রাজধানীতে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এই ইফতার অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে। দলটির আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে এ আয়োজনের উদ্যোগ নেন।
এর আগে ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। আমন্ত্রণ প্রদান কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে তারেক রহমান তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আগমন করেন। সরকারি ছুটির দিন হলেও তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অধীনস্থ দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, ইসমাইল জবিহউল্লাহ, হুমায়ুন কবির, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এটিএম শামসুল ইসলাম, জাহের উর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা চেয়েছেন। এছাড়া বিকালে তিনি বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত ইফতারে যোগ দেবেন। এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং প্রতি শনিবার সরকারি ছুটির দিনেও অফিস করেছেন।
অমর একুশে বই মেলা-২০২৬ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর মেলার দরজা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এবারের মেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’। মেলা ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন দর্শনার্থীদের জন্য সময় নির্ধারিত হয়েছে বিকেল ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত, ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। তবে রাত সাড়ে ৮টার পর প্রবেশ বন্ধ থাকবে। মেলায় মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, মোট ইউনিট বরাদ্দ ১ হাজার ১৮টি। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বইমেলাকে ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ও অতিথিরা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাগেরহাটের খান আকরাম হোসেনকে খালাস দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক খান আকরামকে মৃত্যুদণ্ড প্রদানের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানির পর আদালত আগের সর্বোচ্চ সাজা বাতিল করে এই সিদ্ধান্ত দেন। ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল তাঁকে এবং আরও ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। মামলায় Khan আকরামের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জে বাড়িঘর লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ এবং মুক্তিকামী ১০ জনের হত্যার অভিযোগ ছিল। এছাড়া কচুয়া ও উদানখালীতে অপহরণ, হত্যার পাশাপাশি নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। দণ্ডপ্রাপ্তরা ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করলে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর আজ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তাঁকে খালাস প্রদান করেন।