ভুক্তভোগীদের টানা আন্দোলন এবং দুর্নীতির ভয়াবহ সব অভিযোগের মুখে অবশেষে নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা বেগমকে বদলি করা হয়েছে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে নরসিংদী থেকে সরিয়ে অন্য দপ্তরে পদায়ন করা হয়।
দুর্নীতির ‘পার্সেন্টেজ’ ও কোটি টাকার বাণিজ্য
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, মাহমুদা বেগমের দুর্নীতির জাল ছিল অত্যন্ত বিস্তৃত। স্থানীয়দের দাবি, ভূমি সংক্রান্ত ফাইল ছাড়াতে তাকে নির্দিষ্ট হারে 'পার্সেন্টেজ' দিতে হতো। কোটি কোটি টাকার এই ঘুস বাণিজ্যের কারণে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রধান অভিযোগগুলো হলো :
• ঘুষ ও পার্সেন্টেজ বাণিজ্য: প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সই করার বিনিময়ে বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ।
• কোটি টাকার সম্পদ : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আন্দোলনকারীরা দাবি করেছেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
• অসহযোগিতা ও হয়রানি : ভূমি সংক্রান্ত কাজে সাধারণ মানুষকে মাসের পর মাস ঘুরিয়ে হয়রানি করা।
• অপেশাদার আচরণ : সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি দীর্ঘদিন আটকে রাখা।

উত্তাল নরসিংদী ও মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ
গত কয়েকদিন ধরেই মাহমুদা বেগমের পদত্যাগ ও শাস্তির দাবিতে নরসিংদীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে আসছিলেন ভুক্তভোগীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে এসব অনিয়মের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে।
প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা ফেরাতে এবং উদ্ভূত জনরোষ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ জরুরি ভিত্তিতে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়। তবে আন্দোলনকারীরা দাবি করেছেন, কেবল বদলি নয়, তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদ শূন্য থাকায় কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এতে উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নাগরিক সেবায় চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা প্রকৌশলী ও পৌর প্রশাসকের পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল থেকে উপজেলা প্রকৌশলী এবং ৭ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ইউএনওর পদ খালি রয়েছে। একই সঙ্গে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বেও কার্যকর কোনো কর্মকর্তা না থাকায় পৌরসভার কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত দায়িত্বে পাশের ঝিনাইগাতী উপজেলার ইউএনও দায়িত্ব পালন করলেও মাঠপর্যায়ে তার উপস্থিতি সীমিত। ফলে বিভিন্ন দপ্তরে ফাইল জমে থাকছে এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়ক উন্নয়ন, ড্রেনেজ ও গ্রামীণ অবকাঠামোসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে চলছে কিংবা বন্ধ রয়েছে। বিল অনুমোদন না পাওয়ায় অনেক ঠিকাদার কাজ স্থগিত রেখেছেন। নাগরিক সেবার ক্ষেত্রেও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। জন্মনিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ ও ট্রেড লাইসেন্সের মতো সেবা পেতে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। স্থানীয় এক ভুক্তভোগী জানান, দায়িত্বশীল কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে প্রতিদিন অফিসে ঘুরেও কোনো কাজ সম্পন্ন করা যাচ্ছে না। সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনিক শূন্যতা স্থানীয় উন্নয়ন ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দ্রুত এসব পদে নিয়োগ না দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তবে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগীদের টানা আন্দোলন এবং দুর্নীতির ভয়াবহ সব অভিযোগের মুখে অবশেষে নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা বেগমকে বদলি করা হয়েছে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে নরসিংদী থেকে সরিয়ে অন্য দপ্তরে পদায়ন করা হয়। দুর্নীতির ‘পার্সেন্টেজ’ ও কোটি টাকার বাণিজ্য আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, মাহমুদা বেগমের দুর্নীতির জাল ছিল অত্যন্ত বিস্তৃত। স্থানীয়দের দাবি, ভূমি সংক্রান্ত ফাইল ছাড়াতে তাকে নির্দিষ্ট হারে 'পার্সেন্টেজ' দিতে হতো। কোটি কোটি টাকার এই ঘুস বাণিজ্যের কারণে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রধান অভিযোগগুলো হলো : • ঘুষ ও পার্সেন্টেজ বাণিজ্য: প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সই করার বিনিময়ে বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ। • কোটি টাকার সম্পদ : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আন্দোলনকারীরা দাবি করেছেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। • অসহযোগিতা ও হয়রানি : ভূমি সংক্রান্ত কাজে সাধারণ মানুষকে মাসের পর মাস ঘুরিয়ে হয়রানি করা। • অপেশাদার আচরণ : সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি দীর্ঘদিন আটকে রাখা। উত্তাল নরসিংদী ও মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ গত কয়েকদিন ধরেই মাহমুদা বেগমের পদত্যাগ ও শাস্তির দাবিতে নরসিংদীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে আসছিলেন ভুক্তভোগীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে এসব অনিয়মের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে। প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা ফেরাতে এবং উদ্ভূত জনরোষ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ জরুরি ভিত্তিতে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়। তবে আন্দোলনকারীরা দাবি করেছেন, কেবল বদলি নয়, তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
পঞ্চগড়ে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার শিশু হাম-রুবেলা টিকা পাবে। ১১ দিনব্যাপী এ জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন চলবে। রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে পঞ্চগড় সিভিল সার্জন কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান। তিনি জানান, জেলার ৩টি পৌরসভা ও ৫টি উপজেলায় মোট ১ হাজার ১০৯টি টিকাদান কেন্দ্রে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, টিকাদান কার্যক্রম আগামীকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৯টায় সদর উপজেলার শিংপাড়া এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, এমপি। কর্তৃপক্ষ জানায়, টিকা গ্রহণের জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক।