বাংলাদেশ

নীলফামারীতেই এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের কাজ শুরু হচ্ছে এপ্রিলে

Icon
সৈয়দপুর, নীলফামারী
প্রকাশঃ জানুয়ারী ২৮, ২০২৬

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে উত্তরের জেলা নীলফামারীতে নির্মিত হচ্ছে চীনের অনুদানে ১,০০০ শয্যার বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল। ১০ তলা বিশিষ্ট এই হাসপাতালের নির্মাণকাজ চলতি বছরের এপ্রিল মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে ২০২৯ সালের মার্চ মাসের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চীনের অনুদানে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ২৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীন সরকার দেবে ২ হাজার ২১৯ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সরকার দেবে ৭৩ কোটি টাকা। ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ৯৪৫ কোটি, ভবন নির্মাণে ৮০২ কোটি এবং সোলার প্যানেল, সিসিটিভি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজে ২৪৮ কোটি টাকা।
গত ২৫ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।


প্রকল্পের আওতায় মূল হাসপাতাল ভবন ছাড়াও চিকিৎসকদের জন্য পৃথক আবাসিক ভবন, নার্স ডরমিটরি, কর্মচারীদের ভবন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট, সার্ভিস ভবন, হেলিপ্যাড এবং আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা থাকবে।
সমীক্ষায় দেখা গেছে, নীলফামারী ও আশপাশের অঞ্চলে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি রোগ, মাতৃ ও নবজাতক জটিলতা এবং সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেশি। বর্তমানে এসব রোগের চিকিৎসায় রোগীদের ৫০ থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হয়। পর্যাপ্ত খাসজমি, ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী হওয়ায় নীলফামারীকেই হাসপাতাল স্থাপনের জন্য চূড়ান্ত করা হয়।
নীলফামারী শহর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরে সৈয়দপুর সড়কের দারোয়ানী সুতাকল সংলগ্ন পরিত্যক্ত ২৫ একর জমিতে হাসপাতালটি নির্মিত হবে।
সমীক্ষা অনুযায়ী হাসপাতালটি চালু হলে দৈনিক ৬ হাজার থেকে ৯ হাজার ৫০০ রোগী সেবা নিতে পারবেন। ইনডোরে ভর্তি রোগীর সংখ্যা হতে পারে ৮০০ থেকে ১,০০০ জন। এতে এক থেকে দেড় হাজার চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীর কর্মসংস্থান হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের একটি প্রতিনিধি দল শিগগিরই নীলফামারী সফর করবে। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পক্ষ থেকে একটি উচ্চ পর্যায়ের সমন্বয় টিম গঠন করা হয়েছে।

 

বাংলাদেশ

আরও দেখুন
সৈয়দপুরে চার হাজার মানুষকে শাড়ি-লুঙ্গি দিলেন ইকু গ্রুপের এমডি

শিল্প পরিবার ইকু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সাবেক সংসদ সদস্য সিদ্দিকুল আলম চার হাজার পরিবারের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে (১৭ মার্চ) নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ি হাইস্কুল মাঠে ঈদের উপহার হিসেবে এসব শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়। সিদ্দিকুল আলম বলেন, ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে আমরা প্রতিবছর পারিবারিকভাবে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করে আসছি। এবারও ঈদে সে ধারাবাহিকতায় চার হাজার গরিব ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার হাতে তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও ইকু গ্রুপের পক্ষে খাদ্য সামগ্রীও বিতরণ করা হচ্ছে। বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইকু গ্রুপের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ইরফান আলম ইকু, সমাজসেবী আলতাফ হোসেন, শফিউল ইসলাম সুজন মাস্টার, ওবায়দুর রহমান ভুট্টোসহ প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা- কর্মচারী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। শাড়ি ও লুঙ্গি পেয়ে এলাকার গরিব ও অসহায় মানুষের আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা যায়।

সৈয়দপুর, নীলফামারী মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

ঈদ উপলক্ষ্যে ১১ দিন বন্ধ থাকবে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম

ছবি: প্রতিনিধি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধনের অপেক্ষায় বাকেরগঞ্জের ‘গোমা সেতু’

শুধু ফলাফলের পেছনে নয়, আদর্শ মানুষ হতে শিক্ষার্থীদের আহ্বান জামায়াত আমিরের

ছবি:প্রতিনিধি
১৫ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ রংপুর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা উপ-পরিচালক রোকসানা বেগমের বিরুদ্ধে

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা উচ্চবিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ও তিন কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার নামে ১৫ লাখ টাকার চুক্তির অভিযোগ উঠেছে রোকসানা বেগম–এর বিরুদ্ধে।সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে রংপুর নগরীর সুমি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মাইদুল ইসলাম। তিনি জানান, তার বাবা আব্দুর সবুর খানের দান করা এক একর জমিতে কাজাইকাটা উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্ত হতে না পারায় তিনি বিষয়টি নিয়ে রংপুর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করে আসছিলেন। একপর্যায়ে উপপরিচালক রোকসানা বেগমের সঙ্গে তার আলোচনা হয়। মাইদুল ইসলামের দাবি, গত ডিসেম্বর মাসে আলোচনার সময় প্রত্যেক শিক্ষকের জন্য ছয় লাখ এবং কর্মচারীদের জন্য তিন লাখ টাকা করে দাবি করা হয়। পরে একজন শিক্ষক ও তিন কর্মচারীর জন্য মোট ১৫ লাখ টাকায় সমঝোতা হয়। তিনি আরও জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে সাত লাখ টাকা একটি উপহারের প্যাকেটে করে তিনি উপপরিচালকের কার্যালয়ে যান। এছাড়া তার ব্যাংক হিসাবে আরও এক লাখ টাকা ছিল। দুপুরে ফাঁকা সময়ে তাকে ডেকে কত টাকা এনেছেন জানতে চাইলে তিনি আট লাখ টাকা এনেছেন বলে জানান। তার অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর রোকসানা বেগম ফোনে তার স্বামী জাহেদুল ইসলামকে টাকা আনতে বলেন। পরে অফিসের গাড়িচালক ও কম্পিউটার অপারেটরসহ কয়েকজন কর্মচারীকে ডেকে তার ব্যাগ থেকে জোর করে টাকা বের করে নেওয়া হয় এবং তাকে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করতে চাপ দেওয়া হয়। এদিকে ঘটনার দিনই রংপুর নগরীর কাচারীবাজার এলাকায় অবস্থিত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ে তাকে ঘুষের টাকাসহ পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে দুর্নীতি দমন কমিশন এ ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপপরিচালক রোকসানা বেগম বলেন, ঘটনাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। তিনি দাবি করেন, নিজেকে বাঁচানোর জন্য মাইদুল ইসলাম বিভিন্ন অভিযোগ করছেন। তদন্তে যা বের হবে, সেটিই চূড়ান্ত বলে জানান তিনি।  

রংপুর ব্যুরো মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

বাগেরহাটে খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

ছবি: প্রতিনিধি

শেরপুরে যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে পুলিশ কনস্টেবলের শিশুপুত্র নিহত, চারজন আহত

মাটির নিচে বৈদ্যুতিক লাইনের কাজকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন ডেসকো কর্মীর মৃত্যু

পুড়ে যাওয়া অচল কোচটি সচল হলো সৈয়দপুর রেলকারখানায়

ঢাকায় অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণ পুড়ে অচল হয়ে পড়া বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি কোচ মেরামতের পর আবারও সচল করা হয়েছে দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা–এ। ৭৯৩৬ নম্বর কোচটি নতুন রূপে সাজিয়ে রেলের ট্রাফিক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৬ জানুয়ারি রাত ৯টার দিকে ঢাকার গোপীবাগ এলাকায় বেনাপোল এক্সপ্রেস–এ দুর্বৃত্তরা আগুন দেয়। এতে ৭৯৩৬ নম্বর কোচটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায় এবং ওই কোচে থাকা চারজন যাত্রী আগুনে পুড়ে মারা যান। নিহতদের মধ্যে নীলফামারীর সৈয়দপুর সেনানিবাসে অবস্থিত বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি–এর মেধাবী ছাত্র আবু তালহাও ছিলেন। পরে কোচটি মেরামতের জন্য ২০২৪ সালের ১৩ জানুয়ারি সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় পাঠানো হয়।     কারখানার শিডিউল শাখার উর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী রুহুল আমিন রুবেল জানান, কোচটি দীর্ঘদিন সৈয়দপুর ইয়ার্ডে অপেক্ষমাণ ছিল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভারী মেরামতের জন্য তা কারখানার ক্যারেজ শপে পাঠানো হয়। সেখানে ৫২ কর্মদিবস কাজের মাধ্যমে ভারী মেরামত শেষে কোচটি আবার সচল করা হয় এবং আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। কোচটি ২০২৪ সালেই চীন থেকে আমদানি করা হয়েছিল। কারখানার ক্যারেজ শপের ইনচার্জ মমিনুল ইসলাম বলেন, শ্রমিক-কর্মচারীদের নিরলস পরিশ্রমে কোচটি নতুনের মতো করে তৈরি করা হয়েছে। এখন দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটি একসময় আগুনে পুড়ে অচল হয়ে পড়েছিল। এ বিষয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফী নূর মোহাম্মদ জানান, ৭৯৩৬ নম্বর কোচটি এবার ঈদের যাত্রী পরিবহনে রেলবহরে যুক্ত করা হবে। এছাড়া নির্ধারিত টার্গেটের চেয়েও বেশি—১২৬টি কোচ মেরামত করে কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।  

সৈয়দপুর, নীলফামারী মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

বাবুগঞ্জে নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনে সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা

ছবি: প্রতিনিধি

ভারত থেকে চালের বড় চালান নিয়ে মোংলা বন্দরে ভিড়েছে দুইটি জাহাজ

ছবি: প্রতিনিধি

তেঁতুলিয়ায় ইউএনওর বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ সমাবেশ

0 Comments