রাত ১০টার দিকে নগরীর লবণচরা থানার মুজাহিদ পাড়ায় রহমতিয়া মসজিদের পাশে মো. হাবিবুর রহমান (২২) নামে এক রিকশাচালককে গুলি করে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা। মুখোশধারী তিনজন তাকে ধরে নিয়ে পরপর তিন রাউন্ড গুলি করে ফেলে রেখে যায়। তার পিঠের ডান পাশে গুলি লেগেছে। আহত হাবিব সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। পুলিশের ধারণা, ব্যক্তিগত বিরোধ ও স্থানীয় সন্ত্রাসী চক্রের নির্দেশে এ হামলা হতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিজয় কুমার জোয়ার্দার এবং তার পরিবারের পাঁচজনের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাদী মুক্তি সরকার (৩৫) গত ৪ মার্চ আশাশুনি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ (সংশোধনী-০৩) এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেন। (মামলা নং-০২) মামলার আসামিরা হলেন: বিজয় কুমার জোয়ার্দার (৩৭), তার পরকীয়া সম্পর্কের ফাগুনী সুমি কাসারী (২৫), মা উষা রাণী জোয়ার্দার (৬৫), বাবা পরিমল কুমার জোয়ার্দার (৭০) ও ভাই পরিতোষ কুমার জোয়ার্দার (৩২)। বাদীর অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে আদালতের মাধ্যমে এবং ২০২২ সালে হিন্দু রীতিনীতি অনুযায়ী বিবাহ সম্পন্ন হলেও, বিয়ের পর থেকে হাজিরা অনুযায়ী বিভিন্ন আসবাবপত্র ও স্বর্ণালঙ্কারসহ ৬ লাখ টাকা উপঢৌকন দেওয়া হয়। সম্প্রতি নিজের গ্রামে ঘরবাড়ি নির্মাণের জন্য নতুন করে ৫০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। এ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে মুক্তির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। বাদী আরও অভিযোগ করেছেন, অতীতে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গর্ভধারণ বাধ্য করা হয়েছিল এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের চেন্নাই থেকে ফিরে আসার পর আবারও যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের শিকার হন। ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। মামলায় ২নং আসামি ফাগুনী সুমি কাসারীর সঙ্গে বিজয় কুমার জোয়ার্দারের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এবং দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম পারভেজ জানিয়েছেন, পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত বিজয় কুমার জোয়ার্দারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
রাত ১০টার দিকে নগরীর লবণচরা থানার মুজাহিদ পাড়ায় রহমতিয়া মসজিদের পাশে মো. হাবিবুর রহমান (২২) নামে এক রিকশাচালককে গুলি করে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা। মুখোশধারী তিনজন তাকে ধরে নিয়ে পরপর তিন রাউন্ড গুলি করে ফেলে রেখে যায়। তার পিঠের ডান পাশে গুলি লেগেছে। আহত হাবিব সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। পুলিশের ধারণা, ব্যক্তিগত বিরোধ ও স্থানীয় সন্ত্রাসী চক্রের নির্দেশে এ হামলা হতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গাজীপুরে কিশোর হত্যা মামলায় আপন বড় ভাইসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) সকালে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন জানান, নিহত আব্দুর রাহিম (১৩)–এর বড় ভাই আল আমিন (২৩) ও তার বন্ধু আশিক আহমেদ (২০)–কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতে হাজির করলে তারা দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মোবাইল ফোন কেনা নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে গত ১ ফেব্রুয়ারি কৌশলে রাহিমকে বাড়ির কাছ থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে জয়দেবপুর থানাধীন এলাকায় শালবনের ভেতরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ গোপনে মাটিচাপা দেওয়া হয়। নিখোঁজের ঘটনায় শিশুটির পিতা থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ প্রযুক্তিগত সহায়তা ও স্থানীয় তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হয় এবং পরিবারের সদস্যরা পোশাক দেখে শনাক্ত করেন। পরদিন জয়দেবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।