চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় এক বাবার (৩৭) বিরুদ্ধে নিজের মেয়েকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এতে ভুক্তভোগী কিশোরী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বসতবাড়ি তালাবদ্ধ করে দিয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি মাদরাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান।
স্থানীয়রা জানান, শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের অভিযুক্ত ব্যক্তি তার মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন। সম্প্রতি ওই কিশোরীর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ্য করলে তার মা তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই কিশোরী প্রায় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
পরে বিষয়টি বাড়িতে জানাজানি হলে কিশোরীর মা ও বাবার মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। এই ঘটনায় লজ্জা ও আতঙ্কে গত ৭ দিন আগে কিশোরীকে গর্ভপাত করানোর উদ্দেশ্যে তার মা পাশের উপজেলায় নানাবাড়ি নিয়ে যান। কিন্তু বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগীর মামার বাড়ির এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য মোশাররফ হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কিশোরীর পরিবারকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চাপ দেন। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলতে থাকলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এলাকাবাসী। এরপর মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে বিক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্তের বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে ঘটনা জানতে পেরে ভুক্তভোগীর বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়েছি। সেখানে বাড়িতে তালাবদ্ধ পেয়ে তার নানার বাড়িতে খোঁজ নিয়েও ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় এক বাবার (৩৭) বিরুদ্ধে নিজের মেয়েকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এতে ভুক্তভোগী কিশোরী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বসতবাড়ি তালাবদ্ধ করে দিয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি মাদরাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান। স্থানীয়রা জানান, শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের অভিযুক্ত ব্যক্তি তার মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন। সম্প্রতি ওই কিশোরীর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ্য করলে তার মা তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই কিশোরী প্রায় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে বিষয়টি বাড়িতে জানাজানি হলে কিশোরীর মা ও বাবার মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। এই ঘটনায় লজ্জা ও আতঙ্কে গত ৭ দিন আগে কিশোরীকে গর্ভপাত করানোর উদ্দেশ্যে তার মা পাশের উপজেলায় নানাবাড়ি নিয়ে যান। কিন্তু বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভুক্তভোগীর মামার বাড়ির এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য মোশাররফ হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কিশোরীর পরিবারকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চাপ দেন। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলতে থাকলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এলাকাবাসী। এরপর মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে বিক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্তের বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে দেয়। শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে ঘটনা জানতে পেরে ভুক্তভোগীর বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়েছি। সেখানে বাড়িতে তালাবদ্ধ পেয়ে তার নানার বাড়িতে খোঁজ নিয়েও ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।
নরসিংদীর কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরা গাজীপুরের মাওনা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল ফারুক এই তথ্য নিশ্চিত করেন। একই সময়ে হযরত আলী নামে আরও একজন আসামিকে ময়মনসিংহের গৌরিপুর থেকে আটক করা হয়েছে। এতে মামলা দায়েরের পর ৯ আসামির মধ্যে সাতজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করল। মামলায় বলা হয়েছে, ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে পরিকল্পিতভাবে তার বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর হত্যা করা হয়। নিহতের মা বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে মাধবদী থানায় মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার সকালে কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের স্বজনরা জানান, ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে কয়েকজন মেয়েকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা মেয়েটিকে খালার বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে পাঁচ যুবক বাবার কাছ থেকে মেয়েটিকে ছিনিয়ে নেন।
ভোলার সদর উপজেলায় তরুণী ইসরাতকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নগ্ন ভিডিও ধারণ ও ধর্ষণের চেষ্টা, সাথে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে মোঃ সবুজ বেপারীকে (৪০) গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। মামলায় আরেক আসামী মোঃ শুভ (৩৫)কে আটকের চেষ্টা চলছে। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সবুজ ও শুভ একই এলাকার বাসিন্দা তন্ময় ও ইসরাতকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নগ্ন ভিডিও ধারণ করেন। পরে তারা নগদ ৪,০০০ টাকা নিয়ে যায় এবং ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে আরও টাকা দাবি করে। পরদিন ভোরে সবুজ ইসরাতকে কবরস্থানের পাশে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ভুক্তভোগীর পিতা নজরুল ইসলাম স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ২০ ফেব্রুয়ারি ভোলা সদর থানায় মামলা (নং ৩৬) দায়ের করেন। সদর মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত সবুজকে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার জন্য তারা সর্বদা প্রস্তুত।