বিশ্ব

আইআরজিসি

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবার ভারত মহাসাগরে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারে

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ মার্চ ৪, ২০২৬

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বুধবার (৪ মার্চ) ভারত মহাসাগরে মোতায়েন একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ও জ্বালানি ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’ এর আওতায় শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানেছে।

আইআরজিসির দাবি, হামলায় মার্কিন নৌযান এবং জ্বালানি পরিবাহী জাহাজ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়েছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত ‘কদর-৩৬০’ ও ‘তালাইয়েহ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাব হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।
ঘটনার পর মার্কিন নৌবাহিনীর উদ্ধার তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। সামরিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, ভারত মহাসাগরে এ ধরনের সরাসরি আক্রমণ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে নতুন ও আরও বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে দিতে পারে। পেন্টাগন এখনো হামলার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রদান করেনি।

মোহাম্মদ মোখবার
আলোচনা নয়, যতদিন প্রয়োজন যুদ্ধ চালাতে প্রস্তুত ইরান: খামেনির শীর্ষ সহযোগী

ইরানের রাজনৈতিক উচ্চপদস্থ নেতা মোহাম্মদ মোখবার স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের কূটনৈতিক আলোচনা চালাতে আগ্রহী নয়। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ওয়াশিংটনের প্রতি আমাদের কোনো আস্থা নেই, আর তাদের সঙ্গে আলোচনা চালানোর কোনো ভিত্তি নেই।” ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনরত মোখবার আরও জানান, তেহরান প্রয়োজনে ‘যতদিন দরকার’ চলমান সংঘাতের মধ্যেই অবস্থান বজায় রাখতে প্রস্তুত। তাঁর মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ইরান কোনো আংশিক সমঝোতা বা আলোচনার পথ গ্রহণ করবে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, মোখবারের এই অবস্থান মার্কিন নেতৃত্বাধীন প্রতিক্রিয়ার সীমাবদ্ধতার দিকে ইঙ্গিত করছে এবং ইরানের কৌশলগত স্থিতিশীলতা ও সামরিক প্রস্তুতি আরও দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের দিকে নির্দেশিত হতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মজুত সংকটে: পেন্টাগনের সতর্কবার্তা

ইরান অভিযানে সেনা ও যুদ্ধফোর্সের সংখ্যা জানাল যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েল কাৎজ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের

ইরানের আইআরজিসি’র নিয়ন্ত্রণে পুরো হরমুজ প্রণালি

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ঘোষণা করেছে যে বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত নৌপথ, হরমুজ প্রণালি, এখন সম্পূর্ণভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নৌবাহিনী এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এবং যেকোনো চলাচলরত জাহাজ এখন ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলার উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আইআরজিসির নৌ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আকবরজাদেহ সতর্ক করে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে যেকোনো তেলবাহী জাহাজ চলাচল করলে তা সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্য হতে পারে। এ ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। এর ঠিক এক দিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে চলাচলরত তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে সুরক্ষার জন্য মার্কিন নৌবাহিনী এসকর্ট দিতে প্রস্তুত। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই তাদের কূটনৈতিক কর্মীদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে। সৌদি আরব, ওমান এবং সাইপ্রাসে অবস্থানরত দূতাবাসের কর্মকর্তা ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা কারণে স্থানান্তরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ও নৌ-পরিবহনকে মারাত্মক অনিশ্চয়তার মুখে ফেলতে পারে এবং বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবার ভারত মহাসাগরে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারে

সৌদিতে সিআইএ স্থাপনায় ড্রোন হামলা

ইরান যুদ্ধের পূর্ণ দায়ভার স্বীকার করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

মোজতবা খামেনি
খামেনির পুত্র মোজতবা হলেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিক পরিবর্তন ঘটেছে। দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি–এর মৃত্যুর পর তার পুত্র মোজতবা খামেনি–কে নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সংবিধানসম্মত প্রক্রিয়ার আওতায় ‘এসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ক্ষমতাসীন নিরাপত্তা কাঠামো, বিশেষত বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)–এর প্রভাব এই নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে; যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। ১৯৬৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মাশহাদে জন্মগ্রহণকারী মোজতবা খামেনি দীর্ঘদিন ধরে ‘অফিস অব দ্য সুপ্রিম লিডার’-এর কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ধর্মীয় শিক্ষা ও সামরিক কাঠামোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে তিনি ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার বলয়ে প্রভাবশালী হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিলেন। তার নেতৃত্ব গ্রহণের সময় ইরান আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে অবস্থান করছে। নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে তিনি এখন সংবিধান নির্ধারিত ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় আনুষ্ঠানিকভাবে অবতীর্ণ হলেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ

জায়নবাদ মানবতার জন্য হুমকি, ইরান যুদ্ধ আরোপিত: পাকিস্তান

ছবি: প্রতিনিধি

সিডনিতে লিবারেল পার্টির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

তাড়াহুড়োয় দুবাই ছাড়ছেন ধনকুবেররা, প্রাইভেট জেটের খরচ আকাশছোঁয়া

0 Comments