বিশ্ব

ইসলামাবাদ সফর শেষে নিজ দেশে ফিরল ইরানের প্রতিনিধিদল

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ এপ্রিল ১২, ২০২৬


ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠক ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিক সফর সমাপ্ত করে নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করেছে ইরানের প্রতিনিধিদল। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। 
প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও পাকিস্তানের রাজধানী ত্যাগ করেন। প্রস্থানের পূর্বে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, সংশ্লিষ্ট বৈঠকে কোনো কার্যকর সমঝোতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং তেহরান ওয়াশিংটনের উপস্থাপিত প্রস্তাবসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছে।

 

হরমুজ প্রণালির বাইপাস তেল পাইপলাইন পুনরুদ্ধার করল সৌদি আরব

হরমুজ প্রণালিকে পাশ কাটিয়ে পূর্ব–পশ্চিম রুটে তেল পরিবহনের কৌশলগত পাইপলাইন পুনরায় সচল করেছে সৌদি আরব, যা আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রোববার (১২ এপ্রিল) দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী জানান, প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনটি দীর্ঘ মেরামত শেষে আবার কার্যক্রমে ফিরেছে। হরমুজ প্রণালি বাইপাস করে বৈশ্বিক বাজারে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করাই এই অবকাঠামোর মূল উদ্দেশ্য। সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, পূর্বে সংঘাতে এই কৌশলগত পাইপলাইনটি হামলার শিকার হয়ে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে দৈনিক বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন ব্যাহত হয়েছিল। পুনরায় চালুর পর এর সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে জানানো হয়েছে। জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পাইপলাইনটি পূর্ণমাত্রায় চালু হলে সৌদি আরবের রপ্তানি সক্ষমতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং হরমুজ প্রণালিনির্ভরতা কমে যাবে। অন্যদিকে, চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে এই উন্নয়নকে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ বন্ধ করছেন ট্রাম্প

এক বৈঠকে সমঝোতা আশা “অবাস্তব”: পাক-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামাবাদ সফর শেষে নিজ দেশে ফিরল ইরানের প্রতিনিধিদল

ইরান যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনে উত্তপ্ত ইসরায়েল

ইসরায়েলের তেল আবিবে সরকারবিরোধী ও ইরান যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে আদালত-নির্ধারিত জনসমাগম সীমা উপেক্ষা করে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।  শনিবার (১১ এপ্রিল) হাবিমা স্কয়ারে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে অন্তত দুই হাজার বিক্ষোভকারী অংশ নেয় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, যদিও আদালতের নির্দেশনায় সর্বোচ্চ এক হাজার জনের সীমা নির্ধারিত ছিল। জননিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আরোপিত এই বিধিনিষেধ উপেক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলনামূলক সংযত ভূমিকা পালন করে এবং বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষ ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। টানা ষষ্ঠ সপ্তাহ ধরে চলমান এই আন্দোলনে বামপন্থী ও সরকারবিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন অংশ নিচ্ছে। তাদের প্রধান দাবি ছিল ইরান যুদ্ধের অবসান, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের বিচার এবং অতি-অর্থোডক্স জনগোষ্ঠীর সামরিক সেবা সংক্রান্ত নীতির বিরোধিতা। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষ এদিন বিক্ষোভে অংশ নেয়। সমাবেশে বক্তারা সরকারের বিরুদ্ধে ‘স্থায়ী জরুরি পরিস্থিতি’ তৈরি করে গণতান্ত্রিক অধিকার সংকুচিত করার অভিযোগ তোলেন। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে জেরুজালেম ও হাইফাতেও। জেরুজালেমে ব্যারিকেড ভাঙার অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হলেও পরে জরিমানা সাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়ে তেল আবিবে সমাবেশ সীমা ১ হাজার এবং হাইফায় ১৫০ জন নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি জনসমাগম ঘটে। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, শুধুমাত্র সংখ্যাগত সীমা অতিক্রম করলেই তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করা আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়, বিশেষ করে নির্দিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি সীমিত থাকলে। বর্তমান যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতি সত্ত্বেও উত্তর ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর সঙ্গে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো জটিল রয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0

পাকিস্তান আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ‘সৎ উদ্দেশ্য’ ছিল বলে দাবি ভ্যান্সের

যুদ্ধে যা পায়নি আলোচনায় তাই নিতে এসেছিল যুক্তরাষ্ট্র: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের ‘অযৌক্তিক শর্তে’ ভেস্তে গেল ইরান–যুক্তরাষ্ট্র শান্তি সংলাপ: ইরানি মিডিয়া

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ
পাকিস্তানের উদ্যোগ ব্যর্থ, ভেস্তে গেলো সব আয়োজন

কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের প্রস্তুতির মধ্যেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা ছাড়াই সমাপ্ত হয়েছে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টা ধরে চলা এই সংলাপ শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসূ না হওয়ায় কূটনৈতিক অচলাবস্থার ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছে। আলোচনায় অংশ নেওয়া মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকা জে. ডি. ভ্যান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্র তার নির্ধারিত ‘রেড লাইন’ বা অনড় শর্তসমূহ স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করলেও ইরান তা গ্রহণে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। ফলে কোনো কার্যকর সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ওয়াশিংটনের ‘অতিরিক্ত ও বেআইনি দাবি’ই আলোচনায় অগ্রগতির পথে প্রধান অন্তরায়। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে সংযত অবস্থান গ্রহণ এবং ইরানের বৈধ অধিকার স্বীকৃতির আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, এই সংলাপের আগে পাকিস্তান সরকার দুই দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা এবং প্রায় ১০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েনসহ নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আলোচনার অংশ হিসেবে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে পৃথক বৈঠকও করেন। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-নিরাপত্তা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসানসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতৈক্যের অভাবে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক অগ্রগতির বিষয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0

সৌদিতে দেয়াল ধসে নোয়াখালী প্রবাসীর মৃত্যু

ইরানের পূর্বশর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানি প্রতিনিধিদলের বৈঠক সম্পন্ন

0 Comments