সারা দেশে এলপিজি সরবরাহ ও বিপণনে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) প্রত্যাহার করেছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পরে সমিতির সভাপতি মো. সেলিম খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বৈঠকে তিনটি দাবি উত্থাপন করা হয়—প্রশাসনিক অভিযান স্থগিত করা, বিতরণকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বৃদ্ধি, এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা। বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ আশ্বস্ত করেছেন যে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় এবং চার্জ বৃদ্ধি সংক্রান্ত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সেলিম খান উল্লেখ করেন, বাজার থেকে ১২ কেজির সিলিন্ডার ক্রয়মূল্য বেশি হওয়ায় সমিতির পক্ষ থেকে দেড় হাজার টাকার কম দামে বিক্রি করা সম্ভব নয়। তবে বিইআরসি জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসের নির্ধারিত মূল্য (১,৩০৬ টাকা) অতিক্রম করে বিক্রির কোনো আইনগত ভিত্তি নেই।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) থেকে সমিতি দেশজুড়ে সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল। এতে ঢাকা, গাজীপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে বিক্রি স্থগিত ছিল, অন্যান্য জেলায় সরবরাহ চলমান ছিল।
পঞ্চগড়ের পৃথক সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৮ বোতল মদ ও একটি গরু জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল সিরাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বিজিবি জানায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত সদর উপজেলার মালকাডাঙ্গা ও বড়শশী সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালানো হয়। মালকাডাঙ্গা এলাকায় সীমান্ত পিলার ৭৭৫/১১এস সংলগ্ন বাংলাদেশ অংশে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৮ বোতল মদ উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে বড়শশী সীমান্তে চোরাকারবারীরা ভারত থেকে গরু নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি টহল দল ধাওয়া দেয়। এসময় হামলার চেষ্টা হলে এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। পরে একটি গরু ফেলে পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা। বিজিবি জানায়, জব্দকৃত মদ ও গরুর বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ফকিরহাটে নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রোকনুজ জামানকে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তারা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শরীফ নেওয়াজ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ শাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী মো: আজিজুর রহমান, ওসি (তদন্ত) মো: আলমগীর হোসেন, সহকারী প্রোগ্রামার মো: আলমগীর হোসেনসহ আরও অনেকে। শুভেচ্ছা জানানোর পরে উপজেলা সম্প্রসারিত ভবনের সভাকক্ষে আসন্ন বাংলা নববর্ষ বরণ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। যোগদানের আগে মো: রোকনুজ জামান কুষ্টিয়ার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
নীলফামারীর ডোমারে অবৈধভাবে ভোজ্য তেল মজুদ, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের নকল পণ্য সরবরাহ ও নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার করার অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ডোমারে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অভিযানে মেসার্স ফারুক ট্রেডার্সকে ১ লাখ, সাবেত ট্রেডার্সকে ৫০ হাজার এবং মেসার্স শহিদুল অ্যান্ড সন্সকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী র্যাব-১৩ সিপিসি-২ এর স্কোয়াড্রন লিডার আশরাফুল কবির, নীলফামারী সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন রায়হান আহমেদ অর্নবসহ সেনাবাহিনী, র্যাব ও আনসার সদস্যরা। শায়লা সাঈদ তন্বী জানান, এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে, যাতে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষিত হয় এবং বাজারে মানসম্মত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।