র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বলেছেন, সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে দাবি আদায় বা আন্দোলনের আড়ালে কোনো কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে র্যাব দেশজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমশ উন্নতির দিকে যাচ্ছে এবং র্যাব সজাগ অবস্থান বজায় রেখে অপরাধ দমন নিশ্চিত করবে। আসন্ন দিবসগুলোতে জনগণ নির্বিঘ্নে চলাফেরা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবে, এজন্য বিশেষ নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয় সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাডভোকেট মো. আবুল হাসানের নিয়োগ বাতিল করেছে। সলিসিটর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তিনি উক্ত পদ থেকে অব্যাহতি পাবেন এবং আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর আগে ব্যক্তিগত কারণে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম ও আহমদ মুসাননা চৌধুরী পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিয়েছিলেন।
কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর হত্যার দীর্ঘ ১০ বছর পর মামলায় নতুন ঘূর্ণি এসেছে। সোমবার কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তিনজন সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন। পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম জানান, তনুর ব্যবহৃত কিছু কাপড় থেকে আগেই তিনজনের ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু আগে ম্যাচিং হয়নি। আদালতের নির্দেশে এবার পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। তিনজনই সেনাবাহিনী থেকে অবসরে গেছেন। তদন্তের অগ্রগতি পরবর্তী শুনানিতে রিপোর্ট করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ২০১৬ সালের ২০ মার্চ তনু কুমিল্লা সেনানিবাসে টিউশনি শেষে আর বাসায় ফেরেননি। পরদিন তার লাশ সেনানিবাসের কাছাকাছি একটি জঙ্গলে পাওয়া যায়। তার বাবা ইয়ার হোসেন মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্তের পর ২০২০ সালে মামলাটি পিবিআই সদর দপ্তরে হস্তান্তরিত হয় এবং বর্তমানে পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বিষয়টি তত্ত্বাবধান করছেন। ইয়ার হোসেন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মেয়ের হত্যার বিচার চাইব। ১০ বছর ধরে বিচার না পাওয়ায় আমি ভীষণ কষ্টে আছি। এক মাসের মধ্যে না হলে আমি আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছি।”
রাজধানীর সচিবালয়ে কূটনৈতিক সৌজন্য বিনিময়ের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষাৎটি ছিল প্রোটোকলভিত্তিক সৌজন্য সাক্ষাৎ। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সংশ্লিষ্ট সম্ভাব্য বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হলেও, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, এ ধরনের কূটনৈতিক সাক্ষাৎ সাধারণত পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও নীতিগত যোগাযোগ রক্ষার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।