বাংলাদেশ

১৫ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ রংপুর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা উপ-পরিচালক রোকসানা বেগমের বিরুদ্ধে

Icon
রংপুর ব্যুরো
প্রকাশঃ মার্চ ১৬, ২০২৬
ছবি:প্রতিনিধি
ছবি:প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা উচ্চবিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ও তিন কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার নামে ১৫ লাখ টাকার চুক্তির অভিযোগ উঠেছে রোকসানা বেগম–এর বিরুদ্ধে।সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে রংপুর নগরীর সুমি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মাইদুল ইসলাম।

তিনি জানান, তার বাবা আব্দুর সবুর খানের দান করা এক একর জমিতে কাজাইকাটা উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্ত হতে না পারায় তিনি বিষয়টি নিয়ে রংপুর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করে আসছিলেন। একপর্যায়ে উপপরিচালক রোকসানা বেগমের সঙ্গে তার আলোচনা হয়।

মাইদুল ইসলামের দাবি, গত ডিসেম্বর মাসে আলোচনার সময় প্রত্যেক শিক্ষকের জন্য ছয় লাখ এবং কর্মচারীদের জন্য তিন লাখ টাকা করে দাবি করা হয়। পরে একজন শিক্ষক ও তিন কর্মচারীর জন্য মোট ১৫ লাখ টাকায় সমঝোতা হয়।

তিনি আরও জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে সাত লাখ টাকা একটি উপহারের প্যাকেটে করে তিনি উপপরিচালকের কার্যালয়ে যান। এছাড়া তার ব্যাংক হিসাবে আরও এক লাখ টাকা ছিল। দুপুরে ফাঁকা সময়ে তাকে ডেকে কত টাকা এনেছেন জানতে চাইলে তিনি আট লাখ টাকা এনেছেন বলে জানান।

তার অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর রোকসানা বেগম ফোনে তার স্বামী জাহেদুল ইসলামকে টাকা আনতে বলেন। পরে অফিসের গাড়িচালক ও কম্পিউটার অপারেটরসহ কয়েকজন কর্মচারীকে ডেকে তার ব্যাগ থেকে জোর করে টাকা বের করে নেওয়া হয় এবং তাকে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করতে চাপ দেওয়া হয়।

এদিকে ঘটনার দিনই রংপুর নগরীর কাচারীবাজার এলাকায় অবস্থিত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ে তাকে ঘুষের টাকাসহ পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে দুর্নীতি দমন কমিশন এ ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপপরিচালক রোকসানা বেগম বলেন, ঘটনাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। তিনি দাবি করেন, নিজেকে বাঁচানোর জন্য মাইদুল ইসলাম বিভিন্ন অভিযোগ করছেন। তদন্তে যা বের হবে, সেটিই চূড়ান্ত বলে জানান তিনি।

 

বাংলাদেশ

আরও দেখুন
সুনামগঞ্জে বাঁধ ভেঙে তলিয়ে যাচ্ছে হাওরের ফসল

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে পানির তীব্র স্রোতে ধানক্ষেত প্লাবিত হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে চরম ক্ষতি ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এতে একাধিক হাওরে বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (২ মে) ভোর থেকে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সোমেশ্বরী নদী-এর পানি বৃদ্ধি পেয়ে মধ্যনগর উপজেলার বোয়ালা হাওরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থানীয়দের মতে, জামে মসজিদ সংলগ্ন কালভার্ট এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত বাঁধ প্রথমে উপচে পড়ে, পরে দ্রুত ভেঙে গিয়ে হাওরে পানি ঢুকে পড়ে। ফলে মুহূর্তের মধ্যেই বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত প্লাবিত হয় এবং মাঠে থাকা কৃষকরা বিপর্যয়ের মুখে পড়েন। অনেকেই ক্ষোভ ও হতাশায় ভেঙে পড়েন বলে জানা গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানানো হয়, বোয়ালা হাওরে মোট ৫৭৪ হেক্টর বোরো ধানের মধ্যে অধিকাংশ ইতোমধ্যে কাটা শেষ হলেও অন্তত ৮৪ হেক্টর ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে স্থানীয় কৃষকদের দাবি, ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি। এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, আকস্মিক পানির চাপ ও বাঁধের দুর্বল অংশে ভাঙনের কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাস্থলে প্রশাসন ও স্থানীয়রা উপস্থিত থাকলেও পানির প্রবল স্রোতের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ভাঙন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, কৃষকদের অভিযোগ—নির্মাণ ত্রুটি ও পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় বারবার হাওর রক্ষা বাঁধ বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে, যা ফসল নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকিতে ফেলছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারীতে ২৫ কেজি গাঁজা সহ এক যুবক গ্রেফতার

ছবি: প্রতিনিধি

আগাম বৃষ্টি-ঝড়ে ৪৪ হেক্টর ভুট্টা ও বোরো ফসল ক্ষতির শঙ্কা

ছবি: প্রতিনিধি

ফরিদপুরে বেপরোয়া ট্রাকের তাণ্ডবের পর গণপিটুনিতে নিহত চালক

ভোলার ভেদুরিয়ায় এক বিধবার ঘর ভাংচুরের চেষ্টা চলাচ্ছে এক ভূমিদস্যু চক্র

    ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের চরকালী এলাকায় এক অসহায় বিধবার জমি দখলকে কেন্দ্র করে ঘর ভাঙচুরের চেষ্টা ও দফায় দফায় হামলার অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু চক্রের বিরুদ্ধে। এতে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত মনিরুল ইসলামের মেয়ে আয়েশা বেগম পৈত্রিক ও দলিলসূত্রে প্রাপ্ত প্রায় ৭১ শতাংশ জমির বৈধ মালিক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ওই জমির প্রতি লোলুপ দৃষ্টি দিয়ে তা দখলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আসছে। এ চক্রের সদস্যরা নানা সময়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি এবং প্রভাব খাটিয়ে জমি ছাড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। সমাধানের আশায় আয়েশা বেগম একাধিকবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারস্থ হলেও কোনো কার্যকর সমাধান পাননি বলে জানান। সর্বশেষ গত ২৭ এপ্রিল তিনি পরিবারসহ বসবাসের জন্য জমির ওপর একটি টিনের ঘর নির্মাণ করেন। এরপর থেকেই অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কয়েক দফা ওই ঘর ভাঙচুরের চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় আয়েশা বেগম ও তার ছেলে সোহাগ বাধা দিলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী পরিবারকে অব্যাহতভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে বলেও জানা গেছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, সন্ত্রাসীরা আয়েশা বেগমের পুরোনো বাড়ির একটি কক্ষ তালা, টিন ও কাঠ দিয়ে আটকে দিয়ে তাদের কার্যত অবরুদ্ধ করে রাখে। ফলে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা পরিবারটি বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে। এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী আয়েশা বেগম ও এলাকাবাসী প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাদের বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।  

ভোলা প্রতিনিধি> মে ১, ২০২৬ 0

মোরেলগঞ্জে ১৬ বছর ধরে শ্রেণিকক্ষে পুলিশ ফাঁড়ি, টিনের ঘরে চলছে পাঠদান

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বিশ্বমানের ক্যান্সার হাসপাতালের ব্রীজ নির্মাণের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদুল ইসলাম

ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলন্ত ট্রাকে অগ্নিকাণ্ড

ফকিরহাটে সরকারি প্রকল্পের গরু বিতরণে অনিয়ম ও ঘুষের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস

  বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় দরিদ্র জেলের জন্য সরকারি প্রকল্পে বরাদ্দকৃত গরু না পাওয়ার ঘটনায় ঘুষ, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘুষ না দেওয়ায় তালিকাভুক্ত জেলে তারাপদ বিশ্বাস বরাদ্দের গরু থেকে বঞ্চিত হন এবং ওই গরু পরবর্তীতে অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর ও বিক্রি করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ফকিরহাট উপজেলার জেলেদের মাঝে গরু (বখনা বাছুর) বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তালিকাভুক্ত দরিদ্র জেলে তারাপদ বিশ্বাসের নামে একটি গরু বরাদ্দ থাকলেও সেটি তাকে দেওয়া হয়নি। ভুক্তভোগী তারাপদ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, বরাদ্দকৃত গরু দেওয়ার শর্তে তার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার গরু অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে জানতে পারেন, তার নামে বরাদ্দকৃত গরুটি অন্য একজনকে দেওয়া হয়েছে এবং সেটি বিক্রি করা হয়েছে। তার ছেলে প্রহলদ বিশ্বাস জানান, তারা বিষয়টি নিয়ে মৎস্য কর্মকর্তার দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো সমাধান পাননি। বরং অভিযুক্ত পক্ষের মাধ্যমে তাদের হুমকি-ধমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। একই ইউনিয়নের শ্রীনাথ বৈরাগীর ছেলে শ্রীবাস বৈরাগী জানান, তিনি অফিস খরচ বাবদ ৪ হাজার টাকা দিয়ে গরু গ্রহণ করেন, পরে জানতে পারেন সেটি তারাপদ বিশ্বাসের নামে বরাদ্দ ছিল। অভিযুক্ত স্থানীয় ব্যক্তি মোহিত বালা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি এ বিষয়ে দায়ী নন এবং গরু বরাদ্দ ও বিতরণের সিদ্ধান্ত মৎস্য অফিস থেকেই হয়েছে। এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আসাদুল্লাহ জানান, প্রকৃত জেলে উপস্থিত না থাকায় কার্ড যাচাই করে অন্য একজনকে গরু দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযোগের পর মাঠ সহায়ক কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাজ কুমার বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি তিনি অবগত নন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  

ফকিরহাট প্রতিনিধি মে ১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস পালিত

ছবি: প্রতিনিধি

শেষ বয়সে আশ্রয় হারানোর শঙ্কায় মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হক

ছবি: প্রতিনিধি

রংপুরে জলবায়ু ও জেন্ডার ন্যায্যতা নিয়ে অ্যাডভোকেসি সংলাপ

0 Comments