বাংলাদেশ

গণভোটে 'না' ভোট দেওয়া মানে স্বৈরাচারের পক্ষে দাড়ানো: শারমিন এস মুরশিদ

Icon
ঝিনাইদহ ,প্রতিনিধি
প্রকাশঃ জানুয়ারী ২০, ২০২৬
ছবি: প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি

সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ বলেছেন, গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়া মানে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতা করা এবং স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো। নতুন বাংলাদেশ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত গণভোট প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ মতবিনিময় সভার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ বলেন, যারা বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনের সুবিধাভোগী ছিলেন, তারা পরিবর্তন চায় না। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে দেশের সংস্কার ও গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য পূরণ হবে। তিনি বলেন, “আমরা গণভোটের পক্ষে, ‘হ্যাঁ’র পাশে। জনগণ যেন বুঝে ভোট দেয়।”
সভায় ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদের সভাপতিত্বে পুলিশ সুপার, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।


 

বাংলাদেশ

আরও দেখুন
দেশের তৈরি পাঞ্জাবি বিক্রি হচ্ছে বিদেশি নামে

চট্টগ্রামের টেরিবাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান স্থানীয় তৈরি পাঞ্জাবিকে ভারতীয় বলে বিক্রি করা হচ্ছে এমন জালিয়াতি উন্মোচন করেছে। অভিযানে ‘রাজস্থান’ নামের প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।  এছাড়া ‘খাজানা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে পুরোনো স্টিকার ব্যবহার করে দাম বৃদ্ধি করার অভিযোগে ১৫ হাজার টাকা, আর ‘কুদু’ নামে একটি দোকানকে মেয়াদোত্তীর্ণ ইফতার সামগ্রী ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরির কারণে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উপপরিচালক ফয়েজ উল্লাহ জানান, রাজস্থানের পাঞ্জাবিতে একই পণ্যে বাংলাদেশি ও ভারতীয় দুই ধরনের স্টিকার ব্যবহার করা হচ্ছিল। যাচাই করার পর ধরা পড়ে যে, স্থানীয় তৈরি পণ্যকে ভারতীয় বলে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছিল। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী ভোক্তা প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ ধরনের ঘটনা দুইবার ঘটলে আরও বেশি জরিমানা আর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি> মার্চ ৭, ২০২৬ 0

কিশোরগঞ্জে তুলার গোডাউন সহ ৭টি ঘর আগুনে পুড়ে ২০ লাখ ক্ষয়ক্ষতি

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে নিষিদ্ধ মিছিল থেকে আ.লীগের ৪ কর্মী গ্রেফতার

খাগড়াছড়িতে প্রতিপক্ষের গুলিতে ইউপিডিএফ সদস্য নিহত

ছবি: প্রতিনিধি
দীর্ঘদিন পর মিলনমেলায় ঢাকা কলেজ ৯৬ ব্যাচ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ঢাকা কলেজের এইচএসসি ১৯৯৬ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর একটি অভিজাত রেস্তোরাঁতে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে মিলিত হন। অনুষ্ঠানটি বন্ধুত্ব, স্মৃতিচারণ ও সম্প্রীতির আবহে মুখরিত হয়ে ওঠে। সভাপতিত্ব করেন ব্যাচের সভাপতি ও ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ আশরাফুল হাসান মানিক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত প্রায় দেড় শতাধিক সাবেক শিক্ষার্থী। বক্তারা তাদের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করেন। বুয়েট অধ্যাপক তানভীর আহমেদ বলেন, “ঢাকা কলেজ আমাদের জীবনের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল। আজ আমরা যেখানে থাকি না কেন, এই ব্যাচের বন্ধন আমাদের শিকড়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।” এলামনাই সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী ওয়াহিদ আলম তুলিত বলেন, “বন্ধুদের সঙ্গে এই আড্ডা মানসিক প্রশান্তি দেয়। আমরা চাই আমাদের সংগঠন শুধু ইফতার বা মিলনেই সীমাবদ্ধ না থেকে আর্তমানবতার সেবায়ও অবদান রাখুক।” অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক দীন ইসলাম, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব তোফাজ্জল হোসেন, বিকেএসপির পরিচালক কর্ণেল গোলাম মাবুদ, পুলিশ ও এলজিইডির কর্মকর্তাসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। ইফতার ও সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। অনুষ্ঠান শেষ হয় নৈশভোজের মাধ্যমে। উপস্থিত সাবেক শিক্ষার্থীরা আয়োজক কমিটির প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পুনর্মিলনী আয়োজনের আশা প্রকাশ করেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৭, ২০২৬ 0
শওকত হোসেন

ছাদখোলা জিপে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণকারী ‘কালা শওকত’ অবশেষে গ্রেফতার

ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহে দুর্বৃত্তদের আগুনে বিএনপি কার্যালয় ধ্বংস

“আমাদের মাকে ফেরত দিন, না হলে হত্যাকারীদের ফাঁসি দিন”

ছবি: প্রতিনিধি
নরসিংদীতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শন, ১৬ জনের মধ্যে উপস্থিত পেলেন ৮ ডাক্তার

নরসিংদীর পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শনিবার (৭ মার্চ) আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি সময়মত কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সকাল সাড়ে ৮টায় হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় দেখা গেছে, হাসপাতালের ২১ জন ডাক্তারের মধ্যে ৫ জন ছুটিতে থাকায় ১৬ জন কর্তব্যরত ছিলেন। এদের মধ্যে মাত্র ৮ জন ডাক্তার নির্ধারিত সময়মতো উপস্থিত ছিলেন, আর ২ জন ডাক্তার পরে আসেন। মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, “আমরা খবর পেয়েছিলাম যে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তাররা সময়মতো আসেন না। আজকের পরিদর্শনে তা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। যারা অনুপস্থিত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” মন্ত্রী পরিদর্শনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ব্যবস্থার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং রোগীদের সুষ্ঠু সেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বারোপ করেছেন।

নরসিংদী মার্চ ৭, ২০২৬ 0

গাজীপুরে শিক্ষার্থীর পোড়া লাশ উদ্ধার, তদন্তে সামনে এলো চাঞ্চল্যকর সত্য

ছবি: প্রতিনিধি

ডোমারে ইফতারিতে কীটনাশক মেশানো পানি পানে  মা ও দুই ছেলে অসুস্থ্য

যুদ্ধের আগেই হরমুজ পেরোনো ১৫ জাহাজ ভিড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে

0 Comments