খাগড়াছড়ি আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়া বলেছেন, জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে—আগামীতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করবে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে খাগড়াছড়ি শহরের একটি বৈঠকস্থলে সহস্রাধিক বর্তমান ও সাবেক জনপ্রতিনিধি এবং পাহাড়ি নেতৃবৃন্দের বিএনপিতে যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে খাগড়াছড়ির উন্নয়ন, শান্তি ও সহাবস্থানের রাজনীতি জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শানে আলম, ইউপি চেয়ারম্যান তপন বিকাশ ত্রিপুরা, উল্লাস ত্রিপুরাসহ সহস্রাধিক সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধি ও পাহাড়ি নেতৃবৃন্দ বিএনপিতে যোগ দেন। নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা অগ্রাধিকার পাবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপির রাজনীতি পাহাড় ও সমতল—উভয় অঞ্চলকে সমান গুরুত্ব দিয়েই পরিচালিত হবে।
নির্বাচনি জনসভায় যোগ দিতে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রংপুরে আসছেন। বিকেলে তিনি রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। দীর্ঘ দুই দশক পর তারেক রহমানের রংপুর আগমন ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। জনসভা সফল করতে বিএনপি সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ভোর থেকেই রংপুরসহ উত্তরের বিভিন্ন জেলা থেকে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা দলে দলে জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেছেন। রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু বলেন, প্রিয় নেতার আগমনের অপেক্ষায় দীর্ঘদিন ছিলাম। রংপুর বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু জানান, জনসভা ঘিরে প্রস্তুতি শেষ হয়েছে এবং এটি স্মরণকালের বৃহৎ জনসভা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রংপুরে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন। বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারেক রহমান বেলা সাড়ে চারটায় কালেক্টরেট ঈদগাঁহ মাঠে জনসভায় অংশ নেবেন। এর আগে তিনি বগুড়া থেকে রংপুর যাওয়ার পথে পীরগঞ্জ উপজেলার জাফরপাড়ায় শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। সংবাদ সম্মেলনে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দলের নেতাকর্মীরা সমাবেশ সফল করতে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এদিকে তারেক রহমানের সফরকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন শক্ত অবস্থান নিয়েছে। মহানগর পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী জানান, নিরাপত্তার সব দিক নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিন দিনের উত্তর সফরের পর শনিবার (৩১ জানুয়ারি) তিনি ঢাকায় ফেরার পথে সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে দুটি নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেবেন।
ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রচারে অতীতের দমন–পীড়নের স্মৃতি তুলে ধরে ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সদর উপজেলার সালান্দর ইউনিয়নের কালিতলা এলাকায় আয়োজিত এক পথসভায় তিনি বলেন, একটি ইউনিয়নে একসময় গুলিতে নয়জন মানুষ নিহত হয়েছিল এবং মিথ্যা মামলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের দীর্ঘদিন আতঙ্কের মধ্যে রাখা হয়েছিল। মির্জা ফখরুল বলেন, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বিএনপির নেতাকর্মীরা জনগণের সামনে স্বাভাবিকভাবে কথা বলার সুযোগ পাননি। তার ভাষায়, সে সময় রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের দমন করতে ব্যাপকভাবে মামলা ও হয়রানি চালানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ঠাকুরগাঁও জেলাতেই হাজার হাজার মানুষকে মিথ্যা মামলার আসামি করা হয়েছিল। নিজের রাজনৈতিক পথচলার কথা স্মরণ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতাই তাকে অনুপ্রাণিত করেছে। সেই আস্থার প্রতিদান দিতেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার অঙ্গীকার করেন। ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপি দীর্ঘদিন আন্দোলন করেছে। বর্তমান সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নারী ও যুবসমাজকে দক্ষ করে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। পথসভায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল।
কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে শেরপুর জেলা বিএনপির বর্তমান সাংগঠনিক কাঠামোয় সাময়িক স্থবিরতা এসেছে। দলটির ৪১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম এবং সদস্যসচিব এ বি এম মামুনুর রশিদ পলাশের নেতৃত্বাধীন শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ওপর এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে। বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি স্থগিতের কারণ কিংবা ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক বিধান অনুসারেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে।
জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের সংসদ প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, গত ৫৪ বছরে যারা দেশ শাসন করেছে তারা জনগণের দুঃখ হ্রাস বা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। রাস্তা, স্কুল বা খাল খননের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের বড় অংশ ব্যক্তিগত পকেটে গিয়ে অনিয়মে ব্যয় হচ্ছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রে প্রকৃত শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা হতে হলে আল্লাহভীরু ও জনস্বার্থে নিবেদিত নেতৃত্ব প্রয়োজন, যেখানে সংসদে আল্লাহর আইন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ডুমুরিয়ার আটলিয়া ইউনিয়ন, কুলবাড়িয়া, কাটলঠালতলা নূরানী স্কিম মাদ্রাসা, মঠবাড়িয়া, চুকনগর আশ্রয়ন প্রকল্প ও আঠারো মাইল বাজারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় খুলনা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, উপজেলা আমীর মাওলানা মোক্তার হোসাইনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ভোটে চোর, দুর্নীতিবাজ বা লুটপাটকারীর পক্ষে গণতান্ত্রিক আশা করা রাজনৈতিক ভ্রান্তি। এবারের নির্বাচনে জামায়াতসহ ১১টি দল ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিচ্ছে, যারা দুর্নীতি ও লুটপাটে জড়িত নয়। তিনি ভোটারদের দলীয় আবেগের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) টাঙ্গাইল সফরে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এদিন দুপুর ২টায় ঢাকা–যমুনাসেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল শহর বাইপাসের দরুন চরজানা এলাকায় জেলা বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন তিনি। তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে জনসভার প্রস্তুতি ও সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও তারেক রহমানের নিরাপত্তা বাহিনীর (সিএসএফ) সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাংবাদিকদের বলেন, জনসভার সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। টাঙ্গাইলে ধানের শীষের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন তৈরি হয়েছে। এ জনসভা স্মরণকালের বড় সমাবেশে পরিণত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। দলীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে উত্তরাঞ্চল সফর শেষে ৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে আসবেন তারেক রহমান। জনসভাকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মঞ্চ নির্মাণ, শৃঙ্খলা ও জনসমাগম ব্যবস্থাপনার কাজ চলমান রয়েছে। তার আগমনকে ঘিরে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নৌকা প্রতীক না থাকলেও এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিপক্ষ দাড়িপাল্লা। অতীতেও এই প্রতীককে ভোটের মাঠে দেখা গেছে, তবে তখন খুব বেশি সমর্থন পায়নি। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের মোলানী বাজারে নির্বাচনী গণসংযোগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপি একটি পরীক্ষিত দল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং কখনো এলাকা ছেড়ে যাননি। নির্বাচিত হলে জেলার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতে মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেনি। এবার একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, যেখানে ভোটাররা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, যারা অন্যায় করেছে তাদের বিচার হবে, আর সাধারণ মানুষকে বিএনপি পাশে নিয়ে এগিয়ে যাবে। শিল্পকারখানা স্থাপন, উন্নত হাসপাতাল গড়ে তোলা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। নিজের রাজনৈতিক জীবনের শেষ নির্বাচন উল্লেখ করে তিনি ধানের শীষে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন পাহাড় ও সমতলের সব জাতি ও সম্প্রদায়ের মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করে। বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এলে পার্বত্য এলাকায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে খাগড়াছড়ি পৌর শহরের টাউন হল সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ওয়াদুদ ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, পার্বত্য এলাকায় একটি চক্র সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মাধ্যমে নিরীহ পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি জানান। অনুষ্ঠানে লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দশরথ চাকমা ও সাবেক ইউপি সদস্য শান্তিময় চাকমার নেতৃত্বে চাকমা সম্প্রদায়ের সহস্রাধিক তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দেন। যোগদানকারী নেতারা প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক অনিমেষ চাকমা রিংকুর আয়োজনে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জাকিয়া জিনাত বিথী। এছাড়া বক্তব্য দেন প্রবীণ চন্দ্র চাকমা, কুহেলী দেওয়ানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, তার নির্বাচিত হলে মোংলা ও রামপালের মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে এবং বেকার সমস্যা দূর হবে। তিনি বলেন, “সকল মানুষের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে, সবাই রাষ্ট্রের অধিকার ভোগ করবেন। নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে।” মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় রামপাল উপজেলার আলীপুর মাঠে অনুষ্ঠিত ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাইনতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার মাহাফুজুর রহমান। অন্যান্য অতিথির মধ্যে ছিলেন বাগেরহাট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. মুজিবর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন বাবু, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতারা। শেখ ফরিদুল ইসলাম আরও বলেন, “বাগেরহাট-৩ আসনের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত। আমি নির্বাচিত হলে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেব, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করব এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব। দীর্ঘ ২৬ বছর পর এখানে বিএনপি ভোটের সুযোগ পাচ্ছে।” সভায় বাইনতলা ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ ও দলের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রার্থী সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।
হবিগঞ্জ-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ জি কে গউছ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) লাখাই উপজেলার বামৈ ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণার পথসভায় বলেন, “গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল এবং জোরপূর্বক জনগণের ভোটাধিকার সীমিত করা হয়েছে। এই সময় অনেক তরুণ প্রজন্ম প্রথমবারের মতো ব্যালট পেপারের মুখ দেখেনি।” তিনি আরও বলেন, “হাসিনার পালিয়ে যাওয়া পর তিনদিনের জন্য দেশের কোনো প্রশাসন কার্যকর ছিল না। তবু বিএনপি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় আন্দোলনে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিল।” জি কে গউছ নাগরিক দায়িত্ব এবং সমাজে ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। আমরা সবাই একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমাদের করণীয় ঠিক করব।”
বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, বিগত বিএনপি সরকারের সময়ে আইন শৃঙ্খলা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল এবং ক্ষমতায় এলে তা পুনরায় কার্যকর করা হবে। দুর্নীতিবাজদের ছাড় দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত বিভাগীয় সমাবেশে তিনি বলেন, “একটি দল বিএনপি বিরোধী অপপ্রচারে স্বৈরাচারের ভাষা ব্যবহার করছে। আমাদের সরকারের সময় তাদেরও মন্ত্রী পদে ছিলেন। যদি আমরা দুর্নীতি করতাম, কেন পদত্যাগ করতেন না?” তারেক রহমান বলেন, বিএনপি কখনো দুর্নীতি প্রশ্রয় দেয়নি। করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। ক্ষমতায় এলে নারী ও শিশুর জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, উদ্যোক্তা সহজ ঋণ, কৃষক ও কৃষি উন্নয়ন, ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের বিষয়েও বিএনপির পরিকল্পনা রয়েছে। সমাবেশে তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষ প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং জনগণকে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটাধিকার প্রয়োগে অংশ নিতে আহ্বান জানান। তিনি সমাবেশের আগে জুলাই–আগস্ট গণআন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। মঞ্চে উপস্থিত নেতারা বললেন, এই মাঠে তারা পূর্বে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভাষণ শুনেছেন। আজ তারা তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বপ্ন শোনার জন্য সমাবেশে অংশ নিয়েছেন।
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ২১ নেতাকে সমস্ত পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে জানান। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন বুলু, মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিটির দুই নেতা মজিবুর রহমান ও মো. সাইদুর রহমান ফকির, টাঙ্গাইল ও কিশোরগঞ্জের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উল্লিখিত নেতারা দলের প্রাথমিক পদসহ সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। মালিকানাধীন দলীয় শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে এটি একটি কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে। উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজানুল হক সবুজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ বাপ্পি এবং মালয়েশিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি এস এম রহমান হালীম ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করে ধানের শীষের সমর্থন কামনা করেন। তারা বলেন, দেশে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার আজ হুমকির মুখে এবং এর প্রতিকার ধানের শীষের বিজয়ে। শিক্ষার্থী ও যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভোটাধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে আহ্বান জানানো হয়। স্থানীয় বিএনপি, ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।
খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বিএনপি স্বচ্ছ রাজনীতিতে বিশ্বাস করে, কোনো গুপ্ত রাজনীতিকে সমর্থন করে না। মুখে ভালো কথা বলা আর চোরের মতো কাজ করা চলবে না। কিছু গুপ্ত সংগঠন বিগত দিনে এমন রাজনীতি করেছে। তিনি সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে খুলনা মহানগরের ৫ নন্বর ওয়ার্ডে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণ সভায় এসব মন্তব্য করেন। এর আগে তিনি ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ ও প্রচারণা চালান। স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যবসায়ী শেখ আব্দুল মান্নান। বক্তব্য রাখেন বিএল কলেজের সাবেক ভিপি মতিয়ার রহমান মতি, রুবায়েত হোসেন বাবু, বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি খন্দকার আলমগীর কবির, খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, চৌধুরী শফিকুল আলম হোসেন, দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি মুর্শিদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। স্মরণ সভা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জীবনভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রের উদ্বোধন করা হয়েছে। নগরীর বেলস্ পার্ক মাঠে প্রামাণ্যচিত্রটির উদ্বোধন করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ নুরুল আমিন। বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি ঢাকা ও স্বাধীনতা ফোরাম বরিশালের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আজীবন স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ইসলামের পক্ষে সংগ্রাম করে গেছেন। এদিকে, নগরীর রসুলপুর বস্তিতে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে উঠান বৈঠক করেন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার। বৈঠকে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন শিকদারসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ ৭৯ বছর পূর্ণ করলেন। জন্মদিন উপলক্ষে তার বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্টে বাবার রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রামের নানা দিক তুলে ধরেন। শামারুহ লিখেছেন, ছোট বেলায় বাবা চাকরি ছেড়ে দেশের মানুষের সেবা করতে দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে দূরে ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা বড় হয়ে তার কাছাকাছি পাইনি, কিন্তু তিনি কখনো হতাশ হননি। কঠিন সময়ে তার সংকল্প সবসময় ছিল সাধারণ মানুষের কল্যাণ,” পোস্টে তিনি জানান, মির্জা আলমগীরকে একাধিকবার জেলে পাঠানো হয়েছে, হামলায় আহত করা হয়েছে এবং উগ্রপন্থীদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। তবুও তিনি রাজনীতিতে প্রতিশোধ নয়, বরং গণতন্ত্র ও সাধারণ মানুষের উন্নয়নের জন্য সক্রিয়। শামারুহ বলেন, “তার জীবন প্রায়শই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য উৎসর্গ করা হয়েছে, আজও তিনি দৃঢ় সংকল্পে গণতন্ত্রের জন্য লড়ছেন।”
সাতক্ষীরা-১ (তালা ও কলারোয়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুর ইসলাম হাবিব তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেছেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে দিনব্যাপী তিনি নগরঘাটা ইউনিয়নের রাইসমিল, কালিবাবাড়ি, মটবাড়ি, মাঝনগরঘাটা, রথখোলা, গুচ্ছগ্রাম বসুন্ধারা, আসাননগর, হরিণখোলা ও গোয়ালপোতাসহ বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ ভোটারদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন। এ সময় হাবিবুর ইসলাম বলেন, অতীতে সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। গত ১৭ বছরে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি দাবি করে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে এলাকার অসম্পূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন করবেন। গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাব্বত আলী সরদার, সাধারণ সম্পাদক নাছিরুল জুলফিকার খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান মোড়ল, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি এরশাদুল হক মিলনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস ময়দানে ২৯ জানুয়ারি দুপুর ২টায় নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেবেন। জনসভা সফল করার জন্য ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় টাউনহলস্থ এডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভৈরব-কুলিয়ারচর আসনের এমপি প্রার্থী শরীফুল আলম। সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক একেএম শফিকুল ইসলাম। সভা সঞ্চালনা করেন জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির ময়মনসিংহ বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর আসনের এমপি প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির বিভিন্ন নেতারা, মুক্তাগাছা, ফুলপুর-তারাকান্দা ও গৌরীপুর আসনের প্রার্থীরা। বক্তারা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার জনপ্রিয় নেতা তারেক রহমান প্রথমবারের মতো ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস ময়দানে বক্তব্য রাখবেন। এতে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছাস, উন্মাদনা ও আবেগের ঢেউ তৈরি হবে। সার্কিট হাউস ময়দান কানায় কানায় ভরে উঠবে এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের সব আসনে বিএনপির জয় হবে, আশা ব্যক্ত করেন তারা। সভা শেষে নেতৃবৃন্দ ময়দান পরিদর্শন করেন। জনসভার জন্য ৬২ বাই ৪০ ফুট মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে।
বরিশাল সফরের দিনক্ষণ আবারও অনিশ্চিত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। একের পর এক পরিবর্তনের পর আপাতত তার নির্বাচনী জনসভার কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে ২৬ জানুয়ারি বরিশালে তার আগমনের কথা থাকলেও পরে ২৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সফরের দুদিন আগে তা আবারও পেছানো হয়েছে। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন জানিয়েছেন, সফরের চূড়ান্ত দিন এখনও নির্ধারিত হয়নি। তিনি বলেন, তারেক রহমানের বিমানযোগে বরিশালে পৌঁছানোর পরিকল্পনা ছিল, তবে বিকল্প পথে যাতায়াতের প্রস্তুতিও রাখা হয়েছিল। শিডিউল সমন্বয়ের জটিলতার কারণে সফর পেছানো হয়েছে। তবে বরিশাল সফর বাতিল হয়নি, কেন্দ্রীয় কমিটি পরে নতুন তারিখ জানাবে। উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৬ সালে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে বরিশাল সফর করেছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ বিরতির পর এবার বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে তার সফর বরিশাল অঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন গতি আনবে বলে আশাবাদী স্থানীয় নেতারা।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আগামীতে ক্ষমতায় গেলে দলের শীর্ষ অগ্রাধিকার হবে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতি শিকড় থেকে দমন করা। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে বিএনপি শাসনে কেউ অন্যায় করলেও ছাড় দেওয়া হয়নি এবং বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। তারেক রহমান বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন বাড়ানো হবে, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হবে এবং নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন প্রকল্প নেওয়া হবে। তিনি ভোটারদের উৎসাহ দিয়ে বলেন, ভোটের আগে ফজরের নামাজ পড়ুন, তারপর কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দিন। চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, বিএনপি ক্ষমতায় এলে নতুন ইপিজেড তৈরি করে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে, যা শহরকে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলবে।