নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর–কিশোরগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সৈয়দপুর বাস টার্মিনাল ও সংলগ্ন আদানী মোড় এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা যায়।
গণসংযোগকালে আদানী মোড়সহ আশপাশের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় লাঙ্গল প্রতীকের পক্ষে প্রচার চালানো হয়। প্রার্থী স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের মতামত শোনেন।

এ সময় তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া তাকে অনুপ্রাণিত করছে। নিজেকে এলাকার সন্তান উল্লেখ করে তিনি জনগণের সেবা করার অঙ্গীকার করেন।
তিনি আরও বলেন, মানুষ পরিবর্তন ও উন্নয়ন প্রত্যাশা করে। সে লক্ষ্যেই প্রতিটি ওয়ার্ডে সুষম উন্নয়ন, ভয়ভীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশ এবং সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৪ আসনের উন্নয়নের স্বার্থে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট ও দোয়া কামনা করেন তিনি।
বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির সংখ্যালঘু বিষয়ক প্রতিনিধি সাজন কুমার মিস্ত্রী লাঙ্গল প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে তিনি ঝিলবুনিয়া, কামলা, কচুবুনিয়া, হোগলাপাশা, বৌলপুর, শৌলখালী বাজার, পুটিখালী, জিউধরা ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি ঝিলবুনিয়া পীর সাহেব, প্রয়াত সাবেক সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মোজাম্মেল হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য সুধাংশু শেখর হালদারসহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির কবর জিয়ারত করেন। গণসংযোগকালে তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. আকতারুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক শিমুল ফকির, যুবসংহতির উপজেলা সভাপতি মো. মাসুদ রেজা, সাধারণ সম্পাদক আল আমিন ফরাজী পলাশসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। সাজন কুমার মিস্ত্রী বলেন, ক্ষমতার জন্য নয়, এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণেই তিনি রাজনীতি করছেন। মোরেলগঞ্জ-শরণখোলাকে সন্ত্রাসমুক্ত ও উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
শেরপুর-৩ আসনের শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারী মাওলানা রেজাউল করিমকে হত্যার প্রতিবাদে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টায় নব্বইরশী বাসষ্ট্র্যান্ড থেকে মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কলেজ চৌরাস্তা মোড়ে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভায় পরিণত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান সাঈফ, পৌর জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাষ্টার আল আমিন, সহ-সেক্রেটারি রেজাউল করিমসহ বিভিন্ন নেতা। সভায় শাহাদাত বরণকারি মাওলানা রেজাউল করিমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। বক্তারা হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলীমকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
বাগেরহাট-৩ (রামপাল–মোংলা) সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১০ দলীয় জোট প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাওলানা শেখ আব্দুল ওয়াদুদ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রামপাল উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের কালেখারবেড় শহীদ মিনার চত্বরে নির্বাচনী জনসভা করেছেন। রাজনগর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি হাফেজ জিএম ফারুক হোসেন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী বলেন, “আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক। জনগণের সমর্থন পেলে রামপাল–মোংলার উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।” সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাগেরহাট জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. ইকবাল হোসাইন, রামপাল উপজেলা এনসিপির সমন্বয়ক মো. মাজিদুর রহমান জুয়েল, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আলহাজ মল্লিক আব্দুল হাই ও সেক্রেটারি মাওলানা জিহাদুজ্জামান জিহাদ। এছাড়া স্থানীয় নেতাকর্মী ও ছাত্রশিবির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য ভোটারদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।