খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শিক্ষার্থী জাপানে সাকুরা সায়েন্স এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশ নিতে যাচ্ছেন। জাপান সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এজেন্সি (জেএসটি)-এর সহায়তায় এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি অব ইয়ামানাশির মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)-এর আওতায় এই প্রোগ্রাম বাস্তবায়িত হচ্ছে।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন সয়েল, ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ তারেক বিন সালাম। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা হলেন- গাজী ইকরামুল হক রাকিব, তাসফিয়া জামান রোশনী, শিউলি চাকমা, দেবাশীষ অধিকারী, বিজ্ঞ দাস অতনু, জয় কুমার ঘোষ ও অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের মোঃ সজীব মিয়া।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। উপ-উপাচার্য শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সুযোগ বৃদ্ধি করার দায়িত্বশীল ভূমিকার কথা বলেন।
শিক্ষার্থীরা ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইয়ামানাশিতে বিভিন্ন একাডেমিক ও ব্যবহারিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন। এতে বাংলাদেশে কৃষি ব্যবস্থাপনা, সেমিনার, গ্রুপ ডিসকাশন, কুরোফুজি অর্গানিক ফার্ম পরিদর্শন এবং স্মার্ট এগ্রিকালচারের মাধ্যমে কৃষিকাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, সয়েল স্যালাইনিটি এবং কৃষিখাতে দুই দেশের চ্যালেঞ্জ নিয়ে যৌথ আলোচনা হবে।
প্রোগ্রামের লক্ষ্য হলো কৃষি ও পরিবেশভিত্তিক গবেষণায় ভবিষ্যৎ একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার করা।
শেরপুর জেলা শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শাহিনুল ইসলাম (৪০) শেরপুর সদর থানায় এএসআই (নিরস্ত্র) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে শহরের গৃর্দা নারায়ণপুর এলাকার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার টেবিরচর গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেলে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে ডিউটি শেষে বাসায় ফেরার পর দুপুরে স্ত্রী সন্তানসহ বাবার বাড়ি যান। এরপর দীর্ঘ সময় ফোনে যোগাযোগ না হওয়ায় রাত ১১টার দিকে পরিবারের সদস্যরা বাসায় ফিরে জানালার গ্রিলের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি আত্মহত্যা। নিহতের পরিবার জানায়, তিনি দীর্ঘদিন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পঞ্চগড় জেলার গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য অনুষ্ঠিত দুইদিনের নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) শেষ হয়েছে। পঞ্চগড় সার্কিট হাউস মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট (পিআইবি) এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র প্রদান করেন। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পঞ্চগড়ের ৫০ জন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। দুইদিনে নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা, প্রতিবেদন প্রণয়ন, সঠিক তথ্য যাচাই ও সংবাদ সম্প্রচারের নানা কৌশল নিয়ে বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করা হয়। প্রধান প্রশিক্ষক ছিলেন এনটিভির জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক নিয়ামুল আযীয সাদেক, স্বাধীন মিডিয়ার সম্পাদক শারমীন রিনভী এবং পিআইবির সিনিয়র প্রশিক্ষক গোলাম মোর্শেদ। অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোশাররফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দার সহ স্থানীয় সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ও বিপিএসসি আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মোঃ শরীফ হোসেন। তিনি বলেন, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। পরীক্ষার সময় নকল ও অনিয়ম প্রতিহত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। সেমিনারে ময়মনসিংহের ১৩টি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রপ্রধান, হল প্রধান ও আহ্বায়কসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা অংশ নেন। সেমিনারে পরীক্ষা সম্পর্কিত নিয়ম-কানুন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পরীক্ষার্থীদের সহায়তার বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়। ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজির প্রতিনিধি জানান, প্রশাসন ও পুলিশ যৌথভাবে পরীক্ষার সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করবে। জেলা প্রশাসক মো: সাইফুর রহমান এবং পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি সতর্ক থাকতে বলেন, যাতে পরীক্ষার দিন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা যানজট না হয়। প্রতিটি কেন্দ্রে মেডিক্যাল অফিসার ও সহকারী থাকবে। সমাপনী বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী বলেন, কিছু ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী প্রশ্নের ধরণ অনুসরণ করে নতুন প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। তাই প্রশ্নফাঁস ও গুজব প্রতিরোধে গোয়েন্দা সংস্থা ও মোবাইল কোর্টকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। ময়মনসিংহের ১৩টি কেন্দ্রে মোট ২৩ হাজার ৮৪৪ জন পরীক্ষার্থী আগামী ৩০ জানুয়ারি প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেবেন।