নওগাঁ ও কক্সবাজারে পৃথক ঘটনায় সাতজনের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে ও মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভোরে সংঘটিত এ দুটি ঘটনায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
নওগাঁ-এর নিয়ামতপুর উপজেলাে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের একটি বাড়ি থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের দুই সন্তান রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, আর্থিক লেনদেন ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের উদ্দেশ্যে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে।
অন্যদিকে, কক্সবাজার-এর টেকনাফ উপজেলাে বাহারছড়া ইউনিয়নের গহিন পাহাড়ি এলাকায় তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের হত্যা করা হয়েছে।
উভয় ঘটনায় পৃথকভাবে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি শ্বশুর আব্দুল ওয়াহাব (৬০) গ্রেফতার হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে চান্দগাঁও এলাকা থেকে র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ এপ্রিল দুপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলার রসাইতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর স্বামী শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত শ্বশুর কৌশলে পুত্রবধূকে ঘরে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার সময় এক প্রতিবেশী নারী বিষয়টি দেখে ফেললে তা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করলেও তিনি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ১৪ এপ্রিল ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে আসছিল। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রামে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান বলেন, “অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য। নিহতরা হলেন- বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), হাবিবুরের স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫) এবং তাদের দুই ছেলেমেয়ে পারভেজ (৯) ও সাদিয়া আক্তার (৩)। প্রতিবেশীরা জানান, রাতের অন্ধকারে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা জানা যায়নি।
বরিশালে অবৈধভাবে মজুদ ও পরিবহনের অভিযোগে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলসহ একটি পিকআপ জব্দ করেছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই)। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গৌরনদী উপজেলার সরিকল বন্দরের একটি গোডাউন এলাকা থেকে জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত তেলের মধ্যে রয়েছে প্রায় ২,৪০০ লিটার ডিজেল, ৬০০ লিটার অকটেন এবং ২০০ লিটার পেট্রোল। একই অভিযানে বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর এলাকার একটি দোকান থেকেও আরও জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। এনএসআই সদস্যরা জানান, একটি পিকআপে করে অবৈধভাবে এসব জ্বালানি তেল মজুদের উদ্দেশ্যে পরিবহন করা হচ্ছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তা আটক করা হয়। পরে জব্দ করা জ্বালানি তেল ও সংশ্লিষ্ট মালামাল ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। অবৈধ মজুদ ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।