জামালপুরের মেলান্দহে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত হয়েছেন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার কামদেববাড়ী (শেখবাড়ী) এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. নুর নবী (৩৬) ওই এলাকার মৃত সুরুজ শেখের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দুই ভাইয়ের মধ্যে বসতভিটার জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। সকালে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছোট ভাই আলম (৩০) ধারালো ছুরি দিয়ে নুর নবীর পেটে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মেলান্দহ থানার ওসি ওবায়দুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
জামালপুরের মেলান্দহে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত হয়েছেন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার কামদেববাড়ী (শেখবাড়ী) এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত মো. নুর নবী (৩৬) ওই এলাকার মৃত সুরুজ শেখের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দুই ভাইয়ের মধ্যে বসতভিটার জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। সকালে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছোট ভাই আলম (৩০) ধারালো ছুরি দিয়ে নুর নবীর পেটে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মেলান্দহ থানার ওসি ওবায়দুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ১নং ওয়ার্ড বালিয়াকান্দী এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অভিযানে দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে দেশীয় পাইপগান, বন্দুক, দুইটি দেশীয় অস্ত্র এবং ১২ রাউন্ড লাইভ গুলি জব্দ করা হয়। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সাকলে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে নৌ-বাহিনী জানান, গ্রেফতারকৃতরা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই অস্ত্র ব্যবহার করতে চাইছিল। অভিযানের সময় আটক হন জামাল উদ্দিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোঃ সেলিম কাজী ও মোঃ হাসান। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলা ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নৌবাহিনী জানায়, নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নিয়মিত টহল ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ৮ জেলার ১৬ সংসদীয় আসনে ২৫টি কন্টিনজেন্টে প্রায় ৫ হাজার নৌসদস্য দায়িত্ব পালন করছে।
হত্যাসহ ৪৭ মামলার আসামি খাগড়াছড়ি পৌরসভার সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল আলমকে রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে ভাটারা থানার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো. মির্জা সায়েম মাহমুদ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএমপির একটি দল ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রফিকুল আলমকে গ্রেফতার করে। সে সময় তিনি ওই বাসায় অবস্থান করছিলেন। পুলিশ সুপার আরও জানান, রফিকুল আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যাসহ অন্তত ৪৭টি মামলা রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে খাগড়াছড়িতে নেওয়া হবে। গ্রেফতারকৃত রফিকুল আলম দুই মেয়াদে খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম ও সাবেক জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলমের ভাই। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাবেক মেয়র রফিকুল আলমের বিরুদ্ধে সাংবাদিক নির্যাতন, হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখলসহ নানা অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে।