জাতীয়

এবার ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে টিকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ এপ্রিল ১৩, ২০২৬


দেশে হামসহ বিভিন্ন রোগে শিশু মৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষিতে টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)।


সোমবার (১৩ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ ও ব্যারিস্টার সানাউল্লাহ নূরে সাগর দুদক চেয়ারম্যানের কাছে এ আবেদন জমা দেন।
আবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যুর ঘটনা জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুতর সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সরকারি পর্যায়ে টিকা ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি এবং এর প্রভাব নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, শিশু মৃত্যুর ঘটনায় প্রশাসনিক দায়-দায়িত্ব নিরূপণের দাবি উঠেছে এবং সামাজিক ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আবেদনে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দায় নির্ধারণে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

ডা. জাহেদ উর রহমান
অন্তর্বর্তী সরকার মবকে প্রশ্রয় দিয়েছে: ডা. জাহেদ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব বা গণপিটুনির ঘটনাকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে সরকারের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। বলেছেন, এতে সমাজে আইন নিজের হাতে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে পিআইডি আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। সরকার এখন “জিরো টলারেন্স” নীতি গ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, কোনো অপরাধ প্রমাণের একমাত্র এখতিয়ার রাষ্ট্রের, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়। অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার নামে পিটিয়ে হত্যা বা শারীরিক আঘাত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। উপদেষ্টা স্বীকার করেন, কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ঘাটতি থাকতে পারে, তবে তা কাটিয়ে উঠতে সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। তিনি নাগরিকদের আইন নিজের হাতে না তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থা রাখার অনুরোধ করেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0

ই-হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

নানক-তাপসের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অভিযোগের শুনানি আজ

ক্রুড সংকটে স্থবির ইস্টার্ন রিফাইনারির তেল পরিশোধন কার্যক্রম

মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্যের একযোগে পদত্যাগ

  জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের পদত্যাগের পর নতুন আইনি কাঠামো ও সংসদে পাস হওয়া সংশোধনী ঘিরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিদায়ী চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীসহ কমিশনাররা। খোলা চিঠিতে তারা বিষয়টি তিনটি অংশে তুলে ধরেন—সংসদে উপস্থাপিত তথ্যের জবাব, সরকারের প্রকৃত আপত্তি চিহ্নিতকরণ এবং ভবিষ্যৎ আইনের মান নির্ধারণ। সংসদে উপস্থাপিত তথ্যের জবাব চিঠিতে বলা হয়, সংসদে গুমের সাজা, তদন্তের সময়সীমা ও জরিমানা সংক্রান্ত বিষয়ে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, বিদ্যমান অধ্যাদেশে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর বিধান রয়েছে এবং তদন্ত ও জরিমানা আদায়ের স্পষ্ট কাঠামো নির্ধারিত ছিল, যা পুনর্বহালকৃত ২০০৯ সালের আইনে অনুপস্থিত। আইনগত কাঠামো ও আইসিটির প্রসঙ্গ চিঠিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন (আইসিটি) কেবল মানবতাবিরোধী অপরাধে প্রযোজ্য, বিচ্ছিন্ন ফৌজদারি গুমের ক্ষেত্রে নয়। ফলে নতুন করে গুম সংক্রান্ত প্রতিকার সীমিত হয়ে পড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। জুলাই সংশ্লিষ্ট সুরক্ষা ও তদন্ত ক্ষমতা কমিশনের মতে, নতুন কাঠামোতে মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত ক্ষমতা বিশেষ করে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে সীমিত করা হয়েছে, যা ভুক্তভোগীদের সুরক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সরকারের আপত্তি প্রসঙ্গে চিঠিতে বলা হয়, সরকার কমিশনের স্বাধীনতা সীমিত করার চেষ্টা করছে বলে তারা মনে করেন। বিশেষ করে কমিশনকে মন্ত্রণালয়ের অধীন করা, নিরাপত্তা বাহিনীর তদন্তে পূর্বানুমতির শর্ত এবং বাছাই কমিটিতে নির্বাহী প্রভাব বাড়ানোর বিষয়গুলো তারা উল্লেখ করেন। ভবিষ্যৎ আইনের মান নির্ধারণ বিদায়ী কমিশনাররা বলেন, নতুন আইন প্রণয়নে অংশীজনদের পরামর্শ থাকলেও, পূর্বের দুর্বল আইন পুনর্বহাল না করে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর মানবাধিকার সুরক্ষা কাঠামো গঠন করা প্রয়োজন ছিল। একইসঙ্গে গুমকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করার ওপর জোর দেন তারা।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0

নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে লড়তে চান ব্যারিস্টার সুমন

এবার ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে টিকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

জামিনে মুক্ত বাউলশিল্পী আবুল সরকার

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট–২ থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা সোয়া ১১টার দিকে তিনি কারামুক্ত হন বলে নিশ্চিত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। ধর্ম অবমাননা ও কটূক্তির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তারের পর তিনি কারাগারে ছিলেন। এর আগে উচ্চ আদালত তাকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন প্রদান করে। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বর মাসে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় একটি পালাগান আসরে তার কথিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর তদন্ত সাপেক্ষে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে তিনি কারাগারে প্রেরিত হন। পরে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে উচ্চ আদালতের জামিনের ভিত্তিতে তিনি মুক্তি পান।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0

টেলিনর গ্রুপ প্রধানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগে সরকার: মাহদী আমিন

0 Comments