যে যারা টিকা পায়নি, তাদের মধ্যেই হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।” সরকার হামের এই প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় টিকা সংগ্রহ এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দ্রুত পদক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে দেশের শিশু এবং জনসাধারণের সুরক্ষা সর্বাধিক নিশ্চিত করা যায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩০, ২০২৬ 0

তেলের অবৈধ মজুতকারীর তথ্য দিলে মিলবে লাখ টাকা পুরস্কার

স্পিকারের স্ত্রী দিলারা হাফিজের শেষকৃত্যে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

জাতীয় ক্রীড়াবিদদের ভাতা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর

তারেক রহমানকে নির্যাতনের অন্যতম হোতা ডিজিএফআই’র আরও এক সাবেক প্রধান গ্রেফতার

রাজধানীর মিরপুর এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ও ডিজিএফআই’র সাবেক মহাপরিচালক মো. আফজাল নাছের (৬১) কে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।  সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে তার নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। ডিবির দায়িত্বশীল সূত্র গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও, কোন নির্দিষ্ট মামলার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। প্রাপ্ত তথ্যমতে, আফজাল নাছের ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআই’র মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। সূত্র আরও দাবি করেছে, এক-এগারোর সময়কালীন ঘটনায় তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকতে পারে। এর আগে একই ধরনের অভিযানে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও শেখ মামুন খালেদকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, সাম্প্রতিক এসব পদক্ষেপ অতীতের বিতর্কিত ঘটনার আইনগত পর্যালোচনার অংশ হতে পারে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩০, ২০২৬ 0

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৌলিক সরঞ্জামের জন্য তহবিল শূন্য: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৩৩টি অধ্যাদেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে রাতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফ্যাসিস্ট সরকারের ‘দুর্নীতির আর স্বজনপ্রীতির‘ কারণেই গ্রামাঞ্চলের রাস্তার উন্নয়ন হয়নি: মির্জা ফখরুল

নরসিংদীর বিদায়ী জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধের অভিযোগের পাহাড়

  এলআর ফান্ডের নামে হরিলুট  এল এ শাখায় অগ্রিম ২০ পার্সেন্ট গ্রহণ করে টাকা ছাড় সরকারী দলের নেতাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ অনলাইনে ডিসির সহধর্মিণীর লাখ টাকার কেনাকাটা    নরসিংদী থেকে আজকের প্রত্যাহার হওয়া জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধের অভিযোগের পাহাড় উঠেছে। এলআর (লোকাল রিলেশন্স) ফান্ডের নামে নিরীক্ষাবিহীন অর্থ সংগ্রহ করে ইচ্ছে মতো ব্যয়, এল এ শাখায় ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অগ্রিম ২০ পার্সেন্ট গ্রহণ ও সরকারী দলের নেতাদেরকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কথা বলা এবং ডিসির সরকারি বাসভবনে নিয়মিত তাঁর সহধর্মিণীর নামে প্রতি মাসে গড়ে ১ থেকে দেড় লাখ টাকার পণ্য কেনার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ এখন ভাসছে জেলাপ্রশাসন কার্যালয়ের আকাশে বাতাসে। এতে করে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে চলছে নানা মুখরোচক আলোচনা। তবে, এসব বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের কাছে গতকাল শনিবার সকালে জানতে চাইলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনিত এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আসলে আমাকে অনেক কাজ করতে হয়। সবাই আমার আচরণে বা কাজে সন্তুষ্ট হবে এমন আশা করাও ঠিক না। এছাড়া আমার সহকর্মীদের অনেকেরই অনেক প্রত্যাশা থাকে। সবকিছু রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এতে করে ক্ষিপ্ত হয়ে অনেকে আপনাকে অনেক কিছু বলতে পারে।”  কুরিয়ার সম্পর্কে বলেন, “নরসিংদী আসার পর আমার বাসায় সর্বোচ্চ চার পাঁচটি কুরিয়ার এসে থাকতে পারে।” স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জেলা প্রশাসনে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী এ প্রতিবেদককে জানান, “জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়মিত বিরতিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী, বিত্তবানশালী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চাঁদা বা অনুদান হিসেবে এই তহবিলের নামে অর্থ সংগ্রহ করে তিনি হরিলুট করে আসছেন।” অভিযুক্ত এই কর্মকর্তা তাঁর ইচ্ছানুযায়ী বা মৌখিক নির্দেশে এই অর্থ আদায় করার পর সে অর্থ এল আর ফান্ডে জমা না দিয়ে সোজা তার পকেটে চলে যায়। যদিও সংগৃহীত টাকা সাধারণত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান, বিশেষ ভিআইপিদের আপ্যায়ন এবং মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক ব্যয় মেটাতে ব্যবহৃত হওয়ার কথা। এই হরিলুটের কারণে সম্প্রতি এল আর ফান্ডের করুণ অবস্থার কথা জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা। জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের কর্মরত কর্মচারী ও কুরিয়ার সার্ভিসের ডেলিভারি কর্মীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, “জেলা প্রশাসকের সহধর্মিণীর নামে প্রতি মাসে গড়ে ১ থেকে দেড় লাখ টাকার পণ্য আসে বলে জানা গেছে।” একজন সরকারি কর্মকর্তার নিয়মিত পারিবারিক ব্যয়ের সঙ্গে এই বিপুল অঙ্কের কেনাকাটা কতটুকু সংগতিপূর্ণ, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৪ থেকে ৫টি পার্সেল জেলা প্রশাসকের বাংলোতে পৌঁছে দেওয়া হয়। বাংলোর সামনে আসেন নাজির আব্দুর রউফ। তিনি তা গ্রহণ করে টাকা দিয়ে দেন। এসব পার্সেলে দামী পোশাক, প্রসাধনী ও গৃহসজ্জার সামগ্রী থাকে। অধিকাংশ কেনাকাটাই ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ বা নগদে পরিশোধ করা হচ্ছে।   এ বিষয়ে নাজির আব্দুর রউফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “গত সপ্তাহে একটা কুরিয়ার এসেছে। এটা ডিসি স্যারের মিসেসের নয়, এটা আমার, এমন দাবি করেছেন তিনি। তবে কুরিয়ারের স্থানীয় ডেলিভারি ম্যান এ প্রতিবেদককে জানান, বাংলোতে যত কুরিয়ার আসে তার নম্বর দেওয়া হয় নাজিরের। ডেলিভারির আগে ফোন করলে নাজির সাহেব ডিসি স্যারের বাংলোর সামনে আসতে বলেন। পরে বাংলোর সামনে থেকে তিনি প্যাকেট রিসিভ করে বাংলোর ভিতরে নিয়ে যান। প্যাকেট খুলে পণ্য পছন্দ হলে পরে টাকা দিলে আমরা চলে আসি। আসলে ভিতরে কে রিসিভ করে বা দেখে তা আমরা জানি না।” নরসিংদী জেলা বিএনপির একাধিক প্রভাবশালী নেতাকর্মী এ প্রতিবেদককে জানান, বিএনপির প্রতি এই ডিসির অ্যালার্জি আছে। মনোনয়ন দাখিলের সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। যদিও সরকার গঠনের পর তার আচরণের কিছুটা পরিবর্তন হওয়ার কথা জানান বিএনপি নেতারা। তবে তিনি মৌলবাদী সংগঠনের আশীর্বাদপুষ্ট বলে মনে করেন বিএনপির একাধিক প্রভাবশালী নেতা। এল এ শাখার সাইফুল ও নাঈমের মাধ্যমে শতকরা ২০ ভাগ টাকা অগ্রিম গ্রহণ করা হয়। এ ঘটনার সাথে এল এ ও মুন্নি ইসলাম ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা বেগমের জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  একাধিক অভিযুক্ত এ প্রতিবেদককে জানান, “টাকা না দিয়ে এখান থেকে চেক নেয়া কোনো ভাবেই সম্ভব না।” এদিকে দুই ভুক্তভোগী স্বীকার করেন, তাদেরকে টাকা না দেওয়ায় গত দেড় বছর ধরে তারা জমি অধিগ্রহণের টাকা পেলেও স্থাপনার বিল পাচ্ছেন না। সরাসরি এল এ অফিসের সাইফুল ও নাঈম ২০ পার্সেন্ট টাকা চেয়েছেন। টাকা না দেওয়ায় তাদের চিহ্নিত দালাল দিয়ে একের পর এক অভিযোগ দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা ভাবে হয়রানি করে আসছে। কয়েকবার আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে এ অভিযোগের নিষ্পত্তি হলেও সর্বশেষ আবেদন তামাদি করে রাখে। পরবর্তীতে পুনরায় আবেদন করার পর চেক দিচ্ছি-দিব বলে নানা তাল-বাহানা শুরু করে। এক পর্যায়ে গত ঈদের আগে চেক প্রদানের কথা জানায়। কিন্তু ঘুষের টাকা না দেয়ায় আবার চেক দিতে অনীহা প্রকাশ করে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহমুদা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, “চেক লিখব এমন সময় আদালত থেকে একটি আইনি আদেশ এসেছে৷ তাই এখন আর চেক দেয়া যাচ্ছে না।” এর বেশী কিছু তিনি বলতে অপারগতা প্রকাশ করে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলতে বলেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনর প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে এই সিন্ডিকেটের বেড়াজাল থেকে নরসিংদী জেলাবাসী মুক্ত হবে এমন প্রত্যাশাই ভুক্তভোগীদের।

নরসিংদী মার্চ ২৯, ২০২৬ 0

আজ সংসদে অভিষেক হলো ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের

১১ জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার

প্রিপেইড মিটারে মাসিক চার্জ বাতিল: বিদ্যুৎমন্ত্রী

0 Comments