বিশ্ব

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি, নেতানিয়াহু চ্যালেঞ্জে

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ এপ্রিল ৮, ২০২৬


পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বুধবার (৭ এপ্রিল) ঘোষণা করেছেন, তার দেশের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও তাদের মিত্ররা লেবাননসহ সব প্রান্তে অবিলম্বে কার্যকর দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। 
ইসলামাবাদে আগামী শুক্রবার দু’দেশের প্রতিনিধিদলকে বৈঠকের জন্য স্বাগত জানানো হবে, যেখানে চূড়ান্ত সমঝোতার আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। শাহবাজ আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই ‘ইসলামাবাদ আলোচনা’ টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর হবে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছে, তার দেশ এই যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত নয় এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে। নেতানিয়াহু স্পষ্ট করেছেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য ইরানকে এমন অবস্থানে নিয়ে আসা যাতে তারা পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্র বা সন্ত্রাসী হুমকি তৈরি করতে না পারে। যদিও ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যকে সমর্থন জানাচ্ছে, তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে লেবাননের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কোনও ছাড় নেই।
এই অবস্থার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ কঠিন হয়ে উঠেছে, যেখানে ইসলামাবাদে আসন্ন আলোচনাই সম্ভাব্য সমাধানের মূল কেন্দ্রে রয়ে যাচ্ছে।

 

মারিয়া জাখারোভা
‘শোচনীয় পরাজয়’ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের: রাশিয়া

ইরানের ওপর পরিচালিত সামরিক হামলাকে “একতরফা ও উসকানিবিহীন আগ্রাসন” হিসেবে অভিহিত করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছে রাশিয়া।  দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বুধবার (৮ এপ্রিল) স্পুতনিক রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, এই অভিযানে ওয়াশিংটন ও তেলআবিব “শোচনীয় পরাজয়” বরণ করেছে। তিনি বলেন, রাশিয়া শুরু থেকেই এই সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে এবং দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে। জাখারোভার ভাষ্য অনুযায়ী, চলমান পরিস্থিতির কোনো সামরিক সমাধান নেই; বরং কূটনৈতিক উদ্যোগই একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ। রাশিয়ার অভিযোগ, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালায়। যদিও এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভিন্নমত লক্ষ্য করা গেছে, মস্কো পুনরায় সংলাপভিত্তিক সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় চূড়ান্ত ১০ শর্ত

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি, নেতানিয়াহু চ্যালেঞ্জে

হরমুজ প্রণালিতে নৌপথ নিরাপদ রাখার দায়িত্ব নেবে যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার পদে আলোচনায় আরিফ খানের নাম

ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে অপ্রচলিত এক নাম ঘিরে কূটনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। পেশাদার কূটনীতিকের বাইরে গিয়ে বিহারের সদ্য সাবেক রাজ্যপাল ও অভিজ্ঞ রাজনীতিক আরিফ মোহাম্মদ খানকে এ পদে বিবেচনার ইঙ্গিত মিলেছে একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে। সূত্রগুলো বলছে, বর্তমান হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নকেন্দ্রিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ব্রাসেলসে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে ঢাকায় তার উত্তরসূরি নির্বাচন নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পর্যালোচনা চলছে। ভারতের কূটনৈতিক নীতিমালায় রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনার পদে শুধুমাত্র ক্যারিয়ার ডিপ্লোম্যাট নিয়োগের বাধ্যবাধকতা না থাকায়, বিশেষ কৌশলগত বিবেচনায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদেরও এ ধরনের দায়িত্ব দেওয়া হয়ে থাকে—এমন নজির অতীতে রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই আরিফ মোহাম্মদ খানের নাম সামনে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আরিফ খান দীর্ঘদিন ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং একাধিকবার মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৬ সালের ‘মুসলিম মহিলা (বিবাহবিচ্ছেদে অধিকার সুরক্ষা) বিল’ ইস্যুতে নীতিগত বিরোধের জেরে মন্ত্রিসভা ত্যাগের ঘটনা তার রাজনৈতিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত। পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে সম্পৃক্ত থেকে তিনি শেষ পর্যন্ত বিজেপিতে যোগ দেন এবং সর্বশেষ বিহারের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কূটনৈতিক মহলের বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, এমন উচ্চপ্রোফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে তা হবে একটি ব্যতিক্রমধর্মী পদক্ষেপ, যার কৌশলগত তাৎপর্য আঞ্চলিক রাজনীতি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0

দেশ পুনর্নির্মাণেই হরমুজ প্রণালির ফি ব্যয় করবে ইরান

‘কৌশলগত জয়ের’ দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

ইরানের খারগ দ্বীপে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

ইরানের জ্বালানি খাতের কেন্দ্রবিন্দু খারগ দ্বীপে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহরের বরাতে জানা গেছে, দ্বীপটিতে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণ সংঘটিত হলেও এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই খারগ দ্বীপ থেকেই ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ পরিচালিত হয়, ফলে ঘটনাটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈদেশিক বাণিজ্যে সম্ভাব্য প্রভাব ফেলতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে। এ ঘটনার পরও এখন পর্যন্ত কোনো রাষ্ট্র বা পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে দায় স্বীকার করেনি। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েলের পক্ষ থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পূর্বে একাধিকবার খারগ দ্বীপসহ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় হামলার হুমকি প্রদান করেছিলেন। গত ৩০ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র এবং খারগ দ্বীপ ধ্বংসের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0

ইরানের জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত ১.৪ কোটি নাগরিক: পেজেশকিয়ান

মার্কিন কংগ্রেসে ট্রাম্পকে অপসারণে ২৫তম সংশোধনীর আহ্বান

যুদ্ধ পরিস্থিতি সামলাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন ট্রাম্প

0 Comments