বিশ্ব

জেনেভায় পারমাণবিক আলোচনা ব্যর্থ হলেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ!

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক বিবাদ নড়চড় করে চলেছে, আর এই পরিস্থিতিতে জেনেভায় বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তৃতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনায় মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পারমাণবিক চুক্তি কার্যকর করার সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পূর্বেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি ইরান চুক্তি না মেনে চলে তবে সীমিত সামরিক হস্তক্ষেপেরও চিন্তা করছেন। তিনি বলেন, কূটনীতি অগ্রাধিকার পেলেও প্রয়োজনে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর উপর আক্রমণ সম্ভব।
ইরান জোর দিয়ে বলেছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং কোনো আক্রমণ বা চাপের মুখে তারা অস্ত্র তৈরিতে যাবে না। তবে দুই পক্ষের অবস্থান একমত নয়; ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক সহযোগীদের সমর্থন বজায় রাখার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।
আলাপের নেতৃত্বে রয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং মার্কিন পক্ষে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এটিকে সংঘাত রোধের শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা মোতায়েন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে দুটি বিমানবাহী রণতরী, যুদ্ধবিমান ও সহায়ক জাহাজসহ হাজার হাজার সৈন্য স্থাপন করা হয়েছে। ইরানও হামলার জবাবে পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে, যা অঞ্চলে আরও বিস্তৃত সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আলোচনার ফলাফল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

নতুন বার্তা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান, যা নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতির আশঙ্কা বাড়িয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বার্তায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ‘চূড়ান্তভাবে পরাজিত’ করতে নৌবাহিনীসহ সব সামরিক সক্ষমতা প্রস্তুত রয়েছে। একই সময় কৌশলগত নৌপথ হরমুজ প্রণালি-কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে, যেখানে বাণিজ্যিক জাহাজে গোলাগুলির অভিযোগ সামনে এসেছে। অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার সতর্ক করে বলেছেন, পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে পূর্ণমাত্রার সংঘাতে রূপ নিতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থার কোনো ভিত্তি নেই। বিশ্লেষকদের মতে, এসব পারস্পরিক হুঁশিয়ারি ও সামরিক উত্তেজনা অঞ্চলটিকে নতুন করে অনিশ্চিত সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।    

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0

ট্রাম্পকে ইরান যুদ্ধে টেনেছেন নেতানিয়াহু: কমালা হ্যারিস

যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় যুদ্ধ শুরু করতে পারে: ইরানের স্পিকার

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ

হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধের ঘোষণা দিল ইরান

মার্কিন নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকার প্রেক্ষাপটে কৌশলগত জলপথে নিয়ন্ত্রণ জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে ইরান, যার ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, প্রণালির ওপর পুনরায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে এবং এটি এখন সশস্ত্র বাহিনীর নিবিড় তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের বরাতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধকে ‘সামুদ্রিক আইন লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে ইরান এই পদক্ষেপ নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানি জাহাজ চলাচলে পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত প্রণালিতে চলাচল পূর্বের মতো উন্মুক্ত থাকবে না। এদিকে পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফও সতর্ক করে জানিয়েছেন, পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ইরানের অনুমোদন সাপেক্ষে সীমিত থাকবে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে এবং চলমান উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0

যুদ্ধবিরতির মাঝেই লোহিত সাগরের পথে মার্কিন রণতরি ‘জেরাল্ড ফোর্ড’

মালয়েশিয়ায় ত্রিমুখী মোটরসাইকেল সংঘর্ষে বাংলাদেশি নিহত

সোমবার পাকিস্তানে মুখোমুখি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান

হরমুজে নতুন ফি আরোপের ইঙ্গিত দিলো ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত জলপথে নতুন নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর ইঙ্গিত দিয়ে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাভিত্তিক নতুন ফি আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি স্পষ্ট করেছেন—প্রচলিত ট্রানজিট ফি আরোপ না করলেও প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পৃথক আর্থিক কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি খসড়া আইন সংসদে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায়, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজসমূহকে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ব সমন্বয় বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। একইসঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সংযুক্ত সামরিক জাহাজের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপের কথাও ইঙ্গিত করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল নীতির সঙ্গে সম্ভাব্য সাংঘর্ষিক প্রশ্ন উত্থাপন করছে। অন্যদিকে, ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, প্রণালির নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় বহিরাগত শক্তি—বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ রাষ্ট্রের জাহাজগুলো নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি পেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে সীমিত সময়ের জন্য প্রণালিটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেয় তেহরান। এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তবে নতুন ফি আরোপের সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ ও সমুদ্র আইনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে জটিলতা তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0

পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিতে সম্মত ইরান—ট্রাম্পের দাবি

হরমুজ খুলতেই বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

উন্মুক্ত হলো হরমুজ, থামবে কি এবার মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত?

0 Comments