ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দীর্ঘ ৩৭ বছরের এক ঐতিহ্যভঙ্গ করে বার্ষিক বিমান বাহিনী বৈঠক এ বছর সরাসরি এড়িয়ে গেছেন। মার্কিন সামরিক হুমকির প্রেক্ষাপটে এবং পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা ক্রমবর্ধমান থাকার কারণে খামেনির পরিবর্তে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আবদুর রহিম মুসাভি বিমান বাহিনীর কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
সাধারণত প্রতি ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে আয়োজন করা হয়। তবে এবার শীর্ষ নেতার অনুপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তিনি বা জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত আছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মার্কিন রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ এবং জর্ডানে উচ্চপ্রযুক্তির বিমান ও ড্রোন মোতায়েনের পর সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় খামেনি জনসমক্ষে এড়িয়ে চলছেন।
ইরান-মার্কিন সম্পর্কের চলমান উত্তেজনা, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে মতবিরোধ নতুন করে উস্কে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, খামেনির এই পদক্ষেপ কূটনৈতিক কৌশল বা সম্ভাব্য সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যেতে পারে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি ও নজরদারি ক্রমবর্ধমান থাকায়, ইরানের অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বে এই অনুপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা আলোচনা উস্কে দিয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দীর্ঘ ৩৭ বছরের এক ঐতিহ্যভঙ্গ করে বার্ষিক বিমান বাহিনী বৈঠক এ বছর সরাসরি এড়িয়ে গেছেন। মার্কিন সামরিক হুমকির প্রেক্ষাপটে এবং পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা ক্রমবর্ধমান থাকার কারণে খামেনির পরিবর্তে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আবদুর রহিম মুসাভি বিমান বাহিনীর কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সাধারণত প্রতি ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে আয়োজন করা হয়। তবে এবার শীর্ষ নেতার অনুপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তিনি বা জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত আছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মার্কিন রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ এবং জর্ডানে উচ্চপ্রযুক্তির বিমান ও ড্রোন মোতায়েনের পর সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় খামেনি জনসমক্ষে এড়িয়ে চলছেন। ইরান-মার্কিন সম্পর্কের চলমান উত্তেজনা, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে মতবিরোধ নতুন করে উস্কে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, খামেনির এই পদক্ষেপ কূটনৈতিক কৌশল বা সম্ভাব্য সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যেতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি ও নজরদারি ক্রমবর্ধমান থাকায়, ইরানের অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বে এই অনুপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা আলোচনা উস্কে দিয়েছে।
ইরানকে ঘিরে নতুন করে কড়া অবস্থান নিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করে ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। হোয়াইট হাউস সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুল্কের হার নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না থাকলেও উদাহরণ হিসেবে ২৫ শতাংশের কথা সামনে এসেছে। নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, ইরান থেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পণ্য ও সেবা আমদানিতে যুক্ত কোনো দেশের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করলে সেই রপ্তানির ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপের সুযোগ থাকবে। তবে আদেশে তাৎক্ষণিকভাবে শুল্ক কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করলেও এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প পুনরায় বলেন, ইরানকে কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। তাঁর ভাষায়, কূটনৈতিক সমঝোতা না হলে পরিস্থিতির পরিণতি “খুবই খারাপ” হতে পারে। এই আদেশ জারির সময়ই ওমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে, যা গত জুনে ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার পর প্রথম সরাসরি সংলাপ। আলোচনায় ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা। বৈঠকে মধ্যস্থতা করছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানকে ঘিরে ঘোষিত জাতীয় জরুরি পরিস্থিতির ধারাবাহিকতায় এই নির্বাহী আদেশ জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে প্রেসিডেন্ট প্রয়োজনে আদেশ সংশোধন বা পরিমার্জন করতে পারবেন। আদেশে ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা, সন্ত্রাসে সমর্থন, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, আলোচনার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এটিকে “ইতিবাচক সূচনা” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, আলোচনা শান্ত পরিবেশে হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপে নিজ নিজ রাজধানীতে পরামর্শ শেষে আবার বৈঠকে বসা হবে। উল্লেখ্য, চীন ইরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। এ ছাড়া ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক ও ভারতও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সহযোগী। নতুন এই নির্বাহী আদেশ কার্যকর হলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও কূটনৈতিক অঙ্গনে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ড থেকে ওয়াশিংটনগামী অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে বরুণ অরোরা (৩৮) নামের ভারতীয় এক যাত্রী ঘুমানোর ভান করে পাশে বসা নারী সহযাত্রীর গায়ে বারবার স্পর্শের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ঘটনার সময় ভুক্তভোগী নারী অবতরণের ঠিক আগে অরোরার অশ্লীল আচরণ লক্ষ্য করেন। ফেডারেল তদন্তকারী সংস্থা এফবিআই তদন্তের পর, ভার্জিনিয়ার ফেডারেল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ মঞ্জুর হয়। মামলার তদন্ত ও প্রসিকিউশন পরিচালনা করেছেন বিশেষ সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি ম্যাডিসন মুমা ও সহকারী অ্যাটর্নি রাসেল এল কার্লবার্গ। দোষী সাব্যস্ত অরোরা বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। বিচারক আগামী ৭ মে সাজা নির্ধারণ করবেন; সম্ভাব্য সর্বোচ্চ দণ্ড দুই বছরের কারাদণ্ড। উল্লেখযোগ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বরে ব্রিটেনে ৩৪ বছর বয়সী ভারতীয় নাগরিক জাভেদ ইনামদারকে ২১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ফ্লাইটে কিশোরীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে।